…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সরকারি ঋণের পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের সাম্প্রতিক প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বর্তমান ঋণ…
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ট্রাম্পকে অগ্রাহ্য করে ইরানে নেতানিয়াহুর হামলা কী বার্তা দিল?
জুন ৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
জুন ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ট্রাম্পকে অগ্রাহ্য করে ইরানে নেতানিয়াহুর হামলা কী বার্তা দিল?
জুন ৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
জুন ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ইসলামী ব্যাংককে সামলাতে কেন ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক?
- ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
- ৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
- বাঁধের ‘ব্যবসা’: ডুবছে হাওর, পানি নামার পথের বাধা
- ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
- বিশাল বাজেটে সাধারণ মানুষের জায়গা কতটা?
- আবারও জাহাজে মার্কিন হামলা, ছিল ২০ ভারতীয় নাবিক
- এপস্টিনের কাছে কেন তরুণীদের পাঠাতেন মডেলিং এজেন্ট
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক সবসময়ই শুধু কূটনৈতিক টেবিলের হিসাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা, সীমান্ত, নদী, বাণিজ্য, নিরাপত্তা এবং সবচেয়ে বড় বিষয়—দুই দেশের মানুষের মনস্তত্ত্ব। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবর্তন বাংলাদেশে প্রায় সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব পায়। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপির নিরঙ্কুশ জয় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কারণ এই প্রথমবারের মতো ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার—দুই জায়গাতেই একই রাজনৈতিক শক্তির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলো। নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিজেপির কয়েকজন নেতার বক্তব্য বাংলাদেশে উদ্বেগ তৈরি করেছিল। বিশেষ করে “পুশ-ইন”, “অবৈধ অনুপ্রবেশকারী” কিংবা মুসলিমদের…
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটায় ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল এক নির্বাচনী জনসভায় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা দেন—যদি তাঁর দল বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়, তাহলে বাংলাভাষী এই রাজ্যে আর “বাবরি ধাঁচের” কোনো মসজিদ গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না। দক্ষিণ এশিয়ার মতো বহু ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির অঞ্চলে এমন বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক বক্তব্য নয়; এগুলো মানুষের মনে ভয়, অবিশ্বাস ও ঘৃণার বিষ ঢেলে দেয়। ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভাজন সৃষ্টি করা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়। বহু রাজনীতিকই ক্ষমতা ও ভোটের হিসাব কষে মানুষের আবেগকে ব্যবহার করেন। সাধারণ মানুষকে তাই আরও সচেতন হতে হবে, যাতে তারা ঘৃণার রাজনীতির শিকার…
দেশের বিভিন্ন মহিলা মাদ্রাসায় সাম্প্রতিক সময়ে যে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সামনে এসেছে, তা শুধু বিচ্ছিন্ন কিছু অপরাধের ঘটনা নয়; বরং সমাজ, শিক্ষা ও ধর্মীয় কাঠামোর গভীরে লুকিয়ে থাকা এক অস্বস্তিকর বাস্তবতাকে সামনে এনে দিয়েছে। নরসিংদী, কুষ্টিয়া, সাভার কিংবা নেত্রকোনার ঘটনাগুলো মানুষকে শুধু ব্যথিত করেনি, একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছে—মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা আসলে কতটা নিরাপদ? যারা পরিবার থেকে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার আশায় মেয়েদের আবাসিক মাদ্রাসায় পাঠান, তাঁদের বিশ্বাসের ভেতর কি অদৃশ্য কোনো ভয় জন্ম নিচ্ছে না? বাংলাদেশের সমাজে মাদ্রাসা শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটি বহু মানুষের কাছে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নিরাপত্তার প্রতীক। বিশেষ করে মেয়েদের জন্য পরিচালিত মাদ্রাসাগুলোকে অনেক পরিবার তুলনামূলক…
মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘ অস্থিরতার ইতিহাসে আবারও একটি নাটকীয় মোড়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্ব। একদিকে যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ, অন্যদিকে কূটনীতির টেবিলে চলা কঠিন দর–কষাকষি—এই দুই বাস্তবতার মাঝখানে এখন আলোচনায় উঠে এসেছে এক বিশাল অঙ্কের অর্থ এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য সমঝোতা শুধু দুই দেশের সম্পর্ককেই বদলে দিতে পারে না, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি, তেলের বাজার, এমনকি বিশ্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপরও এর বড় প্রভাব পড়তে পারে। ওয়াশিংটনের মূল উদ্বেগ বহুদিনের—ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা। বিশেষ করে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতকে কেন্দ্র করেই এই উত্তেজনার জন্ম। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে, ইরান যেন এমন কোনো পর্যায়ে না পৌঁছায়, যেখানে তারা অল্প সময়ের মধ্যে…
মানব সভ্যতার ইতিহাসে সন্তান জন্মদান সবসময়ই ছিল এক গভীর, স্বাভাবিক এবং শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াটিও বদলে গেছে চিকিৎসাব্যবস্থা, সামাজিক রীতি এবং ক্ষমতাকেন্দ্রিক সিদ্ধান্তের কারণে। আজ পৃথিবীর অধিকাংশ হাসপাতালেই দেখা যায়, সন্তান জন্মদানের সময় প্রসূতি নারীকে বিছানায় চিৎ হয়ে শুইয়ে রাখা হয়। অথচ গবেষকরা বলছেন, হাজার হাজার বছর ধরে নারীরা দাঁড়িয়ে, হাঁটু গেড়ে, উবু হয়ে বসে কিংবা সামনের দিকে ঝুঁকে সন্তান প্রসব করতেন। ইতিহাসের বহু চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য ও বিবরণে সেই দৃশ্য ফুটে উঠেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে বর্তমানের এই “শুয়ে সন্তান প্রসব” পদ্ধতি কোথা থেকে এলো? কেনই বা এটি বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তার করল? বিশেষজ্ঞদের মতে, সন্তান প্রসবের…
দাসত্ব থেকে সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ সিংহাসনে পৌঁছানোর গল্প ইতিহাসে খুব বেশি দেখা যায় না, আর সেই বিরল উদাহরণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলেন গিয়াসউদ্দিন বলবন। তার জীবন যেন এক নাটকীয় উত্থানের কাহিনি—যেখানে বন্দিত্ব, বুদ্ধিমত্তা, রাজনৈতিক কৌশল এবং নির্মম শাসন—সবকিছু মিলেমিশে তৈরি করেছে এক অনন্য শাসকের প্রতিচ্ছবি। মধ্যযুগীয় ভারতীয় ইতিহাসে দিল্লি সালতানাত-এর শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তোলার পেছনে তার ভূমিকা এতটাই গভীর যে, তাকে ছাড়া সেই ইতিহাস অসম্পূর্ণ থেকে যায়। বলবনের জন্ম ১২১৬ সালের দিকে, এক তুর্কি পরিবারে। তার প্রকৃত নাম ছিল বাহাউদ্দিন, কিন্তু ইতিহাস তাকে চেনে বলবন নামেই। ভাগ্যের নির্মম খেলায় তিনি খুব অল্প বয়সেই মঙ্গোলদের হাতে বন্দি হন এবং বাগদাদের দাসবাজারে বিক্রি হয়ে…
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপির অভূতপূর্ব জয় শুধু ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই নয়, প্রতিবেশী বাংলাদেশ-এর রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনার ঝড় তুলেছে। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা মমতা ব্যানার্জী-এর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস-এর পরাজয় এবং প্রথমবারের মতো নরেন্দ্র মোদী-র নেতৃত্বাধীন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আরোহন দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন এক সমীকরণ তৈরি করতে পারে—এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করলে বোঝা যায়, বিষয়টি কেবল একটি রাজ্যের নির্বাচনী ফল নয়; বরং এটি দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সীমান্ত-সংক্রান্ত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার সাথেও জড়িত। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন, সীমান্ত নিরাপত্তা, অভিবাসন বা ‘পুশ-ইন-পুশ-ব্যাক’ ইস্যু—এসব বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভূমিকা…
নেত্রকোনার এক প্রত্যন্ত জনপদে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা আবারও আমাদের সমাজের ভেতরের অন্ধকারকে সামনে নিয়ে এসেছে—একটি ১১ বছরের শিশু, যে এখনও খেলাধুলার বয়সে, সে আজ অন্তঃসত্ত্বা। এই একটি বাক্যই যথেষ্ট একটি জাতির বিবেককে নাড়িয়ে দেওয়ার জন্য। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমরা এমন খবর বারবার শুনছি, দেখছি, তারপরও যেন কিছুই বদলাচ্ছে না। ঘটনাটি শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি আমাদের সামাজিক কাঠামোর ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। একটি শিশু, যার জীবনের এই পর্যায়ে স্কুল, বই, খেলনা আর স্বপ্ন থাকার কথা—তার জীবনে ঢুকে পড়েছে এমন এক বাস্তবতা, যা সে বোঝারও ক্ষমতা রাখে না। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন শিক্ষক—যার হাতে অভিভাবকেরা তাদের সন্তানের নিরাপত্তা ও…
২০১৮ সালে হাওর থেকে ফিরে আমি লিখেছিলাম: “কৃষকদের দুঃখ-কষ্টের যেন শেষ নেই। বন্যা, বজ্রপাত বা শোষণমূলক বাজার ব্যবস্থার কারণে তারা প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে। তবুও তারা লড়াই করে যাচ্ছে, অবিরাম লড়াই।” কয়েক বছর পরও সেই বাস্তবতায় কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসেনি—না নীতিনির্ধারণী আলোচনায়, না গ্রাম ও মাঠের কৃষকদের জীবনে। বরং কৃষি সংকট আরও গভীর হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের সংবাদপত্র ও অনলাইন মাধ্যমে হাওরের কৃষকদের দুর্দশার খবর ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের ক্ষেত ডুবে যাচ্ছে বন্যার পানিতে। অকাল বন্যা ও পাহাড়ি ঢল—বিশেষ করে ভারতের উজানে ভারী বৃষ্টিপাত—সুনামগঞ্জসহ হাওর অঞ্চলের নদীগুলোর পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে, ফলে পাকা ও আধাপাকা বোরো ধান তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে এপ্রিলের…
১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল, রাত ১টা ২৩ মিনিট—মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক ভয়াবহ মুহূর্ত। সেদিন ইউক্রেনের চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪ নম্বর রিঅ্যাক্টরে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটে, যার ফলে শুরু হয় এক অদৃশ্য বিপর্যয়—তেজস্ক্রিয়তা। এই দুর্ঘটনাকে ইতিহাসে চিহ্নিত করা হয় চেরনোবিল বিপর্যয় নামে। বিস্ফোরণের পরপরই চারপাশের বিশাল এলাকা খালি করে দেওয়া হয়, গড়ে ওঠে তথাকথিত ‘বর্জিত এলাকা’—একটি নিষিদ্ধ অঞ্চল, যেখানে মানুষের প্রবেশ দীর্ঘদিন ধরে সীমাবদ্ধ। কিন্তু ৪০ বছর পর এই অঞ্চলকে ঘিরে যে বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, তা মানব-অনুপস্থিতিতে প্রকৃতির এক অদ্ভুত পুনর্জাগরণের গল্প বলে। প্রথম নজরে মনে হতে পারে, তেজস্ক্রিয়তায় দূষিত একটি এলাকা মানেই মৃত্যু আর ধ্বংসের চিহ্ন। কিন্তু চেরনোবিল সেই ধারণাকে আংশিকভাবে…