…
এডিটর পিক
একটি চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন ৩৫ বছর বয়সী এক যুবক। হঠাৎ মোটরসাইকেলে করে…
Trending Posts
-
জার্মানির জেন জি বিক্ষোভ: সমৃদ্ধ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত কেন?
নভেম্বর ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
স্পিনোজার স্বাধীনতা: নিজের ইচ্ছার কারণ না জানলে আমরা কতটা স্বাধীন?
অক্টোবর ৩১, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments -
ফিলিয়াল ক্যানিবালিজম: নিজের সন্তানকেই খায় যে প্রাণীরা!
অক্টোবর ৩১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
লিসবনের ভূমিকম্প: এক বিপর্যয় কীভাবে ঈশ্বর, রাষ্ট্র ও মানুষের চিন্তাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল?
নভেম্বর ১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
জার্মানির জেন জি বিক্ষোভ: সমৃদ্ধ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত কেন?
নভেম্বর ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
স্পিনোজার স্বাধীনতা: নিজের ইচ্ছার কারণ না জানলে আমরা কতটা স্বাধীন?
অক্টোবর ৩১, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments -
ফিলিয়াল ক্যানিবালিজম: নিজের সন্তানকেই খায় যে প্রাণীরা!
অক্টোবর ৩১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
লিসবনের ভূমিকম্প: এক বিপর্যয় কীভাবে ঈশ্বর, রাষ্ট্র ও মানুষের চিন্তাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল?
নভেম্বর ১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
- বাংলাদেশের মানুষ কি চায় শেখ হাসিনা ফিরুক? জরিপ কী বলে?
- মানুষের শরীরের ৮ শতাংশ ডিএনএ এসেছে প্রাচীন ভাইরাস থেকে!
- রাহুল গান্ধী কি সত্যিই ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে চান?
- তথ্য পাচার করছে পুলিশ! নজরদারিতে ২ হাজার কর্মকর্তা
- প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা: মানুষের অস্তিত্বের জন্যই বড় হুমকি
- ৯ মাসে ২,৬৫৯ হত্যা, ৫,৩৮১ ধর্ষণ মামলা
- ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা যা ঘটছে
- কংগ্রেস হাতছাড়া ট্রাম্পের, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন ঝড়!
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশের মানচিত্রে সাজেক একটি পর্যটনকেন্দ্রের নাম হলেও বাস্তবে এটি পাহাড়ের রাজনীতি, নিরাপত্তা, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার এবং রাষ্ট্রের প্রশাসনিক সক্ষমতা নিয়ে বড় একটি প্রশ্নের প্রতীক হয়ে উঠেছে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, সবুজ উপত্যকা আর সারি সারি রিসোর্টের জন্য পরিচিত সাজেক এখন এমন এক অনিশ্চয়তার মুখে, যেখানে কখনো পর্যটকদের ফিরিয়ে নিতে হচ্ছে, কখনো সড়ক অবরোধে আটকে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা, আবার কখনো শোনা যাচ্ছে গুলির শব্দ। ফলে প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে আসলে কী ঘটছে? রাষ্ট্রের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও কেন সেখানে বারবার নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হচ্ছে? আর পাহাড়ের পরিস্থিতি কি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বই হুমকির মুখে পড়ছে? ২০২৬ সালের ২২ অক্টোবর সাজেকের পরিস্থিতি…
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নতুন করে জটিল হয়ে উঠেছে। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত। জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার পর বাব আল-মানদেব প্রণালির কৌশলগত গুরুত্বও বেড়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি। একসময় ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকা এই গোষ্ঠী এখন ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা দিয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তার বড় উদ্বেগে পরিণত হয়েছে। সৌদি আরবের মতো বিপুল সামরিক সক্ষমতাসম্পন্ন দেশও তাদের সব হামলা প্রতিহত করতে পারছে না। প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে এত শক্তিশালী হয়ে উঠল হুতিরা, কোথা থেকে পাচ্ছে তাদের অস্ত্র এবং কেন…
ক্ষমতার অলিন্দে কারা যাতায়াত করেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা কাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন এবং সেই যোগাযোগের হিসাব জনগণের কাছে কতটা স্বচ্ছ—গণতন্ত্রে এসব প্রশ্নের গুরুত্ব অপরিসীম। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের সামনে এখন এমনই এক অস্বস্তিকর বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত জেফ্রি এপস্টিন-সংক্রান্ত নথিতে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি ও এপস্টিনের মুখোমুখি বসে থাকার ছবি প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী দলগুলো সরকারের কাছে ব্যাখ্যা দাবি করছে। এর আগে এপস্টিনের ইমেইল, পুরির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং ভারতের প্রভাবশালী ব্যবসায়িক মহলকে ঘিরে প্রকাশিত তথ্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। নতুন ছবিগুলো সেই বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে। কিন্তু এই ঘটনা থেকে…
ভারতের ইতিহাসে মানববলি ও শিশু বলি এমন একটি সংবেদনশীল বিষয়, যেখানে ধর্মীয় বিশ্বাস, লোকাচার, ঔপনিবেশিক প্রশাসনের বিবরণ এবং অপরাধের ইতিহাস পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে শিশু বা কিশোরকে বলি দেওয়ার কাহিনি রয়েছে। আবার ঔপনিবেশিক আমলের কিছু নথি এবং পরবর্তী সময়ের প্রকাশিত অপরাধসংক্রান্ত বিবরণেও ধর্মীয় উদ্দেশ্যে শিশু হত্যার অভিযোগ পাওয়া যায়। ফলে বিষয়টিকে নিছক পৌরাণিক কাহিনি বলে উড়িয়ে দেওয়া যেমন যুক্তিসংগত নয়, তেমনি কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা থেকে গোটা ভারতীয় সমাজ বা একটি ধর্মের সামগ্রিক চরিত্র নির্ধারণ করাও ইতিহাসসম্মত নয়। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, কোন তথ্য কেবল ধর্মীয় আখ্যান, কোনটি সমসাময়িক অভিযোগ এবং কোন ঘটনার পক্ষে বাস্তব অপরাধের নথি রয়েছে। এই…
একটি শিশু রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে চকলেট খাচ্ছে। হয়তো একটু পরেই সে বাড়ি ফিরে মায়ের কাছে বায়না ধরবে, খেলতে যাবে বন্ধুদের সঙ্গে, কিংবা স্কুলের পড়া শেষ করে আবার ছুটবে খোলা মাঠে। কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে একটি দ্রুতগতির অটোরিকশা তার জীবনের সব সম্ভাবনা থামিয়ে দিতে পারে। যে শিশুটির সামনে পড়ে ছিল দীর্ঘ একটি জীবন, সে-ই পরিণত হয় সড়ক দুর্ঘটনার আরেকটি পরিসংখ্যানে। পরিবারের কাছে নেমে আসে এমন এক শূন্যতা, যা কোনো ক্ষতিপূরণ কিংবা বিচারিক প্রক্রিয়া দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের সড়কগুলোতে প্রতিদিন এমন ঘটনা ঘটছে। আর এই মৃত্যুমিছিলের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, নিহতদের একটি বড় অংশ শিশু-কিশোর। সমকালের ২২ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত…
সৌদি আরবে এক নারীসহ দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর নতুন করে আলোচনায় এনেছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার এবং বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বের প্রশ্ন। একই সঙ্গে সামনে এসেছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—জীবিকার সন্ধানে সৌদি আরবে যাওয়া বাংলাদেশি নারী কর্মীরা কতটা নিরাপদ, তাঁদের অধিকার রক্ষায় দুই দেশের মধ্যে যেসব চুক্তি ও বিধিবিধান রয়েছে, সেগুলো বাস্তবে কতটা কার্যকর এবং নির্যাতনের শিকার হলে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর মতো ব্যবস্থা কতটা শক্তিশালী। বাংলাদেশের হাজার হাজার পরিবারের কাছে বিদেশে কর্মসংস্থান শুধু অর্থ উপার্জনের সুযোগ নয়, বরং দারিদ্র্য থেকে মুক্তি, সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা এবং পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার একটি পথ। বিশেষ করে গ্রামীণ…
বাংলার নবাবি ইতিহাসে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, উত্তরাধিকার নিয়ে সংঘাত এবং রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বহু ঘটনা রয়েছে। সিংহাসনের প্রশ্নে যেখানে পিতা-পুত্রের সম্পর্কও সংঘাতের মুখে পড়েছিল, সেখানে একজন নারীর বিচক্ষণতা সাময়িকভাবে ঠেকিয়ে দিয়েছিল সম্ভাব্য রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। তিনি জিনাত-উন-নিসা বেগম। বাংলার নবাব মুর্শিদকুলী খানের কন্যা এবং নবাব সুজাউদ্দিন মুহাম্মদ খানের স্ত্রী হিসেবে তিনি এমন এক রাজনৈতিক সংকটের কেন্দ্রে ছিলেন, যার পরিণতি বাংলার শাসনব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আঠারো শতকের প্রথম ভাগে বাংলা ছিল মোগল সাম্রাজ্যের অন্যতম সমৃদ্ধ প্রদেশ। কৃষি, বাণিজ্য, বস্ত্রশিল্প ও রাজস্ব আদায়ের কারণে বাংলার অর্থনৈতিক গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। কিন্তু এই সমৃদ্ধির পাশাপাশি ক্ষমতার উত্তরাধিকার নিয়ে অনিশ্চয়তাও ছিল প্রবল। দিল্লির মোগল সম্রাটের আনুষ্ঠানিক…
বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের পর মানুষের প্রত্যাশা থাকে নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেশের অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা, দ্রব্যমূল্য এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনবে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পরও সেই প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধান নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎ বিভ্রাট, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং বিরোধী দলের সঙ্গে সরকারের আচরণ এখন জনআলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শাসনামল তুলনা করতে হলে রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি দুই সরকারের বাস্তব রেকর্ডও বিবেচনা করতে হবে। আওয়ামী লীগ ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল। এই সময়ে বাংলাদেশে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, যোগাযোগব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং…
ভারতের আসাম রাজ্যে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে দুই দিনের উচ্ছেদ অভিযানে এক হাজার ১০০টিরও বেশি পরিবার গৃহহীন হয়েছে। উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর অধিকাংশই বাংলাভাষী মুসলিম বলে জানিয়েছে একাধিক সংবাদমাধ্যম। একই অভিযানে ১০টিরও বেশি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় এক বাসিন্দা। তবে মসজিদ ভাঙার এই দাবির স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। অন্যদিকে পরিবার উচ্ছেদের সংখ্যা, অভিযানের স্থান এবং আদালতের নির্দেশসংক্রান্ত তথ্য একাধিক সংবাদসূত্র ও আদালতের নথিতে সমর্থন পেয়েছে। ফলে ঘটনাটির মূল অংশের সত্যতা থাকলেও এর সব দাবি একই মাত্রায় প্রমাণিত নয়। দৈনিক ইত্তেফাকের ২০ অক্টোবর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামের নগাঁও, হোজাই ও গোলাঘাট জেলায় দুই দিনের অভিযানে এক…
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়েছে, ক্ষমতায় এসেছে নির্বাচিত সরকার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির প্রতিশ্রুতিও বারবার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মানুষের মনে নিরাপত্তার প্রশ্নটি এখনও অমীমাংসিত। দলবদ্ধ হামলা, প্রকাশ্যে মারধর, ধর্মীয় অনুভূতিকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, সম্পত্তি দখল কিংবা ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে প্রতিষ্ঠান গুঁড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা যেন থামছেই না। কখনও এসব ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে হামলার ভিডিও, কখনও সামনে আসে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ। প্রশ্ন উঠছে, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পরও কেন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না মব সহিংসতা? রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কি যথেষ্ট সক্রিয়, নাকি রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের কাছে দুর্বল হয়ে পড়ছে আইনের শাসন? বিবিসি বাংলা প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য…