…
এডিটর পিক
বাংলাদেশে তীব্র গরম এখন আর নিছক ঋতুগত অস্বস্তি নয়; এটি ধীরে ধীরে একটি অর্থনৈতিক, জনস্বাস্থ্য…
Trending Posts
-
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
- How Bangladesh’s Rakhine Are Losing Their Homeland
- মেগিড্ডো: ইতিহাসের প্রথম নথিবদ্ধ যুদ্ধ
- বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাস নেতিবাচক: অর্থনীতি কি নতুন ঝুঁকির দিকে?
- নিষেধাজ্ঞা নিয়েও যেভাবে টিকে থাকতে চায় আওয়ামী লীগ
- তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
- সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ: কেন? এর অর্থ কী?
- শেখ হাসিনাকে ঘিরে রাজনীতি, প্রত্যর্পণ নিয়ে ভেবে দেখছে দিল্লী
- বাংলাদেশের মানুষের পাঁচটি ঐতিহাসিক ভুল ধারণা
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশে হঠাৎ করে শিশুদের মধ্যে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়া এক গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এই রোগের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, অভিভাবক এবং নীতিনির্ধারকদের মধ্যে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যে রোগকে একসময় নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছিল, সেটিই আবার নতুন করে ফিরে এসে শিশুদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। বিশেষভাবে উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক শিশু টিকাদান কর্মসূচির আওতায় টিকা গ্রহণ করার পরও হামে আক্রান্ত হচ্ছে, যা পুরো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা একজন আক্রান্ত শিশুর কাছ থেকে খুব দ্রুত অন্য শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে…
সরকার গঠনের অল্প সময়ের মধ্যেই প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা গেল জাতীয় সংসদের সাম্প্রতিক বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকটি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সরকারের কার্যক্রম মূল্যায়ন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উঠে এসেছে। বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্যের সূত্রে জানা যায়, সরকারের বিভিন্ন খাতে দায়িত্ব পালনকারী অন্তত ছয়জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর কাছে সরাসরি তাদের কাজের অগ্রগতি, সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, নতুন সরকার শুরু থেকেই প্রশাসনের ভেতরে একটি জবাবদিহিমূলক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বৈঠকের…
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যখন যুদ্ধের কালো মেঘ ঘন হয়ে উঠছে, তখন সেই অস্থিরতার ভেতর থেকে ভেসে আসছে এক অস্বস্তিকর সতর্কবার্তা—ইসরায়েলের সামরিক শক্তি, যাকে এতদিন প্রায় অপ্রতিরোধ্য বলে মনে করা হতো, সেটিই নাকি এখন ভেতর থেকে ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে। এই সতর্কতা এসেছে দেশেরই সেনাপ্রধানের মুখ থেকে, যা শুধু একটি সামরিক মন্তব্য নয়, বরং একটি গভীর সংকটের ইঙ্গিত। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের আক্রমণ যতটা ভয়ংকর, তার চেয়েও ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা—এই বাস্তবতা যেন নতুন করে সামনে এসেছে। ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিশালী সামরিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত। প্রযুক্তি, গোয়েন্দা সক্ষমতা, প্রশিক্ষণ—সবকিছু মিলিয়ে তাদের সেনাবাহিনীকে বিশ্বের অন্যতম দক্ষ বাহিনী হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক…
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত যুদ্ধ পরিস্থিতি যখন বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে অস্থির করে তুলেছে, তখন তার সরাসরি প্রভাব এসে পড়েছে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ওঠানামা করছে, সরবরাহ চেইন অনিশ্চিত হয়ে উঠছে, আর সেই চাপ এসে পড়ছে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। রাজধানী থেকে শুরু করে জেলা শহর পর্যন্ত পেট্রোল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন, কোথাও কোথাও তেল বিক্রি বন্ধ, আবার কোথাও সীমিত সরবরাহ—সব মিলিয়ে যেন এক অদৃশ্য সংকটের অনুভূতি তৈরি হয়েছে। অথচ বাস্তবতা বলছে, সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি; বরং চাহিদার হঠাৎ অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ…
