…
এডিটর পিক
সাম্প্রতিক সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিরক্ষা চুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়কে ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে,…
Trending Posts
-
কর্মজীবী নারীদের বিষয়ে পোস্ট নিয়ে বিতর্কে জামায়াত, অ্যাকাউন্ট হ্যাকের দাবি
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
শেষ সময়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি ইউনূসের আমেরিকার দাসত্বের প্রমাণ নাকি ভিন্নকিছু
ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
কর্মজীবী নারীদের বিষয়ে পোস্ট নিয়ে বিতর্কে জামায়াত, অ্যাকাউন্ট হ্যাকের দাবি
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
শেষ সময়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি ইউনূসের আমেরিকার দাসত্বের প্রমাণ নাকি ভিন্নকিছু
ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- গত এক বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ৩৩ জন
- প্রবাসী টাকা ঢুকছে বেআইনি পথে, ক্ষতি বছরে ৮-১২ বিলিয়ন ডলার
- জামায়াত নেতার কাছ থেকে ভোটের সিল জব্দ
- শেষ সময়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি ইউনূসের আমেরিকার দাসত্বের প্রমাণ নাকি ভিন্নকিছু
- ধর্মীয় আইনের উৎস, বিবর্তন এবং আধুনিক প্রভাব
- ভারতে বসে বাংলাদেশে ফেরার ছক কষছে পলাতক আওয়ামী লীগ
- ২০২৬ সালে আত্মধ্বংসের পথে হাঁটবে আমেরিকা
- নির্বাচনী প্রচারণায় আক্রমণের নতুন হাতিয়ার এআই দিয়ে বানানো ভিডিও, কী করছে ইসি?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে শুরু হওয়া ছাত্র-ছাত্রীর নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভ, যা দ্রুত ছোট আন্দোলন থেকে পরিণত হয় একটি বৃহৎ গনতান্ত্রিক সাবলীল চ্যালেঞ্জে, সেই আন্দোলন দমাতে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও গোপন আয়োজনগুলোর মাধ্যমে উদ্ধার হয়েছে এক ভয়ানক রূপ। এই সময়ের ঘটনাবলীর তদন্ত শেষে দেশটির International Crimes Tribunal‑1 (ICT-1) ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে রায় ঘোষণা করেছে — সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার রায় দেওয়া হয়েছে। রায় হাইলাইট করেছে, তিনি শুধু সহিংস প্লান ও দমননীতির দাবি পাওয়া রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের অনুমোদকই নন, বরং তার নেতৃত্বাধীন ব্যবস্থাপনাই ছিল ওই মৃত্যুমিছিলের মূল ধাঁচ। বিচারপ্রক্রিয়া, প্রেক্ষাপট, আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক আকস্মিকতা — এই চারখানা দিকে আলোকপাত…
বাংলাদেশের সরকারি বকেয়া ঋণ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২১ ট্রিলিয়ন টাকা অতিক্রম করেছে। দীর্ঘদিনের দুর্বল রাজস্ব সংগ্রহ এবং উচ্চ ব্যয়ের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো এই ঋণ বৃদ্ধিকে দ্রুততর করেছে। অর্থ বিভাগের নতুন ঋণ বুলেটিন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন শেষে মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১.৪৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা এক বছর আগের ১৮.৮৯ ট্রিলিয়ন টাকার তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি। বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯.৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের ৪৪ শতাংশেরও বেশি। গত পাঁচ বছরে বিদেশি ঋণ দ্রুত বেড়েছে—২০২১ সালে যার পরিমাণ ছিল মাত্র ৪.২০ ট্রিলিয়ন টাকা। দেশীয় ঋণও একই সময়ে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১১.৯৫ ট্রিলিয়ন টাকা, যা আগের বছরের ১০.৭৬ ট্রিলিয়ন টাকার…
ম্যানচেস্টারের কুখ্যাত ধর্ষক রেইনহার্ড সিনাগাকে ইন্দোনেশিয়ায় ফেরতের বিনিময়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্রিটিশ নারী লিন্ডসে স্যান্ডিফোর্ডকে মুক্তি দেওয়ার প্রস্তাব—এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নৈতিকতা, আইন, কূটনীতি ও মানবাধিকারের জটিল সম্পর্ককে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। অনলাইন ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কীভাবে এক দেশের ভয়ঙ্কর অপরাধীকে আরেক দেশের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নাগরিকের বিনিময়ে ফেরত দেওয়ার অদ্ভুত প্রস্তাব ব্রিটিশ কূটনীতিতে অবিশ্বাস, অনিশ্চয়তা ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। পুরো ঘটনার কেন্দ্রে রয়েছে দুই ভিন্ন পটভূমির দুই ভিন্ন ধরনের অপরাধী—একজন অমানবিক যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত, আরেকজন আন্তর্জাতিক মাদক পাচারের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। লিন্ডসে স্যান্ডিফোর্ডের বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের অবস্থান ছিল পরিষ্কার—যে কোনো মুক্তি নিঃশর্ত হতে হবে। কারণ ব্রিটেন কোনোভাবেই এমন বন্দি বিনিময় চুক্তি মেনে…
প্রথম প্রেসিডেন্ট মেয়াদের শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের চোখে পাকিস্তান ছিল এক ধরনের ‘প্রতারক মিত্র’। ২০১৮ সালের সেই বহুল আলোচিত পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র গত ১৫ বছরে “বোকার মতো” পাকিস্তানকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা দিয়েছে, আর বিনিময়ে পেয়েছে “মিথ্যা আর প্রতারণা”। সেই ট্রাম্পই আজ পাকিস্তানের নেতাদের হোয়াইট হাউসে ডেকে নিচ্ছেন, তাদের উপহার করা চকচকে কাঠের বাক্সে রাখা খনিজের নমুনা গ্রহণ করছেন, আর ওয়াশিংটনে বসেই ইসলামাবাদের সঙ্গে বড় বড় চুক্তি করছেন। এত নাটকীয় এই ‘উল্টে যাওয়া’ আসলে শুধু কূটনীতির হিসাব নয়; এর ভেতরে জড়িয়ে আছে ট্রাম্প পরিবারের ব্যবসায়িক স্বার্থ, ক্রিপ্টোকারেন্সি, বিরল খনিজ আর দক্ষিণ এশিয়ার অত্যন্ত স্পর্শকাতর নিরাপত্তা রাজনীতি। পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন…
বাংলাদেশিদের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিসা–সংক্রান্ত যে জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা আজ আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়; বরং এটি একটি বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক সংকট, যার শেকড় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক—দু’দিকেই বিস্তৃত। দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে পড়াশোনা, কাজ বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যাঁরা ভিসার জন্য চেষ্টা করছেন, তাঁদের বড় একটি অংশের অভিজ্ঞতাই এখন একই রকম হতাশার। স্কলারশিপ পাওয়া সত্ত্বেও ভিসা না পেয়ে সুযোগ হারানো কিংবা বহু দেশ ঘোরার রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও পর্যটন ভিসা প্রত্যাখ্যান হওয়া—এসব ঘটনা আর ব্যতিক্রম হিসেবে দেখা হয় না। শিক্ষার্থী, দক্ষ কর্মী, পর্যটক—সব শ্রেণির আবেদনকারীকেই সমানভাবে ভিসা জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতির একটি স্পষ্ট উদাহরণ তানজুমান আলম ঝুমার অভিজ্ঞতা।…
ইতিহাস বলে, কোনো সভ্যতার উত্থান কখনোই আকস্মিক নয়—আর পতনও নয় হঠাৎ ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা। মুসলিম সাম্রাজ্যগুলোর ইতিহাসও এর ব্যতিক্রম নয়। একসময় যে মুসলমানরা বিজ্ঞান, দর্শন, চিকিৎসা, জ্যোতির্বিদ্যা, নৌবিজ্ঞান ও প্রশাসনের শীর্ষে ছিল, সেই বিশ্বশক্তির ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়ার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ দিনের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি, ক্ষমতার লড়াই এবং বিলাসিতার দিকে অতিরিক্ত ঝোঁক। উমাইয়া থেকে আব্বাসি, সেলজুক থেকে ফাতেমি, আর অটোমান থেকে মোগল—প্রায় সব সাম্রাজ্যের পতনের বুনিয়াদ একই ধরনের ভুলে গঠিত। উমাইয়া সাম্রাজ্যে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা থাকলেও ক্ষমতা পরিবারের ভেতরে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ ও ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। আব্বাসিদের স্বর্ণযুগে বিজ্ঞান ও শিল্পকলার নতুন মাত্রা যুক্ত হলেও সময়ের…
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এরশাদ হালিমকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার এবং পরবর্তী সময়ে আদালত কর্তৃক কারাগারে পাঠানোর ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গন, শিক্ষক–শিক্ষার্থী সমাজ এবং বৃহত্তর জনমতকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ধীরে ধীরে জমা হলেও বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতে সময় লেগেছে। কিন্তু যখন এক শিক্ষার্থী প্রকাশ্যে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন, তখন তা যেন আগ্নেয়গিরির মতো বিস্ফোরিত হয়ে চারদিকে আলোচনার ঢেউ তুলল। সমাজমাধ্যমে ক্ষোভ ও অপেক্ষমান ক্রোধ বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। অবশেষে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং পুলিশ তাঁকে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠান—যা অনেকের কাছে ন্যায়বিচারের পথে…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে আসন বণ্টন সবসময়ই একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয়। বিশেষ করে যখন একটি বড় জোট বা বহু-দলীয় প্ল্যাটফর্ম আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে সরকারবিরোধী অবস্থানকে শক্তিশালী করে, তখন আসন ভাগাভাগি প্রশ্নটি হয়ে ওঠে রাজনৈতিক কূটকৌশলের কেন্দ্রবিন্দু। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিএনপি পরিস্থিতির ঠিক এমন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে দলটির নিজস্ব কৌশল, শরিকদের প্রত্যাশা, মাঠের বাস্তবতা ও নির্বাচনি উত্তাপ এক জটিল চাপ সৃষ্টি করেছে। বিএনপি গত ৩ নভেম্বর ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করে। ঘোষণা হতেই প্রার্থীরা মাঠে নেমে পড়েছেন, অনেকেই শুরু করেছেন প্রচারণা, কর্মী-সমর্থকদের সক্রিয় করেছেন। ফলে সারাদেশে নির্বাচনি পরিবেশ চাঙা হয়ে উঠেছে। কিন্তু শরিকদের জন্য আসন সমঝোতা এখনো…
ওয়াশিংটন ও মস্কোর সম্পর্ক সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যেভাবে দ্রুত অবনতি হয়েছে, তাতে অনেকের মাঝেই প্রশ্ন উঠেছে—ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত কূটনীতি বা রাজনৈতিক যোগাযোগ কি আদৌ কাজ করছে? দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে তিনি দৃঢ়ভাবে দাবি করেছিলেন, ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার সম্পর্কই ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর চাবিকাঠি হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, যুদ্ধ এখনো পুরোপুরি জারি আছে, আর দুই বিশ্বশক্তি হুমকি ও পাল্টা হুমকির মধ্যেই নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি রাশিয়ার তেল কোম্পানি রসনেফট ও লুকঅয়েল-এর ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। অপরদিকে রাশিয়া তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিতে বুরেভেস্টনিক ক্রুজ মিসাইল ও পোসাইডন আন্ডারওয়াটার ড্রোনের পরীক্ষা চালিয়েছে। এ ছাড়াও দুই দেশই ইঙ্গিত দিয়েছে—তারা পারমাণবিক…
ভারত নিজেদের তৈরি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ফাঁদে সত্যিই কতটা জড়িয়ে গেছে—দিল্লির লালকেল্লার কাছে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বিস্ফোরণ সেই প্রশ্নটাই নতুন করে সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে। সন্ত্রাসবাদী হামলার পর ভারতের অবস্থান সাধারণত খুব স্পষ্ট থাকে—পাকিস্তানকে দায়ী করা, সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদকে কাঠগড়ায় তোলা এবং কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখানোর হুমকি। কিন্তু এবারের হামলার পর ঘটনাপ্রবাহ একেবারেই ভিন্ন। বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত, ২০ জন গুরুতর আহত, শহরের কেন্দ্রস্থলে বিশাল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধারের মতো ঘটনা ঘটলেও সরকার তড়িঘড়ি করে পাকিস্তানের নাম নেয়নি, সীমান্তপারের ‘অপকর্ম’ হিসেবে আঙুলও তোলে না। এতে শুধু রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাই নয়, ভারতীয় গণমাধ্যমও বিস্মিত। এই বিস্ময়ের পেছনে যে জটিল বাস্তবতা কাজ করছে, তা মূলত গত কয়েক…