…
এডিটর পিক
বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এমন এক সময়ের দিকে এগোচ্ছে, যেখানে সামরিক সক্ষমতা আর শুধু অস্ত্র আমদানির…
Trending Posts
-
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
জানুয়ারি ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সাথে ৬০৮ কোটি টাকার চুক্তিতে বাংলাদেশ
- চিকেন নেক বাঁচাতে বাংলাদেশের তিন পাশে পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত
- সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কেন?
- আমরা কি মেরুদণ্ড আছে এমন বিরোধীদল এবারও পাবো না?
- মধ্যপ্রাচ্য ইরানের বিক্ষোভে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে ছাত্রীকে হত্যা
- ইতিহাসের বৃহত্তম আর্সেনিক বিষক্রিয়া হচ্ছে বাংলাদেশে
- ইরানে বিক্ষোভে যে বিপদে ইসরায়েল
- নির্বাচনের পর কী করবেন ইউনূস?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশে যখন সরকার পরিবর্তনের হাওয়ায় ‘সংস্কার’ নামক রঙিন ফানুস উড়ছে, তখন সেই ফানুসের নিচেই চাপা পড়ে যাচ্ছে একের পর এক সংখ্যালঘুদের আর্তনাদ। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকে যে আশার আলো দেখা গিয়েছিল, তা এখন ধীরে ধীরে কালো ধোঁয়ায় পরিণত হচ্ছে—আর সেই ধোঁয়ার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি যাদের শ্বাসনালীতে জমেছে, তারা এই দেশেরই নাগরিক—ধর্মীয় সংখ্যালঘু, যাদের নাকি নীতিগতভাবে “সবচেয়ে সমান অধিকার” থাকার কথা। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান নেতারা স্পষ্ট ভাষায় বলছেন, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত কোনো কমিশনেই তাদের অংশগ্রহণ নেই। সংবিধান সংশোধন, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস, বা এমনকি ন্যূনতম মতামতের জায়গাগুলোতেও তাদের ডাকা হয়নি। অর্থাৎ ‘সংলাপের বাংলাদেশে’ সংখ্যালঘুদের জন্য কোনো চেয়ারের ব্যবস্থা…
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে, গণঅভ্যুত্থানের মাত্র এক মাস পর ড. মো. মাহবুবুল আলম একটি নিবন্ধে বলেছিলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ হতে দেয়া যাবে না।” তখন প্রায় সবাই আশাবাদী ছিলেন যে, দেশের রাজনৈতিক সংস্কার ও পুনর্গঠনের জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। কিন্তু ২০২৫ সালের জুলাইতে এসে সেই আশাবাদ এখন প্রশ্নবিদ্ধ—বাংলাদেশ কি সত্যিই আবারো একটি বড় সুযোগ হারালো? কোটা সংস্কার থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন এক সময় একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে সার্বজনীন গণআন্দোলনে রূপ নেয়। সব মত-পথ, ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে এক হয়েছিলেন। দেশের মানুষ আশা করেছিল, অন্তর্বর্তী সরকার স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সঙ্গে পথ দেখাবে। কিন্তু সেই আশা অনেক ক্ষেত্রেই পূরণ হয়নি। একটি বড় বিভ্রান্তির…
রংপুরের গংগাচড়ার সাম্প্রতিক ঘটনাটি বাংলাদেশের বর্তমান ধর্মীয় সহনশীলতা, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। একটি সন্দেহভাজন ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে কীভাবে একটি সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে, এই ঘটনাই তার নির্মম উদাহরণ। বেতগাড়ী ইউনিয়নের এক কিশোরের বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্মের নবী সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ ওঠার পরপরই প্রশাসন তাকে গ্রেপ্তার করে এবং সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করে কারাগারে পাঠায়। অথচ প্রশাসনিক এই পদক্ষেপের পরও সহিংসতা ঠেকানো যায়নি। অভিযোগ ওঠে, মাইক ব্যবহার করে উত্তেজনা সৃষ্টি করে হাজারো মানুষকে উসকে দিয়ে হামলা চালানো হয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘরে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, কিশোরটি নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং…
টাকা ছাপানো নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেক সময়েই একটি সহজ ধারণা থাকে—সরকার চাইলে তো কাগজে ছাপ দিয়ে যত খুশি টাকা তৈরি করতে পারে, তাহলে অর্থনৈতিক সংকট কেন? নিত্যপণ্যের দাম বাড়লে কেন তা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না? অথবা ব্যাংকে টাকা না থাকলে সরকার চাইলেই তো নতুন টাকা ছাপাতে পারে! অথচ অর্থনীতির বাস্তবতা বলছে, টাকা ছাপা যতটা সহজ মনে হয়, এর ফলাফল ততটাই ভয়াবহ হতে পারে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় ভিত্তি হচ্ছে তার মুদ্রা, অর্থাৎ টাকার ওপর মানুষের আস্থা। এই আস্থা তৈরি হয় অর্থনীতির বাস্তব শক্তির ওপর দাঁড়িয়ে—দেশে কত পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে, কতটা সেবা দেওয়া হচ্ছে, দেশের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ কত,…
ইতিহাস আমাদের শেখায়, অস্ত্র নয়, অস্ত্রের কৌশলই শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের ভাগ্য নির্ধারণ করে। প্রাগৈতিহাসিক যুগে হাতে ধরা পাথর বা তির–ধনুক যেমন যুদ্ধের প্রাথমিক রূপ দিয়েছিল, ঠিক তেমনি আজকের দিনে শব্দের চেয়েও গতি সম্পন্ন হাইপারসনিক মিসাইল, রাডার-অদৃশ্য বিমান ও ড্রোন প্রযুক্তি বিশ্ব রাজনীতির ভারসাম্য পাল্টে দিচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই আধুনিক যুদ্ধ বাস্তবতায় বাংলাদেশ কতটুকু প্রস্তুত? আমাদের কি নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার চেষ্টা আছে, নাকি আমরা এখনো ‘কেউ আক্রমণ করবে না’ এমন আশ্বাসেই নিশ্চিন্ত? ইতিহাসে ফিরে তাকালে দেখা যায়, যুদ্ধ সবসময় প্রত্যক্ষ অস্ত্র দিয়ে শুরু হলেও, শেষ পর্যন্ত বিজয় নির্ধারিত হয় কৌশলগত ক্ষমতা ও প্রযুক্তির আধিপত্যের ওপর। প্রাচীন ভারতে ঘোড়সওয়ারের জন্য…
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনগুলোর ইতিহাসে উমামা ফাতেমার নামটি একসময় ছিল একটি পরিচিত প্রতীক—আন্দোলনের মুখপাত্র, সাহসী কণ্ঠ, এক স্বপ্নবিলাসী ছাত্রনেত্রী। কিন্তু আজ, নিজ মুখে সেই উমামাই বলছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া ছিল তাঁর জীবনের এক ‘ট্র্যাজিক’ অভিজ্ঞতা। দুই ঘণ্টা ২৪ মিনিটের দীর্ঘ এক ফেসবুক লাইভে তিনি শুধু নিজের হতাশার কথা জানাননি, বরং তুলে ধরেছেন এমন সব অভিযোগ ও অভিজ্ঞতা, যা শুধুই ব্যক্তি-কেন্দ্রিক নয়, বরং গোটা আন্দোলনের শুদ্ধতা, নৈতিকতা এবং ভবিষ্যৎকে নিয়েই প্রশ্ন তোলে। উমামা ফাতেমার ভাষ্যমতে, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান ছিল এক অনন্য অভিজ্ঞতা। মানুষের রাস্তায় নেমে আসা, গণদাবির ঝড়, এবং রাষ্ট্রীয় অবিচারের বিরুদ্ধে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের জাগরণ—সবকিছু মিলিয়ে তা ছিল যেন…
ঢাকার গুলশানে সাবেক এক এমপির বাড়িতে গিয়ে ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনাটি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, বরং সাম্প্রতিক সময়ে শেখ হাসিনা বিরোধী গণআন্দোলনের ব্যানারে গড়ে ওঠা সংগঠনগুলোর ভেতরে ক্রমবর্ধমান দুর্বৃত্তায়নের একটি পরিষ্কার প্রতিফলন। যেসব প্লাটফর্ম একসময় ছাত্র নেতৃত্ব ও আদর্শিক সংগ্রামের প্রতীক ছিলো, এখন সেই একই নামধারী নেতারাই ধরা পড়ছেন চাঁদাবাজির মতো অপরাধে। প্রথম আলোচনায় আসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ এবং এনসিপির মতো সংগঠনগুলোর কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ। এই তিনটি সংগঠনই শেখ হাসিনার সরকার পতনের আন্দোলনে সরব ছিলো। কিন্তু আন্দোলনের সাফল্য ও জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে একশ্রেণির লোক…
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পূর্বঘোষিত সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক সহিংসতা দেশের রাজনীতি ও মানবাধিকার বাস্তবতার একটি উৎকট প্রতিচ্ছবি। ১৬ জুলাইয়ের ওই ঘটনায় প্রাণ হারান পাঁচজন, আহত ও গ্রেপ্তার হন বহু মানুষ। হামলার ভয়াবহতা ও তার প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণে এগিয়ে আসে ১১ জন বিশিষ্ট নাগরিকের একটি পর্যবেক্ষণ দল, যারা সরেজমিনে গিয়েছিলেন গোপালগঞ্জে। তাঁরা তাদের পর্যবেক্ষণে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করেন, সেখানে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের যৌক্তিকতা তাঁরা পাননি। একইসঙ্গে তাঁরা রাষ্ট্রীয় বাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দমনমূলক আচরণের বিষয়গুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ঘটনার শুরু থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য, হুমকি ও ঘৃণামূলক পোস্ট ঘুরে বেড়াচ্ছিল। একদিকে এনসিপির কিছু নেতার…
একটি মাটির বৃত্তাকার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া পাত্রে বাঁকা ভঙ্গিতে হাঁটু ঠেকিয়ে রাখা অবস্থায়, মিশরীয় কঙ্কাল হাজার হাজার বছর ধরে অক্ষত রয়ে গেছে। ১৯০২ সালে, ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিকরা তাকে খুঁজে পান নুয়ায়রাত nekropolis এর একটি কবর থেকে, যা কায়রো থেকে ১৫০ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত চুনাপাথরের পাহাড়ের ভাঙনে খোদাই করা। তাঁর সময়ের ফেরাউনরা যেমন বিশাল পিরামিড নির্মাণ করছিলেন, এই মানুষটি সম্ভবত একজন মৃৎশিল্পী, যার রেখে যাওয়া সম্পদ ছিল অন্যরকম—তার অত্যন্ত ভালোভাবে সংরক্ষিত ডিএনএ। কেমন করে যেন, তার অস্থি শতাব্দী গ্রীষ্মের কাঁপানো রোদ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় লিভারপুলে রাখা অবস্থায় নাৎসি বোমাবর্ষণের মধ্যেও টিকে ছিল। এখন বিজ্ঞানীরা তার দাঁত থেকে সংগৃহীত অক্ষত ডিএনএ থেকে প্রথম পুরো…
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক ‘পোশাক নির্দেশনা’ জারি ও পরবর্তীতে তা প্রত্যাহার—এই ঘটনাটি যেন কেবল একটি সরকারি অফিসের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং রাষ্ট্রীয় মানসিকতা ও ব্যক্তি-স্বাধীনতা বিষয়ে এক গভীর সংকেত বহন করে। যখন একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা মূলত আর্থিক স্থিতিশীলতা ও নীতিনির্ধারণের দায়িত্বে নিয়োজিত, আচমকাই কর্মীদের পোশাকের ধরন নিয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করতে চায়, তখন প্রশ্ন ওঠে—ব্যাংক কি তার কার্যপরিধির বাইরে গিয়ে এক ধরনের ‘নৈতিক পুলিশিং’-এ মেতে উঠছে? এই ঘটনা মনে করিয়ে দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পরিচিত ঘটনাকে—যেখানে এক কর্মচারী নারী শিক্ষার্থীর ওড়না ঠিক করার নির্দেশ দিয়ে তাকে রাস্তায় হেনস্তা করেছিলেন। তখন যেমন সমাজের এক অংশ ওই কর্মচারীকে নৈতিকতার রক্ষাকর্তা হিসেবে দেখে…