…
এডিটর পিক
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বহুদিন ধরেই এক কঠিন বাস্তবতার প্রতীক—যেখানে ভূগোলের চেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়েছে মৃত্যু, আতঙ্ক…
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান যুদ্ধ: কেন ঝুঁকিতে ভারতের ৫০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স
মার্চ ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যেভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ
মার্চ ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ইরান যুদ্ধ: কেন ঝুঁকিতে ভারতের ৫০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স
মার্চ ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যেভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ
মার্চ ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- সীমান্ত কূটনীতিতে বিএনপির অভূতপূর্ব সাফল্য: প্রথম মাসে হত্যা শূন্য
- শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধে হাত ছিল ইসরায়েলের: চাঞ্চল্যকর নথি ফাঁস
- যে পাঁচটি বিষয় বলে দেবে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ভবিষ্যৎ
- ইরান যুদ্ধে পাশে নেই মিত্ররা, ট্রাম্প একা
- ভারতের আরএসএস ও র’য়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা চায় মার্কিন কমিশন
- বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থার উত্থানের দলিল
- যুদ্ধের ড্রাইভিং সিটে ইরান
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর মোহনায় দাঁড়িয়ে থাকা বিশাল ক্রেন, সারি সারি কনটেইনার আর পণ্যভরা জাহাজ বাংলাদেশের অর্থনীতির ধুকপুক হৃদয়ের প্রতীক। এই বন্দর দিয়েই দেশের আমদানি–রপ্তানির বড় অংশ সম্পন্ন হয়, লাখ লাখ মানুষের জীবিকা জড়িয়ে আছে এর সঙ্গে। ঠিক এই জায়গাটিই এখন নতুন এক বিতর্কের কেন্দ্রে—চট্টগ্রামের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল এবং ঢাকার কাছে পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনালের দায়িত্ব দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে দেশজুড়ে প্রশ্ন, উদ্বেগ আর মতবিরোধ তীব্র আকার নিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে থাকা বাংলাদেশ এমন এক সময় এই চুক্তি করেছে, যখন তাদের ম্যান্ডেটের ব্যাপ্তি ও সীমারেখা নিয়েই জনমনে আলোচনা চলছে। অন্তর্বর্তী সরকার দীর্ঘ সময়ের জন্য থাকবে না—এ ধারণা…
রাজধানী ঢাকায় গত ১০ মাসে ১৯৮টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা—সংখ্যাটি একদিকে আতঙ্ক তৈরি করে, অন্যদিকে তুলে ধরে নগরজীবনের নিরাপত্তা বাস্তবতার কঠিন চিত্র। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, মাসিক হিসাব করলে গড়ে ২০টির মতো হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে শহরজুড়ে। ঘটনা তদন্ত ও অপরাধ উদঘাটনের বিষয়ে পুলিশের দাবি আশাব্যঞ্জক হলেও এই পরিসংখ্যান দেখায়, নগরের নিত্যযাপনে অস্থিরতা নতুন নয়; বরং তা আরও জটিল ও বহুস্তরীয় হয়ে উঠছে। ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, বেশির ভাগ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা গেলেও প্রতিটি হত্যার পেছনে যে সামাজিক, অর্থনৈতিক বা ব্যক্তিগত টানাপোড়েন কাজ করছে, তা রাজধানীর অপরাধ প্রবণতাকে আরও গভীরভাবে বোঝার দাবি রাখে। বিশেষত পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম…
