…
এডিটর পিক
দীর্ঘ কয়েক দশকের বৈরিতা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, সামরিক উত্তেজনা এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সংঘাতের পর আবারও…
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
জুন ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
জুন ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- তুলে নেবে সব নিষেধাজ্ঞা, অবরুদ্ধ ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র
- দুবাইয়ে বেনজীর গ্রেপ্তার: আইনের শাসনের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
- শিশু ধর্ষণের অভিযোগ পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে: দেশ কোথায় যাচ্ছে?
- রাশিয়ায় মুসলিম আলেমদের গ্রেফতার: নিরাপত্তা অভিযান নাকি ইসলামবিদ্বেষ?
- ইসলামী ব্যাংককে সামলাতে কেন ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক?
- ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
- ৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
- বাঁধের ‘ব্যবসা’: ডুবছে হাওর, পানি নামার পথের বাধা
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
নিউইয়র্কের একটি পোস্ট অফিসের গুদামে পড়ে থাকা বাংলাদেশের হাজারো পোস্টাল ব্যালট পেপারের খবরটি শুধু একটি প্রশাসনিক ত্রুটি বা ডাকবিভাগের গাফিলতির গল্প নয়; এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের নাগরিক অধিকার, রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধ এবং একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ভঙ্গুর বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য পাঠানো এই ব্যালট পেপারগুলো যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছালেও নির্ধারিত ভোটারের হাতে না গিয়ে মাসের পর মাস স্টোরেজে পড়ে ছিল—এমন তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, প্রবাসীদের ভোটাধিকার বাস্তবে কতটা নিরাপদ ও কার্যকর। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরেই পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগকে তাদের সাংবিধানিক অধিকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখে আসছেন। সরাসরি ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হওয়া…
মানবজাতির ইতিহাস যেন আরেকবার নতুন করে লেখা হচ্ছে। মরক্কোর কাসাব্ল্যাংকা শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত গ্রোট আ হোমিনিডেস নামের একটি গুহা থেকে ৭ লাখ ৭৩ হাজার বছরের পুরোনো আদিম মানুষের জীবাশ্ম আবিষ্কারের খবর বিজ্ঞানী সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই আবিষ্কার শুধু একটি প্রত্নতাত্ত্বিক সাফল্য নয়, বরং মানুষ কোথা থেকে এসেছে, কীভাবে বিবর্তিত হয়েছে এবং কোন পথে ছড়িয়ে পড়েছে—এসব প্রশ্নের প্রচলিত ধারণাকেই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পাওয়া জীবাশ্মগুলোর মধ্যে রয়েছে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক ও একটি শিশুর দেহাবশেষ। চোয়ালের হাড়, দাঁত, ঊরুর হাড় এবং মেরুদণ্ডের কিছু অংশ মিলিয়ে এই জীবাশ্মগুলো মানব বিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপের সাক্ষ্য বহন করছে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো,…
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া দুটি ভিডিও বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক ও উদ্বেগ তৈরি করেছে। ভিডিও দুটিতে দেখা যায়, একটি বাসার ভেতরে কয়েকজন ব্যক্তি একসঙ্গে বসে অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন। ব্যালটগুলোর খামের ওপর লেখা ঠিকানা অনুযায়ী সেগুলো পাঠানো হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইন থেকে। ভিডিওগুলো দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশ্ন উঠেছে—এই ব্যালটগুলো কীভাবে, কারা এবং কোন প্রক্রিয়ায় “হ্যান্ডেল” করছে, আর এর পেছনে কোনো সংগঠিত অনিয়ম রয়েছে কি না। প্রথম ভিডিওটির দৈর্ঘ্য ৭ মিনিট ৩২ সেকেন্ড। সেখানে একাধিক ব্যক্তিকে টেবিল বা মেঝের ওপর ছড়িয়ে রাখা পোস্টাল ব্যালট গুনতে দেখা যায়। ভিডিওতে কথোপকথন থেকে বোঝা যায়, উপস্থিত কয়েকজন…
রাজনীতির ময়দানে জোট গঠন নতুন কিছু নয়, তবে জোটের ভেতরের টানাপোড়েন প্রায়ই বড় গল্প হয়ে ওঠে। সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ইসলামী দলগুলোর নির্বাচনী জোটে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, সেটি শুধু আসন বণ্টনের হিসাবেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং পারস্পরিক আস্থা, রাজনৈতিক কৌশল এবং ভবিষ্যৎ অবস্থান—সবকিছুরই একটি জটিল প্রতিফলন। চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং আল্লামা মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এই জোটে থাকবে কি না, সেই প্রশ্ন এখন রাজনীতির অন্দরমহলে আলোচনার কেন্দ্রে। ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বরের সেই সংবাদ সম্মেলনের কথা এখনও অনেকের মনে তাজা। তখন আটটি দল একসঙ্গে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছিল, পরে সেটিই ধীরে ধীরে নির্বাচনী জোটে…
বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এমন এক সময়ের দিকে এগোচ্ছে, যেখানে সামরিক সক্ষমতা আর শুধু অস্ত্র আমদানির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং প্রযুক্তি, উৎপাদন এবং দক্ষতার নিজস্ব ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে। এই প্রেক্ষাপটে সামরিক ড্রোন উৎপাদনের জন্য চীনের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার চুক্তির উদ্যোগকে শুধু একটি প্রকল্প হিসেবে নয়, বরং কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ৬০৮ কোটি টাকার এই উদ্যোগ বাংলাদেশকে আকাশ প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে নতুন একটি অধ্যায়ে নিয়ে যেতে পারে—যেখানে দেশ নিজেই ড্রোন তৈরি, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের সক্ষমতা অর্জন করবে। ড্রোন বা মানববিহীন আকাশযান এখন আর ভবিষ্যতের যুদ্ধের কল্পচিত্র নয়, বরং বর্তমান বাস্তবতা। নজরদারি, সীমান্ত পর্যবেক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে…
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নির্মিত, দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত পড়ে থাকা কয়েকটি এয়ারস্ট্রিপ আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতির প্রেক্ষাপটে। ভারতের কেন্দ্র সরকার পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় অবস্থিত এসব পুরোনো এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়ার খবর সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রতিবেশী বাংলাদেশসহ আঞ্চলিক পর্যায়ে নানা প্রশ্ন ও বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের তিন পাশ ঘেঁষে অবস্থিত পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরুজ্জীবনের পরিকল্পনাকে অনেকেই কেবল যোগাযোগ উন্নয়নের উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন না; বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে দেখছেন নিরাপত্তা, কৌশলগত ভারসাম্য এবং ক্রমবদলমান ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের বাস্তবতাকে। ভারতের দাবি অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোর সঙ্গে আঞ্চলিক যোগাযোগ জোরদার করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে…
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার একটি অবকাঠামো প্রকল্প—যার মূল উদ্দেশ্য ছিল জ্বালানি তেল চুরি রোধ, নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পরিবহন খরচ কমানো—সেই প্রকল্পই আজ নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় ডিজেল সরবরাহের জন্য নির্মিত বহুল আলোচিত পাইপলাইনে ছিদ্র করে তেল চুরির চেষ্টা কেবল একটি বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়; এটি দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, দুর্বল নজরদারি এবং বাস্তবায়নে গাফিলতির একটি স্পষ্ট প্রতিফলন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—এই বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত পাইপলাইন আসলে কতটা নিরাপদ, আর আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা ব্যবস্থাই বা কতটা কার্যকর। চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের হাদি ফকিরহাট এলাকায়, রাস্তার পাশেই মাটির প্রায় ১০ ফুট…
দীর্ঘ কর্তৃত্ববাদী শাসনের পতনের পর বাংলাদেশ এক বিরল ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। এটি কেবল ক্ষমতার হাতবদলের মুহূর্ত নয়, বরং রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সুযোগ—যেখানে গণতন্ত্রকে আবার অর্থবহ, কার্যকর ও টেকসই করে তোলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সেই সম্ভাবনারই বহিঃপ্রকাশ। এই অভ্যুত্থান কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর ক্ষমতায় যাওয়ার আন্দোলন ছিল না; ছিল এমন একটি শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, যেখানে জনগণের সম্মতি, অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি দীর্ঘদিন ধরে অবমূল্যায়িত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে জুলাই সনদ ও সংস্কার কমিশনের কার্যক্রম গুরুত্ব পায়, কারণ এগুলোর ঘোষিত লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ রোধ করা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে গণতান্ত্রিক মানদণ্ডে পুনর্গঠন করা। তবে এই আলোচনার কেন্দ্রে থাকা উচিত ছিল…
ইরানের চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ২৩ বছর বয়সী ছাত্রী রুবিনা আমিনিয়ানের মৃত্যু যেন একটি নাম নয়, বরং একটি প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা, ক্ষোভ ও দমন-পীড়নের প্রতীক হয়ে উঠেছে। খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে তাঁকে হত্যার ঘটনা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে—ইরানে ভিন্নমত প্রকাশের মূল্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে। রুবিনা ছিলেন তেহরানের শারিয়াতি কলেজের টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিভাগের শিক্ষার্থী, স্বপ্ন দেখতেন নিজের মতো করে বাঁচার, নিজের মতো করে ভাবার। কিন্তু সেই স্বপ্নের মাঝপথেই থামিয়ে দেওয়া হলো তাঁর জীবন। ৮ জানুয়ারি কলেজ থেকে বেরিয়ে তিনি যোগ দিয়েছিলেন সরকারবিরোধী এক বিক্ষোভে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি তখন উত্তপ্ত হলেও রুবিনা সহ অনেক তরুণ–তরুণী…
বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ কোনো নতুন খবর নয়, কিন্তু এটি যে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আকারের গণ–বিষক্রিয়াগুলোর একটি, সেই উপলব্ধি আজও অনেকের কাছে পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। গ্রামবাংলার নলকূপকে একসময় নিরাপদ পানির প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছিল। নদী–নালার দূষিত পানির বিকল্প হিসেবে ভূগর্ভস্থ পানিই ছিল আশার ভরসা। কিন্তু সেই আশার উৎসেই যে নীরবে বিষ জমে আছে, তা ধরা পড়ে নব্বইয়ের দশকে। এরপর কেটে গেছে তিন দশকেরও বেশি সময়। তবু আর্সেনিক আজও বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যের সবচেয়ে বড়, দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল সংকটগুলোর একটি। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে টানা ২০ বছর ধরে পরিচালিত একটি বড় গবেষণা নতুন করে আলো ফেলেছে আর্সেনিক দূষণের ভয়াবহতা যেমন দেখিয়েছে, তেমনি দেখিয়েছে আশার…