…
এডিটর পিক
সামাজিক সুরক্ষা বা সোশ্যাল প্রোটেকশন কর্মসূচি সরকারের জন্য নাগরিকদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি…
Trending Posts
-
জানুয়ারিতে সড়কে নিহত ৫৪৬ জন: কী পদক্ষেপ নেবে বিএনপি সরকার?
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
স্ত্রীর ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত পারিবারিক সহিংসতাকে বৈধতা দিয়ে তালেবানের নতুন দণ্ডবিধি
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
জানুয়ারিতে সড়কে নিহত ৫৪৬ জন: কী পদক্ষেপ নেবে বিএনপি সরকার?
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
স্ত্রীর ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত পারিবারিক সহিংসতাকে বৈধতা দিয়ে তালেবানের নতুন দণ্ডবিধি
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- প্রকৃত দরিদ্ররা কি ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবে?
- উত্তর প্রদেশে তিন প্রবীণ মুসলমানকে কেন মারধর করা হল?
- বিদ্যুতে ৪৫ হাজার কোটি টাকা বকেয়া, দেউলিয়া পরিস্থিতি বলছেন নতুন মন্ত্রী
- জানুয়ারিতে সড়কে নিহত ৫৪৬ জন: কী পদক্ষেপ নেবে বিএনপি সরকার?
- ইরানকে যে কারণে বশে আনতে পারছে না ট্রাম্প
- কেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের প্রবেশের চেষ্টা?
- ৫৪ বছরের শিরক, এবার যেভাবে হালাল হল জামাতের কাছে
- ১০ বছরে ৩৩ শিশুকে যৌন নির্যাতন ভারতীয় দম্পতির
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
সামাজিক সুরক্ষা বা সোশ্যাল প্রোটেকশন কর্মসূচি সরকারের জন্য নাগরিকদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এর মাধ্যমে মানুষকে ঝুঁকি ও বঞ্চনা থেকে রক্ষা করা হয়, যাতে তারা উন্নত জীবনের পথে এগোতে পারে। নতুন সরকারের প্রস্তাবিত ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্দেশ্যও একই বলে মনে হচ্ছে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচি চালুর নির্দেশ দেন। একই দিনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়া, যোগ্যতার মানদণ্ড এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি চূড়ান্ত করবে। রমজান থেকে পরীক্ষামূলকভাবে প্রতিটি বিভাগের একটি করে উপজেলায় পাইলট প্রকল্প শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।…
উত্তর প্রদেশের বদায়ুঁ জেলার রুদায়ন এলাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি মারধরের ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে, যখন সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, এক যুবক তিনজন প্রবীণ মুসলমান ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে চড় মারছেন। ঘটনাটি নিয়ে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পুলিশের পদক্ষেপ, এবং বৃহত্তর সামাজিক প্রেক্ষাপট—সব মিলিয়ে বিষয়টি এখন স্থানীয় সীমা ছাড়িয়ে জাতীয় বিতর্কের অংশ হয়ে উঠেছে। ভিডিওতে যাদের মারধর করতে দেখা গেছে, তাদের একজন ৫৬ বছর বয়সী আব্দুল সালাম। তিনি বদায়ুঁর সহসওয়ান থানা এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকে তিনি আতঙ্কের মধ্যে আছেন বলে জানিয়েছেন। তার মোবাইল ফোনও দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল। সালামের সঙ্গে থাকা অন্য দুই ব্যক্তি—আরিফ…
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত আবারও বড় ধরনের আর্থিক ও জ্বালানি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই প্রকাশ পেয়েছে যে দেশি-বিদেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানির কাছে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা বকেয়া জমে আছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নতুন নেতৃত্ব এই পরিস্থিতিকে কার্যত ‘দেউলিয়া অবস্থা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন। সামনে রমজান, এরপর সেচ মৌসুম এবং তীব্র গ্রীষ্ম—সব মিলিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের জন্য এক কঠিন পরীক্ষায় পরিণত হতে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৩ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছে। তবে বিদ্যুৎ বিভাগ আশঙ্কা করছে, গরম বাড়লে এ বছরের সর্বোচ্চ চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। কাগজে-কলমে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ…
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান আমাদের সামনে আবারও এক নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরেছে। মাত্র এক মাসে দেশে ৫৫২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৪৬ জন মানুষের মৃত্যু—এটি শুধু একটি সংখ্যা নয়, বরং অসংখ্য পরিবারের স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার গল্প। একই সময়ে ১ হাজার ২০৪ জন আহত হয়েছেন, যাদের অনেকেই হয়তো আজীবন শারীরিক বা মানসিক ক্ষতির বোঝা বহন করবেন। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী রেল ও নৌপথ মিলিয়েও মোট দুর্ঘটনা দাঁড়িয়েছে ৫৯৭টি, যেখানে প্রাণ গেছে ৫৮৬ জনের। এই পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে দেখায়—বাংলাদেশে সড়ক নিরাপত্তা এখনো একটি গভীর জাতীয় সংকট। সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিকগুলোর একটি হলো মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার উচ্চ হার। জানুয়ারিতে ২০৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২২৩…