ভারতের রাজনীতিতে সাম্প্রতিক এক প্রবণতা এমনভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, যা কেবল আইন ও প্রশাসনের প্রশ্ন নয়, বরং ক্ষমতা, ভয়, পরিচয় এবং রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগের নতুন এক কাঠামোকে সামনে এনেছে। প্রবণতাটির নাম—‘বুলডোজার রাজনীতি’। একটি সাধারণ নির্মাণযন্ত্রকে রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে অভিযুক্ত ব্যক্তি, বিক্ষোভকারী কিংবা সরকারের সমালোচকদের বাড়িঘর ভাঙা এখন অনেক রাজ্যে এক ভয়ংকর বাস্তবতা। বিষয়টি নিছক আইন প্রয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি বিচারবহির্ভূত শাস্তি দেওয়ার এক ধরনের প্রকাশ্য প্রদর্শনীতে পরিণত হয়েছে। বিশেষত আদালতের রায়, তদন্ত বা প্রমাণ হাজিরের আগেই এমন ধ্বংসযজ্ঞ চালানো প্রশাসনের নিজস্ব শক্তিমত্তার এক নির্মম বার্তা বহন করে। আইন, মানবাধিকার এবং সাম্প্রদায়িক সম্পর্কের ওপর এর প্রভাব এতটাই গভীর যে…
প্রাচীনকাল থেকে মানবসমাজে এক অদ্ভুত কিন্তু ধারাবাহিক সত্য দেখা যায়—পুরুষেরা সাধারণত নারীদের তুলনায় কম দিন বাঁচেন। গ্রিক যোদ্ধাদের যুদ্ধক্ষেত্রে অকালমৃত্যু হোক, কিংবা ভিক্টোরিয়ান যুগের সমাধিফলকে বিধবাদের দীর্ঘ জীবন—প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একই চিত্র পুনরাবৃত্ত হয়েছে। অনেকেই এত দিন ধরে ভেবেছেন, এটা বুঝি শুধু সামাজিক-ঐতিহাসিক বাস্তবতা, যুদ্ধ, ঝুঁকিপূর্ণ কাজ, দুর্ঘটনা কিংবা পুরুষদের বেপরোয়া জীবনযাপনের ফল। কিন্তু নতুন এক বিস্তৃত বৈজ্ঞানিক গবেষণা জানাচ্ছে, এই বৈষম্যের শেকড় আসলে আরও গভীরে, আমাদের দেহের ভেতর, জিনের গঠন ও বিবর্তনের ইতিহাসে প্রোথিত হয়ে আছে। জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর ইভোলিউশনারি অ্যানথ্রোপলজির গবেষকেরা এক বিরল পরিসরের কাজ করেছেন। তাঁরা ১১০০–রও বেশি স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং পাখির প্রজাতি বিশ্লেষণ…
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন এক সংকটক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় শুধু দেশেই নয়, আঞ্চলিক কূটনীতিতেও তীব্র আলোড়ন তুলেছে। রায় ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া জানালেও তাদের বিবৃতিতে ট্রাইব্যুনালের নামকে উদ্ধৃতি চিহ্নে উল্লেখ করা—এক গভীর তাৎপর্যের ইঙ্গিত বহন করে। এতে স্পষ্ট যে ভারত পুরো প্রক্রিয়াটিকে নির্দ্বিধায় স্বীকৃতি দিতে কিংবা বৈধতা দিতে প্রস্তুত নয়। দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পালাবদলের পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই দিল্লি তাকে “সাময়িকভাবে” আশ্রয় দিচ্ছে বলে দাবি করলেও, তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পরও ভারত এ অবস্থান বদলানোর কোনো লক্ষণ দেখায়নি। ২০২৪ সালের…
২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আকস্মিকভাবে দিল্লিতে আশ্রয় নেন। তাঁর হঠাৎ প্রস্থানের পর থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় মিডিয়ার রিপোর্ট ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলোর বিবরণে দেখা যায়, হাসিনাকে “রাষ্ট্রপ্রধানের মতো” নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তাঁর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেছেন, তাঁর মা ভারতে নিরাপদ এবং স্বাধীনভাবে থাকতে পারছেন। অন্যদিকে, হাসিনাও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করেছেন যে তিনি দিল্লিতে স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করছেন। এর মধ্যেই বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি রায়ের আগে জয় সতর্ক করে বলেছেন, যদি আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা…
২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে শুরু হওয়া ছাত্র-ছাত্রীর নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভ, যা দ্রুত ছোট আন্দোলন থেকে পরিণত হয় একটি বৃহৎ গনতান্ত্রিক সাবলীল চ্যালেঞ্জে, সেই আন্দোলন দমাতে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও গোপন আয়োজনগুলোর মাধ্যমে উদ্ধার হয়েছে এক ভয়ানক রূপ। এই সময়ের ঘটনাবলীর তদন্ত শেষে দেশটির International Crimes Tribunal‑1 (ICT-1) ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে রায় ঘোষণা করেছে — সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার রায় দেওয়া হয়েছে। রায় হাইলাইট করেছে, তিনি শুধু সহিংস প্লান ও দমননীতির দাবি পাওয়া রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের অনুমোদকই নন, বরং তার নেতৃত্বাধীন ব্যবস্থাপনাই ছিল ওই মৃত্যুমিছিলের মূল ধাঁচ। বিচারপ্রক্রিয়া, প্রেক্ষাপট, আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক আকস্মিকতা — এই চারখানা দিকে আলোকপাত…
বাংলাদেশের সরকারি বকেয়া ঋণ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২১ ট্রিলিয়ন টাকা অতিক্রম করেছে। দীর্ঘদিনের দুর্বল রাজস্ব সংগ্রহ এবং উচ্চ ব্যয়ের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো এই ঋণ বৃদ্ধিকে দ্রুততর করেছে। অর্থ বিভাগের নতুন ঋণ বুলেটিন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন শেষে মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১.৪৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা এক বছর আগের ১৮.৮৯ ট্রিলিয়ন টাকার তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি। বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯.৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের ৪৪ শতাংশেরও বেশি। গত পাঁচ বছরে বিদেশি ঋণ দ্রুত বেড়েছে—২০২১ সালে যার পরিমাণ ছিল মাত্র ৪.২০ ট্রিলিয়ন টাকা। দেশীয় ঋণও একই সময়ে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১১.৯৫ ট্রিলিয়ন টাকা, যা আগের বছরের ১০.৭৬ ট্রিলিয়ন টাকার…
ম্যানচেস্টারের কুখ্যাত ধর্ষক রেইনহার্ড সিনাগাকে ইন্দোনেশিয়ায় ফেরতের বিনিময়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্রিটিশ নারী লিন্ডসে স্যান্ডিফোর্ডকে মুক্তি দেওয়ার প্রস্তাব—এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নৈতিকতা, আইন, কূটনীতি ও মানবাধিকারের জটিল সম্পর্ককে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। অনলাইন ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কীভাবে এক দেশের ভয়ঙ্কর অপরাধীকে আরেক দেশের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নাগরিকের বিনিময়ে ফেরত দেওয়ার অদ্ভুত প্রস্তাব ব্রিটিশ কূটনীতিতে অবিশ্বাস, অনিশ্চয়তা ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। পুরো ঘটনার কেন্দ্রে রয়েছে দুই ভিন্ন পটভূমির দুই ভিন্ন ধরনের অপরাধী—একজন অমানবিক যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত, আরেকজন আন্তর্জাতিক মাদক পাচারের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। লিন্ডসে স্যান্ডিফোর্ডের বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের অবস্থান ছিল পরিষ্কার—যে কোনো মুক্তি নিঃশর্ত হতে হবে। কারণ ব্রিটেন কোনোভাবেই এমন বন্দি বিনিময় চুক্তি মেনে…
প্রথম প্রেসিডেন্ট মেয়াদের শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চোখে পাকিস্তান ছিল এক ধরনের ‘প্রতারক মিত্র’। ২০১৮ সালের সেই বহুল আলোচিত পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র গত ১৫ বছরে “বোকার মতো” পাকিস্তানকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা দিয়েছে, আর বিনিময়ে পেয়েছে “মিথ্যা আর প্রতারণা”। সেই ট্রাম্পই আজ পাকিস্তানের নেতাদের হোয়াইট হাউসে ডেকে নিচ্ছেন, তাদের উপহার করা চকচকে কাঠের বাক্সে রাখা খনিজের নমুনা গ্রহণ করছেন, আর ওয়াশিংটনে বসেই ইসলামাবাদের সঙ্গে বড় বড় চুক্তি করছেন। এত নাটকীয় এই ‘উল্টে যাওয়া’ আসলে শুধু কূটনীতির হিসাব নয়; এর ভেতরে জড়িয়ে আছে ট্রাম্প পরিবারের ব্যবসায়িক স্বার্থ, ক্রিপ্টোকারেন্সি, বিরল খনিজ আর দক্ষিণ এশিয়ার অত্যন্ত স্পর্শকাতর নিরাপত্তা রাজনীতি। পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন…