…
এডিটর পিক
২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সকাল। দেশের মানুষ তখন প্রতিদিনের মতোই অফিস, আদালত, বাজার কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের…
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান যুদ্ধ: কেন ঝুঁকিতে ভারতের ৫০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স
মার্চ ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যেভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ
মার্চ ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান যুদ্ধ: কেন ঝুঁকিতে ভারতের ৫০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স
মার্চ ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যেভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ
মার্চ ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ইরান যুদ্ধে পাশে নেই মিত্ররা, ট্রাম্প একা
- ভারতের আরএসএস ও র’য়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা চায় মার্কিন কমিশন
- বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থার উত্থানের দলিল
- যুদ্ধের ড্রাইভিং সিটে ইরান
- হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
- ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্প নেতানিয়াহুর ঐতিহাসিক ভুল
- রাজউকে দুর্নীতির সাম্রাজ্য: সাত বছরে শতকোটির মালিক
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশে ফ্যামিলি কার্ড আদৌ সম্ভব কি না—এই প্রশ্নটা আবেগের না, একেবারেই অর্থনীতি, প্রশাসনিক সক্ষমতা আর রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রশ্ন। সংক্ষেপে বললে, তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব, কিন্তু শর্তসাপেক্ষে। অর্থনীতি আছে কি না—এই প্রশ্নের উত্তরও হ্যাঁ, তবে সেটি টেকসই হবে কি না, সেটা নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ধরন ও কাঠামোর ওপর। প্রথমে অর্থনীতির কথাই বলা যাক। বাংলাদেশে বর্তমানে জিডিপির আকার ৪৫০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। সামাজিক সুরক্ষা খাতে সরকার ইতোমধ্যেই বছরে জিডিপির প্রায় ২–২.৫ শতাংশ ব্যয় করে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, ভিজিডি, ভিজিএফ, টিসিবির পণ্য বিতরণ—এসব মিলিয়ে একটি বড় অঙ্কের টাকা ইতোমধ্যেই খরচ হচ্ছে, কিন্তু সমস্যাটি হলো এই খরচ খণ্ডিত, অসংহত এবং অদক্ষ। একই পরিবার কখনো তিনটি…
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালগুলো আবার কথা বলছে। রঙিন গ্রাফিতিতে লেখা ক্ষোভ, ব্যঙ্গ আর কবিতার মতো বাক্যগুলো যেন ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি টেনে আনে—যে আন্দোলন টানা পনেরো বছর ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল। একসময়ের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী, যাকে বহু মানুষ স্বাধীনতার চেতনার ধারক মনে করতেন, শেষ দিকে এসে তিনি ক্রমেই কর্তৃত্ববাদী হয়ে উঠেছিলেন—এমন অভিযোগ ছিল প্রবল। ক্ষমতা ছাড়ার পর তিনি আশ্রয় নেন ভারতে, আর সেই সিদ্ধান্তই আজ বাংলাদেশের রাজনীতি ও জনমনে গভীর ক্ষতের জন্ম দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে দল বেঁধে বসে থাকা তরুণদের চোখে-মুখে এখন প্রশ্ন আর তর্ক। কেউ বলছে নির্বাচন নিয়ে, কেউ বলছে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে। মাঠের এক পাশে দুলছে লাল…
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যখন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে, তখন বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল এক ধরনের অনিশ্চিত মোড়ে দাঁড়িয়ে। আগের সরকারের পতনের সঙ্গে সঙ্গে যে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, তার প্রত্যক্ষ অভিঘাত পড়েছিল অর্থনীতির প্রায় সব সূচকে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের লাগামছাড়া দাম, ডলারের তীব্র সংকট, বৈদেশিক ঋণের চাপ, ব্যাংকখাতের নাজুক অবস্থা এবং দীর্ঘদিনের অর্থপাচারের ক্ষত—সব মিলিয়ে অর্থনীতির সামনে তখন বড় প্রশ্ন ছিল, এটি আদৌ ভেঙে পড়বে কি না। সেই বাস্তবতায় অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের পথচলা শেষে আজ মূল্যায়নের প্রশ্ন উঠছে—অর্থনীতি কতটা পাল্টেছে, আর কতটাই বা একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। ক্ষমতা গ্রহণের সময় সরকারের প্রথম ও প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল মূল্যস্ফীতি সামাল দেওয়া।…
ঢাকার নিকুঞ্জ এলাকায় অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলাদেশ টাইমসের কার্যালয়ে শনিবার রাতে সেনাসদস্যদের উপস্থিতি এবং সেখান থেকে সাংবাদিকদের ক্যাম্পে নেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোচনা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে সশস্ত্র সেনাসদস্যদের একটি দলকে সংবাদকক্ষের ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়, যা সাংবাদিক সমাজ ও নাগরিক পরিসরে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশ টাইমস কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই রাতে সেনাসদস্যরা অফিসে প্রবেশ করে কর্মরত সাংবাদিকদের দ্রুত প্রস্তুত হতে বলেন এবং মোট ২১ জন সাংবাদিককে গাড়িতে করে উত্তরা সেনা ক্যাম্পে নিয়ে যান। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, একটি সংবাদমাধ্যমের অফিসে এভাবে সশস্ত্র বাহিনীর উপস্থিতি এবং সাংবাদিকদের তুলে নিয়ে যাওয়া স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থি এবং দেশে আগে এমন…
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সবচেয়ে বিস্ময়কর এবং অনেকটাই অপ্রত্যাশিত যে রাজনৈতিক পরিবর্তনটি ঘটেছে, তা হলো গত দেড় বছরে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি জনসমর্থনের দ্রুত বৃদ্ধি। এই উত্থান এতটাই নাটকীয় যে সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে যদিও ফেব্রুয়ারি ১২–এর নির্বাচনে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে দেখা যাচ্ছে, তবুও কিছু বিশ্লেষকের মতে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটও শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হতে পারে। এই পরিবর্তনের ব্যাপকতা খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগের শেষ কয়েক বছরে জামায়াত এতটাই প্রান্তিক ও দমনমূলক অবস্থার মধ্যে ছিল যে দলটি কার্যত একটি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে স্বাভাবিকভাবে কাজই করতে পারেনি। তাদের বহু শীর্ষ নেতা কারাবন্দি ছিলেন এবং দলটি প্রায় গোপন অবস্থায় কার্যক্রম…
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কর্মজীবী নারীদের নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে তার প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন একাধিক নারী নেত্রী। রোববার নির্বাচন ভবনে গিয়ে তারা সরাসরি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের আপত্তির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন। এই আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সম্প্রতি ডা. শফিকুর রহমানের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত একটি মন্তব্যে কর্মজীবী নারীদের নিয়ে এমন ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে যা অবমাননাকর,…
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসে ততই রাজনৈতিক কথাবার্তায় একটি শব্দ ঘুরেফিরে সামনে আসে—ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং। রাজনৈতিক দলের নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন যে কোনো না কোনো পক্ষ আগেভাগেই নির্বাচনের ফল নিজেদের পক্ষে সাজিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এই শব্দটি এখন এতটাই পরিচিত যে সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্রেও এটি জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের বড় একটি অংশ এখনও স্পষ্টভাবে জানে না ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে ঠিক কী বোঝানো হয় এবং বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এই অভিযোগের শিকড় কোথায়। রাজনীতি ও নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং মূলত একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে নির্বাচনের নিয়মকানুন ভোটগ্রহণের পরিবেশ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং ক্ষমতার কাঠামোকে এমনভাবে প্রভাবিত…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতীকী সিদ্ধান্ত বরাবরই বাস্তবতার চেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দেয়। খুলনা–১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যখন একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রার্থী হিসেবে কৃষ্ণ নন্দীকে মনোনয়ন দেয়, তখন সেটিও ঠিক তেমনই একটি প্রতীকী ঘটনা হয়ে ওঠে। ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন প্রার্থী দাঁড় করানো নিঃসন্দেহে চমকপ্রদ। কিন্তু এই চমকের আড়ালে যে প্রশ্নটি ক্রমশ বড় হয়ে উঠছে, তা হলো—এই সিদ্ধান্ত কি জামায়াতের দীর্ঘদিনের আদর্শিক অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়? বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিকভাবে আত্মপরিচয় নির্মাণ করেছে ইসলামকে রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। দলটির ঘোষণাপত্র, রাজনৈতিক ভাষ্য এবং অতীত কর্মকাণ্ডে বারবার উঠে এসেছে শরিয়াভিত্তিক…
জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে দেখিয়েছেন—এপেরাও কল্পনা ব্যবহার করতে পারে এবং ‘ভান করে খেলা’ বা প্রিটেন্ড প্লে খেলতে সক্ষম, যা এতদিন কেবল মানুষের একচেটিয়া সক্ষমতা বলেই মনে করা হতো। চা-পার্টির মতো সাজানো একাধিক পরীক্ষায় একটি বনোবো ধারাবাহিক ও দৃঢ়ভাবে কাল্পনিক জুস ভর্তি কাপ আর ভান করা আঙুরের অবস্থান অনুসরণ করেছে। এই ফলাফল প্রাণীর বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা নিয়ে দীর্ঘদিনের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। গবেষণাটি ইঙ্গিত দেয়, ‘ভান করা বস্তু’ বোঝার ক্ষমতা অন্তত একটি মানব-সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা এপের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্ভাবনার মধ্যেই রয়েছে। আরও গভীরে গেলে দেখা যায়, এই সক্ষমতার শিকড় হয়তো আজ থেকে ৬ থেকে ৯ মিলিয়ন বছর আগে—মানুষ ও এপের…
ঢাকার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে যখন নির্বাচনী উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়—একটি রূপান্তরমুখী সাধারণ নির্বাচনের মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টা আগে—৯ ফেব্রুয়ারি একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হওয়ার খবর যেন স্বাভাবিক ঘটনাপ্রবাহকে ছাপিয়ে গেছে। এই সফর কোনো আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, কিংবা ভবিষ্যতের সম্ভাবনা নিয়ে কথাবার্তার সাধারণ পর্বও নয়। লক্ষ্য একেবারে নির্দিষ্ট ও তাৎপর্যপূর্ণ: এমন একটি বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করা, যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতিপথকে শুধু সাময়িকভাবে নয়, কাঠামোগতভাবেই পুনর্গঠন করতে পারে। দেশের ভেতরে এই সময় নির্ধারণ নিয়ে বিতর্ক তীব্র। সমালোচকদের একটি অংশ একে অন্তর্বর্তী সরকারের সুপরিকল্পিত কৌশল হিসেবে দেখছেন—নির্বাচনের প্রাক্কালে আন্তর্জাতিক বৈধতা ও পশ্চিমা সমর্থন নিশ্চিত করার প্রয়াস বলে ব্যাখ্যা…