…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় মেয়েদের একটি আবাসিক কওমি মাদ্রাসায় একজন ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার…
Trending Posts
-
হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত ২৬৪ শিশুর মৃত্যু: দায় কে নেবে?
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পুতিনের বার্তা যুদ্ধের নতুন মোড়: ইরানের জন্য যা করতে হয় রাশিয়া করবে
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
এপ্রিল ২৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত ২৬৪ শিশুর মৃত্যু: দায় কে নেবে?
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পুতিনের বার্তা যুদ্ধের নতুন মোড়: ইরানের জন্য যা করতে হয় রাশিয়া করবে
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
এপ্রিল ২৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- তেলের পর মধ্যপ্রাচ্যের মেঘ চুরি করছে আমেরিকা
- মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
- মানুষের হাতেই যেভাবে সৃষ্টি হতে যাচ্ছে ‘মানুষের নতুন প্রজাতি’
- গণভোটের প্রচারে বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা: কারণ কী?
- পারমাণবিক যুগের সূচনা: শুরু হচ্ছে ফুয়েল লোডিং
- গুপ্ত রাজনীতির ক্ষতিকর দিকগুলো
- বাংলাদেশের রেলক্রসিংগুলোতে প্রতিদিন প্রায় একটি করে মৃত্যু ঘটে
- নরসিংদীর মাদ্রাসায় কী ঘটেছে? আবাসিক মাদ্রাসায় মেয়েরা কতটা নিরাপদ?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
গত দেড় দশকে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ এমনভাবে বেড়েছে যে এটি এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্য যেকোনো দেশের বৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে গেছে। এই সময়ে দেশের রপ্তানি আয় যে হারে বাড়েনি, তার তুলনায় ঋণ পরিশোধের পরিমাণ কয়েক গুণ বেশি বেড়ে যাওয়ায় বিশেষজ্ঞরা বিষয়টিকে উদ্বেগজনক প্রবণতা হিসেবে দেখছেন। বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক ঋণ প্রতিবেদন ২০২৫ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মিলিয়ে মোট ৯৫ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে, যা ১৫ বছর আগের তুলনায় ২৫৩ শতাংশ বেশি। এই অঞ্চলে সবচেয়ে দ্রুত পরিশোধ বৃদ্ধি ঘটেছে বাংলাদেশে—২০২৪ সালে মোট ঋণ পরিশোধ ছিল ৭.৩ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১০ সালের তুলনায় ৬১৭ শতাংশ বৃদ্ধি। এই বিশাল বৃদ্ধির পেছনে দুটি…
ওয়াশিংটন যখন ভারতের প্রতি তার নীতিতে শাস্তিমূলক সুর ক্রমেই স্পষ্ট করে তুলছে, ঠিক সেই সময় দিল্লিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কূটনীতিতে এমন মুহূর্তগুলো কখনোই কাকতালীয় নয়। এটি ছিল খুব হিসাব করে দেওয়া এক রাজনৈতিক বার্তা—ভারত কারও চাপিয়ে দেওয়া শিবির রাজনীতির অংশ নয়, এবং ‘পশ্চিম বনাম বাকি বিশ্ব’ এই সরলীকৃত দ্বন্দ্বে নিজেকে বাধ্যতামূলকভাবে আটকে রাখতে রাজি নয়। মোদির নেতৃত্বাধীন ভারত বারবারই বলে এসেছে যে তারা একটি সার্বভৌম শক্তি, যাদের বৈদেশিক নীতি আদর্শের চেয়ে স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত। পুতিনকে দিল্লিতে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করা সেই নীতিরই সাম্প্রতিক ও সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রকাশ। যুক্তরাষ্ট্রের চোখে এটি হয়তো এক ধরনের চ্যালেঞ্জ,…
গত দেড় বছরে বাংলাদেশে মানবাধিকারের আলোচনায় একটি অদ্ভুত কিন্তু ভয়ংকর বাস্তবতা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে গুম কিংবা “ক্রসফায়ার”-এর মতো ঘটনা আগের সরকারের সময়ের তুলনায় কম শোনা গেলেও, তার জায়গা দখল করছে অন্য রকম কিছু সংকট—অজ্ঞাতনামা লাশ, কারা ও নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যু এবং মব সন্ত্রাস। মানবাধিকার সংগঠকরা বলছেন, দৃশ্যপট বদলেছে, কিন্তু সহিংসতা ও দায়মুক্তির সংস্কৃতি আদতে কমেনি; শুধু তার ধরন পাল্টেছে। ঢাকার আশপাশে কিংবা বড় শহরের বাইরে নদী, ডোবা, সড়কের পাশ বা পরিত্যক্ত জায়গা থেকে নিয়মিত অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার হওয়ার সংবাদ এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের হিসাব অনুযায়ী, শুধু অক্টোবর মাসেই এমন লাশের সংখ্যা…
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতির ধাক্কায় ভারতের রপ্তানি যে সংকটে পড়েছে, তার গভীরতা এখন কেবল পরিসংখ্যানের খাতায় নয়, দেশের লাখো কারখানা, গ্রামাঞ্চলের শ্রমিকবাড়ি আর শহুরে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের দুঃস্বপ্নে ফুটে উঠছে। বহু বছর ধরে ভারতীয় পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছিল। কম দাম, স্থিতিশীল সরবরাহব্যবস্থা এবং শ্রমনির্ভর উৎপাদনশীল খাত ভারতকে সেখানে প্রতিযোগিতায় সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই ২৫ থেকে ৫০ শতাংশে শুল্ক বাড়ার ফলে পরিস্থিতি এমনভাবে বদলে গেছে যে ভারতের রপ্তানি এখন নিজ দেশের শিল্পকে রক্ষার লড়াইয়ে ব্যস্ত, আর মার্কিন বাজার ধরে রাখার প্রশ্নটি ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। গত দুই দশকে ভারতের রপ্তানি বৃদ্ধির যাত্রা সহজ ছিল না।…
শ্রীলঙ্কা আজ এক গভীর মানবিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। ঘূর্ণিঝড় দিতওয়ার আঘাত, তার পরবর্তী টানা বৃষ্টি, ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস—সব মিলিয়ে দেশটির জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। তিন দিনব্যাপী অঝোর বর্ষণে দ্বীপদেশটির ২৫টি জেলার বড় অংশ পানিতে ডুবে যায়। বিদ্যুৎ–বিভ্রাট, রাস্তাঘাট ভেঙে পড়া, যোগাযোগ ব্যবস্থার পঙ্গুত্ব এবং সবচেয়ে বড় কথা, মানুষের জীবনের নিরাপত্তাহীনতা—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এক অচিন্তনীয় দুর্যোগে রূপ নিয়েছে। এক দশকের মধ্যে এমন ধ্বংসযজ্ঞ আর দেখা যায়নি। সরকারি হিসাবে অন্তত ৪১০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে, আর এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৩৩৬ জনের বেশি। বহু জায়গায় ভূমিধসের সম্ভাবনা এখনো তীব্র, এজন্য রেড অ্যালার্ট বহাল রয়েছে। মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানুষ গাদাগাদি…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য ও তার বিদেশযাত্রা নিয়ে যেমন গভীর উদ্বেগ, তেমনি রয়েছে বহুস্তরীয় আলোচনার ঝড়। দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপার্সন, দীর্ঘদিন ধরেই যার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিতর্ক ও উৎকণ্ঠা চলছিল, তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি গত কয়েক দিনে নতুন মোড় নিয়েছে। কাতারের আমিরের পাঠানো বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে লন্ডনে নেওয়ার কথা থাকলেও সেই ফ্লাইটের সময় পিছিয়ে যাওয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তেও বিলম্ব এসেছে। একই সঙ্গে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে শুরু করে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের প্রতিটি বক্তব্যই আরও স্পষ্ট করেছে যে রাজনৈতিক ও মানবিক—উভয় দিক থেকেই পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে শুক্রবার…
ঢাকায় সামান্য কম্পন অনুভূত হলেই মানুষ গুগলে লেখে—“আজ কি ভূমিকম্প হলো?” কিংবা “earthquake today in Dhaka.” গত ২১ নভেম্বরের ভূমিকম্পে সারা দেশে যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল, তার রেশ সপ্তাহ পার হলেও কাটেনি। মাত্র সাত দিনের মধ্যে ছয়বার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় মানুষের মন থেকে ভয় সরে যায়নি। কারণ বাংলাদেশের নাগরিকদের ভূমিকম্প সম্পর্কে ধারণা বরাবরই সীমিত—ঝাঁকুনি লাগলে দৌড়ে বাইরে যাওয়া, আতঙ্কে বাড়ি-ঘর থেকে নামা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন করা ছাড়া আর বিশেষ কোনো প্রস্তুতি নেই। অথচ বাংলাদেশের ঠিক পূর্বে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরেই আছে এমন একটি দেশ, যেখানে ভূমিকম্প নিত্যদিনের ঘটনা। জাপান—যেখানে বছরে প্রায় দেড় হাজার ভূমিকম্প হয়, সুনামির সতর্কতা দেওয়া হয়…
অগ্রহায়ণ মাস গ্রামের মানুষের জীবনে উৎসব ও অর্থনীতির এক বিশেষ সময়। এই সময়ই মাঠের ধান ঘরে ওঠে, কৃষকের হাতে কিছু অতিরিক্ত আয় আসে এবং সেই আয়কে কেন্দ্র করেই গ্রামে দেখা দেয় এক ধরনের সামাজিক উচ্ছ্বাস। নবান্ন আয়োজন, পিঠাপুলি, আত্মীয়স্বজনের সমাগম, নানা সামাজিক আড্ডা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—সব মিলিয়ে গ্রামবাংলায় অগ্রহায়ণ মানে উৎসবের মৌসুম। দীর্ঘ শীতের রাতকে উদ্যাপন করতে আবহমানকাল ধরেই আয়োজন হয়ে আসছে পালাগান, বাউলগান, যাত্রাপালা, গাজির গান, মাজারে ওরস শরিফ কিংবা বিভিন্ন ধরনের জলসা। এসব আয়োজন একসময় ছিল গ্রামীণ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্থানীয় শিল্পী, বাদ্যযন্ত্রী, সাজসজ্জার শ্রমিক, খাবার সরবরাহকারী—সবারই উপার্জনের ক্ষেত্র ছিল এসব আয়োজন। তবে গ্রামীণ সাংস্কৃতিক ধারার মধ্যেও সবসময়…
পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি বা প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের চাইতেও আলোচনার কেন্দ্রে যে একজন মানুষ, তিনি ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির আহমেদ শাহ। ৫৭ বছর বয়সী এই সেনা কর্মকর্তা চার তারকা জেনারেল থেকে পাঁচ তারকা ফিল্ড মার্শাল হয়েছেন, সেনাপ্রধানের চেয়ার পেরিয়ে এখন তিনি “সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান”—অর্থাৎ সেনা, নৌ, বিমান, গোয়েন্দা সংস্থা এবং পারমাণবিক কমান্ডসহ পাকিস্তানের সমস্ত নিরাপত্তা কাঠামোর শীর্ষস্থানে অবস্থান করছেন। সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী তাঁকে কার্যত আইনের ঊর্ধ্বে এক ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে, যা পাকিস্তানের ইতিহাসে নজিরবিহীন। আসিম মুনিরের জন্ম রাওয়ালপিন্ডিতে, এমন এক পরিবারে যেখানে ইসলামি মূল্যবোধ, শিক্ষা এবং শৃঙ্খলা ছিল অপরিহার্য অংশ। তাঁর পরিবার ১৯৪৭ সালের…
রানীপাড়া গ্রামের রাস্তায় রাতের অচেনা আলোয় যখন কেবল পায়ের আওয়াজ আর দূরের কোনো গাড়ির হেডলাইট ছিল, তখনই হঠাৎ জনজোড়া গড়ে ওঠে। আড়াল থেকে এগোনো মানুষগুলো একে একে ঘিরে ধরে। তাদের হাতে লাঠি, চোয়াল পর্যন্ত কাদামাখা; মুখে ছিল কিছু বাক্য বারবার বলানোর তাগিদ। মুর্শিদাবাদ জেলার চক হরেকৃষ্ণপুরের ২৪ বছরের রাহুল ইসলামের কাছে তিনি তাঁর আধার কার্ডটি তুলে ধরলে শুরু হয় অভিযুক্ত অভিযোগ ও অসম্মান। একে বলেন ‘ভুয়া’, একে বলেন ‘বাংলাদেশি’, কেউ কেউ আবার উচ্চস্বরে ঘোষণা করে তাকে ‘রোহিঙ্গা’ বলেও আতঙ্কিত করেন। তারপরই শুরু হয় মারধর — চড়, থাপ্পড়, লাঠির আঘাত; কেউ লাথিও মারে। আহত রাহুলকে দাঁত-চোড়া কাটা কাপড়ের মতো কপালে লেগে…