…
এডিটর পিক
যুদ্ধের ময়দানে শত্রুকে পরাজিত করার সবচেয়ে পরিচিত পদ্ধতি হলো সরাসরি আঘাত। বোমা হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ,…
Trending Posts
-
সমুদ্রের নিচে দুই হাজার বছরের বাণিজ্যপথ: সিসিলিতে মিলল রোমান জাহাজ
আগস্ট ১৬, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বড় পতন: বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভ কি নড়বড়ে হয়ে যাচ্ছে?
আগস্ট ১৬, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
বাম থেকে তৃণমূল, তৃণমূল থেকে বিজেপি: পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘ রাজনৈতিক পালাবদল আসলে কী বলছে?
আগস্ট ১৬, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments
Trending Posts
-
সমুদ্রের নিচে দুই হাজার বছরের বাণিজ্যপথ: সিসিলিতে মিলল রোমান জাহাজ
আগস্ট ১৬, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বড় পতন: বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভ কি নড়বড়ে হয়ে যাচ্ছে?
আগস্ট ১৬, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
বাম থেকে তৃণমূল, তৃণমূল থেকে বিজেপি: পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘ রাজনৈতিক পালাবদল আসলে কী বলছে?
আগস্ট ১৬, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments
- শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে আটকে তারেক রহমানের ভারত সফর?
- প্রতি সেকেন্ডে ৯০ হাজার ডলার ঋণ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের, সামনে বড় ঝুঁকি
- ইরানকে কাবু করতে ট্রাম্পের ‘অ্যানাকোন্ডা কৌশল’ আসলে কী?
- প্রাচীন যুদ্ধ থেকে আধুনিক যুদ্ধ—কেন নারীরা যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠেছে?
- ৪০ লাখ বছরে ৫ গুণ বড় মানুষের মস্তিষ্ক, নেপথ্যে কী?
- ভারতে বিজেপির শাসন কি সত্যিই শেষের পথে?
- ভারতের ১০ কোটি তরুণ চাকরি খোঁজা ছেড়ে দিয়েছে
- মাছ উৎপাদনে এগিয়ে বাংলাদেশ, তবু কেন শত কোটি টাকার আমদানি?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
১৯৮১ সালের ৩০ মে, ভোরের অন্ধকার তখনও পুরোপুরি কাটেনি। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের নীরবতা ভেঙে গুলির শব্দ ছড়িয়ে পড়ল চারদিকে। সেই গুলিতেই শেষ হয়ে গেল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন। কিন্তু দেশের অধিকাংশ মানুষের কাছে এই মৃত্যুর খবর বাস্তবে পৌঁছায় পরদিন সকালে, যখন তারা দৈনিক পত্রিকার পাতা খুলে আট কলামের ব্যানার শিরোনামে দেখতে পান—রাষ্ট্রপতি নিহত। ১৯৮১ সালের বাংলাদেশ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বাস্তবতা। তখন ২৪ ঘণ্টার টেলিভিশন সংবাদ ছিল না, ছিল না সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা মুহূর্তে খবর পৌঁছে দেওয়ার কোনো ডিজিটাল ব্যবস্থা। সংবাদপত্রই ছিল জাতির প্রধান তথ্যভরসা। তাই ৩১ মে সংখ্যার প্রথম পাতা সাজানোর সময় ইত্তেফাক, আজাদসহ দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর সম্পাদকরা…
মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দিনের তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ ভেঙে আবারও নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। যুদ্ধবিরতির মতো একটি পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর যখন অনেকেই ধারণা করছিলেন যে অন্তত সাময়িকভাবে সংঘাতের গতি কমতে পারে, ঠিক তখনই ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পুরো সমীকরণ বদলে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাষ্য অনুযায়ী, এই হামলা ছিল কোনো তাৎক্ষণিক মার্কিন আঘাতের প্রতিক্রিয়া নয়; বরং ইরান নিজ উদ্যোগে নতুন করে সংঘাতের সূচনা করেছে। এ ঘটনাকে শুধু একটি সামরিক অভিযান হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্য, প্রতিরোধ কৌশল এবং আঞ্চলিক আধিপত্যের প্রশ্নকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। গত কয়েক বছরে ইরানের সামরিক ও কূটনৈতিক নীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।…
ঢাকার হাজারিবাগের এক লিগ্যাল এইড কার্যালয়ে গত সপ্তাহে যে দৃশ্য দেখা গেছে, তা যেকোনো মানুষকে থমকে দেবে। এক কিশোরী, বয়স মোটে তেরো বছর চার মাস, কোলে নিয়ে বসে আছে সাত মাস বয়সী এক শিশুকে—যে কিনা তারই সন্তান। মেয়েটির বয়স যখন বারো বছর চার মাস, তখনই সে জন্ম দিয়েছিল এই সন্তানের। ঘটনার সূত্রপাত টিকটকে পরিচয় থেকে, যেখানে বাইশ বছর বয়সী এক যুবকের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে, এবং পরে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করিয়ে একটি “বিয়ে” সম্পন্ন করা হয়—যার আদতে কোনো আইনি স্বীকৃতিই নেই। মাস তিনেক আগে সন্তানকে রেখে মেয়েটিকে পরিবার থেকে বের করে দেওয়া হলে সে নিজের সন্তান ফিরে পেতে…
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটা। জাপানের কিয়ুশু দ্বীপের কুমামোতো অঞ্চলে তখন চলছিল যে যার মতো স্বাভাবিক জীবনযাপন। হঠাৎ পায়ের নিচের মাটি কেঁপে উঠল প্রবল দুলুনিতে। যাঁরা সেই মুহূর্তের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন, তাঁদের ভাষায় মনে হয়েছিল শক্ত মাটি যেন মুহূর্তেই তরল হয়ে গেছে, পায়ের নিচে যেন সমুদ্রের ঢেউ। এক বাসিন্দা পরে জানিয়েছিলেন, ঘরের টিভি সেটটাও তাঁর গায়ের ওপর হুড়মুড়িয়ে পড়ে গিয়েছিল। এভাবেই শুরু হয় এক বিভীষিকাময় রাতের, যার রেশ এখনো কাটেনি। জাপানের আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রাথমিকভাবে এই ভূকম্পনের মাত্রা পরিমাপ করেছিল ৭ দশমিক ১, যদিও পরবর্তী সময়ে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা এটিকে কিছুটা কম, ৬ দশমিক ৮ মাত্রার বলে জানিয়েছে। মাত্রা যা-ই হোক…
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরেই এমন একটি অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করেছে, যেখানে একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ছাতার সুবিধা নেওয়া যায়, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে না পড়েও আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ধারাবাহিকতা সেই কৌশলকে কঠিন পরীক্ষার মুখে দাঁড় করিয়েছে। কয়েক বছর ধরে কূটনীতি, সংলাপ ও অর্থনৈতিক রূপান্তরের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার যে পরিকল্পনা রিয়াদ গ্রহণ করেছিল, এখন সেটি নিরাপত্তা সংকটের কারণে নতুন অনিশ্চয়তার মুখোমুখি। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে দেখা যাচ্ছে, সৌদি আরব আর আগের মতো শুধু আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে নেই। দেশটির তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে একের পর এক ড্রোন হামলার…
কামরুজ্জামানের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে। দুই বছর আগে যখন এক দল লোক তাঁর কাছে এসে ইতালি পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তখন তাঁর চোখে ভেসে উঠেছিল ইউরোপের ঝকঝকে জীবনের ছবি। পনেরো লাখ টাকার বিনিময়ে ইতালি পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে যা ঘটল তা ছিল দুঃস্বপ্নের চেয়েও ভয়াবহ। মিসর হয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় লিবিয়ায়, যেখানে তাঁকে জিম্মি করে আরও দশ লাখ টাকা আদায় করা হয়। শেষ পর্যন্ত পঁচিশ লাখ টাকা খোয়ানোর পরও তাঁর ইতালি পৌঁছানো হয়নি। নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জের ইমরান হোসেনের গল্পটাও প্রায় একই রকম, কিন্তু আরও নির্মম। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বিমানে তাঁকে প্রথমে কুয়েত, তারপর মিসর হয়ে লিবিয়ায় নেওয়া হয়। শুরুতে পাঁচ…
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যব্যবস্থায় যে পরিবর্তন এসেছে, তার অন্যতম বড় প্রভাব পড়েছে আন্তঃদেশীয় আর্থিক লেনদেনে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়ার বহু ব্যাংক আন্তর্জাতিক আর্থিক বার্তা আদান-প্রদানের প্রচলিত ব্যবস্থার বাইরে চলে যাওয়ায় দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য পরিচালনা করা অনেক দেশের জন্যই জটিল হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য, বিশেষ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের অর্থ পরিশোধ এবং সার ও গম আমদানির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে ঢাকা। এমন বাস্তবতায় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতীয় রুপিতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নিষ্পত্তির প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে একটি…
বাংলাদেশের যমুনা নদীর বুকে জেগে ওঠা অস্থির বালুচরগুলোতে জীবন চলে প্রান্তে দাঁড়িয়ে—ভৌগোলিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে এবং সামাজিকভাবে। বর্ষার ছন্দে জেগে ওঠে আবার হারিয়েও যায় এই নদীদ্বীপগুলো। একই জীবনে বহুবার গড়ে ওঠে, ভেঙে পড়ে, আবার গড়ে ওঠে জনপদ। যারা এখানে বাস করেন, তাদের কাছে অস্থিরতা কোনো ব্যতিক্রম নয়; বরং জীবনের এক স্বাভাবিক শর্ত। কিন্তু বন্যা, নদীভাঙন ও বাস্তুচ্যুতির দৃশ্যমান সংকটের আড়ালে লুকিয়ে আছে আরও গভীর এক বাস্তবতা—নারীর প্রতি সহিংসতা, যা প্রায়ই আলোচনার বাইরে থেকে যায়। ২০১৯ সালের মে মাসে পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ বিকাশ ফাউন্ডেশন বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের বাস্তুচ্যুতি-প্রভাবিত চরাঞ্চলে একটি মিশ্র পদ্ধতির গবেষণা পরিচালনা করে। ২০১৯ সালের বন্যার পর স্থানীয়…
রাজনীতিতে সহিংসতা বাংলাদেশের জন্য নতুন কোনো ঘটনা নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার, অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘাতের যে চিত্র সামনে এসেছে, তা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং মানবাধিকার সংগঠনের তথ্য বলছে, চলতি বছরে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নেতা-কর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনার পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধ, সাংগঠনিক কোন্দল, স্থানীয় প্রভাব বিস্তার, ব্যবসায়িক স্বার্থ, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং অপরাধী চক্রের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে এসেছে। ফলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—রাজনৈতিক সহিংসতার এই চক্র ভাঙা সম্ভব হবে কীভাবে? বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা কখনো কখনো সহিংস রূপ…
মাদ্রাসায় শিশু নির্যাতনের অভিযোগ নতুন কোনো বিষয় নয়, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ভিডিও, সংবাদ প্রতিবেদন এবং বিচারাধীন মামলার কারণে বিষয়টি আবারও জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া শিশুদের ওপর নির্মম শারীরিক নির্যাতনের দৃশ্য মানুষের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। একই সঙ্গে যৌন নিপীড়ন, মানসিক নির্যাতন, রহস্যজনক মৃত্যু এবং এসব ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এটি কি বিচ্ছিন্ন কিছু ব্যক্তির অপরাধ, নাকি একটি কাঠামোগত সংকট, যার সমাধানে রাষ্ট্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতৃত্ব এবং সমাজ—সবারই সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন? বাংলাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থা। লাখো শিক্ষার্থী এখানে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করে এবং অসংখ্য আলেম ও…