…
এডিটর পিক
সরকারি হিসাবে ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল প্রায় ২৬ থেকে ২৭ হাজার। কিন্তু…
Trending Posts
-
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধসের শঙ্কা! প্রবৃদ্ধি ৩.২%, মূল্যস্ফীতি ১০.৯%—আইএমএফের বড় সতর্কবার্তা
অক্টোবর ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পোষা প্রাণী থেকে পরিবারের সদস্য: মানুষ ও প্রাণীর সম্পর্কের বদলে যাওয়া গল্প
অক্টোবর ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ককরোচের প্রতিবাদে দিল্লির অস্বস্তি: তরুণদের আন্দোলন, সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও বিরোধীদের হিসাব
অক্টোবর ১১, ২০২৬By নুর নবী দুলাল | 0 Comments
Trending Posts
-
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধসের শঙ্কা! প্রবৃদ্ধি ৩.২%, মূল্যস্ফীতি ১০.৯%—আইএমএফের বড় সতর্কবার্তা
অক্টোবর ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পোষা প্রাণী থেকে পরিবারের সদস্য: মানুষ ও প্রাণীর সম্পর্কের বদলে যাওয়া গল্প
অক্টোবর ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ককরোচের প্রতিবাদে দিল্লির অস্বস্তি: তরুণদের আন্দোলন, সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও বিরোধীদের হিসাব
অক্টোবর ১১, ২০২৬By নুর নবী দুলাল | 0 Comments
- ঘড়ির শাসন: কারখানা কীভাবে মানুষের সময়কে নিজের করে নিল?
- যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই ইরানে ‘মাদার অব অল বম্বস’ ফেলবে, ফেললে কী হবে
- ১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষ: ১৫ লাখ মানুষের মৃত্যু ও বঙ্গবন্ধু সরকারের নিষ্ক্রিয়তা
- চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় নিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশিদের ‘টোপ’ হিসেবে ব্যবহার!
- এবার বাংলাদেশ থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেল ভারতের বিএসএফ
- বাংলাদেশ পথ দেখিয়েছে, নেহার বক্তব্যে ভারতের সরকার পতনের আতঙ্কে বিজেপি
- উচ্চশিক্ষার বারোটা বাজল যেভাবে
- দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের যৌনাঙ্গে লাথি, পোশাক টেনে অপমানের অভিযোগ—কাঠগড়ায় পুলিশ
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের প্রয়োজন মেটাতে এবার বড় অঙ্কের বৈদেশিক ঋণের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। মোট ৩৩০ কোটি ডলারের এই ঋণের একটি অংশ যাবে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে, আর বড় অংশ ব্যয় হবে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে। তবে ঋণটির বড় একটি বৈশিষ্ট্য হলো—এর উল্লেখযোগ্য অংশই তুলনামূলক কঠিন শর্তের বা অনমনীয় ঋণ। বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনমনীয় ঋণ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভায় এ ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। অনুমোদিত ৩৩০ কোটি ডলারের মধ্যে ২০ কোটি ডলার নেওয়া হবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক উন্নয়নের জন্য। আর বাকি ৩১০ কোটি…
ভারতের নির্বাচন কমিশনকে একসময় গণতন্ত্রের অন্যতম শক্তিশালী রক্ষাকবচ হিসেবে দেখা হতো। সরকারের চাপের মুখেও কমিশনের স্বাধীনতা, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কঠোরতা এবং ভোটাধিকার রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের বহু দৃষ্টান্ত রয়েছে দেশটির ইতিহাসে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সেই পুরোনো ভাবমূর্তিকে বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক এখন শুধু একজন কর্মকর্তার পদ নিয়ে নয়; বরং ভারতের নির্বাচনব্যবস্থার স্বাধীনতা, ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন তুলছে। ভারতের নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার ইতিহাসে প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার সুকুমার সেনের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। স্বাধীনতার পর প্রায় ৩৬ কোটি মানুষের দেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন আয়োজন ছিল অভূতপূর্ব এক…
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং ও ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে বিশ্বজুড়ে ডেটা সেন্টারের চাহিদা বাড়ছে। প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর কাছে এখন ডেটা সেন্টার কেবল সার্ভার রাখার অবকাঠামো নয়; এটি ভবিষ্যতের ডিজিটাল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কিন্তু সেই ভবিষ্যৎ নির্মাণের মূল্য যদি দিতে হয় শত শত হেক্টর বন উজাড় করে, তাহলে প্রশ্ন ওঠে—ডিজিটাল অগ্রগতির এই পথ কতটা টেকসই? উত্তর ফিনল্যান্ডের মুহোস এলাকায় গুগলের নতুন ডেটা সেন্টার নির্মাণকে ঘিরে এমনই এক বিতর্ক সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রকল্পটির জন্য ৩০০ হেক্টরের বেশি বনভূমি পরিষ্কার করা হয়েছে, যার আয়তন প্রায় ৪২০টি ফুটবল মাঠের সমান। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন বা সংশ্লিষ্ট…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক মীমাংসা বা রিকনসিলিয়েশনের প্রশ্নটি হঠাৎ করে সামনে আসেনি। ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগকে ঘিরে রাষ্ট্র, রাজনীতি, আইন ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ—এই চারটি প্রশ্নই নতুন করে সামনে এসেছে। একদিকে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গুরুতর রাজনৈতিক ও ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে, অন্যদিকে দলটির প্রতি এখনো সমাজের একটি অংশের সমর্থন রয়েছে। ফলে দলটিকে পুরোপুরি রাজনৈতিক পরিসরের বাইরে রেখে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ কীভাবে এগোবে—এই প্রশ্নও ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ৬ অক্টোবর সচিবালয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক মীমাংসার প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। তার বক্তব্যে একটি বিষয়…
বাংলাদেশের অর্থনীতি যেন একই সঙ্গে কয়েকটি চাপের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে প্রবৃদ্ধির গতি কমছে, অন্যদিকে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে দুর্বলতা বাড়ছে। শিল্পকারখানায় গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট উৎপাদন ব্যাহত করছে, ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ও মূলধন ঘাটতি গভীর হচ্ছে, আর উচ্চ মূল্যস্ফীতি মানুষের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতায় চাপ তৈরি করছে। অর্থনীতির এই দুর্বলতার সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। কারণ অর্থনীতির সূচকে যে সংকট দেখা যাচ্ছে, তার প্রতিফলন শেষ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে মানুষের আয়, চাকরি, ব্যবসা ও দৈনন্দিন ব্যয়ের ওপর। বিশ্বব্যাংকের অক্টোবর ২০২৬-এর বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট দেশের অর্থনীতির এমনই একটি চিত্র তুলে ধরেছে। সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি…
সীমান্তে একটি ভুল পরিচয় কি একজন মানুষের জীবনের চেয়েও বড় হয়ে উঠতে পারে? কুড়িগ্রামের উলিপুর সীমান্তে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক একটি ঘটনা সেই প্রশ্নই নতুন করে সামনে এনেছে। অভিযোগ উঠেছে, বাংলাদেশি নাগরিক ভেবে ভারতের দুই নাগরিককে গুলি করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে ফেলে রেখে যাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় মানুষের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুই ব্যক্তি এখন চিকিৎসাধীন। তাদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকদের বরাতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। ঘটনাটি শুধু দুই ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা নয়; এটি সীমান্তে শক্তি প্রয়োগ, মানবিকতা, জবাবদিহি এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর দায়িত্ববোধ নিয়ে নতুন…
“আপনার সঙ্গে কেউ নেই?”, “আপনি বিবাহিত নাকি অবিবাহিত?”, “আপনার পরিবার জানে?”, “মেয়েদের একা যেতে দেওয়া হবে না”—ভ্রমণের পথে এমন প্রশ্ন একজন নারীকে কতটা অস্বস্তিতে ফেলতে পারে, তা হয়তো দূর থেকে বোঝা কঠিন। অথচ বাংলাদেশে একা কিংবা কয়েকজন নারী মিলে ভ্রমণ করতে গিয়ে অনেক নারীই এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছেন। ভ্রমণ যেখানে মানুষের স্বাধীনতা, আনন্দ ও নতুন কিছু জানার সুযোগ হওয়ার কথা, সেখানে নারীদের জন্য সেটিই কখনো কখনো হয়ে উঠছে জিজ্ঞাসাবাদ, সন্দেহ এবং নিরাপত্তাহীনতার অভিজ্ঞতা। সম্প্রতি তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী বাংলাদেশ থেকে নেপালে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগ ওঠে। তাদের অভিযোগ, প্রশ্নের ধরন…
মানুষ যখন প্রথম সোনার সংস্পর্শে এসেছিল, তখন পৃথিবীতে কোনো রাজ্য ছিল না, ছিল না মুদ্রা, ব্যাংক কিংবা আধুনিক অর্থনীতি। ছিল শুধু প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের নিরন্তর সংগ্রাম। শিকার, খাদ্য সংগ্রহ, আশ্রয় আর বেঁচে থাকার চিন্তাই ছিল মানুষের প্রধান কাজ। সেই আদিম সময়েই কোনো একদিন মানুষের চোখে পড়ে মাটির ভেতর বা নদীর বালুর মধ্যে থাকা অদ্ভুত এক হলুদাভ, চকচকে ধাতু। পাথরের মতো শক্ত নয়, আবার সাধারণ ধাতুর মতো সহজে মরিচাও ধরে না। আগুনে পুড়েও যার রং বদলায় না। এই রহস্যময় ধাতুটিই পরে মানুষের কাছে হয়ে ওঠে সোনা—পৃথিবীর অন্যতম মূল্যবান সম্পদ। কিন্তু পৃথিবীতে প্রথম সোনা কোথায় আবিষ্কৃত হয়েছিল? কে প্রথম সোনা খুঁজে পেয়েছিল?…
পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন শুধু রাজনৈতিক সমীকরণই বদলায়নি, বরং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অবস্থান নিয়েও তৈরি করেছে নানা উদ্বেগ। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, সামাজিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিধিনিষেধ, ধর্মীয় স্থাপনা ও পোশাক নিয়ে বিতর্ক এবং বাংলাদেশে ‘পুশব্যাক’–এর অভিযোগ—সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম সমাজের একটি অংশ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলছে। একই সময়ে রাজ্যের রাজনৈতিক ময়দানে মুসলমানপ্রধান একাধিক দলের উত্থান নতুন এক সমীকরণ তৈরি করেছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই দলগুলোর উত্থান শেষ পর্যন্ত বিজেপির জন্যই রাজনৈতিক সুবিধা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। পশ্চিমবঙ্গ ভারতের এমন একটি রাজ্য, যেখানে মুসলমান…
সবচেয়ে প্রাচীন ধর্মগ্রন্থের ইতিহাস নিয়ে লিখতে গেলে প্রথমেই আসে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ধর্মগ্রন্থ কোনটি? ইতিহাসবিদ, প্রত্নতত্ত্ববিদ ও ধর্মতত্ত্ববিদদের গবেষণায় এই প্রশ্নের উত্তর এককভাবে নির্ধারিত নয়। কারণ, পৃথিবীর প্রাচীনতম ধর্মীয় বিশ্বাস, প্রথম লিখিত ধর্মগ্রন্থ এবং আজও প্রচলিত ধর্মের প্রাচীনতম সংরক্ষিত ধর্মগ্রন্থ—এই তিনটি বিষয় এক নয়। প্রাচীন সভ্যতাগুলোর ধর্মীয় বিশ্বাসের ইতিহাস হাজার হাজার বছরের পুরোনো। মেসোপটেমিয়া, প্রাচীন মিসর, সিন্ধু উপত্যকা, চীন এবং বৈদিক ভারত—প্রতিটি সভ্যতায় ধর্মীয় আচার, দেবদেবীর উপাসনা, সৃষ্টি ও মৃত্যু নিয়ে চিন্তাভাবনা এবং পরকাল সম্পর্কে নানা ধারণার বিকাশ ঘটেছিল। এসব বিশ্বাসের অনেক কিছুই প্রথমে লিখিত আকারে ছিল না। মানুষ প্রজন্মের পর প্রজন্ম মুখে মুখে ধর্মীয় আচার, প্রার্থনা, স্তোত্র…