…
এডিটর পিক
একটি চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন ৩৫ বছর বয়সী এক যুবক। হঠাৎ মোটরসাইকেলে করে…
Trending Posts
-
জার্মানির জেন জি বিক্ষোভ: সমৃদ্ধ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত কেন?
নভেম্বর ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
বাংলাদেশের মানুষ কি চায় শেখ হাসিনা ফিরুক? জরিপ কী বলে?
নভেম্বর ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
লিসবনের ভূমিকম্প: এক বিপর্যয় কীভাবে ঈশ্বর, রাষ্ট্র ও মানুষের চিন্তাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল?
নভেম্বর ১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
বিবর্তনের ফলে মানুষ কি ধীরে ধীরে বুদ্ধিহীন হয়ে যাচ্ছে?
নভেম্বর ২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
জার্মানির জেন জি বিক্ষোভ: সমৃদ্ধ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত কেন?
নভেম্বর ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
বাংলাদেশের মানুষ কি চায় শেখ হাসিনা ফিরুক? জরিপ কী বলে?
নভেম্বর ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
লিসবনের ভূমিকম্প: এক বিপর্যয় কীভাবে ঈশ্বর, রাষ্ট্র ও মানুষের চিন্তাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল?
নভেম্বর ১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
বিবর্তনের ফলে মানুষ কি ধীরে ধীরে বুদ্ধিহীন হয়ে যাচ্ছে?
নভেম্বর ২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- বাংলাদেশের মানুষ কি চায় শেখ হাসিনা ফিরুক? জরিপ কী বলে?
- মানুষের শরীরের ৮ শতাংশ ডিএনএ এসেছে প্রাচীন ভাইরাস থেকে!
- রাহুল গান্ধী কি সত্যিই ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে চান?
- তথ্য পাচার করছে পুলিশ! নজরদারিতে ২ হাজার কর্মকর্তা
- প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা: মানুষের অস্তিত্বের জন্যই বড় হুমকি
- ৯ মাসে ২,৬৫৯ হত্যা, ৫,৩৮১ ধর্ষণ মামলা
- ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা যা ঘটছে
- কংগ্রেস হাতছাড়া ট্রাম্পের, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন ঝড়!
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতির সবচেয়ে জটিল ও স্পর্শকাতর অধ্যায়গুলোর একটি। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর থেকে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সম্পর্ক বারবার যুদ্ধ, সীমান্ত উত্তেজনা, সন্ত্রাসবাদ, কূটনৈতিক সংকট এবং পারমাণবিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সংঘাতের ধরন আরও বদলেছে। সীমান্তে গোলাগুলি বা সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি এখন ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, সাইবার সক্ষমতা এবং দূরপাল্লার নির্ভুল হামলা যুদ্ধের নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, আগামীতে যদি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়, তবে সেটি অতীতের যেকোনো সংঘাতের চেয়ে বেশি বিপজ্জনক হতে পারে। একই সঙ্গে আশার বিষয় হলো, দুই দেশই এমন যুদ্ধের সম্ভাব্য মূল্য সম্পর্কে আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন।…
ইসলামের ইতিহাস নিয়ে প্রচলিত আলোচনায় সাধারণত আলেমদের পরিচয় সীমাবদ্ধ থাকে মসজিদ, মাদ্রাসা, কিতাব কিংবা দরসের আসরে। তাঁদের জীবনকে অনেকেই কেবল জ্ঞানচর্চা ও ইবাদতের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করেন। অথচ ইসলামি সভ্যতার দীর্ঘ ইতিহাস ভিন্ন এক বাস্তবতার সাক্ষ্য দেয়। সেই ইতিহাসে বহু আলেম, মুহাদ্দিস, ফকিহ, মুফাসসির, চিকিৎসাবিদ ও দার্শনিক একাধারে ছিলেন সফল ব্যবসায়ী। তাঁরা শুধু ব্যবসা করেই জীবিকা নির্বাহ করেননি; বরং বাণিজ্যকে জ্ঞানচর্চার স্বাধীনতা, সমাজসেবা, দানশীলতা এবং সভ্যতার বিকাশের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। ইসলামের স্বর্ণযুগে ব্যবসা ও জ্ঞান—এই দুটি ক্ষেত্র পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না; বরং একে অপরের পরিপূরক ছিল। ইসলামের সূচনালগ্ন থেকেই বাণিজ্যের সঙ্গে মুসলিম সমাজের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত গভীর।…
একটি শিশু যখন স্কুলে যায়, তখন অভিভাবকের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা থাকে—সে নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনা করবে, নতুন কিছু শিখবে এবং সুস্থভাবে বেড়ে উঠবে। কিন্তু যদি সেই স্কুলের পাশেই থাকে এমন একটি শিল্পকারখানা, যেখানে ব্যবহৃত সিসাযুক্ত ব্যাটারি (Used Lead-Acid Battery বা ULAB) ভেঙে গলানো হয়? যদি প্রতিদিন বাতাস, মাটি ও ধুলার সঙ্গে শিশুর শরীরে অজান্তেই প্রবেশ করে বিষাক্ত সিসা? তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিরাপদ আশ্রয় না হয়ে পরিণত হতে পারে অদৃশ্য স্বাস্থ্যঝুঁকির কেন্দ্রে। বিশ্বজুড়ে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা গবেষকেরা বহু বছর ধরেই সিসা দূষণকে “নীরব মহামারি” হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছেন। কারণ এই দূষণের প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা যায় না, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি শিশুদের…
ইসরায়েল–ফিলিস্তিন প্রশ্নটি কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির অন্যতম স্পর্শকাতর বিষয়। দীর্ঘ সময় ধরে ওয়াশিংটনের মূলধারার রাজনীতিতে এমন একটি ধারণা প্রতিষ্ঠিত ছিল যে, ইসরায়েলের প্রতি নিঃশর্ত সমর্থনই যেন রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার অন্যতম শর্ত। ডেমোক্রেটিক কিংবা রিপাবলিকান—দুই দলেই ইসরায়েলপন্থী অবস্থানকে নিরাপদ রাজনৈতিক অবস্থান হিসেবে দেখা হতো। কিন্তু গত কয়েক বছরে সেই বাস্তবতায় ধীরে ধীরে পরিবর্তনের আভাস মিলছিল। ২০২৬ সালের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্রেটিক প্রাইমারি নির্বাচন সেই পরিবর্তনকে আরও দৃশ্যমান করে তুলেছে। বিশেষ করে নিউইয়র্কের নির্বাচনী ফলাফল দেখিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে একটি নতুন রাজনৈতিক প্রবাহ তৈরি হচ্ছে, যেখানে গাজা যুদ্ধ, মানবাধিকার, তরুণ ভোটারদের মূল্যবোধ এবং মুসলিম ও আরব-আমেরিকান জনগোষ্ঠীর ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে পারিবারিক উত্তরাধিকার বা রাজনৈতিক বংশানুক্রমিক প্রভাব নতুন কোনো ঘটনা নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রবণতা আগের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত হয়েছে। নেট্রা নিউজের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি আসনে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ বা বিএনপির এমন প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন, যাদের রাজনৈতিক পরিচয়ের পেছনে পারিবারিক ঐতিহ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের বিস্তার ফরিদপুরের প্রয়াত বিএনপি নেতা কে. এম. ওবায়দুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে নিজ এলাকায় শক্তিশালী রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর সেই রাজনৈতিক প্রভাব অনেকাংশে তাঁর কন্যা শামা ওবায়েদের কাছে স্থানান্তরিত হয়। স্থানীয় ভোটারদের একটি বড় অংশ পরিবারের প্রতি আনুগত্যের কারণে তাঁকে…
বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সফরটি ছিল কেবল একটি কূটনৈতিক সফর নয়; বরং এটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যখন বাংলাদেশ, ভারত ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি। তাই ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলো এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্লেষণ করেছে। তাদের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে মোংলা বন্দর, তিস্তা প্রকল্প, সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, অর্থনৈতিক করিডোর এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নানা আলোচনা। অনেক ভারতীয় বিশ্লেষকের মতে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে যে পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে, তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ ঘটেছে এই চীন সফরের মাধ্যমে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর অন্যতম আলোচ্য বিষয়…
