…
এডিটর পিক
২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শুধু একটি তারিখ নয়, এটি একটি মোড়, যার…
Trending Posts
-
সহিংসতা প্রাণহানি বাড়ায় ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কেন?
জানুয়ারি ৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
১৪ বছরের আকবরের কাছে কেন হেরেছিলেন ভারতের ‘নেপোলিয়ন’ হিমু?
জানুয়ারি ১১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
সহিংসতা প্রাণহানি বাড়ায় ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কেন?
জানুয়ারি ৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
১৪ বছরের আকবরের কাছে কেন হেরেছিলেন ভারতের ‘নেপোলিয়ন’ হিমু?
জানুয়ারি ১১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- নির্বাচনের পর কী করবেন ইউনূস?
- ইরানে লাশের স্তূপ, বিক্ষোভকারীদের ‘মৃত্যুদণ্ড’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি
- ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারিতে আসলে কী ঘটেছিল?
- ১৪ বছরের আকবরের কাছে কেন হেরেছিলেন ভারতের ‘নেপোলিয়ন’ হিমু?
- কলম্বিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ‘হুমকি’ রয়েছে: দেশটির প্রেসিডেন্ট
- বিক্ষোভ তুঙ্গে, টিকবে কি ইরানের শাসকগোষ্ঠী?
- বিএনপি-জামায়াত কি জাতীয় সরকার গঠন করবে?
- কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
আন্টার্কটিকা বলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে অন্তহীন সাদা প্রান্তর, তুষারঝড়, হিমবাহ আর পেঙ্গুইনের সারি। পৃথিবীর একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এই মহাদেশকে আমরা চিনি বরফের রাজ্য হিসেবে, যেখানে মানুষের স্থায়ী বসতি নেই, জীবন টিকে থাকে কেবল চরম প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে। কিন্তু সাম্প্রতিক এক বৈজ্ঞানিক গবেষণা যেন এই পরিচিত ছবিটিকেই ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। বরফের প্রায় দুই কিলোমিটার গভীরে সন্ধান মিলেছে এক হারিয়ে যাওয়া অরণ্যের—যার বয়স প্রায় সাড়ে তিন কোটি বছর। এই আবিষ্কার শুধু আন্টার্কটিকার অতীত নয়, গোটা পৃথিবীর জলবায়ু ইতিহাসকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। আজ যে আন্টার্কটিকাকে আমরা দেখি, তা আদিকাল থেকেই এমন ছিল না। কোটি কোটি বছর আগে…
বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে সব সময়ই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ভৌগোলিক নৈকট্য, ইতিহাসের গভীরতা, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত পারস্পরিক নির্ভরতা—সব মিলিয়ে এই সম্পর্ক কখনো সহযোগিতার, কখনো টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে যে শীতলতা তৈরি হয়েছিল, তার পটভূমিতে দিল্লির সাম্প্রতিক কয়েকটি কূটনৈতিক উদ্যোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ঢাকা সফর এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন—এই দুই ঘটনা একসঙ্গে দেখলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ভারতের আগ্রহের একটি স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যায়। প্রায় চার বছর পর ভারতের কোনো প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাংলাদেশ মিশনে যাওয়া নিজেই…
১৯৯০ সালের শীতের এক সকালে ঢাকা শহর ছিল থমথমে। রাজপথে মানুষের ভিড়, বাতাসে উত্তেজনা, দেয়ালে দেয়ালে লেখা স্লোগান—স্বৈরাচার পতনের ডাক। সেই ভিড়ের মাঝখানে, দৃশ্যত নীরব কিন্তু রাজনৈতিকভাবে প্রবল উপস্থিতি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক নারী। তিনি তখন রাষ্ট্রক্ষমতায় নেই, সেনাবাহিনী নেই, প্রশাসন নেই—আছে শুধু জনতার প্রত্যাশা আর নিজের অদম্য অবস্থান। হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সেই গণআন্দোলনের মুহূর্তে খালেদা জিয়া হয়ে উঠেছিলেন এক প্রতীক। যেন ঝড়ের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা এক দীপশিখা—নেভে না, বরং দিকনির্দেশ দেয়। খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন বোঝার জন্য তাঁকে কেবল একজন প্রধানমন্ত্রী বা বিএনপির চেয়ারপারসন হিসেবে দেখলে অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তিনি ছিলেন ইতিহাসের সন্তান—বাংলাদেশের সবচেয়ে অস্থির, সংঘাতমুখর…
দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে ভারতের সঙ্গে তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্ক এক গভীর চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই চাপ কোনো একক দ্বিপক্ষীয় বিরোধের ফল নয়; বরং এটি একটি কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত, যা পুরো অঞ্চলে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান টানাপোড়েন, পাকিস্তানের সঙ্গে পশ্চিম সীমান্তে স্থায়ী উত্তেজনা, আর নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের কৌশলগত অবস্থান বদলে যাওয়া—সব মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের প্রভাব যে চ্যালেঞ্জের মুখে, তা আর আড়াল করা যাচ্ছে না। এই পরিবর্তনের মূল কারণ হিসেবে উঠে আসছে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারতের প্রতি বাড়তে থাকা অবিশ্বাস, যা জন্ম নিয়েছে নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক কূটনীতি, আদর্শিক বার্তা এবং আগ্রাসী নেতৃত্বের ভাষা থেকে। “নেইবারহুড ফার্স্ট” নীতির আওতায় সংযোগ, বাণিজ্য ও…
রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে খালেদা জিয়ার জানাজা শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিদায় অনুষ্ঠান নয়, এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অনিবার্য অধ্যায়। এই জানাজা ইতিহাসের অংশ, কারণ এখানে মিলেছে সময়, ক্ষমতা, সংগ্রাম, আবেগ এবং একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক যুগের সমাপ্তি। যে মানুষটি জীবনের বড় অংশ কাটিয়েছেন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, যিনি একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, আবার একই সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধ, কারাবাস ও অসুস্থতার মধ্য দিয়ে জীবন পার করেছেন—তাঁর শেষ বিদায় স্বাভাবিকভাবেই ইতিহাসে স্থান করে নেয়। খালেদা জিয়া ছিলেন স্বাধীনতার পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে প্রভাবশালী চরিত্রগুলোর একজন। সামরিক শাসনের পর গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে তাঁর উত্থান, একজন সেনাপ্রধানের স্ত্রী থেকে দলীয় নেত্রী হয়ে ওঠা, এবং পরে…
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যখন টানটান উত্তেজনা, ঠিক সেই মুহূর্তে বিএনপির ভেতরে বড় ধরনের ভাঙনের ইঙ্গিত দিল রুমিন ফারহানাসহ নয় নেতাকে বহিষ্কারের ঘটনা। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় শেষ হওয়ার পরদিনই দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার অভিযোগে এই বহিষ্কার শুধু একটি সাংগঠনিক পদক্ষেপ নয়, বরং বিএনপির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কৌশল, অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা এবং ভবিষ্যৎ পথচলার ওপর গভীর প্রশ্ন তুলে দিল। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি নাটকীয় ও আবেগঘন বাস্তবতা—এই বহিষ্কারের দিনই সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফলে ঘটনাটি রাজনৈতিক হিসাব–নিকাশের গণ্ডি পেরিয়ে শোক, অনিশ্চয়তা ও দ্বিধার এক জটিল আবহ তৈরি করেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপির…
কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস (সিএফআর)–এর সাম্প্রতিক বিশ্লেষণী প্রতিবেদন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা উসকে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে প্রভাবশালী এই থিংক ট্যাঙ্ক তাদের ‘প্রিভেন্টিভ প্রায়োরিটিজ সার্ভে ২০২৬’-এ বাংলাদেশে সম্ভাব্য সংঘাতের শঙ্কাকে ‘মাঝারি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। যদিও এটি যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি কৌশলগত স্বার্থের দিক থেকে উচ্চ ঝুঁকির তালিকায় নেই, তবু প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী এই সংঘাত গুরুতর কিংবা বৃহৎ মানবিক সংকটে রূপ নিতে পারে—যা বাংলাদেশসহ পুরো অঞ্চলের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। সিএফআর তাদের মূল্যায়নে একটি ‘রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট ম্যাট্রিক্স’ ব্যবহার করেছে, যেখানে সম্ভাব্য সংঘাতগুলোকে দুটি মানদণ্ডে বিচার করা হয়। একদিকে রয়েছে সংঘাত ঘটলে তা যুক্তরাষ্ট্রের…
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক ব্যতিক্রমী অধ্যায়। একজন গৃহবধূ থেকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠা—এই যাত্রাপথ শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়, বরং একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক রূপান্তর, আন্দোলন-সংগ্রাম, সংকট ও সমঝোতার দীর্ঘ ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি। প্রায় চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে তিনি কখনো আপসহীন আন্দোলনের প্রতীক, কখনো ক্ষমতার কেন্দ্রের নেতা, আবার কখনো নিপীড়নের শিকার এক ধৈর্যশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সময়ের প্রবাহে তাঁর ভূমিকা নিয়ে মতভেদ থাকলেও, শেষ পর্যন্ত তিনি হয়ে উঠেছেন এমন এক রাজনৈতিক চরিত্র, যাকে অস্বীকার করা বাংলাদেশের রাজনীতির পক্ষে সম্ভব নয়। ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর বিএনপি এক গভীর নেতৃত্বসংকটে পড়ে। সেনা অভ্যুত্থান…
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জানাজা হয়ে যাওয়ার দু-এক দিন পরই আমি হাজির হয়েছিলাম শহীদ মইনুল রোডের বাড়ির সামনে। উদ্দেশ্য ছিল খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎকার নেওয়া। বিচিত্রায় তখন জিয়া ও তাঁর পরিবারের বিষয় নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎকার হবে তাতে নতুন সংযোজন। আমার কার্ড পাঠানোর পর বলা হলো, সাক্ষাৎকার দিলে আমাকে জানানো হবে। আমি একটু ভয়ে ভয়ে ছিলাম। জিয়া হত্যাকারীদের পাঠানো চর সন্দেহ করে ঝামেলা হয় কি না। দুই দিন পর বেলা তিনটার দিকে অফিসে এক ভদ্রলোক এলেন। সোজা সম্পাদকের কামরায় যেয়ে কী বললেন। শাহাদত ভাই আমাকে ডেকে বললেন, ‘বেগম জিয়ার সাক্ষাৎকার চাইছিলা?’ তাঁকে না জানিয়েই চেয়েছিলাম বলে আমতা…
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের বর্তমান চিত্রটি প্রথম নজরে স্বস্তিদায়ক মনে হতে পারে। ব্যাংকে টাকার অভাব নেই, বরং উদ্বৃত্ত তারল্যের পাহাড় জমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে যেখানে ব্যাংকগুলোর হাতে অতিরিক্ত তারল্য ছিল প্রায় দুই লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা, ২০২৫ সালের জুনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকায়। কাগজে–কলমে এই সংখ্যা অর্থনীতির স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু সংখ্যার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ধরনের অচলাবস্থা, যা ধীরে ধীরে পুরো অর্থনীতিকে গ্রাস করছে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বাস্তব উৎপাদনশীল খাতে প্রবাহিত হচ্ছে না। নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠছে না, বড় কোনো বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না, কর্মসংস্থানের নতুন…