…
এডিটর পিক
একটি চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন ৩৫ বছর বয়সী এক যুবক। হঠাৎ মোটরসাইকেলে করে…
Trending Posts
-
জার্মানির জেন জি বিক্ষোভ: সমৃদ্ধ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত কেন?
নভেম্বর ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
বাংলাদেশের মানুষ কি চায় শেখ হাসিনা ফিরুক? জরিপ কী বলে?
নভেম্বর ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
লিসবনের ভূমিকম্প: এক বিপর্যয় কীভাবে ঈশ্বর, রাষ্ট্র ও মানুষের চিন্তাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল?
নভেম্বর ১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
জার্মানির জেন জি বিক্ষোভ: সমৃদ্ধ দেশের তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চিত কেন?
নভেম্বর ১, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
বাংলাদেশের মানুষ কি চায় শেখ হাসিনা ফিরুক? জরিপ কী বলে?
নভেম্বর ৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
লিসবনের ভূমিকম্প: এক বিপর্যয় কীভাবে ঈশ্বর, রাষ্ট্র ও মানুষের চিন্তাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল?
নভেম্বর ১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
- বাংলাদেশের মানুষ কি চায় শেখ হাসিনা ফিরুক? জরিপ কী বলে?
- মানুষের শরীরের ৮ শতাংশ ডিএনএ এসেছে প্রাচীন ভাইরাস থেকে!
- রাহুল গান্ধী কি সত্যিই ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে চান?
- তথ্য পাচার করছে পুলিশ! নজরদারিতে ২ হাজার কর্মকর্তা
- প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা: মানুষের অস্তিত্বের জন্যই বড় হুমকি
- ৯ মাসে ২,৬৫৯ হত্যা, ৫,৩৮১ ধর্ষণ মামলা
- ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা যা ঘটছে
- কংগ্রেস হাতছাড়া ট্রাম্পের, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন ঝড়!
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাজেট একটি দেশের অর্থনৈতিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল। প্রতি বছর বাজেট ঘোষণার সময় সরকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দেয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের পরও একই ধরনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তবে প্রশ্ন হলো, বাজেটের আকার যত বড় হচ্ছে, সাধারণ মানুষের জীবনে তার বাস্তব সুফল কতটা পৌঁছাচ্ছে? বাংলাদেশের মতো জনবহুল এবং সীমিত সম্পদের দেশে বাজেট প্রণয়ন সব সময়ই একটি কঠিন কাজ। কারণ সরকারকে একসঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, অবকাঠামো, সামাজিক নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক ব্যয়—সব খাতের প্রয়োজন বিবেচনায় নিতে হয়। ফলে বাজেটে উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে…
ওমান উপসাগরে চলতি সপ্তাহে একের পর এক জাহাজে হামলার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। বিশেষ করে ভারতীয় নাবিকদের বহনকারী জাহাজগুলো এই হামলার শিকার হওয়ায় বিষয়টি শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রশ্নেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহ এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপরও এর গভীর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ হামলার ঘটনাটি ঘটেছে গিনি-বিসাউয়ের পতাকাবাহী ‘জলবীর’ নামের একটি জাহাজে, যেখানে ২০ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, জাহাজটি ইরানের তেল বহন করছিল এবং তাদের আরোপিত অবরোধ ভঙ্গ করার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনার মাত্র একদিন আগেই আরেকটি তেলবাহী জাহাজ ‘সেট্টেবেলো’-তে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হন। ফলে কয়েক দিনের…
জেফরি এপস্টিনের নাম বিশ্বজুড়ে আলোচিত হয়ে আছে এক ভয়ংকর যৌন শোষণ ও প্রভাবের জালের কারণে। তাঁর মৃত্যুর বহু বছর পরও নতুন নতুন নথি, সাক্ষ্য এবং তদন্ত প্রকাশিত হচ্ছে, যা তাঁর চারপাশে গড়ে ওঠা বিস্তৃত নেটওয়ার্ক সম্পর্কে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত নথিপত্র ও দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন একজন মডেলিং এজেন্টের নাম, যিনি দীর্ঘদিন ধরে তরুণী মডেলদের এপস্টিনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেন। তিনি হলেন রামসে এল্কহোলি। একসময় নিউইয়র্কের মডেলিং জগতে পরিচিত মুখ ছিলেন এল্কহোলি। তিনি নিজেকে একজন সফল মডেল এজেন্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তাঁর পরিচালিত সংস্থা বিভিন্ন দেশ থেকে নতুন মডেল খুঁজে এনে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্যাশন বাজারে…
যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতীকী বিজয় অনেক সময় বাস্তবতার চেয়ে বেশি আলোচিত হয়। ইতিহাসের পাতায় এমন অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে, যেখানে একটি পতাকা উত্তোলন, একটি দুর্গ দখল কিংবা একটি কৌশলগত স্থানের নিয়ন্ত্রণকে বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু সেই প্রতীকী বিজয়ের আড়ালে অনেক সময় লুকিয়ে থাকে দীর্ঘমেয়াদি সংকট, সামরিক ব্যর্থতা এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা। লেবাননের প্রায় ৯০০ বছরের পুরোনো বিউফোর্ট দুর্গ দখলকে ঘিরে ইসরায়েলে যে উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে, তা এমনই এক বাস্তবতার দিকে নতুন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। দক্ষিণ লেবাননের পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত বিউফোর্ট দুর্গ মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ক্রুসেডারদের নির্মিত এই দুর্গ শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিভিন্ন সামরিক শক্তির নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কৌশলগত অবস্থানের…
ডিজিটাল যুগে তথ্যের প্রবাহ যেমন দ্রুত হয়েছে, তেমনি বেড়েছে অপতথ্য, গুজব এবং ভুয়া কনটেন্টের বিস্তার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারের ফলে এখন কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই একটি তথ্য লাখো মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। কিন্তু সেই তথ্য যদি সত্য না হয়, তাহলে তা ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সমাজ এমনকি রাষ্ট্রের জন্যও বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক এবং অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ভুয়া তথ্য, মানহানিকর কনটেন্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর ছবি, ভিডিও ও অডিওর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই বাস্তবতায় সরকার সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে, যা নতুন করে জনপরিসরে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।…
একটি রাষ্ট্র যখন সন্ত্রাসবাদ দমনের জন্য কঠোর আইন প্রণয়ন করে, তখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা থাকে সেই আইন ব্যবহার হবে সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, উগ্রবাদী ও সহিংস গোষ্ঠীগুলোকে দমন করতে। কিন্তু যখন সেই আইনই নিরপরাধ শিশু-কিশোরদের জীবনে ভয়াবহ দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন প্রশ্ন উঠতে বাধ্য—আইনের উদ্দেশ্য কি সত্যিই পূরণ হচ্ছে, নাকি আইনের প্রয়োগই হয়ে উঠছে নতুন অন্যায়ের হাতিয়ার? চট্টগ্রামের কয়েকজন কিশোরের অভিজ্ঞতা সেই প্রশ্নকেই সামনে নিয়ে এসেছে। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর ছিল একটি সাধারণ শুক্রবার। ষোলো বছর বয়সী ইয়াসিন দীর্ঘ দুই বছর পর তার শৈশবের বন্ধু ওয়াসিফের সঙ্গে দেখা করে। তারা দুজনই চট্টগ্রামের বাইতুশ শরফ মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষে…
মধ্যপ্রাচ্য আবারও অগ্নিগর্ভ। কয়েক মাস আগেও যখন ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন অনেকেই ভেবেছিলেন অঞ্চলটি হয়তো ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার পথে এগোচ্ছে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সেই আশাকে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রকাশ্যে সংযমের আহ্বান জানালেন এবং ইসরায়েলকে তাৎক্ষণিক প্রতিশোধমূলক হামলা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করলেন, তখন ধারণা করা হয়েছিল পরিস্থিতি হয়তো নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই থাকবে। কিন্তু মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ইসরায়েলের বিমান হামলা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—মধ্যপ্রাচ্যে কি আবার পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হতে যাচ্ছে? এই ঘটনার সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রকাশ্য অবস্থান এবং ইসরায়েলের বাস্তব…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রতিটি নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ থাকে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা। দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক চাপ, প্রশাসনিক জটিলতা এবং দুর্নীতির মতো বহুমাত্রিক সমস্যার মধ্যে দায়িত্ব গ্রহণকারী যে কোনো সরকারের জন্য এটি সহজ কাজ নয়। বর্তমান বিএনপি সরকারের ক্ষেত্রেও বাস্তবতা ভিন্ন নয়। নির্বাচনি ইশতেহারে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও খাতভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) সতর্ক করে জানিয়েছে, সুশাসনের ঘাটতি, দলীয় প্রভাব, প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং দুর্নীতিবিরোধী দৃঢ় অবস্থানের অভাব সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পথে গুরুত্বপূর্ণ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। সরকারের প্রথম একশ দিনের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে টিআইবি…
ভারতের রাজনীতিতে প্রতিবাদ, আন্দোলন এবং নতুন রাজনৈতিক শক্তির আবির্ভাব নতুন কোনো ঘটনা নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে আন্দোলনটি সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে, তার নাম শুনলে অনেকেই অবাক হন। নামটি হলো ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সংক্ষেপে সিজেপি। বাংলায় যার অর্থ দাঁড়ায় ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’। কয়েক সপ্তাহ আগেও এই নামের কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের অস্তিত্ব ছিল না। অথচ অল্প সময়ের মধ্যেই এটি ভারতের লাখো তরুণের ক্ষোভ, হতাশা এবং বঞ্চনার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, এটি শুধু একটি অনলাইন প্রচারণা নয়; বরং ভারতের তরুণ সমাজের দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। ঘটনার সূত্রপাত হয় ভারতের একজন শীর্ষ বিচারকের একটি মন্তব্যকে…
সীমান্তের কাঁটাতারের দুই পাশে দাঁড়িয়ে আছে দুটি রাষ্ট্র। মাঝখানে একটি সরু ফাঁকা ভূখণ্ড—যাকে বলা হয় ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ বা শূন্যরেখা। সাধারণত এটি মানচিত্রের একটি প্রযুক্তিগত শব্দ মাত্র। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় এই শূন্যরেখা পরিণত হয়েছে মানবিক সংকটের প্রতীকে। সেখানে দিনের পর দিন আটকে থাকছেন নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা। তাদের কারও হাতে নেই খাবার, কারও কাছে নেই বিশুদ্ধ পানি, কারও মাথার ওপর নেই আশ্রয়। রোদ, বৃষ্টি, ঝড় আর অনিশ্চয়তার মধ্যে তারা অপেক্ষা করছেন—কোন দেশ তাদের গ্রহণ করবে, কিংবা আদৌ কেউ তাদের মানুষ হিসেবে স্বীকার করবে কি না। পশ্চিমবঙ্গের মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব ডেমোক্রেটিক রাইটস (এপিডিআর) সম্প্রতি…