…
এডিটর পিক
যুদ্ধের ময়দানে শত্রুকে পরাজিত করার সবচেয়ে পরিচিত পদ্ধতি হলো সরাসরি আঘাত। বোমা হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ,…
Trending Posts
-
১৫ আগস্ট কার ইতিহাস: শোক, ক্ষমতা ও রাষ্ট্রীয় স্মৃতির অর্ধশত বছর
আগস্ট ১৫, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
স্বীকৃতি মিলল, নিরাপত্তা নয়: ৩ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন কি সত্যিই সম্ভব?
আগস্ট ১৫, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিবেদক | 0 Comments -
সমুদ্রের নিচে দুই হাজার বছরের বাণিজ্যপথ: সিসিলিতে মিলল রোমান জাহাজ
আগস্ট ১৬, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
বাংলাদেশ কি চীনা পণ্যের ট্রানজিট রুট? মার্কিন অভিযোগে রপ্তানি খাতের নতুন ঝুঁকি
আগস্ট ১৫, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিক প্রবেশে বাধা: বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা কি সংকুচিত হচ্ছে?
আগস্ট ১৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
১৫ আগস্ট কার ইতিহাস: শোক, ক্ষমতা ও রাষ্ট্রীয় স্মৃতির অর্ধশত বছর
আগস্ট ১৫, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
স্বীকৃতি মিলল, নিরাপত্তা নয়: ৩ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন কি সত্যিই সম্ভব?
আগস্ট ১৫, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিবেদক | 0 Comments -
সমুদ্রের নিচে দুই হাজার বছরের বাণিজ্যপথ: সিসিলিতে মিলল রোমান জাহাজ
আগস্ট ১৬, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
বাংলাদেশ কি চীনা পণ্যের ট্রানজিট রুট? মার্কিন অভিযোগে রপ্তানি খাতের নতুন ঝুঁকি
আগস্ট ১৫, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিক প্রবেশে বাধা: বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা কি সংকুচিত হচ্ছে?
আগস্ট ১৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে আটকে তারেক রহমানের ভারত সফর?
- প্রতি সেকেন্ডে ৯০ হাজার ডলার ঋণ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের, সামনে বড় ঝুঁকি
- ইরানকে কাবু করতে ট্রাম্পের ‘অ্যানাকোন্ডা কৌশল’ আসলে কী?
- প্রাচীন যুদ্ধ থেকে আধুনিক যুদ্ধ—কেন নারীরা যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠেছে?
- ৪০ লাখ বছরে ৫ গুণ বড় মানুষের মস্তিষ্ক, নেপথ্যে কী?
- ভারতে বিজেপির শাসন কি সত্যিই শেষের পথে?
- ভারতের ১০ কোটি তরুণ চাকরি খোঁজা ছেড়ে দিয়েছে
- মাছ উৎপাদনে এগিয়ে বাংলাদেশ, তবু কেন শত কোটি টাকার আমদানি?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এখন শুধু জ্বালানি খাতের সমস্যা নয়; এটি অর্থনীতি, শিল্প উৎপাদন, পরিবহন ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর সরাসরি চাপ তৈরি করছে। সাম্প্রতিক সময়ে একটি এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি সমস্যায় গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার পর বিদ্যুৎ উৎপাদনেও বড় ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে লোডশেডিং বেড়েছে, শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে এবং বাসাবাড়িতেও গ্যাসের চাপ কমেছে। এই পরিস্থিতি একটি বিষয় পরিষ্কার করে দিয়েছে—শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্র বাড়ালেই বাংলাদেশের জ্বালানি সমস্যা সমাধান হবে না। প্রয়োজন গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো, দেশীয় উৎসের অনুসন্ধান জোরদার করা, এলএনজি আমদানিকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং পুরো জ্বালানি ব্যবস্থাকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তোলা। প্রথম কাজটি হওয়া উচিত জরুরি…
মহাকাশের কথা উঠলে আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে নক্ষত্র, গ্রহ, ধূমকেতু, গ্রহাণু আর অসীম অন্ধকার। সেখানে চিনি আছে—এই কথাটি শুনতে প্রথমে অবিশ্বাস্যই মনে হতে পারে। কারণ আমরা চিনি বলতে সাধারণত খাবারের মিষ্টি স্বাদের পদার্থকেই বুঝি। কিন্তু বিজ্ঞানের ভাষায় ‘চিনি’ শুধু খাবারের টেবিলে থাকা সাদা দানাদার পদার্থ নয়; এটি এমন এক শ্রেণির জৈব অণু, যার কিছু সদস্য পৃথিবীর জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো মহাকাশে এসব গুরুত্বপূর্ণ চিনিজাতীয় অণুর উপস্থিতি নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে গ্রহাণু বেন্নু থেকে আনা নমুনায় রাইবোজ ও গ্লুকোজের সন্ধান পাওয়ার ঘটনা বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন প্রশ্ন তুলেছে—পৃথিবীতে প্রাণের আবির্ভাবের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু রাসায়নিক…
ভারতের স্বাধীনতা দিবস এলেই দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরে আসে ইতিহাসের পুরোনো কিছু প্রশ্ন। কে স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিল, কারা ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামে সক্রিয় ছিল, কারা দূরে ছিল—এসব প্রশ্ন শুধু ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ নেই। বরং বর্তমান ভারতের রাজনীতিতেও এসব প্রশ্নের রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে। বিশেষ করে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস এবং বিজেপিকে ঘিরে স্বাধীনতা আন্দোলনের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক এখনো অব্যাহত। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। কিন্তু সেই সময় বিজেপি নামে কোনো রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব ছিল না। বিজেপি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে। এর রাজনৈতিক পূর্বসূরি ভারতীয় জনসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫১ সালে, অর্থাৎ ভারতের স্বাধীনতার…
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাস পূর্ণ করেছে। প্রায় দুই দশক পর নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় ফিরে আসা বিএনপির সামনে শুরু থেকেই ছিল বড় প্রত্যাশা। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছিল দলটি। ফলে নতুন সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশাও ছিল অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। নির্বাচনের আগে বিএনপি যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিল, তার মধ্যে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কার ছিল অন্যতম। ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেওয়ার পরদিনই মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে এই তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছিল সরকার—দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি এবং বিদ্যুৎ ও…
তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের প্রচলিত নিরাপত্তা কাঠামোয় নতুন এক সমীকরণের জন্ম দিয়েছে। চুক্তিটিকে কেউ দেখছেন প্রতীকী প্রতিরক্ষা সহযোগিতা হিসেবে, কেউ আবার মনে করছেন এর ভেতরে ভবিষ্যতের একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে। কিন্তু এই দুই ব্যাখ্যার মাঝেও একটি বিষয় স্পষ্ট—চুক্তিটি ভারতের কৌশলগত হিসাব-নিকাশকে জটিল করে তুলেছে। কারণ, তিন দেশের প্রত্যেকের হাতে রয়েছে এমন কিছু সম্পদ ও সক্ষমতা, যা অন্য দুই দেশের নেই। সৌদি আরবের রয়েছে বিপুল অর্থনৈতিক শক্তি ও জ্বালানি সম্পদ, তুরস্কের রয়েছে দ্রুত বিকশিত প্রতিরক্ষা শিল্প ও যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষিত প্রযুক্তি, আর পাকিস্তানের রয়েছে বড় সামরিক বাহিনী এবং পারমাণবিক অস্ত্র।…
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যু যে এখনো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে ঘিরে নতুন করে তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাসহ ভারতে অবস্থানরত পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের জন্য প্রয়োজনীয় ‘অনুকূল পরিবেশ’ তৈরি হবে না বলে ঢাকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে দ্য ডনের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভারত সফর নিয়ে চলমান আলোচনা সম্পর্কে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তাঁর বক্তব্যে…
চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র—এই তিন শক্তির টানাপোড়েনের মধ্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কোন দিকে যাবে, এমন প্রশ্ন গত কয়েক বছরে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে বাংলাদেশের জন্য আসল প্রশ্ন সম্ভবত ‘কার দিকে ঝুঁকবে’ নয়; বরং কোন দেশের সঙ্গে কোন স্বার্থে কতটা ঘনিষ্ঠ হওয়া প্রয়োজন। কারণ বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় কোনো রাষ্ট্রের পক্ষেই একটি দেশের ওপর সব ধরনের নির্ভরতা তৈরি করে দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ থাকা সহজ নয়। নিরাপত্তা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, জ্বালানি, শিক্ষা, শ্রমবাজার ও অবকাঠামো—প্রতিটি ক্ষেত্রেই আলাদা অংশীদার বেছে নেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের রয়েছে। এই বাস্তবতা সামনে রেখে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে আবেগের চেয়ে প্রয়োজন, আর রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার চেয়ে পরিমাপযোগ্য স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। বাংলাদেশ ২০২৬ সালের ২৪…
মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিয়ে আবারও নিজেদের পুরোনো অবস্থান সামনে এনেছে দেশটির সরকার। রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় নিশ্চিত হওয়া ব্যক্তিদেরই কেবল ফেরত নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের দেওয়া রোহিঙ্গাদের তালিকার সংখ্যা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে তারা। মিয়ানমারের এই বিবৃতি শুধু প্রত্যাবাসনের বিষয়ে তাদের অবস্থান জানানোর ঘটনা নয়; এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা একটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ন্যারেটিভকেও আবার সামনে আনা হয়েছে। ১৫ আগস্ট দেওয়া বিবৃতিতে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ‘একপেশে, ভুল তথ্য ও অপতথ্য’ প্রচার করা হচ্ছে। দেশটির…
‘আগামীকাল যেন ঘুম থেকে না উঠি’—যুদ্ধের ময়দানে থাকা একজন মার্কিন নাবিকের কাছ থেকে স্ত্রীর কাছে আসা এমন একটি বার্তা শুধু ব্যক্তিগত হতাশার প্রকাশ নয়, বরং দীর্ঘদিন সমুদ্রে মোতায়েন থাকা একটি পুরো যুদ্ধজাহাজের ভেতরের গভীর সংকটের ইঙ্গিত। ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে অংশ নিতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক ও সেনাসদস্য এখন এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি, যেখানে যুদ্ধের ঝুঁকির পাশাপাশি ক্লান্তি, অনিশ্চয়তা, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্নতা এবং মানসিক ভেঙে পড়ার আশঙ্কাও বড় হয়ে উঠেছে। সান ডিয়েগোতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক টাউন হল সভায় নাবিকদের পরিবারের সদস্যরা মার্কিন নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সামনে তাঁদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। সেখানে উপস্থিত…
পশ্চিমবঙ্গে BJP সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ থেকে আসা মানুষদের নিয়ে রাজ্য সরকারের অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে। একদিকে ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে বাংলাদেশ থেকে আসা নির্দিষ্ট শ্রেণির শরণার্থীদের Citizenship Amendment Act বা CAA-এর আওতায় নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত করার কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে CAA-এর আওতায় না থাকা ব্যক্তিদের ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ২০ মে ‘detect, delete and deport’ নীতির ঘোষণা দেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, CAA-এর আওতায় পড়েন না—এমন কথিত অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং পরবর্তী ধাপে তাদের ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সীমান্তে দীর্ঘদিনের…