পৃথিবীর জন্ম যেন এক অগ্নিগর্ভ বিস্ফোরণের গল্প। আজ থেকে প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে ধুলো, গ্যাস, গ্রহাণুর টুকরো একত্র হয়ে তৈরি হয়েছিল এই গ্রহ, কিন্তু তার শুরুর চেহারা আজকের মতো শান্ত ছিল না—ছিল এক জ্বলন্ত গোলক, লাভার সাগর আর বিস্ফোরণের অবিরাম গর্জন। সেই অগ্নিময় পৃথিবীর প্রথম নিঃশ্বাসই ছিল কম্পনের ভাষা। যেন জন্মের মুহূর্তেই সে কেঁপে উঠেছিল, নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে। পৃথিবী তখনো স্থির হয়নি; বরং প্রতিটি মুহূর্তে ভাঙছিল, গড়ছিল, আবার ভেঙে পড়ছিল। সেই অস্থিরতার ভেতরেই জন্ম নিয়েছিল ভূমিকম্প, যা মানুষের আগমনের বহু আগেই পৃথিবীর এক স্বাভাবিক অভিব্যক্তি হয়ে উঠেছিল। পৃথিবী ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা হতে থাকলে তার ওপরের স্তর শক্ত হয়ে…
ব্যথা। চোখ-ধাঁধানো, জ্বালাপোড়া করা ব্যথা। ঠান্ডা বাথরুমের মেঝে। একটি ক্যাথেটার আমার বেগুনি হয়ে যাওয়া ক্ষতের ভেতর ঢুকে যাচ্ছে। আমি মেঝেতে পড়ে আছি, যে কোনো ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছি যেন এই যন্ত্রণার শেষ হয়। মৃত্যু আর শূন্যতা চাইছি। কিছুই হচ্ছে না। আমি যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছি। যখন ব্যথা খুব বেশি হয়, তখন ভাষা ভুলে যেতে হয়। কিন্তু তখনও শুধু একটা শব্দ মনে থাকে— “মা”। আমি চিৎকার করে বলি, “মা!” মা দৌড়ে আসে, অ্যাম্বুলেন্স ডাকে। নার্সরা এসে আমাকে মরফিন দেয়। যে কাজ ঈশ্বর করতে পারেনি, মরফিন তা করে—ব্যথা কমিয়ে দেয়, সব অন্ধকার হয়ে আসে। অজ্ঞান হওয়ার আগে আমি অদ্ভুতভাবে খুশি ছিলাম। এই অপারেশনের…
হুট করে রাত নেমে আসে। আলো থাকে না। শুধু অন্ধকার ছড়ায় ধীরে ধীরে। ইতিহাসও তেমন। একদিন যে নাম উচ্চারিত হয়েছিল প্রবল শক্তিতে, আরেকদিন সেই নাম নীরবতার ভিতরে ডুবে যায়। কথা কমে যায়। আলোচনার টেবিল ফাঁকা হয়। প্রশ্ন ভেসে থাকে। উত্তর আসে না। শেখ হাসিনা—এক সময় যার উপস্থিতি মানেই ছিল রাজনীতির কেন্দ্র। যার প্রতিটি সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হতো বিতর্ক, আলোচনা, উত্তাপ। তিনি ছিলেন প্রভাবের অন্য নাম। ক্ষমতার প্রতীক। দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার অবস্থান ছিল অপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু আজ যেন সেই অবস্থান ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে আলোচনার কেন্দ্র থেকে। যেন তিনি আছেন, আবার নেই। একটা সময় ছিল যখন দেশের প্রতিটি বড়…
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত থেকে ২৬ মার্চের ভোর—এই সময়টি বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গভীর সংকটের মুহূর্ত। সেই রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে একযোগে আক্রমণ চালায় এবং নিরস্ত্র মানুষের উপর নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই অভিযান পরিচালিত হয়, যার ফলে অসংখ্য মানুষ নিহত হন। এই ঘটনার মধ্য দিয়েই মূলত মুক্তিযুদ্ধের সূচনা ঘটে এবং পরদিন স্বাধীনতার ঘোষণা বাঙালির সংগ্রামকে একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেয়। এই সংকটময় সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে Bangladesh Jamaat-e-Islami-এর ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা ও বিতর্ক চলে আসছে। বিভিন্ন ইতিহাসগ্রন্থ, গবেষণাপত্র এবং সমসাময়িক বিবরণ থেকে যে…
বিশ্ব যত এগোচ্ছে, প্রযুক্তি যত মানুষের জীবনকে সহজ করছে, ঠিক ততই ইন্টারনেটের অন্ধকার দিকগুলো আরও ভয়ংকর হয়ে উঠছে—এমনই এক শিউরে ওঠার মতো বাস্তবতা সামনে এনেছে সাম্প্রতিক অনুসন্ধান। একবিংশ শতাব্দীর এই যুগে, যেখানে আমরা নিরাপত্তা, সচেতনতা এবং মানবাধিকারের কথা বলি, সেখানে পৃথিবীর নানা প্রান্তে গড়ে উঠেছে এমন এক বিকৃত অনলাইন নেটওয়ার্ক, যা নারীর প্রতি সহিংসতাকে শুধু উৎসাহিতই করছে না, বরং তা শেখানোর মতো পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এই ভয়াবহ বাস্তবতাকে অনেকেই বলছেন—একটি বৈশ্বিক ‘রেপ একাডেমি’। ঘটনার সূত্রপাত একক কোনো দেশ বা ব্যক্তি দিয়ে নয়, বরং একাধিক দেশের নানা বিচ্ছিন্ন ঘটনা একত্রিত হয়ে যে ভয়াবহ চিত্র তৈরি করেছে, তা মানবসভ্যতার জন্য গভীর উদ্বেগের…
ঈদ—বাংলাদেশের মানুষের জীবনে সবচেয়ে আনন্দের, সবচেয়ে আবেগের একটি সময়। এই সময়টায় শহর ছেড়ে গ্রামে ফেরা, পরিবারের সঙ্গে মিলিত হওয়া, প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের নামাজ, সেমাই-পোলাও, হাসি আর ভালোবাসায় ভরে ওঠে চারপাশ। কিন্তু সেই আনন্দমুখর যাত্রাপথই যখন মৃত্যুর মিছিলে পরিণত হয়, তখন ঈদের সুখ মুহূর্তেই বদলে যায় শোকের ভারে। এবারের ঈদযাত্রা যেন সেই নির্মম বাস্তবতারই এক ভয়াবহ প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিসংখ্যানই বলে দেয় পরিস্থিতির ভয়াবহতা কতটা গভীর। ঈদের আগে ও পরে সড়ক, রেল ও নৌপথ মিলিয়ে শত শত দুর্ঘটনা ঘটেছে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ৩৪২টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৭৪ জন। আহত হয়েছেন হাজারের বেশি মানুষ। এই সংখ্যাগুলো কেবল সংখ্যা…