…
এডিটর পিক
বাংলাদেশে তীব্র গরম এখন আর নিছক ঋতুগত অস্বস্তি নয়; এটি ধীরে ধীরে একটি অর্থনৈতিক, জনস্বাস্থ্য…
Trending Posts
-
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
- How Bangladesh’s Rakhine Are Losing Their Homeland
- মেগিড্ডো: ইতিহাসের প্রথম নথিবদ্ধ যুদ্ধ
- বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাস নেতিবাচক: অর্থনীতি কি নতুন ঝুঁকির দিকে?
- নিষেধাজ্ঞা নিয়েও যেভাবে টিকে থাকতে চায় আওয়ামী লীগ
- তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
- সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ: কেন? এর অর্থ কী?
- শেখ হাসিনাকে ঘিরে রাজনীতি, প্রত্যর্পণ নিয়ে ভেবে দেখছে দিল্লী
- বাংলাদেশের মানুষের পাঁচটি ঐতিহাসিক ভুল ধারণা
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
গত বছরের জুন মাসে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ ভূরাজনীতিকে আবারও সামনে নিয়ে আসে। অভিযানের ঘোষণা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প—এমন দাবি ঘিরে আন্তর্জাতিক আলোচনায় নতুন করে প্রশ্ন ওঠে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের ‘চাপ প্রয়োগ’ কৌশল কতটা কার্যকর হয়েছে। বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা করেছে নিষেধাজ্ঞা, সামরিক উপস্থিতি এবং রাজনৈতিক চাপের সমন্বয়ে। ধারণা ছিল, অর্থনৈতিক অবরোধ ও কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা শেষ পর্যন্ত ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন গল্প বলছে। ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা নিঃসন্দেহে দেশটির অর্থনীতিকে চাপে ফেলেছে। সাধারণ মানুষের জীবনে মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি স্পষ্টভাবে প্রভাব ফেলেছে। তবু যে কৌশলটি ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে…
নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি অদ্ভুত এবং তাৎপর্যপূর্ণ দৃশ্য ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে—দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, কোথাও তালা খুলে ঢুকছেন, আবার কোথাও প্রতিপক্ষের বাধা ও হামলার মুখে পড়ছেন। ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন মনে হলেও সামগ্রিকভাবে এগুলো বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার এক জটিল ও বহুস্তরবিশিষ্ট চিত্র তুলে ধরছে। প্রশ্ন উঠছে—এটি কি স্বতঃস্ফূর্ত তৃণমূল উদ্যোগ, নাকি দলীয় কৌশলের অংশ? অথবা এর পেছনে কি কোনো নীরব রাজনৈতিক সমঝোতা কাজ করছে? ২০২৪ সালের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হওয়ার পর দলটি কার্যত সাংগঠনিকভাবে স্থবির হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের মে মাসে নিষেধাজ্ঞা আরও স্পষ্টভাবে জারি…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা কেবল একটি দিনের ঘটনাকে ছাড়িয়ে গিয়ে দীর্ঘদিনের আদর্শ, অবস্থান ও কৌশলগত বাস্তবতার সংঘাতকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসে। এবারের একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের উপস্থিতি তেমনই এক ঘটনা। বহু বছর ধরে যে দলটি শহীদ মিনার কেন্দ্রিক রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠান থেকে দূরে থেকেছে—কখনো নীরবে, কখনো আদর্শগত আপত্তির ভাষ্যে—সেই দলটির শীর্ষ নেতা এবার ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন এবং মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন। ঘটনাটি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মহলে প্রশ্ন তুলেছে: এটি কি কৌশলগত বাস্তবতা, নাকি আদর্শগত পুনর্বিন্যাস? জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন, বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতীকগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক সব সময়ই…
১০ বছরে ৩৩ শিশুকে যৌন নির্যাতন, ভারতীয় দম্পতির মৃত্যুদণ্ডরামভবন এবং তাঁর স্ত্রী দুর্গাবতীকে শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত একাধিক ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ৩৩ শিশুকে যৌন নির্যাতনের দায়ে উত্তরপ্রদেশের এক দম্পতিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলার ‘প্রোটেকশন অব চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস’ (পকসো) আদালত এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছে। অভিযুক্ত রামভবন এবং তাঁর স্ত্রী দুর্গাবতীকে শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত একাধিক ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। পকসো আইনের আওতায় অস্বাভাবিক যৌনাচার, গুরুতর যৌন নির্যাতন, শিশু পর্নোগ্রাফি এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রসহ একাধিক ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। নির্যাতিত শিশুদের কারও কারও বয়স ছিল মাত্র তিন বছর। আদালত প্রত্যেক নির্যাতিত শিশুকে…
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতিতে সাম্প্রতিক একটি আইনি মোড় বাংলাদেশের রপ্তানি অর্থনীতির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করে যেভাবে বিভিন্ন দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট সেই ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ করায় নীতিগত অনিশ্চয়তা কিছুটা হলেও কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নাটকীয় পরিবর্তন না আনলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতসহ রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক খাত একটি প্রধান স্তম্ভ, আর এই খাত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি বা বাণিজ্য বিধিতে হঠাৎ পরিবর্তন হলে তার প্রভাব সরাসরি পড়ে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে, কর্মসংস্থানে এবং বৈদেশিক মুদ্রা…
মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরেই জটিল সমীকরণ, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও কৌশলগত জোটের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তবে সাম্প্রতিক এক অবকাঠামো উদ্যোগ এই অঞ্চলের শক্তির ভারসাম্যে নতুন আলোড়ন তুলতে পারে। সৌদি আরব যে ফাইবার অপটিক কেবল প্রকল্পে সিরিয়াকে ট্রানজিট দেশ হিসেবে বিবেচনা করছে—এটি কেবল একটি প্রযুক্তিগত বা বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নয়; বরং এটি আঞ্চলিক ভূরাজনীতির গভীর পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত বহন করছে। ভূমধ্যসাগর হয়ে সৌদি আরবকে গ্রিসের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পিত এই কেবল প্রকল্প এখন মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার খেলায় নতুন অধ্যায় রচনা করতে যাচ্ছে। প্রাথমিক আলোচনায় ধারণা ছিল, কেবলটি ইসরায়েল হয়ে যাবে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরব-ইসরায়েল সম্পর্কের উষ্ণতার ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখা হচ্ছিল। কিন্তু রিয়াদের নতুন অবস্থান—সিরিয়া হয়ে গ্রিসের…
ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও নতুন করে প্রযুক্তি ও সামরিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, মানুষের মতো দেখতে হিউম্যানয়েড রোবট হাতে অ্যাসল্ট রাইফেল নিয়ে চলাফেরা করছে। দাবি করা হয়, চীন নাকি যুদ্ধের জন্য রোবট সৈন্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছে। এমন দৃশ্য স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল ও উদ্বেগ—দুটোই তৈরি করে। কিন্তু প্রযুক্তির যুগে ভাইরাল মানেই সত্য—এ ধারণা এখন আর নিরাপদ নয়। সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ বলছে, আলোচিত ভিডিওটি সম্ভবত কৃত্রিমভাবে তৈরি বা বিভ্রান্তিকর। প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, ততই বাস্তব আর কৃত্রিমের সীমারেখা ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। এআই-জেনারেটেড ভিডিও, ডিপফেক এবং ভিজ্যুয়াল ম্যানিপুলেশন এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সাধারণ দর্শকের পক্ষে সত্যতা যাচাই…
ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই ইতিহাস, ভূগোল, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সুতোয় বাঁধা। মাঝেমধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন এই সম্পর্কে সাময়িক শীতলতা আনলেও বাস্তবতা হল—দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরতা এত গভীর যে সম্পূর্ণ দূরত্ব কখনওই স্থায়ী হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনাপ্রবাহ আবারও সেই সত্যকে সামনে এনে দিয়েছে। ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক করার উদ্যোগ এবং কূটনৈতিক যোগাযোগের নতুন গতি ইঙ্গিত দিচ্ছে—দুই দেশই সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে হাঁটছে। গত কয়েক বছরে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক একাধিকবার চাপে পড়েছিল। বিশেষ করে ২০২৪ সালের পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণ ভিসা প্রায় স্থগিতের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। চিকিৎসা ও সীমিত ডাবল-এন্ট্রি ভিসা ছাড়া সাধারণ মানুষের জন্য ভারতে যাতায়াত…
আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের অধীনে নতুন দণ্ডবিধি ঘোষণার খবর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আবারও মানবাধিকার নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক এই আইনি পরিবর্তন শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ নীতিমালার বিষয় নয়; এটি রাষ্ট্র, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, নারীর অধিকার এবং আধুনিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সংঘাতকে নতুন করে সামনে এনেছে। বিশেষভাবে বিতর্ক তৈরি হয়েছে সেই ধারাকে ঘিরে, যেখানে বলা হয়েছে—স্ত্রী বা সন্তানের ওপর শারীরিক শাস্তি প্রয়োগ করা যাবে, যতক্ষণ না ‘হাড় ভাঙা’ বা দৃশ্যমান গুরুতর জখম ঘটে। মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, এই বিধান কার্যত পারিবারিক সহিংসতাকে আইনি ছায়া দিচ্ছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯০ পৃষ্ঠার এই দণ্ডবিধিতে তালেবান তাদের বহু পুরোনো কঠোর সামাজিক ও ধর্মীয় ব্যাখ্যাকে আনুষ্ঠানিক আইনি কাঠামোর…
বাংলাদেশে ‘মব ভায়োলেন্স’ বা দলবদ্ধ সহিংসতা নতুন কোনো ঘটনা নয়, কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর তীব্রতা এবং ঘনঘটা যেভাবে বেড়েছে, তা দেশজুড়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। নবনির্বাচিত সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়িত্ব নিয়েই ঘোষণা দিয়েছেন—‘মব কালচারের দিন শেষ’। এই ঘোষণাটি নিঃসন্দেহে জনমনে কিছুটা স্বস্তি এনেছে। কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেছে: রাজনৈতিক ঘোষণা কি বাস্তব পরিস্থিতি বদলাতে পারবে? নাকি এটি হবে আরেকটি প্রতিশ্রুতি, যা সময়ের সঙ্গে ম্লান হয়ে যাবে? বাস্তবতা হলো, মব সহিংসতা শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়; এটি সামাজিক মানসিকতা, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং বিচারব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত একটি জটিল সংকট। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়জুড়ে মব সন্ত্রাস ও গণপিটুনির ঘটনা বারবার আলোচনায় এসেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য…