Author: ডেস্ক রিপোর্ট

যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত ধনকুবের ও দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে প্রকাশিত নতুন বিপুল নথি আবারও বিশ্বরাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন তুলেছে। প্রায় ৩০ লাখের বেশি নথি, লাখো ছবি ও হাজারের কাছাকাছি ভিডিও প্রকাশের পর একে একে উঠে আসছে প্রভাবশালী রাষ্ট্রনেতা, ব্যবসায়ী ও ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের নাম। এরই ধারাবাহিকতায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম সামনে আসার পর এবার আলোচনায় যুক্ত হলো বাংলাদেশের সাবেক ও বর্তমানে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম। যদিও নথিতে সরাসরি শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে যে পরিচয় দেওয়া হয়েছে, তাতে সন্দেহের খুব একটা অবকাশ থাকছে না। নতুন প্রকাশিত নথিগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এপস্টেইনের টিমের সঙ্গে…

Read More

মার্কিন বিচার বিভাগ দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিন–সংক্রান্ত বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশ করেছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠার নথি, ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং প্রায় ২ হাজার ভিডিও জনসমক্ষে আনা হয়। নতুন প্রকাশিত নথিগুলোর মধ্যে একটি ইমেইলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম উল্লেখ রয়েছে। ওই ইমেইলে মোদির ২০১৭ সালে ইসরায়েল সফরের প্রসঙ্গ তোলা হয়েছে। ইসরায়েলি সংবাদপত্র জেরুজালেম পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইমেইলটিতে দাবি করা হয়েছে যে, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করার উপায় জানতে মোদি এপস্টিনের কাছ থেকে পরামর্শ চেয়েছিলেন। এপস্টিন নিজেই নাকি ইমেইলে এই দাবি করেছেন। ইমেইলটিতে এপস্টিন লিখেছেন বলে জানা যায়, তিনি মোদিকে…

Read More

খুলনা নগরের খালিশপুর এলাকার প্রভাতী স্কুল মাঠ সোমবার দুপুরে ছিল মানুষের ঢল, স্লোগান আর প্রত্যাশার উত্তাপে মুখর। দীর্ঘ ২২ বছর পর এই জনপদে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে আসেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুপুর সাড়ে ১২টার কিছু পর মাঠে প্রবেশের মুহূর্তেই করতালি, উচ্ছ্বাস আর ধানের শীষের প্রতীকে রঙিন হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। মঞ্চে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানান তিনি, আর শুরু করেন প্রায় ২৭ মিনিটের এক বক্তব্য—যার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল নারীর মর্যাদা, রাজনীতির নৈতিকতা, ভোটাধিকার ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি একটি রাজনৈতিক দলের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। কর্মজীবী নারীদের নিয়ে করা সেই মন্তব্যকে তিনি আখ্যা দেন ‘কলঙ্কজনক’…

Read More

রসুন মানুষের ইতিহাসের সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে, তাকে শুধু একটি খাদ্য উপাদান হিসেবে দেখলে তার আসল গুরুত্ব ধরা পড়ে না। সভ্যতার শুরু থেকেই রসুন ছিল মানুষের খাদ্য, চিকিৎসা, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির অংশ। আজকের দিনে রান্নাঘরের এক সাধারণ উপকরণ হিসেবে যে রসুনকে আমরা দেখি, তার পেছনে রয়েছে হাজার হাজার বছরের ইতিহাস, যুদ্ধের গল্প, শ্রমজীবী মানুষের জীবনসংগ্রাম, চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রাচীন ধারণা এবং কখনো কখনো সামাজিক শ্রেণিবিভাজনের চিহ্ন। প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ থেকে জানা যায়, প্রায় দশ হাজার বছর আগে গুহাবাসী মানুষও রসুন খেত। এটি ছিল সেই সময়কার মানুষের কাছে সহজলভ্য, দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য এবং শরীরকে শক্তি জোগানো একটি খাদ্য। ধীরে ধীরে মানুষ যখন কৃষিকাজে অভ্যস্ত…

Read More

In Bangladesh, Islam has never been merely a set of rituals. For millions, it is a moral compass, a language of compassion, justice, dignity, and restraint. It is learned first not from books, but from mothers’ prayers, fathers’ honesty, neighbors’ generosity, and the quiet certainty that faith should make a person kinder, not crueler. Yet today, a growing number of Bangladeshis find themselves asking a painful question: is the Islam practiced in public life the same Islam we dreamed of? The Islam many people grew up with spoke of adl—justice—as a sacred obligation, of rahmah—mercy—as the heart of belief, and…

Read More

কর্মজীবী নারীদের বিষয়ে একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন শফিকুর রহমান—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির। তার ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত একটি পোস্ট মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। পোস্টে কর্মজীবী নারীদের ভূমিকা ও আধুনিক জীবনযাপন নিয়ে এমন ভাষা ব্যবহার করা হয়, যা অনেকের কাছে অবমাননাকর ও নারী বিদ্বেষী বলে মনে হয়েছে। সমালোচনা যখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে, তখনই জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়—অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছিল এবং ওই পোস্টটি তাদের অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না। ঘটনার সময়রেখা ও প্রতিক্রিয়া এই বিতর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে। জামায়াতের ভাষ্য…

Read More

পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে বালুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটাসহ অন্তত ১২টি শহরে একযোগে সংঘটিত সাম্প্রতিক হামলাগুলো। সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, এই হামলা ও পাল্টা অভিযানে দুই দিনে মোট ১০৮ জন ‘জঙ্গি’ নিহত হয়েছে। তবে নিহতের সংখ্যা, পরিচয় এবং প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে সরকারি দাবি ও স্বাধীন সূত্রের তথ্যের মধ্যে পার্থক্য থাকায় বিষয়টি ঘিরে প্রশ্নও বাড়ছে। বিশেষ করে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা এবং হামলার ব্যাপকতা নিয়ে স্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখনো প্রকাশ পায়নি। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কোয়েটা ছাড়াও মাসতুং, পাসনি, গোয়াদার, খারান, নুশকি, মাখসহ বালুচিস্তানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে হামলার চেষ্টা চালানো হয়। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু…

Read More

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন ইসলামি রাজনৈতিক দল ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ধর্মীয় অনুভূতিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। এই দলগুলোর নেতারা ভোটারদের মধ্যে প্রচার চালিয়ে বলছেন, তাদের দলে ভোট দেওয়া একটি ধর্মীয় কর্তব্য এবং তা পালন করলে পরকালে মুক্তি ও মৃত্যুর পর জান্নাতে প্রবেশ নিশ্চিত হবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের নেতারা নির্বাচনী জনসভায় ইসলামি শিক্ষার বিকৃতি ঘটিয়ে বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা তুলে ধরে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগও রয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধির এমন স্পষ্ট লঙ্ঘন সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) এখন পর্যন্ত ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের দায়ে কোনো…

Read More

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) জানিয়েছে, গত বছরের ডিসেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে গণপিটুনি বা মব সন্ত্রাসে নিহতের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। একই সময়ে বেড়েছে অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার, কারা হেফাজতে মৃত্যু, রাজনৈতিক ও নির্বাচনী সহিংসতা এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনাও। সংগঠনটির ভাষায়, জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশের সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও জটিল, সহিংস ও উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। শনিবার প্রকাশিত জানুয়ারি মাসের মানবাধিকার প্রতিবেদনে এমএসএফ বলেছে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ও নিজেদের অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এই চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে মব বা গণপিটুনির ২৮টি ঘটনা ঘটেছে, যাতে নিহত হয়েছেন ২১ জন। আগের মাস ডিসেম্বরে এ ধরনের ২৪টি ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ছিল…

Read More

বিশ্বব্যবস্থা এখন এক অদ্ভুত, অনিশ্চিত মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে—যেখানে পুরোনো নিয়মগুলো ভাঙছে, কিন্তু নতুন কোনো স্থায়ী কাঠামো এখনও স্পষ্ট হয়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে যে উদার বিশ্বব্যবস্থা তৈরি হয়েছিল, তার মূল উদ্দেশ্য ছিল আরেকটি বৈশ্বিক যুদ্ধ ঠেকানো। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই গড়ে ওঠে জাতিসংঘ, আইএমএফ এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংক—নিয়ম, প্রতিষ্ঠান আর সমঝোতার এক জাল। এই কাঠামো নিখুঁত ছিল না; ভিয়েতনাম থেকে মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত যুদ্ধ হয়েছে, সামরিক হস্তক্ষেপ হয়েছে, শক্তির রাজনীতিও চলেছে। তবু একটি বিশ্বযুদ্ধ আর হয়নি—এই একটি সত্যই বলে দেয়, ব্যবস্থাটি পুরোপুরি ব্যর্থও ছিল না। কোল্ড ওয়ার শেষ হওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন, ইতিহাস বুঝি চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছেছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর…

Read More