…
এডিটর পিক
২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শুধু একটি তারিখ নয়, এটি একটি মোড়, যার…
Trending Posts
-
সহিংসতা প্রাণহানি বাড়ায় ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কেন?
জানুয়ারি ৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
১৪ বছরের আকবরের কাছে কেন হেরেছিলেন ভারতের ‘নেপোলিয়ন’ হিমু?
জানুয়ারি ১১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
সহিংসতা প্রাণহানি বাড়ায় ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কেন?
জানুয়ারি ৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
১৪ বছরের আকবরের কাছে কেন হেরেছিলেন ভারতের ‘নেপোলিয়ন’ হিমু?
জানুয়ারি ১১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- নির্বাচনের পর কী করবেন ইউনূস?
- ইরানে লাশের স্তূপ, বিক্ষোভকারীদের ‘মৃত্যুদণ্ড’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি
- ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারিতে আসলে কী ঘটেছিল?
- ১৪ বছরের আকবরের কাছে কেন হেরেছিলেন ভারতের ‘নেপোলিয়ন’ হিমু?
- কলম্বিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ‘হুমকি’ রয়েছে: দেশটির প্রেসিডেন্ট
- বিক্ষোভ তুঙ্গে, টিকবে কি ইরানের শাসকগোষ্ঠী?
- বিএনপি-জামায়াত কি জাতীয় সরকার গঠন করবে?
- কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
চীনের উত্তর প্রান্তরের বিস্তৃত ভূদৃশ্যে, যেখানে আজ মরুভূমি, ঝোপঝাড় আর কৃত্রিম বনায়নের ফাঁকে ফাঁকে আধুনিক সভ্যতার চিহ্ন দেখা যায়, সেখান থেকেই উঠে এলো ইতিহাসের এক বিস্ময়কর স্তর। প্রত্নতাত্ত্বিকরা সম্প্রতি নিশ্চিত করেছেন, প্রায় ২ হাজার ২০০ বছর আগে নির্মিত একটি বিশাল মহাসড়কের অন্তত ১৩ কিলোমিটার অংশ আজও প্রায় অক্ষত অবস্থায় মাটির নিচে টিকে আছে। এই সড়কটি শুধু প্রাচীন চীনের নয়, বরং সমগ্র মানবসভ্যতার অবকাঠামোগত ইতিহাসে এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গবেষকদের মতে, এটি ছিল এমন এক সড়ক, যেখানে সেই সময়েই অনায়াসে চার লেনের যান চলাচল সম্ভব ছিল—যা আধুনিক মহাসড়কের ধারণাকে কয়েক হাজার বছর পেছনে নিয়ে যায়। এই সড়কটির নাম ‘কিন…
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘ট্রান্সন্যাশনাল রিপ্রেশন’ বলতে বোঝানো হয়—যখন কোনো রাষ্ট্র তার ভৌগোলিক সীমানা ছাড়িয়ে অন্য রাষ্ট্রের ভেতরে গিয়ে বিরোধী কণ্ঠ, রাজনৈতিক ভিন্নমত কিংবা সংগঠিত আন্দোলনকে দমন করতে সক্রিয় হয়। একসময় এই ধারণা মূলত শীতল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হতো। সিআইএ, কেজিবি, এমআইসিক্স বা মোসাদের মতো গোয়েন্দা সংস্থার গোপন অপারেশন, ডাবল এজেন্ট নিধন কিংবা কৌশলগত শত্রু রাষ্ট্রকে চাপে রাখার ঘটনাই ছিল এর প্রধান উদাহরণ। তখন এসব কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকত রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উচ্চতম স্তর বা আন্তর্জাতিক রাজনীতির ছায়াযুদ্ধে। সাধারণ নাগরিক, উদীয়মান রাজনৈতিক নেতা কিংবা প্রবাসী সামাজিক আন্দোলনকর্মীরা সচরাচর এই দমননীতির প্রত্যক্ষ শিকার হতেন না। কিন্তু গত এক দশকে এই চিত্র নাটকীয়ভাবে বদলাতে শুরু করেছে।…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে দলবদল নতুন কিছু নয়। ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর অবস্থান বদলানোর ইতিহাস এ দেশে পুরোনো। কিন্তু জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজ দল বিলুপ্ত করে কিংবা দল ছেড়ে বড় দলে যোগ দিয়ে এমপি হওয়ার প্রকাশ্য ও দ্রুতগতির যে প্রবণতা সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, তা নতুন করে নৈতিকতা, আদর্শ ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই প্রবণতা যেভাবে সামনে এসেছে, তাতে রাজনীতিকে কেবল ক্ষমতা ও প্রতীকের অঙ্কে নামিয়ে আনার অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে। অনেক রাজনীতিকের যুক্তি, বাংলাদেশের বাস্তবতায় নির্বাচন মানেই প্রতীক। যে…
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সাম্প্রতিক বক্তব্য আন্তর্জাতিক রাজনীতির উত্তপ্ত বাস্তবতাকে আরও একবার নগ্নভাবে সামনে নিয়ে এসেছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি যখন বলেন যে ইরান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইউরোপের সঙ্গে ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের মধ্যে’ রয়েছে, তখন সেটি কেবল একটি কূটনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে জমে ওঠা বৈরিতা, অবিশ্বাস ও সংঘাতের মনস্তাত্ত্বিক প্রকাশ। তাঁর ভাষায় এই যুদ্ধ এখন আর প্রচলিত সামরিক সংঘর্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি চারদিক থেকে ঘিরে ধরা এক জটিল, বহুস্তরীয় লড়াই, যেখানে অর্থনীতি, নিষেধাজ্ঞা, সাইবার হামলা, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং রাজনৈতিক চাপ—সবই অস্ত্র। পেজেশকিয়ান স্পষ্ট করেই বলেছেন, তাঁর দৃষ্টিতে ইরান ইতিমধ্যেই পশ্চিমা শক্তিগুলোর সঙ্গে যুদ্ধে আবদ্ধ। এই যুদ্ধের…
এই শহরে প্রতিদিনই কেউ না কেউ মরে। কখনো ককটেলের আঘাতে, কখনো গণপিটুনিতে, কখনো অবহেলা আর নিষ্ঠুরতার ধাপে ধাপে নির্মমতায়। তবু সব মৃত্যু এক রকম নয়। কোনো কোনো মৃত্যু সংবাদ শিরোনাম হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকের বন্যা নামে, মোমবাতি জ্বলে, প্রতিবাদ মিছিল হয়। আবার কোনো কোনো মৃত্যু নীরবে পড়ে থাকে ফুটপাতের ধুলোয়, হাসপাতালের করিডরে কিংবা থানার নথির ভেতরে—যেন সেগুলো আসলেই মৃত্যুই নয়, কেবল পরিসংখ্যান। সিয়াম মজুমদার নামটি খুব অল্প সময়ের জন্যই আমাদের চোখে পড়েছে। ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় চা আনতে গিয়ে উড়ালসড়কের ওপর থেকে ছোড়া একটি ককটেলের আঘাতে তাঁর মৃত্যু হয়। একটি তরতাজা তরুণের শরীরের রক্ত-মাংস ছড়িয়ে পড়ে চায়ের দোকানের ওপর। সেই দৃশ্য…
ইতিহাস, ধর্ম ও শিল্প—এই তিনের সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে যিশু খ্রিস্টের চেহারা নিয়ে যে প্রশ্নটি বারবার ফিরে আসে, তা হলো: তিনি আসলে দেখতে কেমন ছিলেন? দুই হাজার বছরের বেশি সময় ধরে পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ যিশুকে চিনে এসেছে মূলত শিল্পীদের আঁকা ছবির মাধ্যমে—দীর্ঘদেহী, শুভ্র ত্বক, লম্বা বাদামি চুল, নীল চোখ, শান্ত ও করুণ দৃষ্টি। এই চেহারাটি এতটাই পরিচিত যে অনেকের কাছে এটিই যেন যিশুর “স্বাভাবিক” রূপ। অথচ ইতিহাসের চোখে তাকালে দেখা যায়, এই চিত্রটি বাস্তবতার চেয়ে ইউরোপীয় কল্পনার প্রতিফলনই বেশি। যিশু ছিলেন প্রথম শতাব্দীর একজন ইহুদি, জন্ম ও বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রাচ্যের গ্যালিলি অঞ্চলে। ইতিহাসবিদদের কাছে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র। কারণ কোনো মানুষের…
সতেরো বছর পর তারেক রহমানের দেশে ফেরা শুধু একজন রাজনীতিকের প্রত্যাবর্তন নয়, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক। দীর্ঘ নির্বাসন, কারাবাসের স্মৃতি, বিতর্ক, সমর্থকদের প্রত্যাশা আর সমালোচকদের প্রশ্ন—সব মিলিয়ে তার এই ফিরে আসা ব্যক্তি তারেক রহমানের পাশাপাশি বিএনপি এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক বাস্তবতার জন্যও বড় পরীক্ষা। যে মুহূর্তে তিনি দেশে ফিরেছেন, সে সময়টা এমনিতেই অস্থির, নির্বাচনকেন্দ্রিক উত্তেজনায় ভরা এবং নানা অনিশ্চয়তায় ঘেরা। ২০০৭ সালে সেনা–সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে আঠারো মাস কারাবাস এবং এরপর যুক্তরাজ্যে দীর্ঘ সময় অবস্থান—এই অধ্যায় তারেক রহমানের রাজনৈতিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে। এতদিন বিদেশে থাকার কারণে তার অনুপস্থিতি যেমন দলীয় নেতৃত্বে এক ধরনের…
একদিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের সব সিদ্ধান্ত নিজের হাতে তুলে নেবে—এই ধারণা বহুদিন ধরেই বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ ও ভবিষ্যৎবাদীদের আলোচনায় ঘুরপাক খাচ্ছে। কেউ দেখছেন এতে সীমাহীন সম্ভাবনা, কেউ আবার দেখছেন মানবসভ্যতার জন্য অস্তিত্বগত হুমকি। এআইয়ের জনক হিসেবে পরিচিত জেফ্রি হিন্টনের মতো গবেষকেরা প্রকাশ্যেই সতর্ক করেছেন, নিয়ন্ত্রণহীন এআই একসময় মানুষের জায়গা দখল করে নিতে পারে। কিন্তু এই আশঙ্কা আর সম্ভাবনার মাঝখানে একটি মৌলিক প্রশ্ন রয়ে যায়—যদি এআই শুধু মানুষের নির্দেশ পালন না করে, বরং নিজেই একটি সমাজ গড়ে তোলে, নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে, ভূমিকা ভাগ করে নেয় এবং সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে কী হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা থেকেই গবেষকদের একটি…
লুটপাট, অগ্নিসংযোগ আর সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনাগুলো আমাদের সমাজে নতুন কিছু নয়। নতুন হলো এগুলোকে ন্যায্যতা দেওয়ার নির্লজ্জ ও ভয়ংকর বুদ্ধিবৃত্তিক চেষ্টা। মহিউদ্দিন আহমদের এই কলাম মূলত সেই জায়গাটিতেই আঘাত করে—যেখানে সহিংসতাকে ‘প্রেশার গ্রুপের কার্যক্রম’ বলে ধুয়ে-মুছে সাফ করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি শুরুতেই ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলেন। মানুষ হিসেবে আমরা কেউই জানি না, কাল কী ঘটবে। কিন্তু অভিজ্ঞতা, কাণ্ডজ্ঞান আর ইতিহাস আমাদের কিছু আভাস দেয়। সমস্যা হলো, ব্যক্তিগত বোধ বা প্রস্তুতি তখনই অকার্যকর হয়ে পড়ে, যখন চারপাশের সমাজ ও প্রতিষ্ঠানগুলো সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ হয়। যা আমরা চাই না, যা আমাদের প্রত্যাশার বাইরে—তাকেই আমরা অঘটন বলি। অঘটন ঘটলে আমরা…
২৫ ডিসেম্বরের রাতে ওড়িশার সম্বলপুর জেলার দানিপালি এলাকায় যে ঘটনা ঘটল, তা আর পাঁচটা বিচ্ছিন্ন অপরাধের খবরের মতো করে পড়া যায় না। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ থেকে কাজের খোঁজে যাওয়া ১৯ বছরের এক পরিযায়ী নির্মাণ শ্রমিক—জুয়েল রানা—‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে গণপিটুনিতে মারা গেলেন। তাঁর সঙ্গে থাকা দুই সহকর্মী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। পরিচয়পত্র দেখানোর আগেই শুরু হওয়া মারধর, ‘জয় শ্রীরাম’ বলাতে বাধ্য করার অভিযোগ, আর রাতের অন্ধকারে হামলাকারীদের পালিয়ে যাওয়া—এই সবকিছু মিলিয়ে ঘটনাটি কেবল একজন যুবকের মৃত্যুর নয়, বরং ভারতের ভেতরেই নাগরিকত্ব, ভাষা ও ধর্মের প্রশ্নে বেড়ে ওঠা এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার প্রতিচ্ছবি। জুয়েল রানা মাত্র পাঁচ দিন আগে ওড়িশায় পৌঁছেছিলেন। মুর্শিদাবাদের সুতি অঞ্চলের…