…
এডিটর পিক
নতুন নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহও পার হয়নি, এর মধ্যেই বাংলাদেশে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে…
Trending Posts
-
স্ত্রীর ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত পারিবারিক সহিংসতাকে বৈধতা দিয়ে তালেবানের নতুন দণ্ডবিধি
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
জানুয়ারিতে সড়কে নিহত ৫৪৬ জন: কী পদক্ষেপ নেবে বিএনপি সরকার?
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
উত্তর প্রদেশে তিন প্রবীণ মুসলমানকে কেন মারধর করা হল?
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
স্ত্রীর ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত পারিবারিক সহিংসতাকে বৈধতা দিয়ে তালেবানের নতুন দণ্ডবিধি
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
জানুয়ারিতে সড়কে নিহত ৫৪৬ জন: কী পদক্ষেপ নেবে বিএনপি সরকার?
ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
উত্তর প্রদেশে তিন প্রবীণ মুসলমানকে কেন মারধর করা হল?
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- প্রাচীন ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে মানুষ কীভাবে বেঁচেছিল
- রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন এমডি ভারতীয় প্রকৌশলী কেন?
- পার্কে উদ্যানে পুলিশের টহল, প্রশ্নের মুখ তরুণরা, চলছে মারধর-গ্রেপ্তার
- চাঁদের বুকে ইলন মাস্কের ‘শহর’
- ডা. শফিকুর রহমানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ
- প্রকৃত দরিদ্ররা কি ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবে?
- উত্তর প্রদেশে তিন প্রবীণ মুসলমানকে কেন মারধর করা হল?
- বিদ্যুতে ৪৫ হাজার কোটি টাকা বকেয়া, দেউলিয়া পরিস্থিতি বলছেন নতুন মন্ত্রী
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে দেখিয়েছেন—এপেরাও কল্পনা ব্যবহার করতে পারে এবং ‘ভান করে খেলা’ বা প্রিটেন্ড প্লে খেলতে সক্ষম, যা এতদিন কেবল মানুষের একচেটিয়া সক্ষমতা বলেই মনে করা হতো। চা-পার্টির মতো সাজানো একাধিক পরীক্ষায় একটি বনোবো ধারাবাহিক ও দৃঢ়ভাবে কাল্পনিক জুস ভর্তি কাপ আর ভান করা আঙুরের অবস্থান অনুসরণ করেছে। এই ফলাফল প্রাণীর বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা নিয়ে দীর্ঘদিনের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। গবেষণাটি ইঙ্গিত দেয়, ‘ভান করা বস্তু’ বোঝার ক্ষমতা অন্তত একটি মানব-সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা এপের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্ভাবনার মধ্যেই রয়েছে। আরও গভীরে গেলে দেখা যায়, এই সক্ষমতার শিকড় হয়তো আজ থেকে ৬ থেকে ৯ মিলিয়ন বছর আগে—মানুষ ও এপের…
ঢাকার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে যখন নির্বাচনী উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়—একটি রূপান্তরমুখী সাধারণ নির্বাচনের মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টা আগে—৯ ফেব্রুয়ারি একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হওয়ার খবর যেন স্বাভাবিক ঘটনাপ্রবাহকে ছাপিয়ে গেছে। এই সফর কোনো আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, কিংবা ভবিষ্যতের সম্ভাবনা নিয়ে কথাবার্তার সাধারণ পর্বও নয়। লক্ষ্য একেবারে নির্দিষ্ট ও তাৎপর্যপূর্ণ: এমন একটি বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করা, যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতিপথকে শুধু সাময়িকভাবে নয়, কাঠামোগতভাবেই পুনর্গঠন করতে পারে। দেশের ভেতরে এই সময় নির্ধারণ নিয়ে বিতর্ক তীব্র। সমালোচকদের একটি অংশ একে অন্তর্বর্তী সরকারের সুপরিকল্পিত কৌশল হিসেবে দেখছেন—নির্বাচনের প্রাক্কালে আন্তর্জাতিক বৈধতা ও পশ্চিমা সমর্থন নিশ্চিত করার প্রয়াস বলে ব্যাখ্যা…
