…
এডিটর পিক
ঈদ মানেই ঘরে ফেরা, পরিবার, শেকড়ের কাছে ফিরে যাওয়ার এক আবেগঘন যাত্রা। কিন্তু প্রতি বছরের…
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
আমাদের চোখের সামনেই বড় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মানুষ
মার্চ ২১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যে পাঁচটি বিষয় বলে দেবে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ভবিষ্যৎ
মার্চ ১৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান যুদ্ধ কি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে দুরত্ব তৈরি করছে?
মার্চ ২০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
আমাদের চোখের সামনেই বড় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মানুষ
মার্চ ২১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যে পাঁচটি বিষয় বলে দেবে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ভবিষ্যৎ
মার্চ ১৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান যুদ্ধ কি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে দুরত্ব তৈরি করছে?
মার্চ ২০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- আমাদের চোখের সামনেই বড় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মানুষ
- মুসলমানদের মধ্যে যখন যেভাবে শুরু হয়েছিল ঈদ উদযাপন
- দাম বাড়ছে গ্যাসের, ইরানি তেল বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিল যুক্তরাষ্ট্রের
- ভোগান্তি, মৃত্যু আর স্বজনহারার বেদনায় ঈদ কতটা আনন্দের?
- এক ঝলকে ঢাকায় ঈদ মিছিলের ইতিহাস
- ইরান যুদ্ধ কি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে দুরত্ব তৈরি করছে?
- সীমান্ত কূটনীতিতে বিএনপির অভূতপূর্ব সাফল্য: প্রথম মাসে হত্যা শূন্য
- শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধে হাত ছিল ইসরায়েলের: চাঞ্চল্যকর নথি ফাঁস
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
নিজেকে অনেকের থেকে আলাদা দেখানোর জন্য কেউ গায়ে, মুখে ট্যাটু করান। কেউ বা অস্ত্রোপচার করিয়ে শারীরিক রূপ পরিবর্তন করতে ভালবাসেন। কিন্তু নিজেকে ব্ল্যাক এলিয়েন-এর মতো দেখানোর জন্য এক ব্যক্তি যা করলেন তা শুনে শিউরে উঠবেন। অ্যান্থনি লোফ্রেডো। ফ্রান্সের নাগরিক। ভিনগ্রহের প্রাণীর মতো নিজের রূপ তৈরি করতে নাক, উপরের ঠোঁট, জিভে অস্ত্রোপচার করান। সারা শরীর এবং চোখের মণিতেও ট্যাটু করান লোফ্রেডো। কিন্তু এত কিছু করেও তার মন ভরেনি। নিজেকে হুবহু ভিনগ্রহীর মতো সাজাতে আরও বড় পদক্ষেপ করেন তিনি। দ্য সান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেহের উপরি ভাগ অস্ত্রোপচার করে পরিবর্তন করতে পেরেছেন ঠিকই, কিন্তু এ বার ভিনগ্রহের প্রাণীদের মতো হাত তৈরি করার সিদ্ধান্ত…
বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা এখন বেশ গুরুতর। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে এবারে ভর্তি করাবার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার এখন পর্যন্ত তেমন কোনো উন্নতিই হয়নি। আসলে বর্তমানে তার যে অবস্থা তাতে দেশে চিকিৎসার সুযোগ নাই বললেই চলে। জীবন বাঁচাতে হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নিতেই হবে। চিকিৎসকরা তাকে অনতিবিলম্বে সিঙ্গাপুর কিংবা থাইল্যান্ডে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সূত্র মতে খালেদা জিয়ার রোগ ও শারিরীক অবস্থার কথা গণমাধ্যমে যথাযথভাবে তুলে ধরা হচ্ছে না। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে, তিনি তার পুরনো জটিল রোগগুলো ছাড়াও ডিকমপেন্স্যাটেড লিভার সিরোসিস-এ আক্রান্ত হয়েছেন। এখন এর দু’টি মাত্র চিকিৎসা সম্ভব; স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্টেশন থেরাপি এবং তাতেও কাজ না হলে লিভার…
মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও ক্রমশ বিবর্তন ঘটাচ্ছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ ‘হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস’ বা এইচআইভি সংক্রমিত এক তরুণীর শরীর থেকে হঠাৎই উধাও ভাইরাস। পুরোপুরিই সুস্থ ওই তরুণী। প্রাণঘাতী অ্যাকোয়ার্ড ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রোম (এইডস) রোগে আক্রান্ত ওই নারীর দেহে এ রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে, এইডস থেকে বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ তিনি। অভূতপূর্ব এই ঘটনাটি ঘটেছে কানাডায়। ৩০ বছর বয়সী ওই নারী বর্তমানে কানাডায় বসবাস করলেও তার আদি নিবাস আর্জেন্টিনায়। সেখান থেকে ২০১৩ সালে কানাডায় এসে বসবাস শুরু করেন তিনি। ওই বছরই এইডস ধরা পড়েছিল তরুণীর। তার স্বামীরও এইডস ছিল। তিনি মারা যান। কিন্তু ভাইরাসকে ‘হারিয়ে’ দিয়েছেন তরুণী। বিস্মিত…
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি কতটা গণতান্ত্রিক তা নিয়ে প্রশ্ন এখন বিশ্ব জুড়েই। এর মধ্যে আগামী ডিসেম্বরে এক গণতন্ত্র সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উদ্যোগে। আমন্ত্রিত শতাধিক দেশের একটি তালিকাও সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে। তবে আমন্ত্রিতদের ওই তালিকায় অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল ও পাকিস্তানের নাম থাকলেও, নাম নেই বাংলাদেশের। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র সম্মেলনে অংশ নিতে ১১০টি দেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমা সকল মিত্র দেশও এই আমন্ত্রণ পেয়েছে। আজ বুধবার (২৪ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি। কতটা গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলন? গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠান ফ্রিডম হাউসের নীতি ও প্রচারণা…
প্রথম মহাযুদ্ধের ফলে পুঁজিবাদী ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে বলে লেনিন যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তা সফল না হলেও, এরপর পাশ্চাত্য দুনিয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জীবনে ভয়াবহ সঙ্কটের সৃষ্টি হয়। যুদ্ধের দেনা ও ক্ষতিপূরণ দেয়া এবং যুদ্ধকালীন অর্থনীতিকে শান্তিকালীন অর্থনীতিতে পুনর্বিন্যস্ত করা প্রভৃতি বিষয় বিভ্রান্তকর সমস্যার সৃষ্টি করেছিল ওই সময়টাতে। এসব সমস্যা চিরাচরিতপদ্ধতিতে সমাধান করা একপ্রকার অসম্ভব ছিল। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও ব্যবসায়ে মন্দা সে সময়কার সাধারণ ঘটনা হয়ে ওঠে। অর্থনৈতিক সঙ্কট ও অনিশ্চয়তার ফলে রাজনৈতিক বিরােধ তীব্র ও ব্যাপক আকার ধারণ করে। এ অবস্থায় সর্বমতের ঐক্য বজায় রাখা খুবই কঠিন। যেসব দেশে দীর্ঘকাল হতে নিয়মতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত, সেসব দেশে নেতাদের পক্ষে পার্লামেন্টারি সংখ্যাগুরুদের…
মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোতে একাধিক বিয়ের প্রচলন আছে। সৌদি আরবে বিষয়টি যেন দেশটির সংস্কৃতিরই অংশ। বিশেষ করে সৌদি পুরুষদের মধ্যে একাধিক বিয়ের প্রবণতা দেখা যায়। তাদের জন্য বিশেষ এক কোর্সের ব্যবস্থাও করা হয়েছিলো। পরে সমালোচনার মুখে সেই কোর্স বাতিল করা হয়। বিভিন্ন কারণে অনেকেই দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রথম স্ত্রীর মৃত্যু কিংবা বিবাহ বিচ্ছেদের পর আবারও বিয়ে করেন। এমনকি প্রথম স্ত্রী থাকতেও দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন কেউ কেউ। প্রথমবারের ভুলগুলো শুধরে নিয়ে দ্বিতীয়াবার যেন সঙ্গীকে নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে পারেন সে জন্য পুরুষদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে সৌদি আরবের একটি প্রতিষ্ঠান। এ সংক্রান্ত গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবে পুরুষদের দ্বিতীয়…
বর্তমানে ‘গণতান্ত্রিক সংকট’ মোকাবিলা করছে বিশ্ব। গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ মানুষ এমন পরিবেশে বাস করছে যার অধীনে কর্তৃত্ববাদী সরকার রয়েছে। কিন্তু সেখানে বলা হচ্ছে গণতন্ত্র আছে। আরেক গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীর ৬৭ শতাংশ মানুষ এমন রাজনৈতিক পরিবেশে বসবাস করছেন যেখানে পূর্ণ গণতন্ত্র নেই। এশিয়াতেও এমন অনেক দেশ আছে যেগুলো গণতান্ত্রিকও নয়, কর্তৃত্ববাদও নয়। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে বিংশ শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কার্যকরী ছিল পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। একবিংশ শতাব্দীতে এসে সে চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীর অনেকে দেশে গণতন্ত্র নামেমাত্র কার্যকর রয়েছে। বিংশ শতাব্দীর মতো অনেক দেশে সরাসরি সামরিক শাসন না থাকলেও, অনেক দেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত…
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর বিশ্বে বায়ুদূষণের ফলে মৃত্যু হয় প্রায় ৭০ লাখ মানুষের। ডব্লিউএইচওর অনুমোদিত মাত্রা ছাড়িয়ে দূষণ হয়, এমন অঞ্চলে বাস বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠীর ৯০ শতাংশের। শ্বাসকষ্ট, ডায়াবেটিস, হৃদরোগসহ অসংখ্য স্বাস্থ্য জটিলতার সঙ্গে বায়ুদূষণের যোগসূত্র পাওয়া যায়। বিজ্ঞান সাময়িকী ল্যানসেটের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে বায়ুদূষণের কারণে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে শুধু ভারতেই। প্রতিবছরই নির্দিষ্ট একটি সময়ে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির আকাশ ছেয়ে থাকে ঘন ধোঁয়াশায়। গত সপ্তাহে পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে দুই কোটি বাসিন্দার শহরটিতে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিতে বন্ধ রাখা হয় সব স্কুল, যেন তাদের বাড়ির বাইরে বের হতে না হয়। নয়াদিল্লির বাতাসে ক্ষুদ্র…
১৯৬৮ সালের ১৪ মার্চ। আর দশটি দিনের মতো একটা দিন। ওই সময় আমেরিকার উটাহ প্রদেশের টুয়েলা শহরের শেরিফ ছিলেন ফে জিলেট নামের এক ব্যক্তি। উল্লেখ্য, আমেরিকায় বিভিন্ন প্রদেশে যে শহরগুলো রয়েছে, সেগুলোর প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকার কর্মকর্তাদের শেরিফ বলা হয়। শহরের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সঠিকভাবে আইন প্রয়োগের জন্য জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে শেরিফদের বাছাই করেন। ওই বছরের ১৪ মার্চ আমেরিকান নাগরিকের কাছেই জীবনের সবচেয়ে অদ্ভুত দিনগুলোর একটি। পত্রিকায় সেদিন হাজার হাজার ভেড়ার মৃত্যুর খবর আসতে শুরু করেছিল। বিপুল সংখ্যক ভেড়ার মৃত্যুর পেছনে তাৎক্ষণিক কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা না থাকায় আমেরিকার বাতাসে ভেসে বেড়াতে শুরু করে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। জিলেট সেই দিন সম্পর্কে পরবর্তীতে…
নেই তেমন কোনও স্বাস্থ্য পরিকাঠামো। চিকিৎসক-নার্সও কম। টিকা নেই। কোভিড মহামারিতে আফ্রিকার গরিব দেশগুলোর কী হবে, তাই নিয়ে গোড়া থেকেই চিন্তায় ছিল বিশেষজ্ঞেরা। কিন্তু আফ্রিকার বাস্তব পরিস্থিতি অন্য কথাই বলছে। রহস্যজনক ভাবে টিকা, চিকিৎসাহীন আফ্রিকায় করোনার সংক্রমণের প্রকোপ বেশ কম। কম মৃত্যুও। এ পরিস্থিতিতে বেশ বিভ্রান্তই বিজ্ঞানীরা। জিম্বাবোয়ের হারারের ব্যস্ত বাজার এলাকা। পকেটে মাস্ক নিয়ে ঘুরছিলেন ন্যাশা নদৌউ। তার আশপাশের সকলেরই হয়তো পকেটে মাস্ক পাওয়া যাবে, কিন্তু মুখে কারও নেই। কেউ ফল-সবজি কিনতে এসেছেন, কেউ বেচতে এসেছেন। নদৌউ বলেন, ‘‘কোভিড-১৯ চলে গেছে। কবে শেষ বার কোভিডে মারা যাওয়ার খবর শুনেছেন এখানে?’’ তা হলে সঙ্গে মাস্ক রেখেছেন কেন? উত্তরে তৈরি নদৌউ…