…
এডিটর পিক
সাম্প্রতিক সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিরক্ষা চুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়কে ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে,…
Trending Posts
-
ভারতে বসে বাংলাদেশে ফেরার ছক কষছে পলাতক আওয়ামী লীগ
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রসুনের উদ্ভবের ইতিহাস: যেভাবে এলো আমাদের রান্নাঘরে
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
ভারতে বসে বাংলাদেশে ফেরার ছক কষছে পলাতক আওয়ামী লীগ
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
রসুনের উদ্ভবের ইতিহাস: যেভাবে এলো আমাদের রান্নাঘরে
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- শেষ সময়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি ইউনূসের আমেরিকার দাসত্বের প্রমাণ নাকি ভিন্নকিছু
- ধর্মীয় আইনের উৎস, বিবর্তন এবং আধুনিক প্রভাব
- ভারতে বসে বাংলাদেশে ফেরার ছক কষছে পলাতক আওয়ামী লীগ
- ২০২৬ সালে আত্মধ্বংসের পথে হাঁটবে আমেরিকা
- নির্বাচনী প্রচারণায় আক্রমণের নতুন হাতিয়ার এআই দিয়ে বানানো ভিডিও, কী করছে ইসি?
- এপস্টেইন ফাইলে শেখ হাসিনার নাম
- ট্রাম্পকে খুশি করতে ইসরায়েলে নেচেছিলেন মোদি
- কর্মজীবী নারীদের নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে যা বললেন তারেক রহমান
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক বরাবরই দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি ও কূটনীতির একটি সংবেদনশীল অধ্যায়। ভৌগোলিক নৈকট্য, অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং নিরাপত্তা বাস্তবতার কারণে এই সম্পর্ক কখনো সহযোগিতার, কখনো সন্দেহ ও টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন, বিশেষ করে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ও আসন্ন জাতীয় নির্বাচন—এই সম্পর্ককে নতুন করে মূল্যায়নের সামনে দাঁড় করিয়েছে। ব্রাসেলসভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের (আইসিজি) সর্বশেষ বিশ্লেষণ বলছে, এই মুহূর্তটি দুই দেশের জন্য একই সঙ্গে ঝুঁকি ও সুযোগ—যেখানে ভুল সিদ্ধান্ত সম্পর্ককে আরও অবনতির দিকে ঠেলে দিতে পারে, আবার সঠিক পদক্ষেপ দীর্ঘদিনের অস্থিরতা কাটিয়ে স্থিতিশীলতার পথও খুলে দিতে পারে। আইসিজির পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, ভারত দীর্ঘদিন ধরে…
১৯৯৮ সালে যমুনা সেতুর উদ্বোধনের দিনটিকে বাংলাদেশের উন্নয়ন ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রাজধানীর সরাসরি যোগাযোগ, অর্থনৈতিক প্রবাহের গতি বৃদ্ধি এবং জাতীয় সংহতির প্রতীক হিসেবে সেতুটি তখন ছিল গর্বের বিষয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সেতুই যমুনা নদী ও নদীপাড়ের মানুষের জন্য এক গভীর ক্ষতের নাম হয়ে উঠেছে। উন্নয়নের যে কাঠামো যোগাযোগ সহজ করেছে, সেটিই ধীরে ধীরে নদীর স্বাভাবিক জীবনপ্রবাহ ভেঙে দিয়ে হাজারো মানুষকে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করেছে, বদলে দিয়েছে ভূগোল, জীবিকা ও সামাজিক সম্পর্কের মানচিত্র। টাঙ্গাইলের চরপলি গ্রামের হাটে দাঁড়ালে এখনও স্বাভাবিক জীবনের ছবি চোখে পড়ে। সপ্তাহে দুই দিন মানুষ আসে, কেনাবেচা হয়, শিশুদের…
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান ফারুক হাদি হত্যাকাণ্ডের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ধরনের অদৃশ্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রকাশ্য দিবালোকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় একজন রাজনৈতিক নেতাকে গুলি করে হত্যা করার ঘটনা শুধু একটি ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়, বরং এটি দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক সহিংসতার বাস্তব চিত্র নতুন করে সামনে এনেছে। এই ঘটনার পর সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ মহল পর্যন্ত সবাই বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। রাজনৈতিক নেতাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা যে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, তা হাদির হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়েই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। হাদি হত্যার পরপরই রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের মধ্যে এক ধরনের শঙ্কা কাজ করতে…
ঢাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়টা হঠাৎ করেই রক্তাক্ত ও আতঙ্কিত হয়ে ওঠে। পুরানা পল্টনের ব্যস্ত কালভার্ট রোডে জুমার নামাজের পর প্রকাশ্য দিবালোকে রিকশায় বসে থাকা এক রাজনৈতিক কর্মীকে মাথায় গুলি করে হত্যা—ঘটনাটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে ক্ষমতাসীন রাজনীতির প্রভাব, সীমান্তপথে পালিয়ে যাওয়ার নেটওয়ার্ক, অপরাধ জগতের দালালচক্র এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দীর্ঘ অনুসন্ধান। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার ঘটনাটি ধীরে ধীরে একটি জটিল রাজনৈতিক–অপরাধমূলক কাহিনিতে রূপ নেয়। শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি গণসংযোগ করছিলেন, এলাকায় এলাকায় পরিচিত মুখ হয়ে উঠছিলেন। ইনকিলাব মঞ্চের…
ওয়াশিংটনের দক্ষিণ এশিয়া নীতিতে এক নাটকীয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে এসে। দীর্ঘদিন ধরে যে যুক্তরাষ্ট্র ‘ভারত প্রথম’ নীতিকে সামনে রেখে এ অঞ্চলের কৌশল সাজিয়ে আসছিল, সেই ধারা হঠাৎ করেই বদলে যেতে শুরু করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গিতে এখন পাকিস্তান উঠে এসেছে নতুন গুরুত্ব নিয়ে। এই পরিবর্তন কেবল কূটনৈতিক সৌজন্য বা সাময়িক কৌশলগত সমন্বয় নয়; বরং এটি দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে একটি বড় পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যার প্রভাব আগামী কয়েক বছর ধরে টের পাওয়া যাবে। ২০২৫ সালের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের সম্পর্ক ছিল শীতল ও সন্দেহে ভরা। ওয়াশিংটনের চোখে ইসলামাবাদ তখনো ছিল এক অবিশ্বস্ত অংশীদার—তালেবানের সঙ্গে যোগাযোগ…
বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ নিয়ে সাম্প্রতিক যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, তা অর্থনীতির চলমান চাপের মধ্যে এক ধরনের স্বস্তির বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ কমেছে ১৪৫ কোটি ডলার। অর্থাৎ জুন শেষে যেখানে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ১১৩.৫৭ বিলিয়ন ডলার, সেখানে সেপ্টেম্বর শেষে তা নেমে এসেছে ১১২.১২ বিলিয়ন ডলারে। টাকার অঙ্কে এই পরিবর্তন খুব বড় মনে না হলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঋণের ক্রমবর্ধমান প্রবণতার প্রেক্ষাপটে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২৩ ডিসেম্বর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই হ্রাস ঘটেছে সরকারি ও বেসরকারি—উভয় খাতের বৈদেশিক ঋণ কমার ফলে। সেপ্টেম্বর শেষে…
আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সাম্প্রতিক মন্তব্য আবারও দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে সংবেদনশীল ভূরাজনৈতিক ও জনসংখ্যাগত বিতর্ককে সামনে নিয়ে এসেছে। একটি সরকারি অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি যে ভাষায় আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তা শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা উদ্বেগ, ভয় ও কৌশলগত হিসাব-নিকাশের প্রতিফলন হিসেবেও দেখা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আসামে যদি বাংলাদেশ থেকে যাওয়া মানুষের সংখ্যা আরও ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়, তাহলে রাজ্যটি ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে’। এই মন্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে—ভারতের ভেতরে যেমন, তেমনি বাংলাদেশেও। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দাবি করেছেন, তিনি গত পাঁচ বছর ধরেই এই বিষয়টি নিয়ে…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে টাকা বরাবরই একটি অস্বস্তিকর অথচ নির্ধারক বাস্তবতা। নির্বাচন এলেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে কালো টাকা, পেশিশক্তি, অঘোষিত ব্যয় আর ক্ষমতায় যাওয়ার পর সেই খরচ উঠিয়ে নেওয়ার অদৃশ্য প্রতিযোগিতা। এই দীর্ঘদিনের চর্চার ভেতর হঠাৎ করে এক ভিন্ন দৃশ্য সামনে এসেছে, যা অনেকের চোখে আশার আলো, আবার কারও কাছে কৌতূহল ও সন্দেহের নতুন বিষয়। ঢাকা–৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারার আহ্বানে সাধারণ মানুষের ছোট ছোট অনুদানে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লাখ টাকার বেশি অর্থ জমা পড়ার ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক ব্যতিক্রমী মুহূর্ত তৈরি করেছে। ফেসবুকে দেওয়া একটি ভিডিও ও পরবর্তী…
ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক এই শেষ কয়েক মাসে যেমন খাদের কিনারায় পৌঁছেছে, তাতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাঞ্চল্য, রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সামাজিক বিবাদ একসাথে মোড় নিয়েছে। শুধুমাত্র সাম্প্রতিক নয়াদিল্লির বিক্ষোভ বা হাইল কমিশনের সামনে হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলোর কর্মসূচিই নয়—সম্পর্কের এই জটিল অবনতি দীর্ঘদিন ধরে গঠিত রাজনৈতিক, নিরাপত্তা, ঐতিহাসিক ও লোকস্বভাবের ফসল। এই অবনতি কেবল ঢাকা-দিল্লির রাজনীতিক দ্বন্দ্ব নয়, বরং দুই দেশের জনমত, মতাদর্শিক বিভাজন ও অভ্যন্তরীণ সংকটও আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিফলিত হচ্ছে। সবশেষ পরিস্থিতি আরও একটি উদ্বেগের পরতে জড়িয়েছে যখন নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) ও বজরং দলসহ বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিক্ষোভ করে। তারা বাংলাদেশের মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন ও…
বিজয় দিবসের মাত্র দু’দিন পর ঢাকার রাত ভেঙে যে দৃশ্য সামনে আসে, তা বাংলাদেশের গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক পরিসরের জন্য এক ভয়ংকর সতর্কবার্তা হয়ে ওঠে। প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার এবং ছায়ানটের মতো শীর্ষ ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানে একের পর এক মব হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ শুধু তাৎক্ষণিক সহিংসতার ঘটনা নয়—বরং এর ভেতর দিয়ে রাজনীতি, আদর্শিক সংঘাত, রাষ্ট্রীয় দুর্বলতা এবং দীর্ঘদিনের জমে থাকা ভারতবিরোধী মনোভাবের জটিল সমন্বয় প্রকাশ পেয়েছে। হামলাকারীদের স্লোগান, বক্তব্য ও টার্গেট বাছাই দেখলে স্পষ্ট হয়, এটি নিছক ক্ষোভের বিস্ফোরণ নয়; বরং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বয়ানকে সামনে রেখে পরিকল্পিতভাবে ভয় ও দমন তৈরি করার প্রচেষ্টা। এই সহিংসতার কেন্দ্রে রয়েছে ইনকিলাব…