…
এডিটর পিক
বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এমন এক সময়ের দিকে এগোচ্ছে, যেখানে সামরিক সক্ষমতা আর শুধু অস্ত্র আমদানির…
Trending Posts
-
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সাথে ৬০৮ কোটি টাকার চুক্তিতে বাংলাদেশ
- চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
- সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
- আমরা কি মেরুদণ্ড আছে এমন বিরোধীদল এবারও পাবো না?
- মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
- ইতিহাসের বৃহত্তম আর্সেনিক বিষক্রিয়া হচ্ছে বাংলাদেশে
- ইরানে বিক্ষোভে যে বিপদে ইসরায়েল
- নির্বাচনের পর কী করবেন ইউনূস?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশে কর নিয়ে মানুষের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। আয়কর থেকে ভ্যাট—সব ক্ষেত্রেই করদাতারা প্রায়শই প্রশ্ন তোলেন, তারা যে ট্যাক্স দেন তা আসলেই কোথায় ব্যয় হয়? সরকারি সেবা, অবকাঠামো কিংবা জনকল্যাণে এর প্রতিফলন তারা খুঁজে পান না। অথচ ইতিহাস বলছে, কর মানবসভ্যতার শুরু থেকেই রাষ্ট্র ও সমাজ চালানোর অন্যতম প্রধান ভিত্তি। হাজার বছর আগেও মানুষকে বিভিন্ন অদ্ভুত কর দিতে হতো—কখনো শস্যে, কখনো পশুতে, আবার কখনো একেবারেই অবিশ্বাস্য কিছুতে, যেমন প্রাচীন রোমে প্রস্রাবের জন্যও কর আদায় হতো। মেসোপটেমিয়াকে বলা হয় কর ব্যবস্থার জনক। প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর আগে সুমেরীয় নগররাষ্ট্রগুলোতে কৃষকের শস্য, পশু, মাছ ধরার অংশ কিংবা শ্রম দিয়েই কর মেটাতে…
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সময় বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ও নাগরিক সমাজের মধ্যে এক ধরনের আশা-প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল যে, দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের অনিয়ম-দুর্নীতি, অর্থ পাচার, স্বজনপ্রীতি ও অস্বচ্ছ শাসনব্যবস্থার পর এবার অন্তত একটি নতুন ধারার সূচনা হবে। শেখ হাসিনার পতনের পর যেভাবে জুলাই মাসে গণঅভ্যুত্থানের ঢেউ দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল, তাতে মনে হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম কাজ হবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রবর্তন করা। বিশেষ করে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পরপরই জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তার উপদেষ্টা পরিষদের সকল সদস্য দ্রুততম সময়ে নিজেদের আয়-সম্পদের হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ করবেন।…
কাছাকাছি সময়ের মধ্যে পরপর দুবার যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসীম মুনির। বিশেষ করে ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন পাকিস্তানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও হাইড্রোকার্বন খাতে সহযোগিতায় আগ্রহী। রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও তেল-গ্যাস খাতে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী এবং পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম ও বাণিজ্যে অংশগ্রহণকে গভীরভাবে মূল্যায়ন করছে। গত মাসে ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদ একটি বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা পাকিস্তানের দাবির ভিত্তিতে শুল্ক কমানো ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে খনন প্রকল্পে বিনিয়োগের সুযোগ…
বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সংকট আজ শুধু অর্থনৈতিক নয়, গভীরভাবে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক এক সংকটের রূপ নিয়েছে। এই সংকটের শেকড় ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থায়, যা প্রায় দুই শতাব্দী আগে ভারতবর্ষে প্রবর্তিত হয়েছিল মূলত ব্রিটিশ শাসকের স্বার্থে। উদ্দেশ্য ছিল এমন এক শিক্ষিত শ্রেণি তৈরি করা, যারা বিদ্যা অর্জনের চেয়ে বেশি মনোযোগ দেবে শাসকের দপ্তরে চাকরি করার জন্য প্রস্তুত হতে। স্বাধীনতার এত বছর পরও আমরা সেই মানসিক কাঠামো থেকে বের হতে পারিনি। আজও আমাদের শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য হয়ে আছে সরকারি চাকরি—একটি ‘সোনার হরিণ’—যা শুধু অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নয়, সামাজিক মর্যাদারও নিশ্চয়তা দেয়। শৈশব থেকেই আমাদের পাঠ্যবই, গল্প ও সামাজিক বয়ানে এমন একটি শ্রেণিচেতনা গড়ে তোলা হয় যেখানে…
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি কার্যকর হওয়ার পর বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে যেন হঠাৎ করে এক ‘সুযোগের জানালা’ খুলে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ৩১ জুলাই বাংলাদেশি পোশাকের শুল্ক ২০ শতাংশে নামালেও চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৩০ শতাংশ এবং ভারতের ক্ষেত্রে তা ২৫ শতাংশে পৌঁছেছে। তার ওপর রাশিয়ার জ্বালানি কেনার ‘অপরাধে’ ভারতের পণ্যে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে। এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিকল্প উৎস খুঁজতে বাধ্য করেছে, আর সেই ফাঁকেই বাংলাদেশে ক্রয়াদেশের বন্যা বইছে। শুধু মার্কিন ক্রেতাই নয়, ভারতের শীর্ষ রপ্তানিকারকরাও দীর্ঘমেয়াদে বাজার ধরে রাখতে বাংলাদেশের কারখানার সঙ্গে যোগাযোগ করছে। চীন থেকেও বিনিয়োগ…
বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এক বছর কেটে গেলেও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো স্থিতিশীল হয়নি—এমন বাস্তবতা সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান, মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন এবং বিশেষজ্ঞদের মন্তব্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ২০২৪ সালের আগস্টে সরকারের পতনের পর পুলিশ বাহিনী কার্যত ভেঙে পড়ে। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য নিজেদের নিরাপত্তাহীন মনে করে কর্মস্থলে ফেরেননি, কেউ কেউ আবার সহিংস হামলার শিকার হয়েছেন। এই শূন্যতার সুযোগে রাজনৈতিক প্রতিশোধ, চাঁদাবাজি, দখলদারি ও মব সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে, যা আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আরও নড়বড়ে করে দেয়। যদিও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে ‘ডেভিল হান্ট’ ও ‘চিরুনি অভিযান’-এর মতো কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছিল, তবুও অপরাধের প্রবণতা থামেনি, বরং বহু ক্ষেত্রে তা বেড়েছে…
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত বহু বছর ধরে নানা সমস্যার জালে আটকে ছিল—অব্যবস্থাপনা, অস্বচ্ছতা, অতিরিক্ত ভর্তুকি নির্ভরতা আর ব্যয়বহুল চুক্তির চাপে এই খাত প্রায়শই জনআস্থা হারিয়েছে। অথচ বিদ্যুৎ শুধু আমাদের ঘর আলোকিত করে না, শিল্প, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা—দেশের প্রতিটি খাতকে সচল রাখার অন্যতম চালিকাশক্তি। ঠিক এই জায়গায় এসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিদ্যুৎ খাতে একযোগে সাহসী, সাশ্রয়ী ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে, যার প্রভাব ইতিমধ্যেই দৃশ্যমান হয়ে উঠছে। প্রথম বড় পদক্ষেপ ছিল বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন ২০১০ রহিত করা। দীর্ঘদিন ধরে এই আইনের আওতায় চুক্তিগুলো হয়ে আসছিল নানা সমালোচনা আর স্বচ্ছতার অভাবে ভরপুর। আইন রহিত করার…
ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে এসেছে। প্রধান উপদেষ্টা ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রোজার আগে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিলেও মাঠের রাজনীতিতে সেই ঘোষণা এখনো দৃঢ় বিশ্বাসের জায়গা তৈরি করতে পারেনি। নির্বাচন কমিশন একদিকে প্রতিদিন বৈঠক করছে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনীকে যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে, যাতে তারা নির্বাচনে অন্যান্য বাহিনীর মতো দায়িত্ব পালন করতে পারে। এই উদ্যোগ প্রশাসনিক দিক থেকে নির্বাচনকে শক্তিশালী করার একটি পদক্ষেপ হলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে এর প্রতিক্রিয়া মিশ্র। ঘটনার মোড় ঘুরে যায় যখন প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার দিনই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রকাশ্যে বলেন, “ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন…
মিয়ানমারের ভূরাজনৈতিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক সম্পদ তাকে একবিংশ শতাব্দীর বিশ্ব রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করেছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত এই দেশটির ভৌগোলিক অবস্থান, বিরল খনিজ সম্পদ এবং বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় প্রবেশাধিকার তাকে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর স্বার্থ ও প্রতিযোগিতার মূল মঞ্চে নিয়ে এসেছে। বিশেষত রাখাইন রাজ্যের কৌশলগত গুরুত্ব—যেখানে গভীর সমুদ্রবন্দর, জ্বালানি অবকাঠামো এবং চীন-ভারতের বিনিয়োগ রয়েছে—এ অঞ্চলকে পরিণত করেছে বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েনের একটি স্পর্শকাতর ক্ষেত্র হিসেবে। ২০২১ সালে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ক্ষমতা দখলের পর দেশটি গৃহযুদ্ধে নিমজ্জিত হয়। রাখাইনে আরাকান আর্মি নামে পরিচিত জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে স্বায়ত্তশাসন ও রাজনৈতিক অধিকারের দাবিতে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।…
ঠিক এই মুহূর্তে নির্বাচনপূর্ব বাংলাদেশের রাজনীতির যে জটিল মানচিত্রটি আঁকা হচ্ছে, তার কেন্দ্রে এসে দাঁড়িয়েছে তিনটি শক্তি—বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য ঘোষণা করার পর মনে হয়েছিল আস্থাহীনতার বরফ খানিকটা গলবে। কিন্তু জুলাই সনদ—অর্থাৎ সংস্কার, বিচারপ্রক্রিয়া ও ক্ষমতার ভারসাম্য পুনর্গঠনের যে খসড়া রূপরেখা—তা কীভাবে এবং কার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে, সেটি নিয়েই নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। জামায়াত ও এনসিপি বলছে, নির্বাচন আগে—সনদের আইনি ভিত্তি ও দৃশ্যমান বাস্তবায়ন পরে—এই সূত্র মেনে নিলে পুরো প্রক্রিয়া ‘ডিজাইনড’ হয়ে যাবে। বিএনপি উল্টো বলছে, সনদের অধিকাংশ প্রয়োগ হবে নির্বাচিত সংসদে; নির্বাচন-সম্পর্কিত ন্যূনতম নিয়ম-কানুন ও…