…
এডিটর পিক
একটি শিশুর হাতে ধরা ছোট্ট একটি খেলনা কখনো শুধু প্লাস্টিক, কাঠ কিংবা কাপড়ের তৈরি কোনো…
Trending Posts
-
বাংলাদেশের হাজারো স্কুলের পাশে কেন বিষাক্ত ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার কেন্দ্র?
জুন ২৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ভূরাজনীতিতে তারেক রহমানের মালয়েশিয়া-চীন সফরের গুরুত্ব
জুন ২৮, ২০২৬By স্টেটওয়াচ বিশ্লেষণ | 0 Comments -
রাশিয়াকে গোপন সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে চীন-রাশিয়া জোটের নতুন মাত্রা নিয়ে উদ্বেগ ইউরোপে
জুলাই ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
বাংলাদেশে সংসদীয় রাজনীতিতে পারিবারিক দাপট: একটি বিশ্লেষণ
জুন ২৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
বাংলাদেশের হাজারো স্কুলের পাশে কেন বিষাক্ত ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার কেন্দ্র?
জুন ২৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ভূরাজনীতিতে তারেক রহমানের মালয়েশিয়া-চীন সফরের গুরুত্ব
জুন ২৮, ২০২৬By স্টেটওয়াচ বিশ্লেষণ | 0 Comments -
রাশিয়াকে গোপন সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে চীন-রাশিয়া জোটের নতুন মাত্রা নিয়ে উদ্বেগ ইউরোপে
জুলাই ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
বাংলাদেশে সংসদীয় রাজনীতিতে পারিবারিক দাপট: একটি বিশ্লেষণ
জুন ২৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- অসুস্থতার প্রমাণ লাগবে: জার্মানির নতুন সিক লিভ নীতিতে বিতর্ক
- শিরোপা জিতেও অবহেলিত: বাংলাদেশের নারী ফুটবলারদের অদৃশ্য লড়াই
- খেলনার ভেতর লুকিয়ে থাকা নীরব মৃত্যু
- India’s Monsoon Bangladesh’s Flood: Can the Cycle Be Broken?
- দুই বছরে পাঁচ শতাধিক শিল্পকারখানা বন্ধ
- সক্রেটিস কি স্বৈরাচারের দোসর ছিলেন?
- যে ব্রিটিশ-মার্কিন চুক্তি ২ লাখ ২৯ হাজার মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে
- শিশুর মস্তিষ্ক গঠনের গোপন অস্ত্র: সংগীত—জানা-অজানা সব কিছু
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
ক্ষমতাচ্যুত কোনো রাজনৈতিক দলের প্রত্যাবর্তনের আলোচনা সাধারণত তখনই জোরালো হয়ে ওঠে, যখন সমাজের ভেতরে অনিশ্চয়তা, হতাশা এবং প্রত্যাশার অপূর্ণতা একসঙ্গে কাজ করতে শুরু করে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বর্তমানে এমনই এক বাস্তবতা দৃশ্যমান। মাত্র দুই বছর আগেও যে দলকে গণ-আন্দোলন, জনরোষ এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই দলকে ঘিরেই এখন আবার নানা পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। চায়ের দোকানের আড্ডা থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের আলোচনাসভা থেকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মূল্যায়ন—সবখানেই ফিরে আসছে একই প্রশ্ন: ক্ষমতাচ্যুত শক্তির কি সত্যিই ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে? রাজনীতির ইতিহাস বলে, কোনো দলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া মানেই তার রাজনৈতিক মৃত্যু…
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কোনো দেশে ক্ষমতার কেন্দ্র বদলে যায়, প্রশাসনিক কাঠামোতে আসে পরিবর্তন, অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি হারান তাঁদের আগের অবস্থান। কিন্তু ক্ষমতার পালাবদলের পর সবচেয়ে নীরব অথচ গুরুত্বপূর্ণ যে লড়াই শুরু হয়, তা হলো সম্পদ রক্ষার লড়াই। বাংলাদেশেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এমন এক বাস্তবতা সামনে এসেছে, যেখানে বিদেশে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি, সাবেক কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একটি অংশ দেশে থাকা সম্পদ নিয়ে নতুন করে তৎপর হয়ে উঠেছেন। বিদেশে বসেই তাঁরা আমমোক্তারনামার মাধ্যমে সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, বিক্রি কিংবা মালিকানা হস্তান্তরের উদ্যোগ নিচ্ছেন। ঘটনাটি শুধু আইনি বা প্রশাসনিক বিষয় নয়; এটি রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি, সম্পদ সুরক্ষা এবং অর্থ পাচার প্রতিরোধের…
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্যগুলোর একটি লুকিয়ে আছে দেশের মাটির নিচে। একদিকে উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ ভূগর্ভে পড়ে আছে বিলিয়ন টন কয়লার মজুদ, অন্যদিকে সেই কয়লা অক্ষত রেখেই প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার কয়লা আমদানি করছে দেশ। অর্থনীতির ভাষায় এটি শুধু সম্পদের অপব্যবহার নয়, বরং একটি কৌশলগত দ্বিধা, যা দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং শিল্পায়নের ভবিষ্যৎকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতার পর উন্নয়নের পথে হাঁটা শুরু করে, তখন দেশের প্রধান জ্বালানি ভরসা ছিল প্রাকৃতিক গ্যাস। দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কমতে শুরু…
বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে অনেক যুদ্ধের পেছনে মতাদর্শ, ভূখণ্ড কিংবা ক্ষমতার লড়াই থাকলেও আধুনিক যুগে এমন একটি সম্পদ রয়েছে, যার গুরুত্ব অনেক সময় সবকিছুকে ছাড়িয়ে যায়। সেটি হলো জ্বালানি তেল। একটি দেশের অর্থনীতি, শিল্প, পরিবহন, সামরিক শক্তি এমনকি দৈনন্দিন জীবনযাত্রাও এই কালো সোনার ওপর নির্ভরশীল। তাই বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় তেল মজুত দ্রুত কমে যাওয়ার খবর শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি পুরো বিশ্বের জন্য উদ্বেগের বার্তা। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্য আবারও অস্থির। ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাত, পারস্য উপসাগরের অনিশ্চয়তা এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালির কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক তেলবাজারে চাপ বেড়েছে। এই চাপ…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন কিছু প্রতিষ্ঠান আছে, যাদের নাম উচ্চারিত হলেই একসঙ্গে ভেসে ওঠে নিরাপত্তা, ভয়, বিতর্ক, ক্ষমতা ও মানবাধিকারের প্রশ্ন। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন—সংক্ষেপে র্যাব—তেমনই একটি নাম। দুই দশকের বেশি সময় ধরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ দমন, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে এই বাহিনী। কিন্তু আজ যখন আবার র্যাবের ভবিষ্যৎ, কাঠামো এবং অস্তিত্ব নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে, তখন প্রশ্ন উঠছে—র্যাবকে আমরা কীভাবে স্মরণ করব? একটি সফল এলিট বাহিনী হিসেবে, নাকি এমন এক প্রতিষ্ঠানের প্রতীক হিসেবে, যার ইতিহাসে মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ বারবার ফিরে এসেছে? ২০০৪ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে সন্ত্রাস ও সংগঠিত অপরাধ…
একটি শিশু যখন বাড়ি ছেড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায়, সে শুধু বই নিয়ে যায় না—সে বিশ্বাস নিয়ে যায়। আর অভিভাবক শুধু সন্তানকে পাঠান না—তারা নিশ্চিন্ত থাকার অধিকারও সেই প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেন। বাংলাদেশের বহু পরিবারের কাছে মাদ্রাসা এমনই একটি জায়গা—যেখানে শিক্ষা, ধর্মীয় অনুশাসন, শৃঙ্খলা এবং নৈতিকতার সমন্বয় ঘটার কথা। কিন্তু যখন কোনো ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে শিশু নির্যাতন বা যৌন সহিংসতার অভিযোগ উঠে আসে, তখন প্রশ্নটা আর শুধু আইন বা অপরাধের থাকে না; প্রশ্নটা হয়ে যায়—আস্থার জায়গাগুলো কতটা নিরাপদ? গত কয়েক বছরে শিশু সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা বাংলাদেশে আরও দৃশ্যমান হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সংবাদমাধ্যম এবং মানবাধিকারভিত্তিক আলোচনায় শিশু নির্যাতনের বিষয়গুলো আগের চেয়ে…
ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বহু বছর ধরে যে টানাপোড়েন চলছে, তার কেন্দ্রীয় চরিত্রদের একজন নিঃসন্দেহে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি শুধু ইসরায়েলের রাজনীতির নয়, বরং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা আলোচনারও একটি পরিচিত মুখ। তার রাজনৈতিক পরিচয়ের বড় অংশজুড়ে ছিল একটি বার্তা—ইরানকে রুখতে হবে, যেকোনো মূল্যে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ের কূটনৈতিক বাস্তবতা এমন এক প্রশ্ন সামনে এনেছে, যা হয়তো কয়েক বছর আগেও অচিন্তনীয় ছিল—ইরানকে নিয়ে নতুন কোনো সমঝোতা বা চুক্তি যদি বাস্তবায়নের দিকে এগোয়, তাহলে কি নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থান ও উত্তরাধিকার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে? ইসরায়েলের নিরাপত্তা নীতিতে ইরান দীর্ঘদিন ধরেই একটি কেন্দ্রীয় বিষয়। ইসরায়েলের দৃষ্টিতে, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা,…
যুদ্ধ একসময় মানুষের সাহস, সংখ্যার শক্তি আর মাটিতে দাঁড়িয়ে লড়াই করার সক্ষমতার প্রতীক ছিল। ইতিহাসের বড় বড় যুদ্ধের গল্পে আমরা দেখি সৈনিক, ট্যাংক, কামান, ট্রেঞ্চ আর মুখোমুখি সংঘর্ষ। কিন্তু একবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে এসে যুদ্ধের ভাষা বদলাতে শুরু করেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে মানুষের জায়গা ধীরে ধীরে দখল করে নিচ্ছে প্রযুক্তি। আকাশে ড্রোন, মাটিতে রোবট, দূরে বসে নিয়ন্ত্রণ—এসব এখন আর কল্পবিজ্ঞানের গল্প নয়, বরং বাস্তব যুদ্ধের দৈনন্দিন দৃশ্য। ইউক্রেন যুদ্ধ সেই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষাগার হয়ে উঠেছে। রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে ধারণা ছিল, শেষ পর্যন্ত সংখ্যায় বড় বাহিনী এবং দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতাই ফল নির্ধারণ করবে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে দেখা গেছে, শুধু…
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন রাজনীতিতে বরাদ্দ, প্রতিনিধিত্ব এবং বৈষম্যের প্রশ্ন নতুন কিছু নয়। কিন্তু যখন কোনো জেলার উন্নয়ন তহবিল বা বিশেষ বরাদ্দ নিয়ে প্রকাশ্যে অভিযোগ ওঠে যে একটি বা দুটি এলাকা অতিরিক্ত সুবিধা পেয়েছে এবং অন্য এলাকাগুলো বঞ্চিত হয়েছে, তখন সেটি শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং ন্যায়বিচার, জবাবদিহি এবং রাজনৈতিক নৈতিকতার প্রশ্নও সামনে নিয়ে আসে। সম্প্রতি কুমিল্লা জেলা পরিষদকে ঘিরে এমনই এক বিতর্ক আলোচনায় এসেছে। একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া অভিযোগ করেন যে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জেলা পরিষদের বড় অঙ্কের অর্থ বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকায় গেছে। তাঁর বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক…
বাংলাদেশে হাম একসময় প্রায় নির্মূলের পথে থাকা একটি রোগ হিসেবে বিবেচিত হতো। টিকাদান কর্মসূচির সাফল্য ছিল দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে, উন্নয়ন সহযোগীরা উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছে দেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিকে। কিন্তু মাত্র কয়েক মাসের প্রশাসনিক ব্যর্থতা, সিদ্ধান্তহীনতা, অর্থ ছাড়ে বিলম্ব, বিদেশি ঋণের ওপর অযৌক্তিক নির্ভরতা এবং একের পর এক সতর্কবার্তা উপেক্ষার ফলে সেই সাফল্যের গল্প আজ পরিণত হয়েছে জাতীয় ট্র্যাজেডিতে। সর্বশেষ সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশে হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭৫ জনে। এর মধ্যে ৯০ জনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামে হয়েছে। আরও ৪৮৫ জন মারা গেছে হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে। আক্রান্তের…