গত বছরের জুন মাসে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ ভূরাজনীতিকে আবারও সামনে নিয়ে আসে। অভিযানের ঘোষণা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প—এমন দাবি ঘিরে আন্তর্জাতিক আলোচনায় নতুন করে প্রশ্ন ওঠে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের ‘চাপ প্রয়োগ’ কৌশল কতটা কার্যকর হয়েছে। বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা করেছে নিষেধাজ্ঞা, সামরিক উপস্থিতি এবং রাজনৈতিক চাপের সমন্বয়ে। ধারণা ছিল, অর্থনৈতিক অবরোধ ও কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা শেষ পর্যন্ত ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন গল্প বলছে। ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা নিঃসন্দেহে দেশটির অর্থনীতিকে চাপে ফেলেছে। সাধারণ মানুষের জীবনে মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি স্পষ্টভাবে প্রভাব ফেলেছে। তবু যে কৌশলটি ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে…
নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি অদ্ভুত এবং তাৎপর্যপূর্ণ দৃশ্য ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে—দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, কোথাও তালা খুলে ঢুকছেন, আবার কোথাও প্রতিপক্ষের বাধা ও হামলার মুখে পড়ছেন। ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন মনে হলেও সামগ্রিকভাবে এগুলো বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার এক জটিল ও বহুস্তরবিশিষ্ট চিত্র তুলে ধরছে। প্রশ্ন উঠছে—এটি কি স্বতঃস্ফূর্ত তৃণমূল উদ্যোগ, নাকি দলীয় কৌশলের অংশ? অথবা এর পেছনে কি কোনো নীরব রাজনৈতিক সমঝোতা কাজ করছে? ২০২৪ সালের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হওয়ার পর দলটি কার্যত সাংগঠনিকভাবে স্থবির হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের মে মাসে নিষেধাজ্ঞা আরও স্পষ্টভাবে জারি…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা কেবল একটি দিনের ঘটনাকে ছাড়িয়ে গিয়ে দীর্ঘদিনের আদর্শ, অবস্থান ও কৌশলগত বাস্তবতার সংঘাতকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসে। এবারের একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের উপস্থিতি তেমনই এক ঘটনা। বহু বছর ধরে যে দলটি শহীদ মিনার কেন্দ্রিক রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠান থেকে দূরে থেকেছে—কখনো নীরবে, কখনো আদর্শগত আপত্তির ভাষ্যে—সেই দলটির শীর্ষ নেতা এবার ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন এবং মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন। ঘটনাটি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মহলে প্রশ্ন তুলেছে: এটি কি কৌশলগত বাস্তবতা, নাকি আদর্শগত পুনর্বিন্যাস? জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন, বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতীকগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক সব সময়ই…
১০ বছরে ৩৩ শিশুকে যৌন নির্যাতন, ভারতীয় দম্পতির মৃত্যুদণ্ডরামভবন এবং তাঁর স্ত্রী দুর্গাবতীকে শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত একাধিক ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ৩৩ শিশুকে যৌন নির্যাতনের দায়ে উত্তরপ্রদেশের এক দম্পতিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলার ‘প্রোটেকশন অব চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস’ (পকসো) আদালত এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছে। অভিযুক্ত রামভবন এবং তাঁর স্ত্রী দুর্গাবতীকে শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত একাধিক ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। পকসো আইনের আওতায় অস্বাভাবিক যৌনাচার, গুরুতর যৌন নির্যাতন, শিশু পর্নোগ্রাফি এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রসহ একাধিক ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। নির্যাতিত শিশুদের কারও কারও বয়স ছিল মাত্র তিন বছর। আদালত প্রত্যেক নির্যাতিত শিশুকে…
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতিতে সাম্প্রতিক একটি আইনি মোড় বাংলাদেশের রপ্তানি অর্থনীতির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করে যেভাবে বিভিন্ন দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট সেই ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ করায় নীতিগত অনিশ্চয়তা কিছুটা হলেও কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নাটকীয় পরিবর্তন না আনলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতসহ রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক খাত একটি প্রধান স্তম্ভ, আর এই খাত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি বা বাণিজ্য বিধিতে হঠাৎ পরিবর্তন হলে তার প্রভাব সরাসরি পড়ে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে, কর্মসংস্থানে এবং বৈদেশিক মুদ্রা…
মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরেই জটিল সমীকরণ, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও কৌশলগত জোটের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তবে সাম্প্রতিক এক অবকাঠামো উদ্যোগ এই অঞ্চলের শক্তির ভারসাম্যে নতুন আলোড়ন তুলতে পারে। সৌদি আরব যে ফাইবার অপটিক কেবল প্রকল্পে সিরিয়াকে ট্রানজিট দেশ হিসেবে বিবেচনা করছে—এটি কেবল একটি প্রযুক্তিগত বা বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নয়; বরং এটি আঞ্চলিক ভূরাজনীতির গভীর পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত বহন করছে। ভূমধ্যসাগর হয়ে সৌদি আরবকে গ্রিসের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পিত এই কেবল প্রকল্প এখন মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার খেলায় নতুন অধ্যায় রচনা করতে যাচ্ছে। প্রাথমিক আলোচনায় ধারণা ছিল, কেবলটি ইসরায়েল হয়ে যাবে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরব-ইসরায়েল সম্পর্কের উষ্ণতার ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখা হচ্ছিল। কিন্তু রিয়াদের নতুন অবস্থান—সিরিয়া হয়ে গ্রিসের…