…
এডিটর পিক
দীর্ঘ কয়েক দশকের বৈরিতা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, সামরিক উত্তেজনা এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সংঘাতের পর আবারও…
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ট্রাম্পকে অগ্রাহ্য করে ইরানে নেতানিয়াহুর হামলা কী বার্তা দিল?
জুন ৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ট্রাম্পকে অগ্রাহ্য করে ইরানে নেতানিয়াহুর হামলা কী বার্তা দিল?
জুন ৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- তুলে নেবে সব নিষেধাজ্ঞা, অবরুদ্ধ ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র
- দুবাইয়ে বেনজীর গ্রেপ্তার: আইনের শাসনের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
- শিশু ধর্ষণের অভিযোগ পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে: দেশ কোথায় যাচ্ছে?
- রাশিয়ায় মুসলিম আলেমদের গ্রেফতার: নিরাপত্তা অভিযান নাকি ইসলামবিদ্বেষ?
- ইসলামী ব্যাংককে সামলাতে কেন ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক?
- ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
- ৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
- বাঁধের ‘ব্যবসা’: ডুবছে হাওর, পানি নামার পথের বাধা
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে যে রাজনৈতিক ভাষা ও প্রশাসনিক উদ্যোগ সামনে আসছে, তা শুধু একটি রাজ্যের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রশ্ন নয়; এটি নাগরিকত্ব, পরিচয়, ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্রক্ষমতার ব্যবহারের মতো মৌলিক বিষয়কে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সাম্প্রতিক বক্তব্য ও পদক্ষেপ ঘিরে এই বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে, যেখানে বাঙালি মুসলমান—বিশেষ করে যাদের ‘মিঁয়া’ বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে—তারা সরাসরি রাষ্ট্রক্ষমতার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠছে। বুধবার এক বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, নির্বাচনমুখী আসামে সন্দেহভাজন বিদেশিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই তাদের ‘জাতীয় দায়িত্ব’। এই বক্তব্য এমন এক সময় এসেছে, যখন রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড়…
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন যেন আবারও পরিচিত এক উত্তেজনাপূর্ণ চেহারা নিচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর আগেই ডিম হামলা, হাতাহাতি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, কার্যালয় ভাঙচুর, ব্যানার পোড়ানো—এমন একের পর এক ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রশ্ন উঠছে, ভোটের মাঠে কথার লড়াই কি ধীরে ধীরে সংঘাতে রূপ নিচ্ছে? নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন নয়, কিন্তু এবারের পরিস্থিতি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ—সহিংস ঘটনার বিস্তার, শীর্ষ নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্য এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বাড়তে থাকা শঙ্কা। নির্বাচনের আগেই রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কা করেছিলেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকরা। সেই আশঙ্কা আরও ঘনীভূত হয় যখন…
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত দীর্ঘদিন ধরেই উন্নয়ন, রাজনীতি ও অর্থনীতির এক জটিল সংযোগস্থল। শিল্পায়ন ও প্রবৃদ্ধির কথা বলে যে খাতে বিপুল বিনিয়োগ করা হয়েছে, সেই খাতই এখন দেশের অর্থনীতির জন্য এক বড় বোঝা হয়ে উঠেছে—এমনই চিত্র উঠে এসেছে সদ্য প্রকাশিত এক সরকারি পর্যালোচনায়। এই পর্যালোচনা শুধু বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় ও চুক্তিগত সমস্যার হিসাবই তুলে ধরেনি, বরং ক্ষমতা, রাজনীতি ও কর্পোরেট স্বার্থের মধ্যে গড়ে ওঠা এক গভীর কাঠামোগত সংকটের দিকেও স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে। পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি করার ফলে বাংলাদেশকে প্রতি বছর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হচ্ছে। এই খরচ সরাসরি যুক্ত হচ্ছে বিদ্যুতের…
পিরামিড মানুষের হাতে তৈরি হয়নি—এই ধারণাটি কয়েক দশক ধরে রহস্যপ্রিয় মানুষের কৌতূহল উসকে দিয়ে আসছে। ইতিহাস, বিজ্ঞান ও প্রত্নতত্ত্বের ব্যাখ্যায় যেখানে পিরামিডকে প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার এক অনন্য মানবিক কীর্তি হিসেবে দেখা হয়, সেখানে একটি ভিন্ন ধারার চিন্তাভাবনা দাবি করে—এমন বিস্ময়কর স্থাপনা মানুষের একার পক্ষে তৈরি করা সম্ভব ছিল না। এই বিশ্বাস থেকেই জন্ম নেয় ‘প্রাচীন এলিয়েন’ তত্ত্ব, যার সবচেয়ে পরিচিত ও প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন সুইস লেখক এরিখ ফন ড্যানিকেন। তার মৃত্যু আবারও এই বিতর্কিত ধারণাকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এনে দিয়েছে। ড্যানিকেনের মতে, ভিনগ্রহের প্রাণীরা সরাসরি প্রাচীন মিশরীয়দের সহায়তা করেছিল পিরামিডসহ নানা বিশাল স্থাপনা নির্মাণে। তিনি বিশ্বাস করতেন, এসব এলিয়েন…
নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে কিছু মৌলিক প্রশ্ন—রাষ্ট্রের চরিত্র কী হবে, রাজনীতির ভিত্তি কোথায় দাঁড়াবে, এবং ধর্ম ও ক্ষমতার সম্পর্ক কোন পথে যাবে। এই প্রশ্নগুলোর কেন্দ্রে এসে দাঁড়িয়েছে জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামি শরিয়াহ কায়েমের বিষয়টি। দীর্ঘদিন ধরে দলটি তার রাজনীতিকে “আল্লাহর আইন চাই” স্লোগানের সঙ্গে যুক্ত করে আসলেও সাম্প্রতিক সময়ে সেই অবস্থান নিয়ে এক ধরনের দ্ব্যর্থতা বা কৌশলগত অস্পষ্টতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা রাজনৈতিক ও নৈতিক—উভয় দিক থেকেই বড় এক সংকট তৈরি করেছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পরিভাষা হিসেবে ‘স্ট্র্যাটেজিক অ্যাম্বিগিউইটি’ বহুল পরিচিত। কোনো রাষ্ট্র বা শক্তি যখন ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো বিষয়ে তার অবস্থান স্পষ্ট না করে, বরং…
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে কয়েকজন শিশু ও কিশোরকে প্রকাশ্যে কান ধরে ওঠবস করানোর দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে শিশু নিপীড়নের প্রশ্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে, যেখানে মানবিক মূল্যবোধ, যুক্তিবোধ ও গণতান্ত্রিক চর্চার কথা সবচেয়ে বেশি বলা হয়, সেখানে হাতে লাঠি নিয়ে শিশুদের ভয় দেখিয়ে শাস্তি দেওয়ার ঘটনা অনেককেই বিস্মিত করেছে। সমালোচনার মুখে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা দায় স্বীকার করে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও মূল প্রশ্নটি থেকেই গেছে—এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটছে কেন, আর কেনই বা শিশু নিপীড়ন থামানো যাচ্ছে না। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ঢাকার নয়াপল্টনে একটি স্কুলে শিশুকে নির্মমভাবে…
ভারতের একটি রাজ্যে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার খবর প্রকাশের পরই এশিয়াজুড়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। করোনাভাইরাস মহামারির স্মৃতি এখনো মানুষের মনে তাজা, তার মধ্যেই আবার একটি উচ্চ মৃত্যুহারের ভাইরাসের উপস্থিতি গোটা অঞ্চলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে অন্তত পাঁচজনের শরীরে নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর এশিয়ার একাধিক দেশ তাদের বিমানবন্দর ও সীমান্ত এলাকায় কোভিড-১৯ সময়কার মতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার করেছে। থাইল্যান্ড, নেপাল ও তাইওয়ান দ্রুত প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিয়ে দেখিয়েছে—করোনার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা আর ঝুঁকি নিতে চায় না। নিপাহ ভাইরাস নতুন কোনো রোগ নয়, তবে প্রতিবারই এটি সামনে এলে ভয় আরও গভীর হয়। কারণ এই ভাইরাসের…
পারমাণবিক অস্ত্রকে বহু রাষ্ট্রই নিরাপত্তা ও শক্তির প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে। কিন্তু এই শক্তির আড়ালে লুকিয়ে আছে এক দীর্ঘ, নীরব ও বৈশ্বিক মানবিক বিপর্যয়—যার শিকার হয়েছে কোটি কোটি মানুষ। নতুন একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে সেই ভয়াবহ সত্য: ১৯৪৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে পরিচালিত দুই হাজার চারশর বেশি পারমাণবিক পরীক্ষার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবে অন্তত ৪০ লাখ মানুষ অকালে প্রাণ হারিয়েছেন। ক্যানসার, হৃদ্রোগ, জেনেটিক ক্ষতি ও নানা দীর্ঘস্থায়ী অসুখে আক্রান্ত হয়ে এই মৃত্যু ঘটেছে, যার দায় কোনো দেশই আজ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি। নরওয়েজিয়ান পিপলস এইড প্রকাশিত ৩০৪ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পারমাণবিক পরীক্ষা কোনো বিচ্ছিন্ন ইতিহাস নয়;…
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের অজুহাতে যে চুক্তিগুলো একসময় ‘উন্নয়নের প্রতীক’ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল, সেগুলোই এখন দেশের অর্থনীতির গলায় পাথর হয়ে ঝুলছে—এমনই এক কঠোর বাস্তবতার ছবি উঠে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত চুক্তি পর্যালোচনা জাতীয় কমিটির প্রতিবেদনে। বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীনে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর ও রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে রক্তক্ষরণ ঘটানো চুক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে আদানি গ্রুপের সঙ্গে করা বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই একটি চুক্তির কারণেই বাংলাদেশ প্রতিবছর বাড়তি গুনছে ৪০ থেকে ৫০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকার সমান। গত ২৬ জানুয়ারি বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ…
মিনেসোটার মিনিয়াপলিসে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি কেবল একটি পরিবারের দুর্ভাগ্য নয়, এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থার ভেতরে লুকিয়ে থাকা এক নির্মম বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। দুই বছরের একটি শিশুকে আটক করার ঘটনা শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, আদালতের নথি, আইনজীবীদের বক্তব্য এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা আরও ভয়াবহ। এই ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে আইনের শাসন, মানবাধিকার, এমনকি রাষ্ট্রের নৈতিক দায়বদ্ধতাও। বৃহস্পতিবার দুপুরে এলভিস জোয়েল টিই তাঁর দুই বছরের মেয়েকে নিয়ে দোকান থেকে ফিরছিলেন। সাধারণ একটি দিন, সাধারণ একটি পরিবার, যেখানে বাবা-মেয়ের হাতে ছিল হয়তো কেনাকাটার ব্যাগ, আর মনে ছিল ঘরে ফেরার তাড়া। ঠিক সেই সময়েই দৃশ্যপটে হাজির হন ফেডারেল ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস…