Author: ডেস্ক রিপোর্ট

বাংলাদেশে এখন এমন এক সময় চলছে যখন যৌন ও লিঙ্গ বৈচিত্র্য নিয়ে আলোচনা হলেই একদল মানুষ ক্ষেপে উঠছে। বিশেষ করে ট্রান্সজেন্ডার বা রূপান্তরকামী মানুষদের প্রতি বিদ্বেষ, অপমান ও সহিংসতা বেড়ে গেছে। অথচ মজার বিষয় হলো— এই ঘৃণার উৎস আসলে বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে নয়, বরং পশ্চিমা সমাজ থেকে ধার করা এক ধরণের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কৌশল। পশ্চিমে যেভাবে ট্রান্সফোবিয়া বা ট্রান্সবিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছে, ঠিক সেই ছকেই আজ বাংলাদেশে সেই বিদ্বেষ আমদানি করা হচ্ছে। ট্রান্সজেন্ডার মানুষদের নিয়ে ভুল ধারণা নতুন কিছু নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া, ধর্মীয় বক্তা, এমনকি কিছু রাজনীতিবিদের কথাবার্তায় বিষয়টি ভয়ঙ্করভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দাবি করেন, ট্রান্সজেন্ডার পরিচয় নাকি…

Read More

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সম্প্রতি ধর্ম নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “ভোট দিলে জান্নাত” – এই ধরনের প্রচারণা আসলে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা এবং ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের এক জঘন্য উদাহরণ। রিজভীর মতে, এই ধরনের বক্তব্য ইসলামের মৌলিক নীতির পরিপন্থী এবং ধর্মীয় অনুভূতিকে বিকৃত করার শামিল। জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু ভ্রান্ত মানুষ ইসলামের নাম ব্যবহার করে সমাজকে ভুল পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করছে। ধর্মকে বিকৃত করে তারা রাজনৈতিক লাভ হাসিল করতে চায়। তিনি প্রশ্ন করেন, “জামায়াতে ইসলামী…

Read More

সয়াবিন ও পাম তেলের দাম লিটারে ৬ থেকে ১৩ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ লেবার পার্টি এই সিদ্ধান্তকে “জনগণবিরোধী” হিসেবে নিন্দা করেছে। পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান অভিযোগ করেছেন, সরকারের অদক্ষতা এবং ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে বাজার এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। এই বাতাসে দামে হঠাৎ ধাক্কা লেগেছে গরীব ও মধ্যবিত্তের গয়নায় — যারা প্রতিদিন রাঁধছেন তেল— এবং তাদের ভোগান্তির মাত্রা আরও বেড়ে যাবে। সয়াবিন তেলের দাম বোতলজাত ক্ষেত্রে প্রতি লিটার ১৮৯ টাকা থেকে ১৯৫ টাকা হয়েছে, অর্থাৎ ৬ টাকা বৃদ্ধি শোনা গেছে। খোলা সয়াবিন তেলের দামও ১৬৯ থেকে ১৭৭ টাকা করা হয়েছে, অর্থাৎ ৮ টাকা…

Read More

বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা এখন এক ভয়াবহ ও স্থায়ী সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন সংবাদপত্রের পাতায় কিংবা টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যায় মৃত্যু ও আহত হওয়ার খবর। যাত্রী কল্যাণ সমিতির সর্বশেষ প্রতিবেদন বলছে, শুধু ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এক মাসেই দেশে ৫০৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫০২ জন নিহত ও ৯৬৪ জন আহত হয়েছেন। অর্থাৎ, প্রতিদিন গড়ে ১৭ জন মানুষ সড়কে প্রাণ হারিয়েছেন। এ সংখ্যা শুধু পরিসংখ্যান নয়, এর পেছনে আছে শত শত পরিবারের অশেষ কান্না, অসহায়ত্ব ও জীবনের স্থায়ী ক্ষতি। প্রতিবেদনে দেখা যায়, সেপ্টেম্বরে সংঘটিত দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে। মোট ১৯১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৯৯ জন নিহত এবং ১৮৮ জন আহত হয়েছেন। মোট…

Read More

চীনের কাছ থেকে ধার ও বিনিয়োগের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ায় এখন গুরুতর ঝুঁকিতে রয়েছে ব্রিটেন। দেশটির অর্থনীতি, রাজনীতি ও নিরাপত্তা—সব ক্ষেত্রেই চীনের প্রভাব ক্রমেই বেড়ে চলেছে বলে উদ্বেগ জানাচ্ছেন শীর্ষ অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিকরা। তাদের আশঙ্কা, এই নির্ভরশীলতা একসময় চীনের হাতে ব্রিটেনকে জিম্মি করে ফেলতে পারে। ব্রিটেনের শত শত বিলিয়ন পাউন্ড ঋণ এখন বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে, যার একটি বড় অংশ চীনের কাছে। ফলে অনেকেই বলছেন, ব্রিটেন হয়তো শিগগিরই চীনের ‘ঋণের ফাঁদে’ পড়তে পারে—যেমনটি আগে শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রে ঘটেছিল। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমারকে সতর্ক করেছেন দেশটির নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। এই সতর্কতা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন লেবার সরকার সম্প্রতি চীনের…

Read More

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘সেফ এক্সিট’ শব্দটি এখন একেবারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। টেলিভিশন টকশো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা রাজনৈতিক অঙ্গন—সব জায়গায় চলছে এই শব্দটি নিয়ে আলোচনা। কিন্তু অনেকেই জানেন না, এটি কোনো নতুন বিষয় নয়। বাংলাদেশের রাজনীতির ৫৪ বছরের ইতিহাসে অন্তত তিনবার এমন ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ক্ষমতাসীন বা প্রভাবশালী কোনো পক্ষকে নিরাপদে প্রস্থান বা ‘সেফ এক্সিট’ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ এমন কিছু সময় এসেছে, যখন রাজনৈতিক জটিলতা বা সংঘাতের মুখে অভিযুক্ত বা বিতর্কিত ব্যক্তিদের জবাবদিহিতার বাইরে রেখে, নিরাপদে সরে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ‘সেফ এক্সিট’ সাধারণভাবে মানে কোনো বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে নিরাপদে চলে যাওয়া। কিন্তু রাজনীতির ক্ষেত্রে এর অর্থ অনেক গভীর। এখানে বিষয়টি…

Read More

ঢাকা সেনানিবাসে একটি ভবনকে সাময়িকভাবে কারাগার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ‘MES বিল্ডিং নং-৫৪’, বাসার রোড সংলগ্ন উত্তরের অংশে অবস্থিত, এভাবে ঘোষণা করা হয় সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এটি হবে “সাময়িক কারাগার” এবং সরকারি স্বীকৃতি ও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে আইন অনুযায়ী। নামমাত্র তথ্য অনুযায়ী কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই — কাদের রাখা হবে এবং কি উদ্দেশ্যে ব্যবহার হবে, তা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়নি। তবে এই পদক্ষেপ কেন এবং কি প্রেক্ষাপটে করা হলো, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিশ্লেষণ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের সময় প্রেক্ষাপট নজর এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। গত কয়েকদিনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) থেকে গ্রেপ্তার ও তলব থাকা…

Read More

গাজায় দীর্ঘ সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, “গাজায় যুদ্ধ শেষ হয়েছে”। এয়ারফোর্স ওয়ানে ইসরায়েলের উদ্দেশে যাত্রা করার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি এখন কার্যকর আছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় তিনি নিজেকে সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি মনে করেন। ট্রাম্পের এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। কারণ গাজা অঞ্চলের সংঘাত, জিম্মি সংকট এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন এতটাই গভীর ছিল যে, “যুদ্ধ শেষ” ঘোষণা কোনো বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয় কিনা তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, “যুদ্ধ সমাধানে আমি ভালো। শান্তির জন্য আমি ভালো।” তিনি উল্লেখ করেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে…

Read More

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর আদালতে গতকাল রাষ্ট্রপক্ষ নতুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে দাবি করেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় ২০০৬ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আদালতে বলেন, তদন্ত ও প্রমাণে এমন তথ্য মিলেছে যা শুধু সাধারণ অপরাধ নয়—এগুলো ধারাভাষ্য করলে মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে বিচার হওয়া উচিত। প্রসিকিউটর জানান, রাজনৈতিক বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তারের পর তাদের গুম করে অনির্দিষ্ট কালের জন্য জিম্মি রাখা হতো। কেউ কেউ পরবর্তীতে মামলা দিয়ে রাষ্ট্রে চালান করা হতেন, আবার কেউ প্রাইভেটভাবে গুম করে পরে খুন করে ফেলা হতো। একইসাথে…

Read More

প্রায় ৬২ লাখ বছর আগে লোহিত সাগর সম্পূর্ণ শুকিয়ে এক বিশাল মরুভূমিতে পরিণত হয়েছিল। সৌদি আরবের কিং আব্দুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (কেএইউএসটি) বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে এই বিস্ময়কর তথ্য। যদিও কিছু সময় পর ভারত মহাসাগর থেকে আসা এক ভয়াবহ বন্যা সেই শুকনো উপত্যকাকে আবারও সাগরে পরিণত করে। এই গবেষণাটি পৃথিবীর ইতিহাসে জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্র গঠন এবং ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তনের সম্পর্ক বোঝার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৩ কোটি বছর আগে অ্যারাবিয়ান প্লেট আফ্রিকান প্লেট থেকে আলাদা হতে শুরু করলে লোহিত সাগরের জন্ম হয়। তখন এটি ছিল একটি সরু রিফট ভ্যালি—অর্থাৎ দুটি প্লেটের ফাঁকে তৈরি…

Read More