…
এডিটর পিক
বাংলাদেশে তীব্র গরম এখন আর নিছক ঋতুগত অস্বস্তি নয়; এটি ধীরে ধীরে একটি অর্থনৈতিক, জনস্বাস্থ্য…
Trending Posts
-
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
- How Bangladesh’s Rakhine Are Losing Their Homeland
- মেগিড্ডো: ইতিহাসের প্রথম নথিবদ্ধ যুদ্ধ
- বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাস নেতিবাচক: অর্থনীতি কি নতুন ঝুঁকির দিকে?
- নিষেধাজ্ঞা নিয়েও যেভাবে টিকে থাকতে চায় আওয়ামী লীগ
- তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
- সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ: কেন? এর অর্থ কী?
- শেখ হাসিনাকে ঘিরে রাজনীতি, প্রত্যর্পণ নিয়ে ভেবে দেখছে দিল্লী
- বাংলাদেশের মানুষের পাঁচটি ঐতিহাসিক ভুল ধারণা
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
২৬ মার্চ—স্বাধীনতার চেতনায় ভাসা একটি দিন। এই দিনেই লাখো মানুষ ছুটে যায় শহীদদের স্মরণে, শ্রদ্ধা জানাতে, ইতিহাসকে মনে রাখতে। কিন্তু যখন সেই দিনেই জাতীয় স্মৃতিসৌধ-এ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার কারণে কয়েকজনকে আটক করা হয়, তখন প্রশ্নটা আর শুধু একটি ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি পরিণত হয় একটি বৃহত্তর সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক বিতর্কে। ‘জয় বাংলা’—যে স্লোগানটি একসময় মুক্তিযুদ্ধের প্রাণশক্তি ছিল, যে স্লোগান বাঙালির সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং স্বাধীনতার প্রতীক—সেই একই শব্দ উচ্চারণ কি আজ অপরাধ হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরে তাকাতে হয় রাষ্ট্রের সংবিধান, আইনের ব্যাখ্যা এবং নাগরিক অধিকারের মৌলিক কাঠামোর দিকে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ‘জয় বাংলা’…
১৯৭১—এই একটি বছরই বাঙালির ইতিহাসকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে। রক্ত, ত্যাগ আর অদম্য সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় একটি স্বাধীন রাষ্ট্র—বাংলাদেশ। এই মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মিত্র। সীমান্ত খুলে দেওয়া, শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া, সামরিক সহায়তা প্রদান—সব মিলিয়ে ভারত এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু ইতিহাসের পাতা যখন উল্টে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের দিকে তাকানো হয়, তখন একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন ধীরে ধীরে সামনে আসে—এই মিত্রতা কি নিখাদ ছিল, নাকি এর ভেতরে লুকিয়ে ছিল কৌশলগত স্বার্থ, যেখানে লাভের পাল্লা ভারী হয়েছে ভারতের দিকেই? মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাধ্যমে শুধু একটি দেশের জন্ম হয়নি; দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতেও একটি বড় পরিবর্তন ঘটে। পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার মাধ্যমে…
বিশ্বের মানচিত্রে এমন কিছু জায়গা আছে, যেগুলো চোখে ছোট মনে হলেও বাস্তবে পুরো পৃথিবীর অর্থনীতি তাদের ওপর নির্ভর করে। হরমুজ প্রণালী ঠিক তেমনই একটি নাম—সংকীর্ণ জলপথ, কিন্তু এর ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয় বিশ্বের জ্বালানি অর্থনীতির রক্তধারা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তাপ যখন বাড়ছে, তখন এই প্রণালীকে ঘিরে নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, আর সেই বাস্তবতার ভেতরে হঠাৎ করেই উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম—একটি “অনুমোদিত” দেশ হিসেবে। ইরান ঘোষণা দিয়েছে, যুদ্ধাবস্থার মধ্যেও কিছু নির্দিষ্ট দেশকে তারা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ব্যবহারের অনুমতি দেবে। সেই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তান। প্রথম শুনতে এটি স্বস্তির খবর মনে হতে পারে—কারণ জ্বালানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য হরমুজ প্রণালী খোলা…
বাংলাদেশের জ্বালানি খাত নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা হঠাৎ করে তৈরি হয়নি; বরং বৈশ্বিক ভূরাজনীতি, বাজারের অনিশ্চয়তা, অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা এবং মানুষের আচরণ—সব মিলিয়েই একটি জটিল বাস্তবতা তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা, বিশ্ববাজারে তেলের দামের অস্থিরতা বাড়িয়েছে। আর সেই ঢেউ এসে লেগেছে ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরের পেট্রল পাম্পে, যেখানে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন, উদ্বেগ, এবং একধরনের অনিশ্চয়তার ছাপ। সরকার বলছে, দেশে জ্বালানির প্রকৃত সংকট নেই। মজুত রয়েছে, সরবরাহ ব্যবস্থা সচল আছে, এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতে পারলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিন্তু বাস্তব চিত্রে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন কিছু—পাম্পে ভিড়, কোথাও কোথাও সরবরাহ বন্ধ, আবার কিছু…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৭ সালের এক-এগারো এক অস্বাভাবিক, জটিল এবং বিতর্কিত অধ্যায়। সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ, ক্ষমতার পুনর্বিন্যাস, সেনাবাহিনীর ভূমিকা এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে, কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই অধ্যায়ের অনেক প্রশ্নই অমীমাংসিত থেকে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর গ্রেপ্তার আবারও সেই পুরোনো অধ্যায়কে সামনে নিয়ে এসেছে। যেন ইতিহাস নতুন করে প্রশ্ন তুলছে—কী হয়েছিল সেই সময়, কারা ছিলেন নেপথ্যে, আর সেই ক্ষমতার খেলায় কে কতটা দায়ী। এক-এগারোর সময় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। তখন তিনি সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশনের জিওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, তিনি…
ডাইনোসরদের প্রভাব পৃথিবীর ওপর এতটাই গভীর ছিল যে তাদের বিলুপ্তি গ্রহটির ভূদৃশ্যে নাটকীয় ও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে—যেমন নদীর গতিপথ পর্যন্ত বদলে গেছে। প্রায় ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে ক্রিটেসিয়াস–প্যালিওজিন বিলুপ্তি ঘটনার সময়, যখন চিক্সুলুব গ্রহাণু ইউকাতান উপদ্বীপে আঘাত হানে, তখন ডাইনোসরদের মৃত্যু ঘটে। এর আগে ও পরে উত্তর আমেরিকার কিছু শিলা গঠনে স্পষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, ডাইনোসরদের সময়কার হেল ক্রিক গঠনের সবুজ-ধূসর কাদাপাথর পরবর্তী সময়ে ফোর্ট ইউনিয়ন গঠনের রঙিন স্তরে রূপান্তরিত হয়, যেখানে প্রচুর লিগনাইট (এক ধরনের নিম্নমানের কয়লা) পাওয়া যায়, যা উদ্ভিদ পদার্থ থেকে তৈরি। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের উত্থানের সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। এর আগে ধারণা…
ইরানে চলমান সংঘাতের ভেতর থেকে উঠে আসছে একের পর এক হৃদয়বিদারক খবর। যুদ্ধের পরিসংখ্যান যত বাড়ছে, ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে এই সংঘর্ষের সবচেয়ে বড় শিকার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সমাজ। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ২৪৩ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রাণ হারিয়েছেন। এ সংখ্যা কেবল একটি সংখ্যা নয়, এটি শত শত স্বপ্নের সমাপ্তি, অসংখ্য পরিবারের শোকের ইতিহাস এবং একটি জাতির ভবিষ্যতের ওপর গভীর আঘাতের প্রতিচ্ছবি। যুদ্ধ সাধারণত সীমান্ত, রাজনীতি বা ক্ষমতার লড়াই হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। যখন বোমা পড়ে, তখন তা কোনো পার্থক্য করে না—সে শিশু, শিক্ষক বা সাধারণ মানুষ—সবার ওপরই…
ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে হঠাৎ করেই একটি নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেখা দিয়েছে—যুদ্ধ নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান। মার্কিন ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে একটি ১৫-দফা শান্তি পরিকল্পনা দিয়েছে। যদিও এই পরিকল্পনার কোনো আনুষ্ঠানিক নথি এখনো প্রকাশ্যে আসেনি, তবুও ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একদিকে যুদ্ধের মাত্রা কমানোর কথা বলছেন, অন্যদিকে আবার কঠোর হুঁশিয়ারিও দিচ্ছেন। তার বক্তব্যে দ্বৈত কৌশল স্পষ্ট—একদিকে চাপ সৃষ্টি, অন্যদিকে আলোচনার দরজা খোলা রাখা। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে “এই মুহূর্তে” আলোচনা চলছে এবং উভয় পক্ষই একটি চুক্তির জন্য আগ্রহী। কিন্তু এই…
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা আবারও বিশ্ব রাজনীতির শক্তির ভারসাম্যকে নতুনভাবে নাড়িয়ে দিচ্ছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা যখন একটি বৃহত্তর সংঘাতের দিকে গড়াচ্ছে, ঠিক সেই সময়েই আন্তর্জাতিক কূটনীতির মঞ্চে অপ্রত্যাশিতভাবে নতুন করে দৃশ্যমান হয়েছে পাকিস্তান। একই সঙ্গে এই পরিবর্তন ভারতের জন্য একটি কৌশলগত ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে যখন দেশটির নেতৃত্ব দীর্ঘদিন ধরে নিজেদেরকে একটি বৈশ্বিক শক্তি ও ‘বিশ্বগুরু’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে এসেছে। বর্তমান পরিস্থিতি শুধু একটি আঞ্চলিক সংকট নয়, বরং এটি বিশ্ব রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়, যেখানে পুরোনো সমীকরণ ভেঙে নতুন বাস্তবতা তৈরি হচ্ছে। এই সংকটের কেন্দ্রে রয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বৈরিতা, যা সাম্প্রতিক সময়ে আরও…
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা আবারও বৈশ্বিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে এসে দাঁড়িয়েছে, আর এই জটিল ভূরাজনৈতিক সমীকরণের মধ্যে অপ্রত্যাশিতভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় উঠে এসেছে পাকিস্তান। সাম্প্রতিক এক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা প্রশমনে ইসলামাবাদ নিজেকে সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে। এমনকি আলোচনার সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবেও উঠে এসেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের নাম। এই প্রস্তাবটি শুধু একটি কূটনৈতিক উদ্যোগ নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশের জন্য বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে প্রভাব বিস্তারের একটি বড় সুযোগ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট বুঝতে গেলে প্রথমেই নজর দিতে হয় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের দিকে। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা…