…
এডিটর পিক
২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শুধু একটি তারিখ নয়, এটি একটি মোড়, যার…
Trending Posts
-
সহিংসতা প্রাণহানি বাড়ায় ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কেন?
জানুয়ারি ৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
১৪ বছরের আকবরের কাছে কেন হেরেছিলেন ভারতের ‘নেপোলিয়ন’ হিমু?
জানুয়ারি ১১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
সহিংসতা প্রাণহানি বাড়ায় ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কেন?
জানুয়ারি ৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
১৪ বছরের আকবরের কাছে কেন হেরেছিলেন ভারতের ‘নেপোলিয়ন’ হিমু?
জানুয়ারি ১১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- নির্বাচনের পর কী করবেন ইউনূস?
- ইরানে লাশের স্তূপ, বিক্ষোভকারীদের ‘মৃত্যুদণ্ড’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি
- ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারিতে আসলে কী ঘটেছিল?
- ১৪ বছরের আকবরের কাছে কেন হেরেছিলেন ভারতের ‘নেপোলিয়ন’ হিমু?
- কলম্বিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ‘হুমকি’ রয়েছে: দেশটির প্রেসিডেন্ট
- বিক্ষোভ তুঙ্গে, টিকবে কি ইরানের শাসকগোষ্ঠী?
- বিএনপি-জামায়াত কি জাতীয় সরকার গঠন করবে?
- কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
মুক্তিযুদ্ধ ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘ করার প্রশ্নটি তুললেই একটি সংবেদনশীল জায়গায় পৌঁছাতে হয়—বাংলাদেশের পক্ষের কেউ কি এমন কিছু করেছিলেন, যার ফলে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়েছে? ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, এই প্রশ্নের সরল “হ্যাঁ” বা “না” উত্তর নেই। তবে কিছু বাস্তবতা ও সিদ্ধান্ত ছিল, যেগুলো যুদ্ধের গতি প্রভাবিত করেছে, যদিও সেগুলোর পেছনে দেশবিরোধী উদ্দেশ্যের প্রমাণ পাওয়া যায় না। ১৯৭১ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব কার্যত ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেপ্তার হন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বড় অংশ ভারতে আশ্রয় নেয়। এই পরিস্থিতিতে একটি কার্যকর কমান্ড স্ট্রাকচার গড়ে তুলতে সময় লেগেছে। এপ্রিলের ১০ তারিখ অস্থায়ী সরকার গঠিত হলেও পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক ও সামরিক সমন্বয়…
আনিস আলমগীরের গ্রেফতারকে ঘিরে যে প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি ঘুরে ফিরে আসছে, তা হলো—এই ঘটনাটি কি কেবল একটি আইনি প্রক্রিয়া, নাকি এর মধ্য দিয়ে সরকারের সমালোচনা না করার একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হলো। একজন সিনিয়র সাংবাদিককে রাতভর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে আটকে রেখে পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো নিছক একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ খুব কমই আছে। কারণ এই গ্রেফতারের প্রেক্ষাপট, অভিযোগের ধরন এবং সাম্প্রতিক সময়ের সামগ্রিক সাংবাদিক নিপীড়নের চিত্র একসঙ্গে মিলিয়ে দেখলে বিষয়টি গভীর উদ্বেগের জন্ম দেয়। আনিস আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতায় যুক্ত একজন পরিচিত মুখ। ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধ কাভার করার মাধ্যমে তিনি জাতীয়ভাবে পরিচিতি পান। পরবর্তীতে তিনি…
৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশে রাজনীতির অঙ্গন ও প্রশাসনিক কাঠামোতে যে আমূল পরিবর্তন এসেছে, তার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর গ্রেফতার ও পরবর্তী জামিনে মুক্তি। একসময় যারা ক্ষমতার চূড়ায় ছিলেন, তাঁরা এখন আইনের কাঠগড়ায়, কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের বড় একটি অংশ আবারও স্বাধীনভাবে বাইরে চলাফেরা করছেন। এই দ্রুত মুক্তি, বিশেষ করে যাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, নাশকতা ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে, তা কেবল আইনি নয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকেও গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর চালানো সহিংসতা, নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অসংখ্য…
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে দেওয়া একটি বক্তব্য ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা কেবল একটি নির্বাচনী এলাকার ঘটনা হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতি, সহনশীলতা, ভয়ের রাজনীতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব—সবকিছুর এক জটিল প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। ভোট সামনে রেখে রাজনৈতিক বক্তব্য নতুন কিছু নয়, উত্তাপও অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু যখন সেই বক্তব্যে হুমকির সুর, ভয় দেখানোর ইঙ্গিত এবং প্রতিপক্ষ বা ভিন্ন মতাবলম্বীদের জন্য ‘শান্তিতে থাকতে না দেওয়ার’ ঘোষণা আসে, তখন তা কেবল রাজনৈতিক বক্তব্যের সীমা ছাড়িয়ে সামাজিক উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। গত শনিবার বাংলাবাজার এলাকায় এক নির্বাচনী সভায় শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর…
বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও প্রশাসনের চরিত্র নিয়ে যে প্রশ্নগুলো বহুদিন ধরে চাপা পড়ে ছিল, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর সেগুলো নতুন করে সামনে এসেছে। মানুষের প্রত্যাশা ছিল, এই অভ্যুত্থান কেবল একটি সরকারের পতন নয়, বরং দীর্ঘদিনের কর্তৃত্ববাদী রীতিনীতির অবসান ঘটিয়ে একটি নতুন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সূচনা করবে। কিন্তু অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাস্তবতা ক্রমেই ইঙ্গিত দিচ্ছে, পুরোনো প্রথা ও মানসিকতার সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটানো যতটা সহজ মনে করা হয়েছিল, বাস্তবে তা ততটাই কঠিন। সরকারি চাকরিতে তথাকথিত ভেরিফিকেশনের নামে রাজনৈতিক পরিচয় ও আনুগত্য যাচাইয়ের ধারাবাহিকতা সেই পুরোনো কর্তৃত্ববাদী ছাঁচেরই পুনরাবৃত্তি, যা রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সরকারি চাকরি আধুনিক রাষ্ট্রে কেবল জীবিকার মাধ্যম নয়; এটি রাষ্ট্রের…
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে আট দিন ধরে এক অদ্ভুত নীরবতা ছিল। সীমান্তের মাঠ, ঝোপঝাড়, কাঁটাতারের ফাঁকে ফাঁকে যে পথগুলো দিয়ে প্রতিদিন মানুষের যাতায়াত, সেই পথগুলোর প্রতিটিতেই ভাসছিল এক তরুণের অনুপস্থিতি। নাম তার শান্ত। বয়স মাত্র চব্বিশ। জীবনের শুরুটুকু ঠিকমতো পেরোতেই পারেনি, অথচ শেষটা এসে থামল সীমান্তের গুলিতে। আট দিন পর তার মরদেহ যখন পরিবারের হাতে পৌঁছাল, তখন সেই নীরবতা ভেঙে গেল কান্না আর দীর্ঘশ্বাসে। শান্ত ছিল দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী মোহাম্মদপুর ডাংয়েরপাড়া গ্রামের ছেলে। সীমান্তের খুব কাছেই তার বাড়ি। কাঁটাতারের বেড়া যেন তার জীবনের নিত্যসঙ্গী। ছোটবেলা থেকেই সে দেখেছে সীমান্তের টহল, অস্ত্রধারী মানুষ, রাতের অন্ধকারে চলাফেরা করা ছায়ামূর্তি। এই জীবন…
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতীয় নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রবণতা যে আর বিচ্ছিন্ন বা ব্যতিক্রমী ঘটনা নয়, বরং একটি ধারাবাহিক ও ক্রমবর্ধমান সামাজিক-রাজনৈতিক বাস্তবতা—তা সংসদে পেশ করা পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে। গত পাঁচ বছরে প্রায় নয় লক্ষ ভারতীয় নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন এবং গত চৌদ্দ বছরে এই সংখ্যা বিশ লক্ষ ছাড়িয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং সংসদে জানিয়েছেন, সরকার নিয়মিতভাবে নাগরিকত্ব পরিত্যাগকারীদের বার্ষিক রেকর্ড রাখে এবং সেই রেকর্ড অনুযায়ী সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এই প্রবণতা ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। এই তথ্য নিছক সংখ্যার হিসাব নয়; এর আড়ালে লুকিয়ে আছে গভীর সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক কারণ, যা ভারতের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বাস্তবতাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। নাগরিকত্ব…
দিল্লির শাহদরার সরু গলিগুলো রাত নামলেই নীরব হয়ে আসে। দিনের কোলাহল থেমে গেলে এখানকার ঘরগুলোয় জমে ওঠে অপেক্ষা, ক্লান্তি আর অনিশ্চয়তা। ঠিক এমনই এক রাতে নিশা আনসারির বুকের ভেতর জমে থাকা অপেক্ষা আজও শেষ হয়নি। রাত ন’টা বাজলেই তার মনে হয়, দরজার বাইরে কেউ দাঁড়িয়ে আছে। কড়া নাড়ার শব্দ যেন কানে বাজে। মনে হয়, সাহিল বলছে—“আম্মি, দরজা খোলো, আমি চলে এসেছি।” নিশা জানেন, তার ছেলে আর এই পৃথিবীতে নেই। তবু মনের গভীরে একটা আশা এখনো লুকিয়ে থাকে। সেই আশাতেই তিনি রাত একটা পর্যন্ত জেগে বসে থাকেন, দরজার দিকে তাকিয়ে। নিশা আনসারি বয়সে মাত্র ৪২। কিন্তু তার জীবনের অভিজ্ঞতা যেন বহু…
ভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন দুপুরে বিজয়নগরের ব্যস্ত সড়কে যে গুলির শব্দ শোনা গেল, তা মুহূর্তেই কেবল একজন মানুষকে নয়, দেশের রাজনীতির সাম্প্রতিক উত্তাল বাস্তবতাকেও নতুন করে সামনে নিয়ে আসে। রিকশায় বসে থাকা শরীফ ওসমান বিন হাদিকে লক্ষ্য করে মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলি ঢাকার রাজনীতিতে আরেকটি অস্থির অধ্যায় যুক্ত করে দেয়। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে যখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়, তখন তার অবস্থা ছিল সংকটাপন্ন। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন এই মানুষটির নাম তখন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, রাজনৈতিক অঙ্গন আর সাধারণ মানুষের আলোচনায়—কে এই ওসমান হাদি, কেন তাকে গুলি করা হলো, আর এর অর্থ কী? শরীফ ওসমান…
ব্রিটিশ নাগরিকত্বকে দীর্ঘদিন ধরে ধরা হতো একটি স্থায়ী অধিকার—যা একবার অর্জিত হলে তা আর প্রশ্নের মুখে পড়ে না। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার চরিত্রে এমন কিছু পরিবর্তন ঘটেছে, যা এই ধারণাকে ভেঙে দিচ্ছে। নতুন গবেষণা বলছে, ব্রিটেনের প্রায় ৯০ লাখ মানুষ—যাদের বড় অংশ মুসলিম এবং দক্ষিণ এশীয়, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকান বংশোদ্ভূত—আজ নাগরিকত্ব হারানোর ঝুঁকিতে আছেন। এটি নিছক কোনো আইনি জটিলতা নয়; বরং এটি একটি রাজনৈতিক প্রকল্প, যার ভেতর দিয়ে রাষ্ট্র নাগরিকত্বকে একটি শর্তাধীন সুবিধায় রূপান্তর করছে। এই ঝুঁকির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকা একটি ‘চরম ও গোপনীয়’ ক্ষমতা—নাগরিকত্ব বাতিলের অধিকার। বর্তমান আইনের অধীনে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি মনে করেন…