…
এডিটর পিক
বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এমন এক সময়ের দিকে এগোচ্ছে, যেখানে সামরিক সক্ষমতা আর শুধু অস্ত্র আমদানির…
Trending Posts
-
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সাথে ৬০৮ কোটি টাকার চুক্তিতে বাংলাদেশ
- চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
- সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
- আমরা কি মেরুদণ্ড আছে এমন বিরোধীদল এবারও পাবো না?
- মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
- ইতিহাসের বৃহত্তম আর্সেনিক বিষক্রিয়া হচ্ছে বাংলাদেশে
- ইরানে বিক্ষোভে যে বিপদে ইসরায়েল
- নির্বাচনের পর কী করবেন ইউনূস?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
এই ঘটনাবহুল বাণিজ্য সংকটের প্রেক্ষাপটে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। একসময় যে দুই নেতা—ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদি—এক অপরকে ‘বন্ধু’ বলে আখ্যায়িত করতেন, আজ তাদের নেতৃত্বাধীন দেশদ্বয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সংঘাতে রূপ নিয়েছে সম্পর্ক। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কেবল বাণিজ্যিক প্রতিক্রিয়া নয়; এর মধ্যে ভূরাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই ৫০ শতাংশ শুল্ক ভারতের অর্থনীতির ওপর একটি বড় ধাক্কা। কারণ এটি এমন এক সময় এসেছে, যখন ভারত নিজেকে বিশ্বের অন্যতম বড় উৎপাদন ঘাঁটি হিসেবে গড়ে তুলতে চায়, বিশেষত চীনের বিকল্প হিসেবে। কিন্তু এত উচ্চ শুল্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানি করা কঠিন হয়ে পড়বে এবং বিদেশি…
চট্টগ্রামের রপ্তানিখাত বিশেষ করে পোশাক শিল্প নতুন এক সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কহার তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় দেশটির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে চীন ও ভারতের মতো বড় ক্রেতা দেশগুলোর প্রতিষ্ঠানগুলো। এর ফলে চট্টগ্রামের ২৫০টিরও বেশি পোশাক কারখানার ওপর আন্তর্জাতিক অর্ডার চাপ বাড়তে শুরু করেছে। তৈরি পোশাক খাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের শুল্কহার সমান হলেও, চীনের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ এবং ভারতের তুলনায় ৫ শতাংশ কম হওয়ায় প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের জন্য। বিশেষত, চীনা ক্রেতারা বর্তমানে ‘FOC’ বা ফ্রি অফ কস্ট পদ্ধতিতে অর্ডার দিচ্ছে। এ পদ্ধতিতে তারা নিজস্বভাবে কাপড় ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সামগ্রী পাঠিয়ে দেয় এবং বাংলাদেশে কেবল…
ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের পাহাড়ি জনপদ উত্তরকাশীতে হঠাৎ নেমে আসা মেঘভাঙা বৃষ্টি ও তৎসংলগ্ন আকস্মিক বন্যা যেন মুহূর্তেই জনজীবনকে তছনছ করে দেয়। ধরালি গ্রাম এবং পার্শ্ববর্তী হর্ষিল উপত্যকা কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে প্রবল জলস্রোত, কাদা এবং বিশাল পাথরের আঘাতে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, জীবনের এমন ভয়াবহ দৃশ্য তারা আগে কখনো দেখেননি। এই বিপর্যয়ের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে ক্ষীরগঙ্গা নদীর উন্মত্ত স্রোত, যা পাহাড়ি ঢাল বেয়ে নেমে এসে গ্রাম-ঘর, হোটেল, হোমস্টে—সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। মোবাইল ফোনে ধারণ করা কিছু ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা গেছে মানুষ চিৎকার করে অন্যদের সতর্ক করছে—“পালাও, পালাও”—কিন্তু অনেকেই পালিয়ে বাঁচতে পারেননি। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে চারজনের প্রাণহানির…
ঢাকায় মেট্রোরেল চালু হওয়ার পর শহরের পরিবহন ব্যবস্থায় এক নতুন ধারা সূচিত হয়েছে। ব্যস্ততম নগরীতে এটি এনে দিয়েছে দ্রুত, নির্ভরযোগ্য এবং তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক যাতায়াতের সুযোগ। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ মেট্রোরেলে চলাচল করছে। যাত্রীদের চাপ এতটাই বেশি যে পিক আওয়ারে অনেকেই প্রথম ট্রেনেই উঠতে পারেন না। কিন্তু অবাক করার মতো বাস্তবতা হলো—এই বিপুল যাত্রীচাপ সত্ত্বেও মেট্রোরেলের আয় দিয়ে এর নির্মাণ ব্যয় বা ঋণ পরিশোধের কিস্তি তোলা যাচ্ছে না। বরং প্রতিনিয়ত বাড়ছে সরকারের ভর্তুকির বোঝা। বর্তমানে ঢাকায় চালু থাকা এমআরটি-৬ লাইনটি উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বিস্তৃত। দিনে গড়ে প্রায় চার লাখ যাত্রী এই রুটে যাতায়াত করে। কমলাপুর পর্যন্ত সম্প্রসারণের কাজ চলছে। সরকারের…
নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে আন্দোলনকারীর মৃত্যু, বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় রাজনৈতিক কর্মীর প্রাণহানি এবং সেইসব ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে এক বিভ্রান্তিকর ও বিভাজিত পরিসংখ্যানের চিত্র। জুলাই-অগাস্ট ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়ে নিহতদের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে, তা এখন শুধু মানবিক নয়, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক জটিলতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। সরকারি গেজেটে ‘শহীদ’ হিসেবে স্বীকৃত নিহতদের সংখ্যা দেখানো হয়েছে ৮৪৪ জন, যা সরকারের তথ্য অনুযায়ী আন্দোলনের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কর্মীদের হাতে প্রাণ হারানো নাগরিকদের নামেই সীমাবদ্ধ। অথচ জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন তাদের তদন্তে জানাচ্ছে, প্রায় ১৪০০ জন মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অনেকে শিশুও ছিল এবং বেশিরভাগই প্রাণ হারিয়েছেন…
বাংলার ইতিহাসে পাল বংশ এক গৌরবময় অধ্যায়, যাদের হাত ধরে বৌদ্ধ ধর্ম এ অঞ্চলে রাজধর্মের মর্যাদা পায় এবং বৌদ্ধ সংস্কৃতি, শিক্ষা ও স্থাপত্যের এক অসাধারণ বিকাশ ঘটে। কিন্তু ইতিহাসে যেমন উত্থান থাকে, তেমন পতনও অনিবার্য। পালদের দীর্ঘ ৪০০ বছরের শাসনের অবসানের সঙ্গে সঙ্গেই বাংলার বৌদ্ধ ধর্মও তার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক উচ্চতা থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে শুরু করে। একসময় যেই ধর্ম বাংলার প্রধান ভিত্তি ছিল, তা-ই কালের প্রবাহে হয়ে পড়ে প্রান্তিক। প্রশ্ন জাগে—কেন? কিভাবে এত বিস্তৃত, শক্তিশালী এক ধর্মব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে গেল? গোপাল দেব ছিলেন পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা—প্রজা কর্তৃক নির্বাচিত বাংলার প্রথম শাসক। তার বংশধররাই বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মের…
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েন বর্তমানে নতুন এক সংকটময় মোড়ে পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হঠাৎ করে ভারতের ওপর শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা এবং তার পেছনে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের জ্বালানিবান্ধব সম্পর্ককে দায়ী করা—এই দুই দেশকে নতুন এক ভূ-রাজনৈতিক সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ট্রাম্পের মতে, ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনে তা ‘লাভে বিক্রি’ করছে, অর্থাৎ একরকম প্রোফিট ব্যবসায় জড়িত হয়ে পড়েছে—যা রাশিয়ার যুদ্ধযন্ত্রে জ্বালানি জোগাচ্ছে। এই অভিযোগ শুধু কূটনৈতিক সমালোচনাতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। তিনি সরাসরি ঘোষণা দিয়েছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারতের ওপর বর্তমান ২৫ শতাংশ শুল্ক ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ মাত্রায়’ বাড়ানো হবে। এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে যখন বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্য রীতিমতো নড়বড়ে…
৫ আগস্ট ২০২৫, দুপুর গড়িয়ে বিকেল। রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এক অনন্য মুহূর্তের সাক্ষী হলো জাতি। ইতিহাসের এক মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া দিনটির প্রথম বার্ষিকীতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস উচ্চ কণ্ঠে পাঠ করলেন “জুলাই ঘোষণাপত্র”। জনতার সামনে প্রথমবারের মতো পাঠ করা এই দলিল শুধু একটি রাজনৈতিক ঘোষণাই নয়—এ যেন বাংলাদেশের বহু দশকের বিক্ষুব্ধ ইতিহাস, সংগ্রামের বেদনাবিধুর দলিল, এবং একটি নতুন শুরুতে উত্তরণের দৃঢ় অঙ্গীকার। এই ঘোষণাপত্রে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে স্বাধীনতার পরবর্তী প্রতিটি ব্যর্থতা, প্রতারণা ও ফ্যাসিবাদী আধিপত্যের বিরুদ্ধে জনতার লালিত ক্ষোভ ও বিক্ষোভের বিবরণ। একে শুধু ঘোষণাপত্র বলা ভুল হবে—এ যেন গণ-অভ্যুত্থানের পর জন্ম নেওয়া এক নতুন জাতির…
এই বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার আমাদের পরিচিত আলু আর টমেটোর মধ্যকার গভীর সম্পর্কের এক চমকপ্রদ ও ঐতিহাসিক দিক উন্মোচন করেছে। প্রায় ৯০ লাখ বছর আগে দক্ষিণ আমেরিকার আদি ভূখণ্ডে এক ধরনের বুনো টমেটো গাছ ও আলুর মতো দেখতে একটি বন্য উদ্ভিদের মধ্যে ঘটে যাওয়া প্রাকৃতিক সংকরায়ণ বা হাইব্রিডাইজেশনই আজকের আধুনিক আলুর জন্ম দেয়। এই ঘটনাটি শুধুই এক বৈজ্ঞানিক কৌতূহল নয়, বরং পৃথিবীর খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও কৃষির ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আলু মানবজাতির ইতিহাসে একটি অনন্য খাদ্যশস্য। এটি কেবল পুষ্টিগুণে ভরপুরই নয়, বরং সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক নানা বাস্তবতায় গভীরভাবে জড়িত। এটি এমন একটি উদ্ভিদ যার মূল খাদ্যভাগ—টিউবার—গঠিত হয় মাটির নিচে, অথচ…
ঠিক এক বছর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঘটে যায় এক ঐতিহাসিক পালাবদল। এটি ছিল সেই দিন, যেদিন হাজারো সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং পেশাজীবীরা রাজপথে নেমে এসে ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেন। কিন্তু এক বছর পর, আজ ২০২৫ সালের ৫ আগস্টে দাঁড়িয়ে, সেই বিপ্লব কি আদৌ বেঁচে আছে? নাকি কালের অতলে হারিয়ে যাচ্ছে এক সোনালি স্বপ্ন? সিনথিয়া মেহরিন সকালের মতো শিক্ষার্থীরা এখনও ভুলতে পারেন না সেই রক্তাক্ত দিনগুলোর কথা। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের অপরাধে যেভাবে তার মাথায় আঘাত করা হয়েছিল, তার চেয়েও বড় ক্ষত ছিল রাষ্ট্রের নিষ্ক্রিয়তা। রাষ্ট্র নিজেই যেদিন নিজের সন্তানের রক্তে রঞ্জিত হয়, সেদিনই তো…