…
এডিটর পিক
বাংলাদেশে তারা এখন অপরাধী, পলাতক, রাষ্ট্রদ্রোহী। কারও বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ, কারও বিরুদ্ধে হত্যা, কারও…
Trending Posts
-
কর্মজীবী নারীদের বিষয়ে পোস্ট নিয়ে বিতর্কে জামায়াত, অ্যাকাউন্ট হ্যাকের দাবি
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রসুনের উদ্ভবের ইতিহাস: যেভাবে এলো আমাদের রান্নাঘরে
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
কর্মজীবী নারীদের বিষয়ে পোস্ট নিয়ে বিতর্কে জামায়াত, অ্যাকাউন্ট হ্যাকের দাবি
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রসুনের উদ্ভবের ইতিহাস: যেভাবে এলো আমাদের রান্নাঘরে
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ধর্মীয় আইনের উৎস, বিবর্তন এবং আধুনিক প্রভাব
- ভারতে বসে বাংলাদেশে ফেরার ছক কষছে পলাতক আওয়ামী লীগ
- ২০২৬ সালে আত্মধ্বংসের পথে হাঁটবে আমেরিকা
- নির্বাচনী প্রচারণায় আক্রমণের নতুন হাতিয়ার এআই দিয়ে বানানো ভিডিও, কী করছে ইসি?
- এপস্টেইন ফাইলে শেখ হাসিনার নাম
- ট্রাম্পকে খুশি করতে ইসরায়েলে নেচেছিলেন মোদি
- কর্মজীবী নারীদের নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে যা বললেন তারেক রহমান
- রসুনের উদ্ভবের ইতিহাস: যেভাবে এলো আমাদের রান্নাঘরে
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া আর্থ-সামাজিক অসন্তোষ এখন ইরানে একটি বিশাল সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে, যা ২০২৬ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত অব্যাহত ও তীব্র হয়ে উঠেছে। শুরুতে এটি মূল্যস্ফীতি, রিয়ালের অবমূল্যায়ন ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ক্ষুব্ধ জনগণের বিরোধের মতো হলেও দ্রুতই রাজনৈতিক ভাবধারায় পড়েছে এবং সরকারের অবসান ও বিশ্বাসযোগ্য শাসন দাবিতে রূপান্তরিত হয়েছে। ইরানের প্রায় সব প্রধান শহর — তেহরান, মাশহাদ, ইসমেফাহান, কিউম, আব্বাস ও অন্যান্য শহরে বিক্ষোভকারীরা সমাবেশ করছে, তারা সরকারের কঠোর শাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে এবং অনেক স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ হচ্ছে। সরকারি কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ইন্টারনেট ও টেলিফোন যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া…
২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শুধু একটি তারিখ নয়, এটি একটি মোড়, যার প্রভাব আজও আলোচনায় ফিরে ফিরে আসে। সেই দিনের ঘটনাপ্রবাহ হঠাৎ করে তৈরি হয়নি; বরং এর পেছনে ছিল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থা, পারস্পরিক অবিশ্বাস, আন্তর্জাতিক চাপ এবং সেনাবাহিনীর নীরব কিন্তু গভীর উদ্বেগ। দিনের আলোয় যা দেখা গিয়েছিল, তার চেয়েও বেশি কিছু ঘটেছিল পর্দার আড়ালে—যেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছিল দ্রুত, কিন্তু তার অভিঘাত ছিল দীর্ঘস্থায়ী। ২০০৬ সালের শেষ দিক থেকেই পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, সেই প্রশ্নে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘাত রাস্তায় গড়ায়। হরতাল, অবরোধ, সংঘর্ষ—সব মিলিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশ কার্যত অচল…
মধ্যযুগের ভারত মানেই যেন একটানা ক্ষমতার টানাপোড়েন, রাজসিংহাসনের দখল নিয়ে অবিরাম যুদ্ধ, আর ইতিহাসের পাতায় বারবার নাম বদল। সেই অস্থির সময়েই হঠাৎ করে উঠে আসেন এক মানুষ—হেমচন্দ্র, যিনি ইতিহাসে বেশি পরিচিত হিমু নামে। সাধারণ এক পরিবারে জন্ম নেওয়া এই মানুষটি অল্প সময়ের মধ্যেই হয়ে ওঠেন এমন একজন সেনানায়ক, যাকে কেউ কেউ ডাকেন ‘মধ্যযুগের নেপোলিয়ন’, আবার কেউ তুলনা করেন সমুদ্রগুপ্তের সঙ্গে। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার হলো, এতগুলো যুদ্ধে জেতা মানুষটি শেষ পর্যন্ত ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকলেন একটি ছোট ভুলের কারণে, যা তাকে এনে দেয় পরাজয়, আর ভারতীয় ইতিহাসকে নিয়ে যায় এক ভিন্ন পথে। হিমুর জন্ম হরিয়ানার রিওয়ারি অঞ্চলের এক সাধারণ পরিবারে। পারিবারিক…
কলম্বিয়ার রাজনীতিতে সাম্প্রতিক দিনগুলো অস্বাভাবিক উত্তেজনায় ভরা। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে প্রকাশ্য উদ্বেগ জানিয়ে যখন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো বিবিসিকে বলেন যে এটি একটি ‘বাস্তব হুমকি’, তখন বিষয়টি আর কূটনৈতিক বক্তব্যের সীমায় থাকেনি। লাতিন আমেরিকার ইতিহাসে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের স্মৃতি এখনও তাজা—পানামা হারানোর ক্ষত, সামরিক অভিযান, গোপন গোয়েন্দা কার্যক্রম—সব মিলিয়ে পেত্রোর এই বক্তব্য শুধু বর্তমান সংকট নয়, বরং একটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার প্রতিফলন। পেত্রোর অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক আচরণ। তাঁর মতে, ওয়াশিংটন এখনও বহু দেশকে নিজেদের ‘সাম্রাজ্যের অংশ’ হিসেবেই দেখে। ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পর যখন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে বলেন, কলম্বিয়াকে লক্ষ্য করে সামরিক পদক্ষেপ…
ইরান আবারও এক গভীর রাজনৈতিক ও সামাজিক সঙ্কটের মুখে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মুদ্রার ঐতিহাসিক দরপতন এবং দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ—সব মিলিয়ে দেশজুড়ে যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, তা আর কেবল অর্থনৈতিক দাবিতে সীমাবদ্ধ নেই। এই আন্দোলন ক্রমেই রূপ নিচ্ছে শাসনব্যবস্থার বৈধতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলার এক বিস্তৃত গণ–অভ্যুত্থানে। বিশ্লেষকদের অনেকের মতে, ইসলামি বিপ্লবের প্রায় পাঁচ দশক পর ইরানের ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠী এখন তাদের শাসনামলের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি। গত মাসে তেহরানের ঐতিহ্যবাহী গ্র্যান্ড বাজার থেকে শুরু হওয়া প্রতিবাদ দ্রুতই সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ইরানের ৩১টি প্রদেশেই বিক্ষোভের খবর মিলছে। দোকানদার, বেকার তরুণ, শ্রমজীবী মানুষ—সব শ্রেণির অংশগ্রহণে এই আন্দোলন এক বিস্তৃত সামাজিক রূপ পেয়েছে।…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘জাতীয় সরকার’ শব্দবন্ধটি নতুন নয়, কিন্তু সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে এটি নতুন করে ভারী অর্থ বহন করছে। ১২ই ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী যখন নির্বাচন–পরবর্তী জাতীয় সরকার গঠনের কথা বলছে, আর বিএনপি যখন জাতীয় ঐকমত্যের সরকার গঠনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—এই দুই প্রস্তাব কি আসলে একই স্রোতের দুই নাম, নাকি ভিন্ন দুই রাজনৈতিক কৌশল? এই প্রশ্নকে সামনে এনে দিয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান–এর সাম্প্রতিক বৈঠক। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর সমবেদনা জানাতে গিয়ে হওয়া এই বৈঠকটি আনুষ্ঠানিকভাবে শোকের পরিসরেই সীমাবদ্ধ ছিল বলা হলেও, বৈঠকের পর জামায়াত আমিরের বক্তব্য রাজনীতির…
প্রায় সাড়ে চারশো কোটি বছর আগে এক ভয়ংকর সংঘর্ষে জন্ম হয়েছিল চাঁদের। তরুণ পৃথিবীর গায়ে মঙ্গলগ্রহের সমান এক মহাজাগতিক পাথর আছড়ে পড়েছিল, আর সেই আঘাতের অভিঘাতে পৃথিবীরই একাংশ ছিটকে গিয়ে আজকের চাঁদ। সেই থেকে পৃথিবীর চারপাশে নীরবে ঘুরে চলেছে এই উপগ্রহ—দূরত্বে কাছের, রহস্যে আরও কাছের। মানুষের চোখে চাঁদ মানে শূন্যতা, ধূসর ভূমি, বায়ুহীন এক জগৎ। অথচ সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, এই ধারণা অসম্পূর্ণ। চাঁদের বুকের গভীরে লুকিয়ে আছে এক দীর্ঘ, নীরব ইতিহাস—যার বড় অংশই লেখা হয়েছে পৃথিবী থেকে আসা কণায় কণায়। চাঁদের সঙ্গে পৃথিবীর সম্পর্ক শুধুই মাধ্যাকর্ষণের নয়, শুধুই জোয়ার-ভাটার নয়। কোটি কোটি বছর ধরে পৃথিবী নিজেই তার বায়ুমণ্ডলের অংশ চাঁদের…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘ভারতপন্থী’ বা ‘ভারতবিরোধী’ তকমা নতুন কিছু নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক বাস্তবতায় এই তকমা আবারও একটি বড় রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত হয়েছে, বিশেষ করে বিএনপিকে ঘিরে। প্রশ্ন হলো, বাস্তব নীতি, বক্তব্য ও রাজনৈতিক আচরণের নিরিখে বিএনপিকে আদৌ ‘ভারতপন্থী’ দল বলা যায় কি না, নাকি এটি একটি সচেতন রাজনৈতিক নির্মাণ, যার লক্ষ্য বিভাজন গভীর করা এবং পুরোনো ক্ষমতাকাঠামোকে নতুনভাবে শক্তিশালী করা। ইতিহাস দিয়ে শুরু করা যাক। ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্মৃতি কখনো কখনো রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের ওপর গভীর ছাপ ফেলে। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবনের ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি ও ভারতের ভূমিকা—এ নিয়ে আবেগতাড়িত আলোচনা থাকলেও রাষ্ট্র পরিচালনার শপথ নেওয়ার পর আবেগ নয়, নীতিই মুখ্য হওয়ার কথা।…
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাশিয়ার তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর শতকরা ৫০০ ভাগ শুল্ক আরোপের যে প্রস্তাব সামনে এসেছে, তা শুধু দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ইস্যু নয়; এটি বিশ্ব রাজনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক শক্তির পুনর্বিন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এই কঠোর নিষেধাজ্ঞা বিলের প্রতি সমর্থন দেওয়ায় বিষয়টি এখন আর কেবল কংগ্রেসের করিডোরে সীমাবদ্ধ নেই, বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কূটনীতির অঙ্গনে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রস্তাবিত এই বিল পাস হলে ভারতের মতো বড় অর্থনীতির দেশের জন্য তার প্রভাব হবে বহুমাত্রিক। সহজ হিসাবেই বোঝা যায়, একশ রুপির কোনো পণ্যের ওপর যদি ৫০০ রুপি শুল্ক বসে, তবে সেই পণ্যের দাম দাঁড়াবে…
নতুন বন্দোবস্ত, বৈষম্যহীনতা ও ইনসাফ—এই তিনটি শব্দ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়েছিল। রাজপথে নেমে আসা মানুষের মুখে মুখে ছিল একটি প্রত্যাশা—এবার বুঝি রাষ্ট্রের সঙ্গে নাগরিকের সম্পর্ক নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত হবে, ক্ষমতা আর নিরাপত্তা কেবল গুটিকয় মানুষের হাতে বন্দী থাকবে না। এক বছরের বেশি সময় পেরিয়ে এসে প্রশ্নটা তাই আরও তীক্ষ্ণ হয়ে উঠেছে: নতুন বন্দোবস্তে আমরা আসলে কতটা বৈষম্যহীন দেশ পেলাম? পত্রিকা খুললেই চোখে পড়ে গত বছরের সালতামামি, নানা জরিপ ও গবেষণার ফলাফল। ২০২৫ সালে প্রকাশিত এসব তথ্য একদিকে আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের চলমান বাস্তবতা তুলে ধরে, অন্যদিকে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা কতখানি বাস্তবায়িত হয়েছে, তা নিয়েও গভীর দুশ্চিন্তা তৈরি করে।…