…
এডিটর পিক
২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শুধু একটি তারিখ নয়, এটি একটি মোড়, যার…
Trending Posts
-
সহিংসতা প্রাণহানি বাড়ায় ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কেন?
জানুয়ারি ৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
১৪ বছরের আকবরের কাছে কেন হেরেছিলেন ভারতের ‘নেপোলিয়ন’ হিমু?
জানুয়ারি ১১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
সহিংসতা প্রাণহানি বাড়ায় ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কেন?
জানুয়ারি ৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
১৪ বছরের আকবরের কাছে কেন হেরেছিলেন ভারতের ‘নেপোলিয়ন’ হিমু?
জানুয়ারি ১১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ইরানে বিক্ষোভে যে বিপদে ইসরায়েল
- নির্বাচনের পর কী করবেন ইউনূস?
- ইরানে লাশের স্তূপ, বিক্ষোভকারীদের ‘মৃত্যুদণ্ড’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি
- ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারিতে আসলে কী ঘটেছিল?
- ১৪ বছরের আকবরের কাছে কেন হেরেছিলেন ভারতের ‘নেপোলিয়ন’ হিমু?
- কলম্বিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ‘হুমকি’ রয়েছে: দেশটির প্রেসিডেন্ট
- বিক্ষোভ তুঙ্গে, টিকবে কি ইরানের শাসকগোষ্ঠী?
- বিএনপি-জামায়াত কি জাতীয় সরকার গঠন করবে?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অদ্ভুত নীরব রূপান্তরের সময় চলছে। একদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা, অন্যদিকে পরিবর্তনের প্রত্যাশা—দুটি অনুভূতি পাশাপাশি এগোচ্ছে সমাজের ভেতর দিয়ে। এ দেশের জনমানুষ দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীলতা ও জবাবদিহি–নির্ভর রাষ্ট্র পরিচালনার অভিলাষ পোষণ করে এসেছে। সেই প্রত্যাশার ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা কোন পর্যায়ে আছে—তা নিয়ে মার্কিন পর্যবেক্ষক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) একটি বিস্তৃত জরিপ পরিচালনা করেছে। জরিপের ফলাফল বলছে, বাংলাদেশের গণমানুষ পরিবর্তন দেখতে চায়, চাইছে একটি সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন, আর সেই পরিবর্তন অভিযাত্রায় তারা অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বকে এখনো ইতিবাচক চোখে দেখছে। ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালিত জরিপে অংশ নেওয়া দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ—প্রায় ৬৯ শতাংশ—বলেছেন,…
ইসলামের প্রথম যুগে নারীরা যে অসাধারণ ভূমিকা রেখে গেছেন, তা শুধু ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায় নয়, বরং আজকের যুগের মুসলিম নারীদের জন্যও প্রেরণার উৎস। সেই নারীরা ছিলেন দায়িত্বশীল, আত্মমর্যাদাশীল, জ্ঞানান্বেষী, দুর্দান্ত সাহসী এবং ধর্মীয় মূল্যবোধে অবিচল—যা মানবসভ্যতার ইতিহাসে খুব কমই দেখা যায়। নবীজি (সা.)–এর তিরোধানের পর থেকে খিলাফতের বিস্তৃতি ও ইসলামের দ্রুত প্রসার—সব ক্ষেত্রেই নারীরা ছিলেন এক নীরব কিন্তু দৃঢ় শক্তি। তারা পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—তিন ক্ষেত্রেই এমন প্রভাব রেখে গেছেন, যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এক অমূল্য ঐতিহ্য। ইসলামের সূচনা পর্বে নারীদের জ্ঞানান্বেষণের মানসিকতা ছিল বিস্ময়কর। শাইখ ইউসুফ কারজাভি (রহ.) উল্লেখ করেছেন—নারীরা বিনা সংকোচে রাসুলুল্লাহ (সা.)–এর কাছে ব্যক্তিগত ও সূক্ষ্ম…
ভারতে ধর্মীয় উত্তেজনা, রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং বিচার বিভাগের ওপর প্রভাব নিয়ে যে আলোচনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে, জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দের সভাপতি মাহমুদ মাদানির সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই বিতর্ককে আরও উস্কে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতের মুসলমানদের নাগরিক অধিকার সংকুচিত হওয়ার অভিযোগ উঠছে নানা মহল থেকে, কিন্তু মাদানির বক্তব্যে বিষয়টি নতুন করে রাজনৈতিক অগ্নিশিখায় পরিণত হয়েছে। তিনি সরাসরি দাবি করেছেন—ভারতের সংবিধান সংখ্যালঘুদের যে অধিকার নিশ্চিত করেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আদালতের কিছু রায় সেই অধিকারকে বাস্তবে দুর্বল করে দিয়েছে। তার অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাবরি মসজিদের রায়, তিন তালাক-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং সংখ্যালঘুদের ব্যক্তিগত আইন সম্পর্কিত আলোচনাগুলো, যেগুলো দেশের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিবেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল।মাদানির বক্তব্যের…
চট্টগ্রাম বন্দরের সমকালে উন্নয়ন নিয়ে যে বিতর্ক হয়, তা কোনো কেবল অবকাঠামোগত বিতর্ক নয়; এটি দেশের অর্থনীতির এক সমগ্র ধারণাকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা। বন্দর কেবল জাহাজ থামানোর জায়গা নয়—এটি আমাদের বৈদেশিক বাণিজ্য, রপ্তানি প্রতিযোগিতা, লজিস্টিক খরচ, এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি। আজ যে বাস্তবতা চোখে আসে, তা সহজভাবে বলা যায়—বন্দর যদি দ্রুত ও দক্ষ না হয়, পুরো দেশই লজিস্টিক বাধাপ্রবাহে আটকে যাবে। ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দর প্রায় ৩.৩ মিলিয়ন টিইইউ হ্যান্ডল করেছে—এটি বড় একটি সংখ্যাও বটে; তবু আঞ্চলিক প্রতিযোগীতার মানদণ্ডে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। সিঙ্গাপুর বছরে প্রায় ৩৭ মিলিয়ন টিইইউ হ্যান্ডল করে, কলম্বো ৭.২ মিলিয়ন টিইইউ; তুলনা করলে বোঝা যায়, আমাদের…
বাংলাদেশের উৎপাদনমুখী শিল্পে নারী শ্রমিকের উপস্থিতি কমে যাওয়ার যে প্রবণতা গত এক দশক ধরে তৈরি হয়েছে, তা এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনাকে নির্দেশ করে না; বরং দেশের শ্রমবাজার, শিল্পনীতি, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, রফতানি নির্ভর উৎপাদন কাঠামো এবং সামাজিক বাস্তবতার জটিল সমন্বয়ে জন্ম নেওয়া একটি গভীর কাঠামোগত সংকটকে সামনে নিয়ে আসে। একসময় তৈরি পোশাক শিল্পসহ অন্যান্য উৎপাদনশীল খাতে নারী শ্রমিকরাই ছিল প্রধান শক্তি। ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পরিচয়ের গর্বের পেছনে লাখ লাখ নারীর ঘাম, শ্রম এবং সংগ্রাম ছিল দৃশ্যমান। অথচ সেই নারীরাই আজ ধীরে ধীরে উৎপাদনশিল্প থেকে হারিয়ে যাচ্ছেন। র্যাপিড এবং এফইএস বাংলাদেশের যৌথ গবেষণায় দেখা যায়, ২০১৩ সালে যেখানে উৎপাদনমুখী শিল্পে নারীকর্মীর…
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ বহু দশক ধরে বাংলাদেশের ভোগ্যপণ্যের বাজারের কেন্দ্রবিন্দু। দেশজুড়ে যেকোনো পণ্যের খুচরা দামের আগে পাইকারি ওঠানামা নির্ধারণ হয়ে যায় এখানকার আড়ত, ডিও ব্যবসায়ী এবং মিলারদের কার্যকলাপের ওপর। দীর্ঘসময় ধরে খাতুনগঞ্জের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছিল কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠী, যাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল ভোজ্যতেল থেকে শুরু করে চিনি—দৈনন্দিন জীবনের সবচেয়ে ব্যবহার্য পণ্যের বাজার। বিশেষ করে চিনির বাজারে এমন একটি অদৃশ্য শক্তি কাজ করত, যাকে সবাই ‘মিলার সিন্ডিকেট’ বলতে অভ্যস্ত। দাম বাড়লে যে কারণ দেখানো হতো—বিশ্ববাজার, ডলারের মূল্য, যাতায়াত ব্যয় বা উৎপাদন ঘাটতি—তার আড়ালে এই সিন্ডিকেটের একচ্ছত্র ক্ষমতা সাধারণ মানুষের পকেট থেকে বাড়তি টাকা বের করে আনত। কিন্তু ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর…
তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ও জটিলতা চলছে, তা কেবল একজন রাজনীতিকের ফেরার ব্যক্তিজীবন বা পারিবারিক সংকটের প্রশ্ন নয়; এটি সমগ্র রাজনৈতিক ব্যবস্থার, কূটনৈতিক সম্পর্কের এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির গতিবিধির একটি জটিল কাঁটাযুক্ত চিত্রও বটে। তারেকের মায়ের অসুস্থতা যখন ব্যক্তিগত করুণ এক উপলক্ষ হিসেবে সামনে আসে, ঠিক তখনই ঘোষণা ও প্রতিক্রিয়ার আদলে প্রকাশ পায় যে দেশে ফেরা শুধু ব্যক্তিগত ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে না—বরং অনেকগুলো অদৃশ্য শর্ত, রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং আন্তর্জাতিক কৌশল এই সিদ্ধান্তকে আবদ্ধ করে রেখেছে। এই বিবেচনাগুলোকে একত্র করলে বোঝা যায় যে তারেকের দেশে প্রত্যাবর্তনের প্রশ্নটি এখন একধরনের সমবায়গত সিদ্ধান্ত, যেখানে রাজনৈতিক দল, পররাষ্ট্রনীতির সংবেদনশীলতা, নিরাপত্তা-উপায় ও…
বাংলাদেশে নতুন একটি সক্রিয় ফাটলরেখা শনাক্ত হওয়ার খবর শুধু বৈজ্ঞানিক তথ্য নয়—এটি বাংলাদেশের ভূগর্ভ, ভূতত্ত্ব, জননিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ দুর্যোগপ্রবণতার একটি গভীর ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। আন্তর্জাতিক গবেষকদের সহযোগিতায় পরিচালিত আক্তারুল আহসানের গবেষণা দেখিয়েছে যে জামালপুর ও ময়মনসিংহ হয়ে ভারতের কলকাতা পর্যন্ত বিস্তৃত প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নতুন ফাটলরেখা শুধু ভূতাত্ত্বিক আবিষ্কারই নয়, বরং এটি আমাদের ভূমিকম্প–ঝুঁকির মানচিত্রকে নতুন করে লেখা শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ডাউকি ফাটলরেখা ও ইন্দোবার্মা মেগাথ্রাস্টকে বড় ঝুঁকির উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হতো, কিন্তু নতুন ফাটলরেখা যুক্ত হওয়ায় গোটা উত্তর-উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এক নতুন আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। এই ফাটলরেখার একটি অংশ ভূমিকম্পপ্রবণ, যা সর্বোচ্চ ৬ মাত্রার…
বাংলাদেশে যৌন হয়রানি নিয়ে জনমত, আলোচনার ভাষা এবং নীতিনির্ধারণী চিন্তাধারা আজও এমন এক কাঠামোর মধ্যে আটকে আছে, যেখানে যৌন নিপীড়নের ভুক্তভোগী হিসেবে শুধু মেয়েশিশু বা নারীর কথাই ওঠে। এই সামাজিক ধারণা এতটাই গভীরভাবে প্রোথিত যে বহু পরিবার, শিক্ষক, এমনকি আইন প্রয়োগকারীরাও অনুধাবন করতে পারেন না—ছেলেশিশুরাও একইভাবে, কখনো আরও নির্মমভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। ঘটনাগুলো প্রকাশ না পাওয়ার পেছনে আছে ভয়, লজ্জা, সামাজিক ট্যাবু এবং ভুল ধারণা। ফলে ছেলেদের প্রতি যৌন নিপীড়নের ইতিহাস যেন নীরব অন্ধকারে ঢাকা পড়ে থাকে; আর এই অন্ধকারের সুযোগেই অপরাধীরা বছরের পর বছর ধরে ছেলেশিশুদের ওপর বিধ্বংসী নিপীড়ন চালিয়ে যেতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের এক অধ্যাপককে…
ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানির সংকটকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে যে পরিবর্তিত আঞ্চলিক বাণিজ্যচিত্র গড়ে উঠেছে, তা শুধু দুই দেশের সম্পর্ক নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক বাস্তবতাকেও নতুনভাবে সামনে এনেছে। একসময় যে বাংলাদেশ ছিল ভারতীয় পেঁয়াজ রপ্তানিকারকদের সবচেয়ে বড়, স্থায়ী এবং লাভজনক বাজার—সেই বাংলাদেশই এখন ধীরে ধীরে ভারতের জন্য ‘হারানো সুযোগ’-এর প্রতীক হয়ে উঠছে। ভারতীয় পেঁয়াজ বাণিজ্য এক সময় যতটা নির্ভরশীল ছিল বাংলাদেশের ওপর, এখন পরিস্থিতি ততটাই উল্টো হয়ে গেছে। দেশটি একদিকে যেমন নিজস্ব উৎপাদন বাড়িয়েছে, অন্যদিকে তেমনই ভারতের বিকল্প হিসেবে পাকিস্তান, চীন কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের নতুন বাজারগুলো থেকে পেঁয়াজ আমদানি করার পথ বেছে নিয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি শুধু দুই দেশের বাণিজ্যনীতির ওঠানামাই বোঝায়…