…
এডিটর পিক
বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি এবং কূটনীতির জটিল সম্পর্কের ভেতরে জ্বালানি নিরাপত্তা আজ এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়…
Trending Posts
-
ট্রাম্পের জ্বালানির আশ্বাসের আড়ালে বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণের ফাঁদ
এপ্রিল ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরানের এখনো অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ও অজস্র ড্রোন মজুত আছে: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য
এপ্রিল ৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
ট্রাম্পের জ্বালানির আশ্বাসের আড়ালে বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণের ফাঁদ
এপ্রিল ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরানের এখনো অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ও অজস্র ড্রোন মজুত আছে: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য
এপ্রিল ৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- চীনকে নিয়ে হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করবে ইরান! বিপদে ভারত
- ট্রাম্পের জ্বালানির আশ্বাসের আড়ালে বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণের ফাঁদ
- ১৯৭০ এর দশকের জ্বালানি তেল সংকটে যা হয়েছিল
- চুক্তি না হলে ইরানকে ধ্বংস করে তেল সম্পদ দখল করব: ট্রাম্প
- আমেরিকা–চীন–ভারত: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কোনদিকে?
- ইরান যুদ্ধ যেভাবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দুর্বলতা সামনে নিয়ে এল
- প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট শেয়ার, গ্রেপ্তার একজন: আসলে কী ঘটেছে?
- মুসলিম শুনেই ভারতের সরকারি ইন্টারভিউ বোর্ড থেকে বাতিল
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
ঈদ—শব্দটি উচ্চারণ করলেই মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি মানুষের মনে ভেসে ওঠে আনন্দ, মিলন আর এক বিশেষ আধ্যাত্মিক পরিতৃপ্তির অনুভূতি। কিন্তু এই আনন্দঘন উৎসবটি কীভাবে শুরু হলো, কীভাবে ধীরে ধীরে একটি ধর্মীয় বিধান থেকে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মহোৎসবে রূপ নিল—তার ইতিহাস অনেকের কাছেই অজানা। ইসলামের সূচনালগ্ন থেকে আজকের বৈশ্বিক উদযাপনের এই দীর্ঘ পথচলা কেবল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের ইতিহাস নয়; এটি মুসলিম সমাজের বিবর্তন, সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং সামাজিক সংহতির এক গভীর প্রতিফলন। ইসলাম ধর্মের আবির্ভাবের পরপরই ঈদের প্রচলন শুরু হয়নি—এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার পর ইসলামী সমাজ একটি সংগঠিত কাঠামো পেতে শুরু করে। সেই…
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত যুদ্ধ পরিস্থিতি আবারও বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে সংবেদনশীল শিরা—জ্বালানি বাজার—কে অস্থির করে তুলেছে। হরমুজ প্রণালির মতো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ রুট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহে যে ধাক্কা লেগেছে, তার প্রভাব ইতোমধ্যেই প্রতিটি দেশের অর্থনীতিতে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। এমন এক সংকটময় সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত—ইরানের কিছু তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা—আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির জটিল বাস্তবতাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। এই সিদ্ধান্ত কেবল একটি অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নয়; বরং এটি একদিকে বৈশ্বিক বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অবস্থানের একটি ব্যতিক্রমী পরিবর্তন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল…
ঈদ মানেই ঘরে ফেরা, পরিবার, শেকড়ের কাছে ফিরে যাওয়ার এক আবেগঘন যাত্রা। কিন্তু প্রতি বছরের মতো এবারও সেই যাত্রা অনেকের জন্য আনন্দের বদলে হয়ে উঠেছে ক্লান্তিকর, অনিশ্চিত এবং কখনো কখনো ভীতিকর অভিজ্ঞতা। রাজধানী ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়া লাখো মানুষের এই বার্ষিক স্থানান্তর যেন একটি অদৃশ্য পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে, যেখানে পরীক্ষার্থী সাধারণ মানুষ আর পরীক্ষক এক অদৃশ্য, বিশৃঙ্খল ব্যবস্থা। সড়ক, রেল ও নৌপথ—সবখানেই ছিল চাপ, ছিল অপ্রস্তুতি, ছিল নিয়ন্ত্রণহীনতার ছাপ। গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, অনেক যাত্রীকে গন্তব্যে পৌঁছাতে স্বাভাবিক সময়ের দ্বিগুণ, কখনো তিনগুণ সময় লেগেছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্থবিরতা, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ধীরগতি, চট্টগ্রামমুখী যাত্রীদের…
উনিশ শতকে ঢাকায় তিনটি বড় মিছিল খুবই জনপ্রিয় ছিল—ঈদ, মহররম ও জন্মাষ্টমী। এসব মিছিল অনেক সময় ধর্মীয় সীমা ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হতো। এই প্রেক্ষাপটে ঢাকার ঈদ মিছিল শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছিল না; এটি ছিল সামাজিক সমাবেশ, সাংস্কৃতিক উৎসব এবং শহরের প্রাণস্পন্দন। ঐতিহাসিকভাবে, শিল্পী আলম মুসাওয়ারের চিত্রকর্মে ঈদ মিছিলের উল্লেখ পাওয়া যায়। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি ঢাকার ঈদ ও মহররমের মিছিল নিয়ে ৩৯টি ছবি আঁকেন, যা বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। এসব ছবিতে নবাবি আমলের মিছিলের জাঁকজমক দেখা যায়—হাতি, উট, পালকি, রঙিন ছাউনি, ব্যানার। নায়েব-নাজিমরা সামনের সারিতে থাকতেন, আর রাস্তা ও ছাদের ওপর দাঁড়িয়ে মানুষ মিছিল দেখত। সেখানে…
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই “অটুট মিত্রতা” হিসেবে পরিচিত। সামরিক, কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতার ক্ষেত্রে এই দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা প্রায় নজিরবিহীন। কিন্তু ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনা, বিশেষ করে সাম্প্রতিক গ্যাসক্ষেত্র ও জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে, এই সম্পর্কের ভেতরে সূক্ষ্ম এক দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না—সেই প্রশ্ন এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এই প্রশ্নের উত্তর সরল নয়, বরং এটি বহুস্তরীয় রাজনৈতিক সংকেত, কৌশলগত হিসাব-নিকাশ এবং ব্যক্তিগত নেতৃত্বের ধরণ মিলিয়ে তৈরি এক জটিল বাস্তবতা। ঘটনার সূচনা ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের হামলা দিয়ে। এই গ্যাসক্ষেত্র শুধু ইরানের নয়, কাতারের সাথেও যৌথ মালিকানাধীন এবং বিশ্ব জ্বালানি বাজারের জন্য…
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বহুদিন ধরেই এক কঠিন বাস্তবতার প্রতীক—যেখানে ভূগোলের চেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়েছে মৃত্যু, আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তার গল্প। কাঁটাতারের ওপারে দাঁড়িয়ে থাকা দুই দেশের মানুষ একই ভাষা, সংস্কৃতি আর ইতিহাসের বন্ধনে আবদ্ধ হলেও সীমান্তে প্রায়ই সেই মানবিক সম্পর্ককে ছাপিয়ে গেছে গুলির শব্দ। বছরের পর বছর ধরে সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রাণহানি যেন এক ধরনের স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছিল। এমন এক বাস্তবতায় নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম মাসেই সীমান্ত হত্যা শূন্যে নেমে আসা নিঃসন্দেহে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়—যা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার ও কূটনৈতিক কৌশলের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন। ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই…
শ্রীলঙ্কার দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধ শুধু একটি অভ্যন্তরীণ সংঘাত ছিল না; বরং এর ভেতরে লুকিয়ে ছিল আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কৌশলগত স্বার্থ, এবং নীরব জোটের জটিল ইতিহাস। সম্প্রতি ইসরায়েল স্টেট আর্কাইভ থেকে প্রকাশিত নথিপত্র সেই ইতিহাসের একটি অন্ধকার দিক উন্মোচন করেছে—যেখানে দেখা যায়, আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও ইসরায়েল কীভাবে শ্রীলঙ্কার সামরিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গভীরভাবে যুক্ত ছিল। এই নথিগুলো শুধু অতীতের গোপন লেনদেনের প্রমাণই নয়, বরং মানবাধিকার, কূটনীতি এবং যুদ্ধনীতির নৈতিক প্রশ্নগুলোকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে। ১৯৭০ সালে আরব বিশ্বের চাপের মুখে শ্রীলঙ্কা ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। কিন্তু ১৯৮০-এর দশকে যখন দেশটি তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের বিরুদ্ধে এক রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে,…
ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক বরাবরই শুধু দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয় নয়, বরং এটি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক বাস্তবতা, অর্থনৈতিক নির্ভরতা এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যের একটি জটিল প্রতিফলন। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সেই সম্পর্ক আবার নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর যে প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে, তা হলো—বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কি আবার উষ্ণতার পথে ফিরবে, নাকি পুরনো সংশয় ও দূরত্বই নতুন বাস্তবতা হয়ে দাঁড়াবে? গত দেড় বছর দুই দেশের সম্পর্ক এক ধরনের স্থবিরতার মধ্যে দিয়ে গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দিল্লির অবস্থান ছিল অপেক্ষাকৃত দূরত্ব বজায় রাখার দিকে, কারণ তারা একটি…
বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে এমন মুহূর্ত বারবার ফিরে আসে, যখন শক্তিশালী কোনো রাষ্ট্র হঠাৎ করে নিজেকে একা অনুভব করে—মিত্রদের ভিড়ে থেকেও বিচ্ছিন্ন, ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও অনিশ্চয়তায় ঘেরা। বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট সেই ধরনেরই এক দৃশ্যপট তৈরি করেছে, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র যেন এক নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি—যেখানে জোট, প্রতিশ্রুতি এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের পুরোনো সূত্রগুলো আর আগের মতো কাজ করছে না। ইরানকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া সাম্প্রতিক সংঘাত দ্রুতই একটি আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের পাল্টা আক্রমণ শুধু সীমান্তের ভেতরে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। মার্কিন ঘাঁটি, ইসরায়েলি শহর, উপসাগরীয় অঞ্চলের শিল্প…
বিশ্ব রাজনীতির জটিল মানচিত্রে কখনো কখনো এমন কিছু প্রতিবেদন সামনে আসে, যা শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি এবং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যকেও নতুনভাবে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসে। যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক কমিশনের ২০২৬ সালের প্রতিবেদন তেমনই একটি নথি, যা ভারতকে ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ভারতের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান—রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এবং গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (র)—এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই প্রতিবেদনটি মূলত ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্নে ভারতের অবস্থানকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর চাপ, সহিংসতা এবং…