…
এডিটর পিক
বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি এবং কূটনীতির জটিল সম্পর্কের ভেতরে জ্বালানি নিরাপত্তা আজ এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়…
Trending Posts
-
ট্রাম্পের জ্বালানির আশ্বাসের আড়ালে বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণের ফাঁদ
এপ্রিল ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরানের এখনো অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ও অজস্র ড্রোন মজুত আছে: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য
এপ্রিল ৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
ট্রাম্পের জ্বালানির আশ্বাসের আড়ালে বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণের ফাঁদ
এপ্রিল ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরানের এখনো অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ও অজস্র ড্রোন মজুত আছে: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য
এপ্রিল ৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- চীনকে নিয়ে হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করবে ইরান! বিপদে ভারত
- ট্রাম্পের জ্বালানির আশ্বাসের আড়ালে বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণের ফাঁদ
- ১৯৭০ এর দশকের জ্বালানি তেল সংকটে যা হয়েছিল
- চুক্তি না হলে ইরানকে ধ্বংস করে তেল সম্পদ দখল করব: ট্রাম্প
- আমেরিকা–চীন–ভারত: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কোনদিকে?
- ইরান যুদ্ধ যেভাবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দুর্বলতা সামনে নিয়ে এল
- প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট শেয়ার, গ্রেপ্তার একজন: আসলে কী ঘটেছে?
- মুসলিম শুনেই ভারতের সরকারি ইন্টারভিউ বোর্ড থেকে বাতিল
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
ব্যথা। চোখ-ধাঁধানো, জ্বালাপোড়া করা ব্যথা। ঠান্ডা বাথরুমের মেঝে। একটি ক্যাথেটার আমার বেগুনি হয়ে যাওয়া ক্ষতের ভেতর ঢুকে যাচ্ছে। আমি মেঝেতে পড়ে আছি, যে কোনো ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছি যেন এই যন্ত্রণার শেষ হয়। মৃত্যু আর শূন্যতা চাইছি। কিছুই হচ্ছে না। আমি যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছি। যখন ব্যথা খুব বেশি হয়, তখন ভাষা ভুলে যেতে হয়। কিন্তু তখনও শুধু একটা শব্দ মনে থাকে— “মা”। আমি চিৎকার করে বলি, “মা!” মা দৌড়ে আসে, অ্যাম্বুলেন্স ডাকে। নার্সরা এসে আমাকে মরফিন দেয়। যে কাজ ঈশ্বর করতে পারেনি, মরফিন তা করে—ব্যথা কমিয়ে দেয়, সব অন্ধকার হয়ে আসে। অজ্ঞান হওয়ার আগে আমি অদ্ভুতভাবে খুশি ছিলাম। এই অপারেশনের…
হুট করে রাত নেমে আসে। আলো থাকে না। শুধু অন্ধকার ছড়ায় ধীরে ধীরে। ইতিহাসও তেমন। একদিন যে নাম উচ্চারিত হয়েছিল প্রবল শক্তিতে, আরেকদিন সেই নাম নীরবতার ভিতরে ডুবে যায়। কথা কমে যায়। আলোচনার টেবিল ফাঁকা হয়। প্রশ্ন ভেসে থাকে। উত্তর আসে না। শেখ হাসিনা—এক সময় যার উপস্থিতি মানেই ছিল রাজনীতির কেন্দ্র। যার প্রতিটি সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হতো বিতর্ক, আলোচনা, উত্তাপ। তিনি ছিলেন প্রভাবের অন্য নাম। ক্ষমতার প্রতীক। দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার অবস্থান ছিল অপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু আজ যেন সেই অবস্থান ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে আলোচনার কেন্দ্র থেকে। যেন তিনি আছেন, আবার নেই। একটা সময় ছিল যখন দেশের প্রতিটি বড়…
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত থেকে ২৬ মার্চের ভোর—এই সময়টি বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গভীর সংকটের মুহূর্ত। সেই রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে একযোগে আক্রমণ চালায় এবং নিরস্ত্র মানুষের উপর নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই অভিযান পরিচালিত হয়, যার ফলে অসংখ্য মানুষ নিহত হন। এই ঘটনার মধ্য দিয়েই মূলত মুক্তিযুদ্ধের সূচনা ঘটে এবং পরদিন স্বাধীনতার ঘোষণা বাঙালির সংগ্রামকে একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেয়। এই সংকটময় সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে Bangladesh Jamaat-e-Islami-এর ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা ও বিতর্ক চলে আসছে। বিভিন্ন ইতিহাসগ্রন্থ, গবেষণাপত্র এবং সমসাময়িক বিবরণ থেকে যে…
বিশ্ব যত এগোচ্ছে, প্রযুক্তি যত মানুষের জীবনকে সহজ করছে, ঠিক ততই ইন্টারনেটের অন্ধকার দিকগুলো আরও ভয়ংকর হয়ে উঠছে—এমনই এক শিউরে ওঠার মতো বাস্তবতা সামনে এনেছে সাম্প্রতিক অনুসন্ধান। একবিংশ শতাব্দীর এই যুগে, যেখানে আমরা নিরাপত্তা, সচেতনতা এবং মানবাধিকারের কথা বলি, সেখানে পৃথিবীর নানা প্রান্তে গড়ে উঠেছে এমন এক বিকৃত অনলাইন নেটওয়ার্ক, যা নারীর প্রতি সহিংসতাকে শুধু উৎসাহিতই করছে না, বরং তা শেখানোর মতো পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এই ভয়াবহ বাস্তবতাকে অনেকেই বলছেন—একটি বৈশ্বিক ‘রেপ একাডেমি’। ঘটনার সূত্রপাত একক কোনো দেশ বা ব্যক্তি দিয়ে নয়, বরং একাধিক দেশের নানা বিচ্ছিন্ন ঘটনা একত্রিত হয়ে যে ভয়াবহ চিত্র তৈরি করেছে, তা মানবসভ্যতার জন্য গভীর উদ্বেগের…
ঈদ—বাংলাদেশের মানুষের জীবনে সবচেয়ে আনন্দের, সবচেয়ে আবেগের একটি সময়। এই সময়টায় শহর ছেড়ে গ্রামে ফেরা, পরিবারের সঙ্গে মিলিত হওয়া, প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের নামাজ, সেমাই-পোলাও, হাসি আর ভালোবাসায় ভরে ওঠে চারপাশ। কিন্তু সেই আনন্দমুখর যাত্রাপথই যখন মৃত্যুর মিছিলে পরিণত হয়, তখন ঈদের সুখ মুহূর্তেই বদলে যায় শোকের ভারে। এবারের ঈদযাত্রা যেন সেই নির্মম বাস্তবতারই এক ভয়াবহ প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিসংখ্যানই বলে দেয় পরিস্থিতির ভয়াবহতা কতটা গভীর। ঈদের আগে ও পরে সড়ক, রেল ও নৌপথ মিলিয়ে শত শত দুর্ঘটনা ঘটেছে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ৩৪২টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৭৪ জন। আহত হয়েছেন হাজারের বেশি মানুষ। এই সংখ্যাগুলো কেবল সংখ্যা…
২৬ মার্চ—স্বাধীনতার চেতনায় ভাসা একটি দিন। এই দিনেই লাখো মানুষ ছুটে যায় শহীদদের স্মরণে, শ্রদ্ধা জানাতে, ইতিহাসকে মনে রাখতে। কিন্তু যখন সেই দিনেই জাতীয় স্মৃতিসৌধ-এ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার কারণে কয়েকজনকে আটক করা হয়, তখন প্রশ্নটা আর শুধু একটি ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি পরিণত হয় একটি বৃহত্তর সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক বিতর্কে। ‘জয় বাংলা’—যে স্লোগানটি একসময় মুক্তিযুদ্ধের প্রাণশক্তি ছিল, যে স্লোগান বাঙালির সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং স্বাধীনতার প্রতীক—সেই একই শব্দ উচ্চারণ কি আজ অপরাধ হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরে তাকাতে হয় রাষ্ট্রের সংবিধান, আইনের ব্যাখ্যা এবং নাগরিক অধিকারের মৌলিক কাঠামোর দিকে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ‘জয় বাংলা’…
১৯৭১—এই একটি বছরই বাঙালির ইতিহাসকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে। রক্ত, ত্যাগ আর অদম্য সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় একটি স্বাধীন রাষ্ট্র—বাংলাদেশ। এই মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মিত্র। সীমান্ত খুলে দেওয়া, শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া, সামরিক সহায়তা প্রদান—সব মিলিয়ে ভারত এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু ইতিহাসের পাতা যখন উল্টে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের দিকে তাকানো হয়, তখন একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন ধীরে ধীরে সামনে আসে—এই মিত্রতা কি নিখাদ ছিল, নাকি এর ভেতরে লুকিয়ে ছিল কৌশলগত স্বার্থ, যেখানে লাভের পাল্লা ভারী হয়েছে ভারতের দিকেই? মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাধ্যমে শুধু একটি দেশের জন্ম হয়নি; দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতেও একটি বড় পরিবর্তন ঘটে। পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার মাধ্যমে…
বিশ্বের মানচিত্রে এমন কিছু জায়গা আছে, যেগুলো চোখে ছোট মনে হলেও বাস্তবে পুরো পৃথিবীর অর্থনীতি তাদের ওপর নির্ভর করে। হরমুজ প্রণালী ঠিক তেমনই একটি নাম—সংকীর্ণ জলপথ, কিন্তু এর ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয় বিশ্বের জ্বালানি অর্থনীতির রক্তধারা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ যখন বাড়ছে, তখন এই প্রণালীকে ঘিরে নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, আর সেই বাস্তবতার ভেতরে হঠাৎ করেই উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম—একটি “অনুমোদিত” দেশ হিসেবে। ইরান ঘোষণা দিয়েছে, যুদ্ধাবস্থার মধ্যেও কিছু নির্দিষ্ট দেশকে তারা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ব্যবহারের অনুমতি দেবে। সেই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তান। প্রথম শুনতে এটি স্বস্তির খবর মনে হতে পারে—কারণ জ্বালানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য হরমুজ প্রণালী খোলা…
বাংলাদেশের জ্বালানি খাত নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা হঠাৎ করে তৈরি হয়নি; বরং বৈশ্বিক ভূরাজনীতি, বাজারের অনিশ্চয়তা, অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা এবং মানুষের আচরণ—সব মিলিয়েই একটি জটিল বাস্তবতা তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা, বিশ্ববাজারে তেলের দামের অস্থিরতা বাড়িয়েছে। আর সেই ঢেউ এসে লেগেছে ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরের পেট্রল পাম্পে, যেখানে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন, উদ্বেগ, এবং একধরনের অনিশ্চয়তার ছাপ। সরকার বলছে, দেশে জ্বালানির প্রকৃত সংকট নেই। মজুত রয়েছে, সরবরাহ ব্যবস্থা সচল আছে, এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতে পারলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিন্তু বাস্তব চিত্রে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন কিছু—পাম্পে ভিড়, কোথাও কোথাও সরবরাহ বন্ধ, আবার কিছু…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৭ সালের এক-এগারো এক অস্বাভাবিক, জটিল এবং বিতর্কিত অধ্যায়। সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ, ক্ষমতার পুনর্বিন্যাস, সেনাবাহিনীর ভূমিকা এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে, কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই অধ্যায়ের অনেক প্রশ্নই অমীমাংসিত থেকে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর গ্রেপ্তার আবারও সেই পুরোনো অধ্যায়কে সামনে নিয়ে এসেছে। যেন ইতিহাস নতুন করে প্রশ্ন তুলছে—কী হয়েছিল সেই সময়, কারা ছিলেন নেপথ্যে, আর সেই ক্ষমতার খেলায় কে কতটা দায়ী। এক-এগারোর সময় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। তখন তিনি সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশনের জিওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, তিনি…