…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সরকারি ঋণের পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের সাম্প্রতিক প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বর্তমান ঋণ…
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ট্রাম্পকে অগ্রাহ্য করে ইরানে নেতানিয়াহুর হামলা কী বার্তা দিল?
জুন ৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
জুন ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ট্রাম্পকে অগ্রাহ্য করে ইরানে নেতানিয়াহুর হামলা কী বার্তা দিল?
জুন ৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
জুন ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- দুবাইয়ে বেনজীর গ্রেপ্তার: আইনের শাসনের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
- শিশু ধর্ষণের অভিযোগ পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে: দেশ কোথায় যাচ্ছে?
- রাশিয়ায় মুসলিম আলেমদের গ্রেফতার: নিরাপত্তা অভিযান নাকি ইসলামবিদ্বেষ?
- ইসলামী ব্যাংককে সামলাতে কেন ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক?
- ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
- ৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
- বাঁধের ‘ব্যবসা’: ডুবছে হাওর, পানি নামার পথের বাধা
- ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে বালুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটাসহ অন্তত ১২টি শহরে একযোগে সংঘটিত সাম্প্রতিক হামলাগুলো। সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, এই হামলা ও পাল্টা অভিযানে দুই দিনে মোট ১০৮ জন ‘জঙ্গি’ নিহত হয়েছে। তবে নিহতের সংখ্যা, পরিচয় এবং প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে সরকারি দাবি ও স্বাধীন সূত্রের তথ্যের মধ্যে পার্থক্য থাকায় বিষয়টি ঘিরে প্রশ্নও বাড়ছে। বিশেষ করে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা এবং হামলার ব্যাপকতা নিয়ে স্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখনো প্রকাশ পায়নি। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কোয়েটা ছাড়াও মাসতুং, পাসনি, গোয়াদার, খারান, নুশকি, মাখসহ বালুচিস্তানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে হামলার চেষ্টা চালানো হয়। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু…
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন ইসলামি রাজনৈতিক দল ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ধর্মীয় অনুভূতিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। এই দলগুলোর নেতারা ভোটারদের মধ্যে প্রচার চালিয়ে বলছেন, তাদের দলে ভোট দেওয়া একটি ধর্মীয় কর্তব্য এবং তা পালন করলে পরকালে মুক্তি ও মৃত্যুর পর জান্নাতে প্রবেশ নিশ্চিত হবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের নেতারা নির্বাচনী জনসভায় ইসলামি শিক্ষার বিকৃতি ঘটিয়ে বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা তুলে ধরে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগও রয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধির এমন স্পষ্ট লঙ্ঘন সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) এখন পর্যন্ত ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের দায়ে কোনো…
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) জানিয়েছে, গত বছরের ডিসেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে গণপিটুনি বা মব সন্ত্রাসে নিহতের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। একই সময়ে বেড়েছে অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার, কারা হেফাজতে মৃত্যু, রাজনৈতিক ও নির্বাচনী সহিংসতা এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনাও। সংগঠনটির ভাষায়, জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশের সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও জটিল, সহিংস ও উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। শনিবার প্রকাশিত জানুয়ারি মাসের মানবাধিকার প্রতিবেদনে এমএসএফ বলেছে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ও নিজেদের অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এই চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে মব বা গণপিটুনির ২৮টি ঘটনা ঘটেছে, যাতে নিহত হয়েছেন ২১ জন। আগের মাস ডিসেম্বরে এ ধরনের ২৪টি ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ছিল…
বিশ্বব্যবস্থা এখন এক অদ্ভুত, অনিশ্চিত মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে—যেখানে পুরোনো নিয়মগুলো ভাঙছে, কিন্তু নতুন কোনো স্থায়ী কাঠামো এখনও স্পষ্ট হয়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে যে উদার বিশ্বব্যবস্থা তৈরি হয়েছিল, তার মূল উদ্দেশ্য ছিল আরেকটি বৈশ্বিক যুদ্ধ ঠেকানো। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই গড়ে ওঠে জাতিসংঘ, আইএমএফ এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংক—নিয়ম, প্রতিষ্ঠান আর সমঝোতার এক জাল। এই কাঠামো নিখুঁত ছিল না; ভিয়েতনাম থেকে মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত যুদ্ধ হয়েছে, সামরিক হস্তক্ষেপ হয়েছে, শক্তির রাজনীতিও চলেছে। তবু একটি বিশ্বযুদ্ধ আর হয়নি—এই একটি সত্যই বলে দেয়, ব্যবস্থাটি পুরোপুরি ব্যর্থও ছিল না। কোল্ড ওয়ার শেষ হওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন, ইতিহাস বুঝি চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছেছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর…
বাংলাদেশের এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদলের হিসাব নয়, বরং একটি প্রজন্মগত মোড় নেওয়ার ইঙ্গিতও বহন করছে। মোট ভোটারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ তরুণ—এই পরিসংখ্যানই বলে দেয়, তরুণদের সিদ্ধান্ত নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত এক দশকে যারা ভোটার হয়েছেন কিন্তু ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাননি, যারা একতরফা ও বিতর্কিত নির্বাচনের কারণে ভোটকেন্দ্রের পথেই হাঁটেননি, তাদের বড় একটি অংশ এবার প্রথমবারের মতো ব্যালট হাতে নেওয়ার অপেক্ষায়। এই প্রত্যাশা, সংশয় ও নতুন করে ভাবার জায়গাটিই তরুণ ভোটারদের মনস্তত্ত্বকে আলাদা করে তুলেছে। ঢাকার তুনাজ্জিনা জাহানের মতো অনেকেই মনে করেন, বয়স বাড়লেও ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা যেন এখনো অধরা। তিনি নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানকে…
ভূমধ্যসাগরের মাঝখানে অবস্থিত মাল্টা আজ জনপ্রিয় পর্যটন দ্বীপ হলেও, ভৌগোলিকভাবে এটি ইউরোপের অন্যতম বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। এর সবচেয়ে কাছের স্থলভাগ সিসিলি, যা প্রায় ৮৫ কিলোমিটার উত্তরে। আধুনিক যুগে ফেরি ও বিমানে সেখানে পৌঁছানো সহজ, কিন্তু হাজার হাজার বছর আগে মাল্টা ছিল প্রায় অধরা এক গন্তব্য। স্থলভাগ থেকে দ্বীপটি চোখে পড়ার মতো দূরত্বে নয়; সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে তাকালে দিগন্তের ওপারেই হারিয়ে যায়। কাঠের ডিঙি বা ক্যানোতে সেখানে যেতে হলে টানা ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় লাগত, যার মানে দিনের আলো ফুরিয়ে গেলে নাবিকদের ভরসা করতে হতো শুধু নক্ষত্রের ওপর। এই কারণেই দীর্ঘদিন ধরে ধারণা ছিল, প্রস্তর যুগের মানুষের পক্ষে মাল্টার মতো দ্বীপে পৌঁছানো প্রায়…
In political conversations across Dhaka, a single place name has taken on an outsized meaning. “Kochukhet” is no longer just a neighbourhood near the capital’s cantonment; it has become a metaphor people use when discussing where real power lies in Bangladesh. When debates turn to who ultimately shapes political outcomes, Kochukhet is invoked as shorthand for the military’s shadow over civilian life. That debate has intensified as Bangladesh approaches a national election scheduled for February 12, the first since the dramatic 2024 uprising that brought an end to Sheikh Hasina’s 15-year grip on power. Her fall, triggered by a student-led…
আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের প্রবর্তিত নতুন ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোড দেশটির বিচারব্যবস্থা ও মানবাধিকারের ধারণাকে এক নতুন, বিতর্কিত বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। এই আইন শুধু অপরাধ ও শাস্তির কাঠামো বদলায়নি, বরং আফগান সমাজকে রাষ্ট্রীয়ভাবে শ্রেণিভিত্তিক ও বৈষম্যমূলক এক ব্যবস্থার মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে আবদ্ধ করেছে। আইনটি কার্যকর হওয়ার খবরে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো একে আধুনিক আইনের মৌলিক নীতির সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক বলে অভিহিত করছে। নতুন এই আইনে আফগান সমাজকে চারটি পৃথক শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি শ্রেণির জন্য একই অপরাধে ভিন্ন ভিন্ন শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ শ্রেণিতে স্থান পেয়েছেন ধর্মীয় আলেম ও উলামারা। এই শ্রেণির কেউ অপরাধ…
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার যে আবহ তৈরি হচ্ছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক দিনে ইরানের জলসীমার কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন এলাকায় ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপের উপস্থিতি সেই উত্তেজনাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। বিমানবাহী রণতরীটির সঙ্গে বেশ কয়েকটি গাইডেড-ক্ষেপণাস্ত্র ডেস্ট্রয়ার মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে প্রবেশ করেছে—এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই কূটনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যে আশঙ্কা জোরালো হয়েছে যে পরিস্থিতি একটি বড় ধরনের সংঘাতের দিকে গড়াতে পারে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার ইতিহাস থাকলেও, এবারের প্রেক্ষাপট অনেক দিক থেকেই ভিন্ন এবং সম্ভাব্যভাবে আরও বিপজ্জনক। এই উত্তেজনার পটভূমিতে রয়েছে ইরানের ভেতরে চলমান গভীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা।…
নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে যে রাজনৈতিক ভাষা ও প্রশাসনিক উদ্যোগ সামনে আসছে, তা শুধু একটি রাজ্যের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রশ্ন নয়; এটি নাগরিকত্ব, পরিচয়, ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্রক্ষমতার ব্যবহারের মতো মৌলিক বিষয়কে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সাম্প্রতিক বক্তব্য ও পদক্ষেপ ঘিরে এই বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে, যেখানে বাঙালি মুসলমান—বিশেষ করে যাদের ‘মিঁয়া’ বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে—তারা সরাসরি রাষ্ট্রক্ষমতার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠছে। বুধবার এক বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, নির্বাচনমুখী আসামে সন্দেহভাজন বিদেশিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই তাদের ‘জাতীয় দায়িত্ব’। এই বক্তব্য এমন এক সময় এসেছে, যখন রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড়…