…
এডিটর পিক
২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সকাল। দেশের মানুষ তখন প্রতিদিনের মতোই অফিস, আদালত, বাজার কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের…
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান যুদ্ধ: কেন ঝুঁকিতে ভারতের ৫০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স
মার্চ ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যেভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ
মার্চ ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান যুদ্ধ: কেন ঝুঁকিতে ভারতের ৫০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স
মার্চ ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যেভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ
মার্চ ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ইরান যুদ্ধে পাশে নেই মিত্ররা, ট্রাম্প একা
- ভারতের আরএসএস ও র’য়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা চায় মার্কিন কমিশন
- বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থার উত্থানের দলিল
- যুদ্ধের ড্রাইভিং সিটে ইরান
- হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
- ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্প নেতানিয়াহুর ঐতিহাসিক ভুল
- রাজউকে দুর্নীতির সাম্রাজ্য: সাত বছরে শতকোটির মালিক
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ—এই সত্য অনেকের মনে একটি স্বাভাবিক প্রত্যাশা তৈরি করে যে এখানে নৈতিকতা শক্তিশালী হবে, অপরাধ কম হবে, বিশেষ করে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ খুব কম ঘটবে। কিন্তু বাস্তবতা যখন সেই প্রত্যাশার সঙ্গে মেলে না, তখন প্রশ্ন ওঠে—কেন? কেন এমন একটি সমাজে, যেখানে ধর্মীয় মূল্যবোধের কথা এত বলা হয়, সেখানে এখনো নারী, শিশু ও কিশোরীরা যৌন সহিংসতার শিকার হয়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে আবেগের বাইরে গিয়ে সমাজের গভীর কাঠামোগত সমস্যাগুলো দেখতে হবে। প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি: কোনো দেশের ধর্মীয় পরিচয় একা অপরাধের হার নির্ধারণ করে না। পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মপ্রধান দেশেই যৌন সহিংসতা ঘটে। কারণ…
রংপুর নগরের একটি কেবল ও ইন্টারনেট ব্যবসা কেন্দ্র করে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তা শুধু একটি স্থানীয় বিরোধ নয়; বরং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ক্ষমতার দ্বন্দ্বের একটি প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, কারাগারে থাকা এক যুবলীগ নেতার ব্যবসা দখলের চেষ্টা, অফিসে গিয়ে হামলা–ভাঙচুর, এমনকি পরিবারসহ হত্যার হুমকি—সব মিলিয়ে ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোড়ন তুলেছে। ঘটনার সূত্রপাত কয়েক দিন আগে। রংপুর নগরের কামাল কাছনা থেকে দখিগঞ্জ শ্মশান এলাকা পর্যন্ত ‘ক্যাবল ওয়ান নেটওয়ার্ক’-এর মাধ্যমে কেবল ও ওয়াই–ফাই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন মহানগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক কাউন্সিলর হারুন অর রশিদ। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।…
পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ নতুন কিছু নয়, কিন্তু এবারের নির্বাচনী লড়াইয়ে যে বিষয়টি কেন্দ্রীয় ইস্যু হয়ে উঠেছে, তা ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে প্রায় নজিরবিহীন—ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া, বা ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর)। সাধারণত উন্নয়ন, দুর্নীতি, মূল্যবৃদ্ধি বা পরিচয় রাজনীতি নির্বাচনের প্রধান আলোচ্য হয়ে ওঠে। কিন্তু এবার পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনকে ঘিরে সবকিছুকে ছাপিয়ে সামনে এসেছে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া, বিবেচনাধীন রাখা এবং নাগরিকদের ভোগান্তির অভিযোগ। ফলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই এক ইস্যুই শেষ পর্যন্ত ভোটের খেলা ঘুরিয়ে দিতে পারে। ভারতের ফেডারেল গণতন্ত্রে নির্বাচন যেন এক চলমান প্রক্রিয়া। প্রতি পাঁচ বছরে লোকসভা নির্বাচন তো আছেই, তার পাশাপাশি প্রায় প্রতি…
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর খবর মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিকে নতুন করে নাড়িয়ে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই ব্যক্তির অনুপস্থিতি শুধু একটি নেতৃত্বের পরিবর্তন নয়; বরং এটি একটি যুগের অবসান এবং এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সূচনা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার প্রেক্ষাপটে সংঘটিত এই ঘটনা এমন এক সময় ঘটল, যখন মধ্যপ্রাচ্য ইতিমধ্যেই উত্তেজনার আগুনে জ্বলছিল। ফলে প্রশ্ন উঠছে—ইসলামি প্রজাতন্ত্র কি আগের মতো টিকে থাকতে পারবে, নাকি এই মৃত্যু ইরানের রাষ্ট্রব্যবস্থাকে গভীরভাবে বদলে দেবে? ১৯৮৯ সাল থেকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনি শুধু রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না; তিনি ছিলেন ইরানের আদর্শিক কাঠামোর প্রধান রক্ষক। তাঁর নেতৃত্বে ইসলামি প্রজাতন্ত্র একটি জটিল…
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা যখন নতুন করে বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে, তখন একটি প্রশ্ন সাধারণ মানুষ থেকে নীতিনির্ধারক—সবার মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে: যদি পরিস্থিতি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়, ইরানের পাশে কি বাস্তবে কোনো শক্তিশালী দেশ দাঁড়াবে? রাশিয়া, চীন কিংবা মুসলিম বিশ্বের বড় রাষ্ট্রগুলো কি সরাসরি সামরিক সহায়তায় এগিয়ে আসবে, নাকি সমর্থন সীমাবদ্ধ থাকবে কূটনৈতিক বিবৃতি ও পরোক্ষ সহযোগিতায়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে শুধু বর্তমান উত্তেজনা নয়, বরং গত কয়েক দশকের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা, জোট রাজনীতি এবং যুদ্ধের ইতিহাস একসঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হয়। বর্তমান বাস্তবতায় ইরান একটি জটিল কৌশলগত অবস্থানে আছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বৈরিতা, অন্যদিকে ইসরায়েলের সঙ্গে ছায়াযুদ্ধ—এই দুই ফ্রন্টে…
খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ইরান মালভূমির দক্ষিণ-পশ্চিমে পারসিস অঞ্চলে বসবাসকারী পার্সিয়ানরা ছিল তুলনামূলকভাবে অজানা এক পাহাড়ি জনগোষ্ঠী। ইতিহাসের বড় মঞ্চে তাদের তেমন কোনো উপস্থিতি ছিল না। কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই জনগোষ্ঠী পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করে—যে সাম্রাজ্য একসময় বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যার ওপর শাসন করত। এই বিস্ময়কর উত্থানের কেন্দ্রে ছিলেন এক অসাধারণ নেতা—সাইরাস দ্য গ্রেট—যার নেতৃত্বে পারস্য সাম্রাজ্য শুধু বিস্তৃতই হয়নি, বরং প্রশাসন, সহনশীলতা ও সাংস্কৃতিক সমন্বয়ের এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। ইতিহাসবিদদের মতে, সাইরাসের আবির্ভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৫৫৯ সালে। তিনি আখিমেনীয় বংশের একজন শাসক হিসেবে পারসিস অঞ্চলের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। প্রথম দিকে তিনি ছিলেন…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা নতুন কিছু নয়, তবে যদি এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে রূপ নেয়, তার অভিঘাত শুধু ওই অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না—এর ঢেউ পৌঁছে যাবে আমদানিনির্ভর দেশ বাংলাদেশেও। বৈশ্বিক অর্থনীতি আজ গভীরভাবে আন্তঃসংযুক্ত; ফলে পারস্য উপসাগরের অস্থিরতা ঢাকার বাজার, শিল্প ও প্রবাসী আয়ের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যে সতর্ক করছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, রপ্তানি প্রবাহ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা উল্লেখযোগ্য ঝুঁকির মুখে পড়বে। বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো আমদানিনির্ভরতা, বিশেষ করে জ্বালানি খাতে। দেশের ব্যবহৃত অপরিশোধিত তেল, পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বড় অংশই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে। এই…
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর খবরে মধ্যপ্রাচ্যে যে উত্তেজনার সূচনা হয়েছিল, তা এখন পূর্ণমাত্রার সামরিক সংঘাতে রূপ নিয়েছে। তেহরান এই ঘটনাকে সরাসরি আগ্রাসন হিসেবে উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যাপক পাল্টা হামলা শুরু করেছে। সর্বশেষ পরিস্থিতিতে ইরানি বাহিনী একাধিক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও রাষ্ট্রীয় সূত্রে জানা গেছে। ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও সংশ্লিষ্ট সামরিক সূত্রের দাবি, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নতুন ঢেউয়ে অন্তত ২৭টি মার্কিন ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। তারা এটিকে “প্রতিশোধের ধারাবাহিক অভিযান” হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং হুঁশিয়ারি…
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে এক গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ইরানি সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত এ তথ্য বিশ্বজুড়ে কৌতূহল, উদ্বেগ এবং নানা ধরনের প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই প্রভাবশালী নেতার মৃত্যু কেবল একটি ব্যক্তির অবসান নয়; বরং এটি ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য এবং বৈশ্বিক কূটনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। খামেনি ছিলেন ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, সুপ্রিম লিডার দেশের সামরিক বাহিনী, বিচারব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণে সর্বোচ্চ ক্ষমতা ভোগ…
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে একাধিক সামরিক ঘটনা ও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ধারাবাহিকতায়। শনিবার ভোর থেকে শুরু হওয়া উত্তেজনা দ্রুত আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার খবরের পরপরই বিভিন্ন দেশে সামরিক সতর্কতা জারি হয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে এবং কূটনৈতিক মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনাপ্রবাহে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক তথ্য এসেছে ইরানের একটি মেয়েদের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের মিনাব কাউন্টিতে অবস্থিত একটি মেয়েদের প্রাথমিক বিদ্যালয় তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আলী ফরহাদির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, এই হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে…