…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় মেয়েদের একটি আবাসিক কওমি মাদ্রাসায় একজন ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার…
Trending Posts
-
হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত ২৬৪ শিশুর মৃত্যু: দায় কে নেবে?
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পুতিনের বার্তা যুদ্ধের নতুন মোড়: ইরানের জন্য যা করতে হয় রাশিয়া করবে
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
এপ্রিল ২৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত ২৬৪ শিশুর মৃত্যু: দায় কে নেবে?
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
পুতিনের বার্তা যুদ্ধের নতুন মোড়: ইরানের জন্য যা করতে হয় রাশিয়া করবে
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
এপ্রিল ২৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- তেলের পর মধ্যপ্রাচ্যের মেঘ চুরি করছে আমেরিকা
- মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য কেন নতুন ‘মরণফাঁদ’?
- মানুষের হাতেই যেভাবে সৃষ্টি হতে যাচ্ছে ‘মানুষের নতুন প্রজাতি’
- গণভোটের প্রচারে বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা: কারণ কী?
- পারমাণবিক যুগের সূচনা: শুরু হচ্ছে ফুয়েল লোডিং
- গুপ্ত রাজনীতির ক্ষতিকর দিকগুলো
- বাংলাদেশের রেলক্রসিংগুলোতে প্রতিদিন প্রায় একটি করে মৃত্যু ঘটে
- নরসিংদীর মাদ্রাসায় কী ঘটেছে? আবাসিক মাদ্রাসায় মেয়েরা কতটা নিরাপদ?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই অনুষ্ঠেয় গণভোট শুধু একটি সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্ন নয়, বরং এটি সরাসরি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ক্ষমতার কাঠামো নির্ধারণ করে দিতে পারে। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে যে পরিবর্তনগুলো কার্যকর হবে, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল আলোচিত দিক হলো—বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। জুলাই সনদের একটি মৌলিক প্রস্তাব হলো প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণ। বিদ্যমান সংবিধানে প্রধানমন্ত্রী কতবার এবং কত বছর ক্ষমতায় থাকতে পারবেন—সে বিষয়ে কোনো সীমা নেই। এর ফলেই দীর্ঘ সময় ধরে একই ব্যক্তি রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে অবস্থান করতে পেরেছেন। জুলাই সনদ সেই জায়গায় একটি স্পষ্ট সীমারেখা টানতে চায়। এতে বলা হয়েছে,…
ঝালকাঠি জেলার কীর্তিপাশা ইউনিয়নের বাসিন্দা শংকর মুখার্জীর জীবনে ২৭ ডিসেম্বরের সকালটি ছিল অন্য দিনের মতোই। কিন্তু সেই সকালই তার জীবনের গতিপথ বদলে দেয়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো ওয়ারেন্ট দেখানো ছাড়াই সাদা পোশাকে আসা গোয়েন্দা পুলিশ তাকে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরদিন তাকে ২০২২ সালের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়—যে মামলায় দায়েরের সময় তার নামই ছিল না। অভিযোগ করা হয়, তিনি বিএনপির একটি অফিসে হামলা ও ভাঙচুরে জড়িত ছিলেন। অথচ পরিবারের দাবি, এলাকার বাজারসংলগ্ন জমি ও খামার দখলের উদ্দেশ্যেই পুরোনো একটি মামলায় নতুন করে তাকে জড়ানো হয়েছে। এই ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন উদাহরণ নয়; বরং সাম্প্রতিক বাংলাদেশে নির্বিচার আটক ও…
আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাই একটি রাষ্ট্রের সভ্যতার মানদণ্ড। কিন্তু সেই মানদণ্ডে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ছে বাংলাদেশ। মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সর্বশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এক উদ্বেগজনক চিত্র—মাত্র এক বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন অন্তত ৩৩ জন। সংখ্যাটি শুধু পরিসংখ্যান নয়; এর পেছনে রয়েছে ভেঙে পড়া পরিবার, ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত মানুষ এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপর ক্রমশ হারিয়ে যাওয়া আস্থা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডগুলো সংঘটিত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে কেউ পুলিশের হাতে, কেউ যৌথ বাহিনীর অভিযানে, কেউ আবার র্যাব, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, ডিবি পুলিশ, বিজিবি কিংবা কোস্টগার্ডের হেফাজতে প্রাণ হারিয়েছেন। রাষ্ট্রের যেসব বাহিনীর দায়িত্ব ছিল নাগরিকের জীবন…
বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য রেমিট্যান্স শুধু একটি আয়ের খাত নয়, এটি এক অর্থে দেশের অর্থনৈতিক শ্বাসনালি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, আমদানি ব্যয় মেটানো, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ—সবকিছুর সাথেই জড়িয়ে আছে প্রবাসীদের কষ্টার্জিত এই অর্থ। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ আর ব্যাংকের জানালা দিয়ে দেশে ঢুকছে না। ঢুকছে অলিগলি, গোপন মোবাইল নম্বর, অদৃশ্য এজেন্ট আর আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রিত এক সমান্তরাল পথে। এই পথের নাম হুন্ডি—যা এখন আর শুধু অবৈধ লেনদেন নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ “শ্যাডো ব্যাংকিং সিস্টেম”। মধ্যপ্রাচ্য থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া—যেখানেই প্রবাসী বাংলাদেশী আছে, সেখানেই হুন্ডির শক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, ওমান, জর্দান, ইরাকের পাশাপাশি মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরেও এই…
লক্ষ্মীপুরের শান্ত শহর হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে একটি ছোট কিন্তু অত্যন্ত স্পর্শকাতর বস্তু ঘিরে—‘ভোটের সিল’। যে সিলটি একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সবচেয়ে মৌলিক প্রতীক, সেই সিল যখন অবৈধভাবে প্রস্তুত ও সংরক্ষণের অভিযোগে পুলিশের হাতে জব্দ হয়, তখন প্রশ্ন ওঠে শুধু একটি অপরাধ নয়, পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে। ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে লক্ষ্মীপুর সদর থানার অভিযানে জব্দ হওয়া এই সিল এবং এর সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় ঘটনাটিকে আরও বেশি রাজনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব দিয়েছে। পুলিশের ভাষ্যমতে, জাল ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে এসব সিল প্রস্তুত করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন শরীফ ও ব্যবসায়ী সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা…
সাম্প্রতিক সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিরক্ষা চুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়কে ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার কেন্দ্রে এসে দাঁড়িয়েছে একটি প্রশ্ন—এগুলো কি কেবল রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা, নাকি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস–এর নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা “আমেরিকার দাসত্ব” তত্ত্বের বাস্তব প্রমাণ? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য আবেগ বা স্লোগানের বাইরে গিয়ে বাস্তব রাজনীতি, ভূরাজনৈতিক চাপ এবং বাংলাদেশের সামরিক–কূটনৈতিক ইতিহাসের দিকে তাকানো জরুরি। বাংলাদেশের মতো একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রের জন্য প্রতিরক্ষা খাত কখনোই পুরোপুরি আলাদা কোনো বিষয় নয়। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশটি একদিকে যেমন নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে চেয়েছে, অন্যদিকে বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্য রেখে চলার চেষ্টা করেছে। ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া—সব…
বাংলাদেশে তারা এখন অপরাধী, পলাতক, রাষ্ট্রদ্রোহী। কারও বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ, কারও বিরুদ্ধে হত্যা, কারও বিরুদ্ধে লুটপাট আর দুর্নীতির মামলা। অথচ ভারতের কলকাতার ঝলমলে শপিং মলের ফুডকোর্টে বসে কালো কফির কাপ হাতে তাঁরা নির্ভার আড্ডা দিচ্ছেন, ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে হিসাব কষছেন, আর একটাই প্রশ্ন ঘুরেফিরে বলছেন—ফেরা যাবে কবে। এই মানুষগুলোই বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত শাসকদল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। প্রায় দেড় বছর আগে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন দলের প্রধান শেখ হাসিনা। হেলিকপ্টারে চড়ে তিনি পালিয়ে যান ভারতে, পেছনে পড়ে থাকে রক্তাক্ত রাজপথ, শত শত লাশ, আর ভেঙে পড়া এক দীর্ঘ শাসনব্যবস্থা। জাতিসংঘের হিসাবে, সেই জুলাইয়ের দমন-পীড়নে প্রাণ যায় প্রায় ১…
২০২৬ সাল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শুধু আরেকটি ক্যালেন্ডার বছর নয়। অনেক পর্যবেক্ষকের কাছে এটি এমন এক সময়, যখন বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো গণতন্ত্র নিজেই নিজের ভিত নড়বড়ে করে ফেলছে। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রশ্ন উঠছে, আমেরিকা কি ধীরে ধীরে এমন এক পথে হাঁটছে, যেখানে তার শক্তি আর আদর্শ একে অপরের বিপরীতে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। ট্রাম্প ও তাঁর ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টারা যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অবস্থানকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে চাইছেন। উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলসহ বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকার প্রভাব নতুন কায়দায় প্রতিষ্ঠা করাই তাঁদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য পূরণে যদি ট্রান্স-আটলান্টিক পশ্চিমে গড়ে ওঠা বহু দশকের জোট ও আস্থার কাঠামো ভেঙে দিতে হয়, তাতেও তাঁদের আপত্তি নেই। এই দৃষ্টিভঙ্গির কেন্দ্রে রয়েছে একটি…
আসন্ন নির্বাচনী প্রচারণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই যেন নীরবে কিন্তু গভীরভাবে ঢুকে পড়েছে রাজনৈতিক মাঠে। পোস্টার, মিছিল কিংবা সরাসরি বক্তৃতার পাশাপাশি এখন ভোটারদের বড় একটি অংশের কাছে পৌঁছানোর প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, আর সেই মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়ছে এআই দিয়ে বানানো ভিডিও। এগুলোর কিছু নিছক প্রচারণামূলক হলেও বড় একটি অংশে দেখা যাচ্ছে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ, চরিত্রহনন, এমনকি বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা। প্রযুক্তির এই নতুন হাতিয়ার নির্বাচনী রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলছে এবং এর লাগাম টানতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কী করছে—এই প্রশ্ন এখন ক্রমেই বড় হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞরা বহুদিন ধরেই বলে আসছিলেন, এআই ব্যবহারের ব্যাপকতা বাড়লে নির্বাচন হবে তার প্রথম বড়…
যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত ধনকুবের ও দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে প্রকাশিত নতুন বিপুল নথি আবারও বিশ্বরাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন তুলেছে। প্রায় ৩০ লাখের বেশি নথি, লাখো ছবি ও হাজারের কাছাকাছি ভিডিও প্রকাশের পর একে একে উঠে আসছে প্রভাবশালী রাষ্ট্রনেতা, ব্যবসায়ী ও ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের নাম। এরই ধারাবাহিকতায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম সামনে আসার পর এবার আলোচনায় যুক্ত হলো বাংলাদেশের সাবেক ও বর্তমানে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম। যদিও নথিতে সরাসরি শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে যে পরিচয় দেওয়া হয়েছে, তাতে সন্দেহের খুব একটা অবকাশ থাকছে না। নতুন প্রকাশিত নথিগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এপস্টেইনের টিমের সঙ্গে…