আমার মা নব্বইয়ের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডিইউ) অর্থনীতির ছাত্রী ছিলেন। আমার শৈশব কেটেছে তাঁর মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—ডাকসু—নিয়ে গল্প শুনে। বহু বছর পরে, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী হিসেবে আমি সেই উত্তরাধিকারকে পেয়েছি অনেক বেশি বাস্তব ও সাধারণ এক জায়গায়: ভোটকেন্দ্রে। আমি ভোট দিয়েছিলাম সেই প্রার্থীদের, যাদের আগের কাজকর্ম এবং ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতি বিচার করে আমার মনে হয়েছিল—তারা ছাত্রসংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিচালনা করতে সক্ষম। ছাত্ররাজনীতি এখানে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখনো হাতে গোনা কয়েকটি প্রাতিষ্ঠানিক জায়গার একটি, যেখানে ছাত্রদের কণ্ঠস্বর শোনা যায়। সে কারণেই গত বছরের সেপ্টেম্বরের পর থেকে আমি নজর রাখছি—ডাকসু এবং ছাত্রদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আসলে কী করছেন। চার মাস…
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই অনুষ্ঠেয় গণভোট শুধু একটি সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্ন নয়, বরং এটি সরাসরি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ক্ষমতার কাঠামো নির্ধারণ করে দিতে পারে। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে যে পরিবর্তনগুলো কার্যকর হবে, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল আলোচিত দিক হলো—বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। জুলাই সনদের একটি মৌলিক প্রস্তাব হলো প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণ। বিদ্যমান সংবিধানে প্রধানমন্ত্রী কতবার এবং কত বছর ক্ষমতায় থাকতে পারবেন—সে বিষয়ে কোনো সীমা নেই। এর ফলেই দীর্ঘ সময় ধরে একই ব্যক্তি রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে অবস্থান করতে পেরেছেন। জুলাই সনদ সেই জায়গায় একটি স্পষ্ট সীমারেখা টানতে চায়। এতে বলা হয়েছে,…
ঝালকাঠি জেলার কীর্তিপাশা ইউনিয়নের বাসিন্দা শংকর মুখার্জীর জীবনে ২৭ ডিসেম্বরের সকালটি ছিল অন্য দিনের মতোই। কিন্তু সেই সকালই তার জীবনের গতিপথ বদলে দেয়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো ওয়ারেন্ট দেখানো ছাড়াই সাদা পোশাকে আসা গোয়েন্দা পুলিশ তাকে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরদিন তাকে ২০২২ সালের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়—যে মামলায় দায়েরের সময় তার নামই ছিল না। অভিযোগ করা হয়, তিনি বিএনপির একটি অফিসে হামলা ও ভাঙচুরে জড়িত ছিলেন। অথচ পরিবারের দাবি, এলাকার বাজারসংলগ্ন জমি ও খামার দখলের উদ্দেশ্যেই পুরোনো একটি মামলায় নতুন করে তাকে জড়ানো হয়েছে। এই ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন উদাহরণ নয়; বরং সাম্প্রতিক বাংলাদেশে নির্বিচার আটক ও…
আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাই একটি রাষ্ট্রের সভ্যতার মানদণ্ড। কিন্তু সেই মানদণ্ডে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ছে বাংলাদেশ। মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সর্বশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এক উদ্বেগজনক চিত্র—মাত্র এক বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন অন্তত ৩৩ জন। সংখ্যাটি শুধু পরিসংখ্যান নয়; এর পেছনে রয়েছে ভেঙে পড়া পরিবার, ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত মানুষ এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপর ক্রমশ হারিয়ে যাওয়া আস্থা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডগুলো সংঘটিত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে কেউ পুলিশের হাতে, কেউ যৌথ বাহিনীর অভিযানে, কেউ আবার র্যাব, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, ডিবি পুলিশ, বিজিবি কিংবা কোস্টগার্ডের হেফাজতে প্রাণ হারিয়েছেন। রাষ্ট্রের যেসব বাহিনীর দায়িত্ব ছিল নাগরিকের জীবন…
বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য রেমিট্যান্স শুধু একটি আয়ের খাত নয়, এটি এক অর্থে দেশের অর্থনৈতিক শ্বাসনালি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, আমদানি ব্যয় মেটানো, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ—সবকিছুর সাথেই জড়িয়ে আছে প্রবাসীদের কষ্টার্জিত এই অর্থ। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ আর ব্যাংকের জানালা দিয়ে দেশে ঢুকছে না। ঢুকছে অলিগলি, গোপন মোবাইল নম্বর, অদৃশ্য এজেন্ট আর আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রিত এক সমান্তরাল পথে। এই পথের নাম হুন্ডি—যা এখন আর শুধু অবৈধ লেনদেন নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ “শ্যাডো ব্যাংকিং সিস্টেম”। মধ্যপ্রাচ্য থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া—যেখানেই প্রবাসী বাংলাদেশী আছে, সেখানেই হুন্ডির শক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, ওমান, জর্দান, ইরাকের পাশাপাশি মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরেও এই…
লক্ষ্মীপুরের শান্ত শহর হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে একটি ছোট কিন্তু অত্যন্ত স্পর্শকাতর বস্তু ঘিরে—‘ভোটের সিল’। যে সিলটি একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সবচেয়ে মৌলিক প্রতীক, সেই সিল যখন অবৈধভাবে প্রস্তুত ও সংরক্ষণের অভিযোগে পুলিশের হাতে জব্দ হয়, তখন প্রশ্ন ওঠে শুধু একটি অপরাধ নয়, পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে। ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে লক্ষ্মীপুর সদর থানার অভিযানে জব্দ হওয়া এই সিল এবং এর সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় ঘটনাটিকে আরও বেশি রাজনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব দিয়েছে। পুলিশের ভাষ্যমতে, জাল ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে এসব সিল প্রস্তুত করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন শরীফ ও ব্যবসায়ী সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা…
সাম্প্রতিক সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিরক্ষা চুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়কে ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার কেন্দ্রে এসে দাঁড়িয়েছে একটি প্রশ্ন—এগুলো কি কেবল রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা, নাকি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস–এর নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা “আমেরিকার দাসত্ব” তত্ত্বের বাস্তব প্রমাণ? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য আবেগ বা স্লোগানের বাইরে গিয়ে বাস্তব রাজনীতি, ভূরাজনৈতিক চাপ এবং বাংলাদেশের সামরিক–কূটনৈতিক ইতিহাসের দিকে তাকানো জরুরি। বাংলাদেশের মতো একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রের জন্য প্রতিরক্ষা খাত কখনোই পুরোপুরি আলাদা কোনো বিষয় নয়। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশটি একদিকে যেমন নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে চেয়েছে, অন্যদিকে বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্য রেখে চলার চেষ্টা করেছে। ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া—সব…
বাংলাদেশে তারা এখন অপরাধী, পলাতক, রাষ্ট্রদ্রোহী। কারও বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ, কারও বিরুদ্ধে হত্যা, কারও বিরুদ্ধে লুটপাট আর দুর্নীতির মামলা। অথচ ভারতের কলকাতার ঝলমলে শপিং মলের ফুডকোর্টে বসে কালো কফির কাপ হাতে তাঁরা নির্ভার আড্ডা দিচ্ছেন, ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে হিসাব কষছেন, আর একটাই প্রশ্ন ঘুরেফিরে বলছেন—ফেরা যাবে কবে। এই মানুষগুলোই বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত শাসকদল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। প্রায় দেড় বছর আগে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন দলের প্রধান শেখ হাসিনা। হেলিকপ্টারে চড়ে তিনি পালিয়ে যান ভারতে, পেছনে পড়ে থাকে রক্তাক্ত রাজপথ, শত শত লাশ, আর ভেঙে পড়া এক দীর্ঘ শাসনব্যবস্থা। জাতিসংঘের হিসাবে, সেই জুলাইয়ের দমন-পীড়নে প্রাণ যায় প্রায় ১…