…
এডিটর পিক
একটি চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন ৩৫ বছর বয়সী এক যুবক। হঠাৎ মোটরসাইকেলে করে…
Trending Posts
-
জার্মানির জেন জি বিক্ষোভ: সমৃদ্ধ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত কেন?
নভেম্বর ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
লিসবনের ভূমিকম্প: এক বিপর্যয় কীভাবে ঈশ্বর, রাষ্ট্র ও মানুষের চিন্তাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল?
নভেম্বর ১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা: মানুষের অস্তিত্বের জন্যই বড় হুমকি
নভেম্বর ৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
জার্মানির জেন জি বিক্ষোভ: সমৃদ্ধ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত কেন?
নভেম্বর ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
লিসবনের ভূমিকম্প: এক বিপর্যয় কীভাবে ঈশ্বর, রাষ্ট্র ও মানুষের চিন্তাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল?
নভেম্বর ১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা: মানুষের অস্তিত্বের জন্যই বড় হুমকি
নভেম্বর ৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- বাংলাদেশের মানুষ কি চায় শেখ হাসিনা ফিরুক? জরিপ কী বলে?
- মানুষের শরীরের ৮ শতাংশ ডিএনএ এসেছে প্রাচীন ভাইরাস থেকে!
- রাহুল গান্ধী কি সত্যিই ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে চান?
- তথ্য পাচার করছে পুলিশ! নজরদারিতে ২ হাজার কর্মকর্তা
- প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা: মানুষের অস্তিত্বের জন্যই বড় হুমকি
- ৯ মাসে ২,৬৫৯ হত্যা, ৫,৩৮১ ধর্ষণ মামলা
- ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা যা ঘটছে
- কংগ্রেস হাতছাড়া ট্রাম্পের, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন ঝড়!
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাকশিল্প। দেশের রপ্তানি আয়ের বড় একটি অংশ আসে এই খাত থেকে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের পরিচিতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সঙ্গে এই শিল্পের সম্পর্ক গভীর। অথচ এই বিশাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রে থাকা শ্রমিকদের জীবনযাত্রার বাস্তবতা এখনো প্রশ্নবিদ্ধ। যাঁদের শ্রমে দেশের রপ্তানি আয় বাড়ছে, তাঁদের একটি বড় অংশকে মাসের শেষ দিনগুলো পার করতে হচ্ছে ঋণ করে, খাবারের খরচ কমিয়ে কিংবা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও শিক্ষা থেকে নিজেদের বঞ্চিত করে। সম্প্রতি পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। গাজীপুর, আশুলিয়া ও ঢাকাসহ বিভিন্ন…
মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় বস্তুগুলোর একটি কৃষ্ণগহ্বর। এর মহাকর্ষীয় আকর্ষণ এতটাই প্রবল যে একবার কোনো বস্তু এর সীমানার ভেতরে প্রবেশ করলে আলো পর্যন্ত আর ফিরে আসতে পারে না। বিজ্ঞানীদের কাছে কৃষ্ণগহ্বরের জন্ম, বৃদ্ধি, সংঘর্ষ কিংবা একীভূত হওয়ার ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণার বিষয়। কিন্তু এবার জ্যোতির্বিজ্ঞান ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে নতুন এক প্রশ্ন সামনে এসেছে—একটি কৃষ্ণগহ্বর কি নিজেই ভেঙে দুটি আলাদা কৃষ্ণগহ্বরে পরিণত হতে পারে? সাধারণভাবে আমরা জানি, দুটি কৃষ্ণগহ্বর পরস্পরের কাছাকাছি এসে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে তারা একীভূত হয়ে আরও বড় একটি কৃষ্ণগহ্বর তৈরি করতে পারে। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এমন ঘটনার প্রমাণও পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু প্রক্রিয়াটির বিপরীত চিত্র, অর্থাৎ একটি কৃষ্ণগহ্বরের…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে একসময় বাম, মধ্যপন্থী ও ডানপন্থী—বিভিন্ন মতাদর্শের মধ্যে একধরনের প্রতিযোগিতা ও ভারসাম্য ছিল। কৃষক-শ্রমিকের অধিকার, সাম্য, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ, জাতীয়তাবাদ, নাগরিক স্বাধীনতা—এসব প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান আলাদা হলেও জাতীয় আলোচনায় একাধিক ধারার উপস্থিতি ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই ভারসাম্য ক্রমেই বদলে যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্র সরে যাচ্ছে ডানপন্থী অবস্থানের দিকে। বাম ও উদারপন্থী রাজনীতি শুধু নির্বাচনী শক্তি হারাচ্ছে না, অনেক ক্ষেত্রে জনপরিসরেও নিজেদের বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করতে হিমশিম খাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশের রাজনীতি কি সত্যিই ডানপন্থী চিন্তার একচ্ছত্র প্রভাবের দিকে এগোচ্ছে? আর যদি তা-ই হয়, তাহলে বাম ও উদারপন্থী শক্তিগুলোর সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ কী? বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে মধ্যপন্থা…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ক্ষমতা, নেতৃত্ব, নির্বাচন ও সাংগঠনিক শক্তি নিয়ে আলোচনা দীর্ঘদিনের। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো কীভাবে পরিচালিত হয়, তাদের বিপুল সাংগঠনিক ব্যয়ের অর্থ কোথা থেকে আসে এবং সেই অর্থের হিসাব কতটা স্বচ্ছ—এসব প্রশ্ন তুলনামূলকভাবে কম আলোচনায় আসে। একটি রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের কার্যালয় পরিচালনা, কর্মীদের সাংগঠনিক কার্যক্রম, সভা-সমাবেশ, প্রচার-প্রচারণা এবং নির্বাচনি প্রস্তুতি—সবকিছুতেই বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়। অথচ দলগুলোর প্রকাশিত আয়-ব্যয়ের হিসাবের সঙ্গে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার সম্ভাব্য ব্যয়ের বড় ব্যবধান রয়েছে। সম্প্রতি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন’ শীর্ষক গবেষণা এই পুরোনো প্রশ্নটিকেই নতুন করে সামনে এনেছে: রাজনৈতিক দলগুলোর…
মানুষ যখন প্রথম আকাশের দিকে তাকিয়ে নক্ষত্রের অবস্থান বুঝতে চেয়েছিল, নদীর পানির উচ্চতা মাপতে চেয়েছিল কিংবা নিজের জমির সীমানা নির্ধারণ করতে চেয়েছিল, তখন থেকেই গণিতের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়। আজকের আধুনিক পৃথিবীতে কম্পিউটার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ গবেষণা, চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রকৌশল কিংবা অর্থনীতি—প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই গণিতের উপস্থিতি অপরিহার্য। কিন্তু গণিতের এই দীর্ঘ যাত্রা এক দিনে শুরু হয়নি। হাজার হাজার বছর ধরে মানুষের প্রয়োজন, কৌতূহল, পর্যবেক্ষণ এবং বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে গণিত গড়ে উঠেছে। গণিতের ইতিহাস মূলত মানবসভ্যতার চিন্তা, আবিষ্কার এবং অগ্রগতিরই ইতিহাস। গণিতের জন্ম কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সভ্যতার হাত ধরে হয়নি। এর প্রাথমিক ধারণা তৈরি হয়েছিল মানুষের দৈনন্দিন জীবন থেকেই। প্রাচীন মানুষ…
একসময় মানুষের বুদ্ধিমত্তার বিকাশকে সভ্যতার অগ্রগতির অন্যতম প্রধান সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হতো। প্রতিটি নতুন প্রজন্ম আগের প্রজন্মের তুলনায় বেশি শিক্ষিত হবে, বেশি তথ্য জানবে এবং জটিল সমস্যার সমাধানে আরও দক্ষ হয়ে উঠবে—এমন প্রত্যাশাই ছিল স্বাভাবিক। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, চিকিৎসা, মহাকাশ গবেষণা কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অভাবনীয় অগ্রগতি মানুষের সেই প্রত্যাশাকে আরও শক্তিশালী করেছে। কিন্তু আধুনিক সভ্যতার এই সাফল্যের মধ্যেই বিজ্ঞানীরা এমন একটি প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, যা মানুষের ভবিষ্যৎ বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা সম্পর্কে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। কয়েকটি উন্নত দেশে তরুণ প্রজন্মের আইকিউ পরীক্ষার স্কোর কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যে ধারায় শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষের পরীক্ষাভিত্তিক বুদ্ধিমত্তার স্কোর বেড়েছিল,…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার উপস্থিতি এখন আর শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণের বিষয় নয়; এটি ক্রমেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভারতে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে তাঁর প্রত্যর্পণ নিয়ে রাজনৈতিক দাবি, কূটনৈতিক আলোচনা এবং আইনি জটিলতা চলমান। কিন্তু এর মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—ভারত চাইলে কি শেখ হাসিনাকে সম্পূর্ণ নীরব রাখতে পারে না? নাকি তাঁকে নীরব রাখার ক্ষেত্রে ভারতেরই কোনো রাজনৈতিক বাধা রয়েছে? আমেরিকার জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি স্টাডিজ প্রোগ্রামের অধ্যাপক ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বিশ্লেষক সি ক্রিস্টিন ফেয়ারের মতে, শেখ হাসিনাকে নীরব রাখতে ভারতের অসুবিধার…
গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন, মজুরি নিয়ে অসন্তোষ, শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা এবং সহিংসতার অভিযোগ—সব মিলিয়ে দেশের তৈরি পোশাক খাত আবারও এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি। অথচ এই পরিস্থিতির গভীরে গিয়ে শ্রমিকদের ক্ষোভের কারণ, মালিকপক্ষের ভূমিকা, মজুরি নির্ধারণের বাস্তবতা এবং সরকারের দায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা থাকলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে অন্য একটি বিষয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের দাবি, নিরীহ গার্মেন্টস শ্রমিকদের ব্যবহার করে সীমান্তের ওপার থেকে কেউ কেউ দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির ইন্ধন জোগাচ্ছে। তাঁর বক্তব্যে আরও উঠে এসেছে মুখোশধারীদের আন্দোলনে অনুপ্রবেশ, রপ্তানি বাণিজ্য ব্যাহত করার ষড়যন্ত্র এবং দেশের উৎপাদনব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনার অভিযোগ। প্রশ্ন হচ্ছে, শ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে সত্যিই যদি কোনো সংগঠিত ষড়যন্ত্র থেকে…
বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নতুন একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত আইনে কোনো কনটেন্টকে অবৈধ বলে সরকারি নোটিশ দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেটি সরিয়ে ফেলতে হবে। আর ডিপফেক পর্নোগ্রাফি কিংবা শিশু যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত কনটেন্টের ক্ষেত্রে অভিযোগ বা নোটিশ পাওয়ার পর সময়সীমা হবে মাত্র ১২ ঘণ্টা। সরকারের যুক্তি, অনলাইনে অপরাধ, অপপ্রচার, মানহানি ও ক্ষতিকর কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। কিন্তু প্রস্তাবিত আইনের বিস্তৃত ক্ষমতা, অস্পষ্ট সংজ্ঞা এবং স্বাধীন নজরদারির অভাব নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন মানবাধিকারকর্মী ও ডিজিটাল অধিকার বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের আশঙ্কা, অপরাধ দমনের উদ্দেশ্যে তৈরি হতে যাওয়া আইনটি শেষ পর্যন্ত বৈধ মতপ্রকাশ, রাজনৈতিক সমালোচনা ও ভিন্নমত…
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির বিভিন্ন কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে চিকিৎসার নামে বন্দিদের ওপর চালানো হতো ভয়ংকর সব পরীক্ষা। এসব পরীক্ষার উদ্দেশ্য ছিল কয়েক ধরনের। কিছু পরীক্ষা পরিচালিত হতো জার্মান সেনাদের যুদ্ধক্ষেত্রে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বাড়াতে, কিছু ছিল নতুন ওষুধ ও চিকিৎসাপদ্ধতি যাচাইয়ের জন্য, আর কিছু সরাসরি নাৎসিদের বর্ণবাদী ও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বের ধারণাকে প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু এসব গবেষণার সবচেয়ে ভয়াবহ দিক ছিল—যাঁদের শরীর ব্যবহার করা হচ্ছিল, তাঁদের সম্মতি নেওয়া হতো না। তাঁদের কাছে পরীক্ষার উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করা হতো না, ঝুঁকি সম্পর্কে জানানো হতো না, এমনকি পরীক্ষা বন্ধ করার অধিকারও দেওয়া হতো না। জার্মানির ডাকাউ কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে চালানো উচ্চতাজনিত পরীক্ষা ছিল এর একটি…