…
এডিটর পিক
একটি চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন ৩৫ বছর বয়সী এক যুবক। হঠাৎ মোটরসাইকেলে করে…
Trending Posts
-
জার্মানির জেন জি বিক্ষোভ: সমৃদ্ধ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত কেন?
নভেম্বর ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
লিসবনের ভূমিকম্প: এক বিপর্যয় কীভাবে ঈশ্বর, রাষ্ট্র ও মানুষের চিন্তাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল?
নভেম্বর ১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
বাংলাদেশের মানুষ কি চায় শেখ হাসিনা ফিরুক? জরিপ কী বলে?
নভেম্বর ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা: মানুষের অস্তিত্বের জন্যই বড় হুমকি
নভেম্বর ৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
জার্মানির জেন জি বিক্ষোভ: সমৃদ্ধ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত কেন?
নভেম্বর ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
লিসবনের ভূমিকম্প: এক বিপর্যয় কীভাবে ঈশ্বর, রাষ্ট্র ও মানুষের চিন্তাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল?
নভেম্বর ১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
বাংলাদেশের মানুষ কি চায় শেখ হাসিনা ফিরুক? জরিপ কী বলে?
নভেম্বর ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা: মানুষের অস্তিত্বের জন্যই বড় হুমকি
নভেম্বর ৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- বাংলাদেশের মানুষ কি চায় শেখ হাসিনা ফিরুক? জরিপ কী বলে?
- মানুষের শরীরের ৮ শতাংশ ডিএনএ এসেছে প্রাচীন ভাইরাস থেকে!
- রাহুল গান্ধী কি সত্যিই ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে চান?
- তথ্য পাচার করছে পুলিশ! নজরদারিতে ২ হাজার কর্মকর্তা
- প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা: মানুষের অস্তিত্বের জন্যই বড় হুমকি
- ৯ মাসে ২,৬৫৯ হত্যা, ৫,৩৮১ ধর্ষণ মামলা
- ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা যা ঘটছে
- কংগ্রেস হাতছাড়া ট্রাম্পের, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন ঝড়!
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশের একজন শিক্ষার্থী যখন প্রথমবার পাঠ্যবইয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ে, তখন তার সামনে ১৯৭১ সালের একটি নির্দিষ্ট ছবি তৈরি হয়। সেই ছবিতে থাকে পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্য, বাঙালির দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, ৭ মার্চের ভাষণ, ২৫ মার্চের গণহত্যা, স্বাধীনতার ঘোষণা, সশস্ত্র প্রতিরোধ এবং ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়। কিন্তু শিক্ষার্থীটি যদি কয়েক বছর পর অন্য একটি সংস্করণের পাঠ্যবই খুলে দেখে, তাহলে তার সামনে আগের ছবিটির কিছু অংশ বদলে যেতে পারে। কোনো নেতার নাম গুরুত্ব হারাতে পারে, কোনো ঐতিহাসিক ভাষণ পাঠ্যবই থেকে বাদ পড়তে পারে, আবার এমন কোনো ব্যক্তির অবদান সামনে আসতে পারে, যাঁর ভূমিকা আগের সংস্করণে তুলনামূলক কম আলোচিত হয়েছিল। তখন একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন জন্ম…
ফ্রান্সের রাজপথে যখন শিক্ষার্থী ও তরুণেরা প্রতিবাদে নামেন, তাঁদের দাবির কেন্দ্রে থাকে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা। কিন্তু এসব দাবির আলোচনা খুব দ্রুত অন্যদিকে মোড় নেয়। স্কুলের দুরবস্থা কিংবা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা নিয়ে আলোচনার পরিবর্তে সামনে চলে আসে অভিবাসন, ইসলাম এবং জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্ন। তখন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটের ব্যাখ্যা খুঁজতে গিয়ে মুসলিম জনগোষ্ঠীকে সন্দেহের চোখে দেখার প্রবণতা আরও দৃশ্যমান হয়। ব্রিটিশ-তিউনিসীয় লেখক ও মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ সুমাইয়া গানুশির বিশ্লেষণে ফ্রান্সের সাম্প্রতিক অস্থিরতার এই দিকটিই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ২০২৬ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভ দেশটির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক সমস্যাগুলোকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে।…
মানবদেহের প্রতিটি কোষের ভেতরে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে অসংখ্য রাসায়নিক বিক্রিয়া। আমরা হাঁটছি, চিন্তা করছি, শ্বাস নিচ্ছি, খাবার হজম করছি কিংবা ঘুমিয়ে পড়ছি—প্রতিটি কাজের পেছনে রয়েছে শক্তির জটিল ব্যবহার। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে জানেন, এই শক্তি উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হলো মাইটোকন্ড্রিয়া। কিন্তু এই ক্ষুদ্র কোষীয় কাঠামোর ভেতরে শক্তি তৈরির প্রক্রিয়া কি শুধু প্রচলিত রাসায়নিক নিয়ম দিয়েই পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা সম্ভব? নাকি সেখানে এমন কোনো সূক্ষ্ম প্রক্রিয়া কাজ করছে, যার ব্যাখ্যা খুঁজতে পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে বিস্ময়কর শাখা কোয়ান্টাম মেকানিকসের দিকে তাকাতে হবে? ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত একটি গবেষণা এই প্রশ্নকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। গবেষকেরা জীবন্ত কোষ, বিভিন্ন প্রাণীর টিস্যু এবং মাইটোকন্ড্রিয়ায় এমন একটি…
ইসরায়েলের রাজনীতিতে নির্বাচন মানেই শুধু ভোটের হিসাব নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে জোটের সমীকরণ, আদর্শিক বিভাজন, নিরাপত্তার প্রশ্ন এবং ক্ষমতা ধরে রাখার কঠিন লড়াই। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ঘিরে সাম্প্রতিক নির্বাচনী পরিস্থিতি আবারও সেই বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বাধীন জোট প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। অন্যদিকে, নেতানিয়াহুবিরোধী শিবিরও সরকার গঠনের মতো নিশ্চিত অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে এমন এক রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন না পেয়েও আপাতত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থেকে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু। প্রথম আলোর ২৮ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদনে এবিসি নিউজের বরাতে উঠে এসেছে, ইসরায়েলের এই নির্বাচনে দুটি বিষয় বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। একদিকে রয়েছে কোনো পক্ষেরই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা…
ভাবুন, পৃথিবীর বাতাসে এমন একটি উপাদান বিপুল পরিমাণে রয়েছে, যা উদ্ভিদের বেড়ে ওঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ সেই উপাদান সরাসরি বাতাস থেকে গ্রহণ করে বেশির ভাগ উদ্ভিদ তাদের প্রয়োজন মেটাতে পারে না। কোটি কোটি বছর ধরে প্রকৃতির নিজস্ব প্রক্রিয়া এই ঘাটতি পূরণ করেছে। কিন্তু একসময় মানুষ এমন একটি প্রযুক্তি আবিষ্কার করল, যার সাহায্যে বাতাসের উপাদানকে রূপান্তর করে তৈরি করা সম্ভব হলো কৃষিজমির জন্য প্রয়োজনীয় সার। এর ফলে শুধু কৃষির উৎপাদন বাড়ল না, বদলে গেল জনসংখ্যার গতিপথ, শিল্পের কাঠামো এবং যুদ্ধের ইতিহাসও। বিজ্ঞানের এই গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে দুটি নাম—ফ্রিটজ হাবার ও কার্ল বশ। তাঁদের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এমন একটি আবিষ্কার, যা…
ইসরায়েলের রাজনীতিতে আবারও শুরু হয়েছে ক্ষমতার হিসাব-নিকাশ। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তাব্যর্থতার জবাবদিহি, গাজায় দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের প্রভাব এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির ভূরাজনীতি—সব মিলিয়ে দেশটির এবারের নির্বাচন পেয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি নির্বাচনী পরিস্থিতিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৭৭ সালের পর ইসরায়েলে কোনো নির্বাচনে এত বেশি ভোটার অংশ নেননি। বিশেষ করে আরব সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভোটদানের হার এবং সরকার গঠনে তাদের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। ২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সাতটায় ইসরায়েলে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। রাত ১০টা পর্যন্ত ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎসের প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়,…
বিয়েকে সাধারণত ভালোবাসা, বিশ্বাস, পারস্পরিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তার সম্পর্ক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একটি সংসারে দুজন মানুষ একসঙ্গে জীবন গড়বেন, সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেবেন এবং ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা মোকাবিলা করবেন—এটাই প্রত্যাশা। কিন্তু এই সম্পর্কের আড়ালে যখন একজন মানুষের হাতে অন্যজনের অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ চলে যায়, তখন ভালোবাসা ও নিরাপত্তার জায়গাটি ধীরে ধীরে পরিণত হতে পারে নির্ভরশীলতা ও অসহায়ত্বের কারাগারে। বিশেষ করে নারীর নিজস্ব আয়, সঞ্চয় কিংবা অর্থ ব্যবহারের স্বাধীনতা না থাকলে দাম্পত্য সম্পর্ক কখনো কখনো এমন এক আর্থিক ফাঁদে পরিণত হয়, যেখান থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজে পাওয়া কঠিন। আর্থিক নির্যাতন বা ফিন্যান্সিয়াল অ্যাবিউজ এমন এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ, যা সব সময় চোখে…
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি। নীল জলরাশি, প্রবাল, সারি সারি নারকেলগাছ, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য আর নির্জন সৈকতের আকর্ষণে প্রতিবছর এখানে ছুটে আসেন হাজারো পর্যটক। পর্যটন মৌসুম শুরু হলে দ্বীপের অর্থনীতি প্রাণ ফিরে পায়। হোটেল-রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, নৌযান ও স্থানীয় ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় কর্মসংস্থানের সুযোগ। কিন্তু এই সৌন্দর্যের আড়ালে যদি পর্যটকের জীবনের নিরাপত্তা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে, তাহলে সেই পর্যটন কতটা দায়িত্বশীল? সেন্টমার্টিনের বর্তমান পরিস্থিতি এই প্রশ্নই সামনে নিয়ে এসেছে। সমকালের ২৭ অক্টোবর ২০২৬-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, দ্বীপটিতে থাকা আড়াইশর বেশি হোটেল, রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্তোরাঁর একটিরও ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র নেই। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদনও নেই।…
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা রক্ষা, অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, সম্ভাব্য নাশকতা সম্পর্কে আগাম তথ্য সংগ্রহ এবং জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে পরিচালিত তৎপরতা শনাক্ত করা—গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান দায়িত্বগুলোর মধ্যে এগুলো অন্যতম। একটি রাষ্ট্রের সরকার জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করবে, সেটিই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই তথ্য যখন প্রকাশ্য রাজনৈতিক বক্তব্যের অংশ হয়ে ওঠে, বিরোধী দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠার উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় কিংবা রাজনৈতিক বিরোধের কেন্দ্রে চলে আসে, তখন প্রশ্ন ওঠে—গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কি তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করছে, নাকি ধীরে ধীরে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার অংশ হয়ে পড়ছে? বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই প্রশ্ন নতুন নয়। বিভিন্ন সময়ে বিরোধী দল দমন, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর নজরদারি, গুম, গ্রেপ্তার এবং…
বাংলাদেশে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বড়। পরিবারগুলো সন্তানকে মাদ্রাসায় পাঠায় ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন, নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলাবোধ এবং আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আশায়। বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসায় সন্তানকে হাফেজ বানানোর স্বপ্ন বহু পরিবারের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু সেই বিশ্বাসের জায়গায় যখন শিশুদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ সামনে আসে, তখন প্রশ্ন ওঠে শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নয়, বরং পুরো ব্যবস্থার নিরাপত্তা, জবাবদিহি ও নৈতিক ভিত্তি নিয়ে। যে প্রতিষ্ঠানে শিশুরা ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করবে, সেখানেই যদি তাদের নিরাপত্তা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে, তাহলে সেই সংকটকে আর বিচ্ছিন্ন অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগ থাকে না। সম্প্রতি বিবিসি বাংলা প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কওমি মাদ্রাসাগুলোতে শিশুদের ওপর…