…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় মেয়েদের একটি আবাসিক কওমি মাদ্রাসায় একজন ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার…
Trending Posts
-
হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত ২৬৪ শিশুর মৃত্যু: দায় কে নেবে?
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পুতিনের বার্তা যুদ্ধের নতুন মোড়: ইরানের জন্য যা করতে হয় রাশিয়া করবে
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
এপ্রিল ২৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত ২৬৪ শিশুর মৃত্যু: দায় কে নেবে?
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পুতিনের বার্তা যুদ্ধের নতুন মোড়: ইরানের জন্য যা করতে হয় রাশিয়া করবে
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
এপ্রিল ২৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- তেলের পর মধ্যপ্রাচ্যের মেঘ চুরি করছে আমেরিকা
- মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
- মানুষের হাতেই যেভাবে সৃষ্টি হতে যাচ্ছে ‘মানুষের নতুন প্রজাতি’
- গণভোটের প্রচারে বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা: কারণ কী?
- পারমাণবিক যুগের সূচনা: শুরু হচ্ছে ফুয়েল লোডিং
- গুপ্ত রাজনীতির ক্ষতিকর দিকগুলো
- বাংলাদেশের রেলক্রসিংগুলোতে প্রতিদিন প্রায় একটি করে মৃত্যু ঘটে
- নরসিংদীর মাদ্রাসায় কী ঘটেছে? আবাসিক মাদ্রাসায় মেয়েরা কতটা নিরাপদ?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
রংপুর নগরের একটি কেবল ও ইন্টারনেট ব্যবসা কেন্দ্র করে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তা শুধু একটি স্থানীয় বিরোধ নয়; বরং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ক্ষমতার দ্বন্দ্বের একটি প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, কারাগারে থাকা এক যুবলীগ নেতার ব্যবসা দখলের চেষ্টা, অফিসে গিয়ে হামলা–ভাঙচুর, এমনকি পরিবারসহ হত্যার হুমকি—সব মিলিয়ে ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোড়ন তুলেছে। ঘটনার সূত্রপাত কয়েক দিন আগে। রংপুর নগরের কামাল কাছনা থেকে দখিগঞ্জ শ্মশান এলাকা পর্যন্ত ‘ক্যাবল ওয়ান নেটওয়ার্ক’-এর মাধ্যমে কেবল ও ওয়াই–ফাই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন মহানগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক কাউন্সিলর হারুন অর রশিদ। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।…
পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ নতুন কিছু নয়, কিন্তু এবারের নির্বাচনী লড়াইয়ে যে বিষয়টি কেন্দ্রীয় ইস্যু হয়ে উঠেছে, তা ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে প্রায় নজিরবিহীন—ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া, বা ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর)। সাধারণত উন্নয়ন, দুর্নীতি, মূল্যবৃদ্ধি বা পরিচয় রাজনীতি নির্বাচনের প্রধান আলোচ্য হয়ে ওঠে। কিন্তু এবার পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনকে ঘিরে সবকিছুকে ছাপিয়ে সামনে এসেছে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া, বিবেচনাধীন রাখা এবং নাগরিকদের ভোগান্তির অভিযোগ। ফলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই এক ইস্যুই শেষ পর্যন্ত ভোটের খেলা ঘুরিয়ে দিতে পারে। ভারতের ফেডারেল গণতন্ত্রে নির্বাচন যেন এক চলমান প্রক্রিয়া। প্রতি পাঁচ বছরে লোকসভা নির্বাচন তো আছেই, তার পাশাপাশি প্রায় প্রতি…
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর খবর মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিকে নতুন করে নাড়িয়ে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই ব্যক্তির অনুপস্থিতি শুধু একটি নেতৃত্বের পরিবর্তন নয়; বরং এটি একটি যুগের অবসান এবং এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সূচনা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার প্রেক্ষাপটে সংঘটিত এই ঘটনা এমন এক সময় ঘটল, যখন মধ্যপ্রাচ্য ইতিমধ্যেই উত্তেজনার আগুনে জ্বলছিল। ফলে প্রশ্ন উঠছে—ইসলামি প্রজাতন্ত্র কি আগের মতো টিকে থাকতে পারবে, নাকি এই মৃত্যু ইরানের রাষ্ট্রব্যবস্থাকে গভীরভাবে বদলে দেবে? ১৯৮৯ সাল থেকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে খামেনি শুধু রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না; তিনি ছিলেন ইরানের আদর্শিক কাঠামোর প্রধান রক্ষক। তাঁর নেতৃত্বে ইসলামি প্রজাতন্ত্র একটি জটিল…
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা যখন নতুন করে বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে, তখন একটি প্রশ্ন সাধারণ মানুষ থেকে নীতিনির্ধারক—সবার মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে: যদি পরিস্থিতি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেয়, ইরানের পাশে কি বাস্তবে কোনো শক্তিশালী দেশ দাঁড়াবে? রাশিয়া, চীন কিংবা মুসলিম বিশ্বের বড় রাষ্ট্রগুলো কি সরাসরি সামরিক সহায়তায় এগিয়ে আসবে, নাকি সমর্থন সীমাবদ্ধ থাকবে কূটনৈতিক বিবৃতি ও পরোক্ষ সহযোগিতায়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে শুধু বর্তমান উত্তেজনা নয়, বরং গত কয়েক দশকের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা, জোট রাজনীতি এবং যুদ্ধের ইতিহাস একসঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হয়। বর্তমান বাস্তবতায় ইরান একটি জটিল কৌশলগত অবস্থানে আছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বৈরিতা, অন্যদিকে ইসরায়েলের সঙ্গে ছায়াযুদ্ধ—এই দুই ফ্রন্টে…
খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ইরান মালভূমির দক্ষিণ-পশ্চিমে পারসিস অঞ্চলে বসবাসকারী পার্সিয়ানরা ছিল তুলনামূলকভাবে অজানা এক পাহাড়ি জনগোষ্ঠী। ইতিহাসের বড় মঞ্চে তাদের তেমন কোনো উপস্থিতি ছিল না। কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই জনগোষ্ঠী পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করে—যে সাম্রাজ্য একসময় বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যার ওপর শাসন করত। এই বিস্ময়কর উত্থানের কেন্দ্রে ছিলেন এক অসাধারণ নেতা—সাইরাস দ্য গ্রেট—যার নেতৃত্বে পারস্য সাম্রাজ্য শুধু বিস্তৃতই হয়নি, বরং প্রশাসন, সহনশীলতা ও সাংস্কৃতিক সমন্বয়ের এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। ইতিহাসবিদদের মতে, সাইরাসের আবির্ভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৫৫৯ সালে। তিনি আখিমেনীয় বংশের একজন শাসক হিসেবে পারসিস অঞ্চলের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। প্রথম দিকে তিনি ছিলেন…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা নতুন কিছু নয়, তবে যদি এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে রূপ নেয়, তার অভিঘাত শুধু ওই অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না—এর ঢেউ পৌঁছে যাবে আমদানিনির্ভর দেশ বাংলাদেশেও। বৈশ্বিক অর্থনীতি আজ গভীরভাবে আন্তঃসংযুক্ত; ফলে পারস্য উপসাগরের অস্থিরতা ঢাকার বাজার, শিল্প ও প্রবাসী আয়ের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যে সতর্ক করছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, রপ্তানি প্রবাহ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা উল্লেখযোগ্য ঝুঁকির মুখে পড়বে। বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো আমদানিনির্ভরতা, বিশেষ করে জ্বালানি খাতে। দেশের ব্যবহৃত অপরিশোধিত তেল, পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বড় অংশই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে। এই…
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর খবরে মধ্যপ্রাচ্যে যে উত্তেজনার সূচনা হয়েছিল, তা এখন পূর্ণমাত্রার সামরিক সংঘাতে রূপ নিয়েছে। তেহরান এই ঘটনাকে সরাসরি আগ্রাসন হিসেবে উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যাপক পাল্টা হামলা শুরু করেছে। সর্বশেষ পরিস্থিতিতে ইরানি বাহিনী একাধিক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও রাষ্ট্রীয় সূত্রে জানা গেছে। ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও সংশ্লিষ্ট সামরিক সূত্রের দাবি, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নতুন ঢেউয়ে অন্তত ২৭টি মার্কিন ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। তারা এটিকে “প্রতিশোধের ধারাবাহিক অভিযান” হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং হুঁশিয়ারি…
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে এক গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ইরানি সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত এ তথ্য বিশ্বজুড়ে কৌতূহল, উদ্বেগ এবং নানা ধরনের প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই প্রভাবশালী নেতার মৃত্যু কেবল একটি ব্যক্তির অবসান নয়; বরং এটি ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য এবং বৈশ্বিক কূটনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। খামেনি ছিলেন ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, সুপ্রিম লিডার দেশের সামরিক বাহিনী, বিচারব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণে সর্বোচ্চ ক্ষমতা ভোগ…
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে একাধিক সামরিক ঘটনা ও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার ধারাবাহিকতায়। শনিবার ভোর থেকে শুরু হওয়া উত্তেজনা দ্রুত আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার খবরের পরপরই বিভিন্ন দেশে সামরিক সতর্কতা জারি হয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে এবং কূটনৈতিক মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনাপ্রবাহে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক তথ্য এসেছে ইরানের একটি মেয়েদের স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের মিনাব কাউন্টিতে অবস্থিত একটি মেয়েদের প্রাথমিক বিদ্যালয় তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আলী ফরহাদির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, এই হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে…
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির রাজনীতিতে নতুন করে বিস্ফোরণ ঘটেছে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ভোরে। ইরানের রাজধানী তেহরানসহ একাধিক শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত সামরিক হামলার খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুমকি আসে তেহরান থেকে, আর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এটি সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে অঞ্চলটির সবচেয়ে গুরুতর সামরিক উত্তেজনাগুলোর একটি। প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানা যায়, হামলাগুলো ছিল পরিকল্পিত এবং সমন্বিত। ইসরায়েল এটিকে “প্রি-এম্পটিভ” বা আগাম প্রতিরোধমূলক আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছে। মার্কিন কর্মকর্তারাও নিশ্চিত করেছেন যে অভিযানটি ইরানের সামরিক সক্ষমতা—বিশেষ করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি—দুর্বল করার উদ্দেশ্যে…