অযোধ্যার রামমন্দির শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, এটি গত এক দশকে ভারতের রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী প্রতীক। বহু বছরের আইনি ও রাজনৈতিক লড়াইয়ের পর নির্মিত এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) তাদের হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছে। কিন্তু সেই মন্দিরই এখন এক ভিন্ন কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কোটি কোটি রুপির দান ও মূল্যবান অলংকার আত্মসাতের অভিযোগ শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রশ্নই তুলছে না, বরং বিজেপির কেন্দ্র ও উত্তর প্রদেশ সরকারের মধ্যে দায় চাপানোর রাজনীতিও সামনে নিয়ে এসেছে। ফলে ধর্মীয় আবেগ, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং দুর্নীতির অভিযোগ—এই তিনটি বিষয় এখন একসূত্রে গাঁথা হয়ে ভারতের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ঘটনার…
নদীকে আমরা সাধারণত একটি স্থির বাস্তবতা হিসেবে কল্পনা করি। বর্ষায় ফুলে-ফেঁপে ওঠা, শুষ্ক মৌসুমে সংকুচিত হওয়া কিংবা শত শত বছর ধরে একই গতিপথে বয়ে চলা—এসবই যেন নদীর স্বাভাবিক পরিচয়। কিন্তু মানুষের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপ সেই পরিচয়কে দ্রুত বদলে দিচ্ছে। বাঁধ, ব্যারাজ, জলনিয়ন্ত্রণ প্রকল্প, খাল ভরাট, শিল্পবর্জ্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাবে পৃথিবীর অসংখ্য নদী এখন তাদের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য হারাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানী ও পরিবেশবিদদের একটি বড় অংশ বিশ্বাস করতেন, নদীর ওপর মানুষের তৈরি কৃত্রিম বাধাগুলো অপসারণ করে নদীকে আবার তার স্বাভাবিক প্রবাহে ফিরিয়ে দেওয়া গেলে মাছও আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। কিন্তু সাম্প্রতিক এক আন্তর্জাতিক গবেষণা সেই ধারণাকে নতুনভাবে মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছে।…
যুদ্ধবিরতির ঘোষণা সাধারণত একটি সংঘাতের শেষের আশা জাগায়। কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় যুদ্ধবিরতির পরও উত্তেজনা পুরোপুরি থামে না। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ আবারও সেই বাস্তবতাকেই সামনে নিয়ে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েক সপ্তাহ আগে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে বলে আন্তর্জাতিক মহল আশাবাদী ছিল। কিন্তু হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় সেই আশায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। উভয় দেশই একে অপরকে চুক্তি ভঙ্গের জন্য দায়ী করছে এবং নিজেদের সামরিক পদক্ষেপকে আত্মরক্ষার অধিকার হিসেবে তুলে ধরছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও অনিশ্চয়তার ছায়া ঘনিয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, উপসাগরে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের ড্রোন হামলার জবাবে তারা…
পৃথিবীর ইতিহাস শুধু মানুষের সভ্যতা কিংবা ডাইনোসরের গল্পে সীমাবদ্ধ নয়। কোটি কোটি বছরের এই দীর্ঘ যাত্রায় অসংখ্য ঘটনা পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠ, জলবায়ু এবং জীবনের গতিপথ বদলে দিয়েছে। সেই ঘটনাগুলোর অন্যতম হলো মহাকাশ থেকে বিশাল উল্কাপিণ্ডের আঘাত। এত দিন বিজ্ঞানীরা জানতেন, প্রায় ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে একটি বিশাল গ্রহাণুর আঘাতে ডাইনোসরদের বিলুপ্তির সূচনা হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা জানাচ্ছে, তারও বহু আগে—প্রায় ৩০০ কোটি বছর আগে—পৃথিবীতে আরও একটি ভয়াবহ মহাজাগতিক সংঘর্ষ ঘটেছিল, যা পৃথিবীর প্রাচীন ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পিলবারা অঞ্চলের নর্থ পোল ডোম এলাকায় পরিচালিত গবেষণায় এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে…