…
এডিটর পিক
সাম্প্রতিক সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিরক্ষা চুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়কে ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে,…
Trending Posts
-
কর্মজীবী নারীদের বিষয়ে পোস্ট নিয়ে বিতর্কে জামায়াত, অ্যাকাউন্ট হ্যাকের দাবি
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
শেষ সময়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি ইউনূসের আমেরিকার দাসত্বের প্রমাণ নাকি ভিন্নকিছু
ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
কর্মজীবী নারীদের বিষয়ে পোস্ট নিয়ে বিতর্কে জামায়াত, অ্যাকাউন্ট হ্যাকের দাবি
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
শেষ সময়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি ইউনূসের আমেরিকার দাসত্বের প্রমাণ নাকি ভিন্নকিছু
ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- গত এক বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ৩৩ জন
- প্রবাসী টাকা ঢুকছে বেআইনি পথে, ক্ষতি বছরে ৮-১২ বিলিয়ন ডলার
- জামায়াত নেতার কাছ থেকে ভোটের সিল জব্দ
- শেষ সময়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি ইউনূসের আমেরিকার দাসত্বের প্রমাণ নাকি ভিন্নকিছু
- ধর্মীয় আইনের উৎস, বিবর্তন এবং আধুনিক প্রভাব
- ভারতে বসে বাংলাদেশে ফেরার ছক কষছে পলাতক আওয়ামী লীগ
- ২০২৬ সালে আত্মধ্বংসের পথে হাঁটবে আমেরিকা
- নির্বাচনী প্রচারণায় আক্রমণের নতুন হাতিয়ার এআই দিয়ে বানানো ভিডিও, কী করছে ইসি?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
ভারতের ব্যবসা জগতে একসময় যে নামটি ছিল আকাশচুম্বী—তিনি অনিল আম্বানি। রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি একসময় ছিলেন দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের একজন। কিন্তু আজ সেই নামই আলোচনায় এসেছে অর্থ পাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে। ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) অনিল আম্বানির ৩ হাজার কোটি রুপিরও বেশি মূল্যের সম্পদ জব্দ করেছে। এই ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে কর্পোরেট দুর্নীতি, প্রভাবশালী পরিবারগুলোর ব্যবসা পরিচালনা ও অর্থ পাচারের বিষয়গুলো। ইডির এই পদক্ষেপ এসেছে প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (পিএমএলএ) অনুযায়ী। তদন্ত সংস্থাটি গতকাল চারটি প্রাথমিক আদেশ জারি করেছে। এতে মুম্বাইয়ের বিলাসবহুল পালি হিল এলাকার আম্বানির বাড়িসহ রিলায়েন্স গ্রুপের একাধিক আবাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পত্তি…
দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার কথা দীর্ঘদিন ধরে বলা হলেও বাস্তবে তা গ্রাস করতে পারেনি। এখন সরকার ‘সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল’ বা ডিফেন্স ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেয়—কথা হচ্ছে, দেশে ড্রোন, সাইবার সক্ষমতা ও বিভিন্ন ধরনের সশস্ত্র সরঞ্জাম উৎপাদন করবে বাংলাদেশ; নিজ চাহিদা মেটাবে, বাকি রপ্তানি করবে। ঘোষণা হাসিখুশি মনে হলেও এই উদ্যোগের অর্থনৈতিক-বহুমুখী ও নীতিগত প্রভাবকে এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। এটি শুধু ফ্যাক্টরি নির্মাণ বা বিনিয়োগের বিষয় নয়; এটি দেশের নিরাপত্তা কৌশল, শিল্পনীতি, কর্মসংস্থান এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির এক জটিল সমীকরণ। প্রথমত, ধারণাগতভাবে ‘প্রতিরক্ষা শিল্প’ আর সাধারণ শিল্পখাতের সঙ্গে মিশে যায় না। অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনকে ঘিরে থাকে রাষ্ট্রীয়…
একটি দেশ কতটা আত্মনির্ভরশীল, কতটা স্থিতিশীল—তার আসল পরীক্ষা কখনো মুদ্রা বা সামরিক শক্তিতে নয়, বরং একটিমাত্র ট্রাকে লুকিয়ে থাকে। হ্যাঁ, একটি ট্রাক। যে ট্রাকটি প্রতিদিন নিজ ভূখণ্ডে নির্বিঘ্নে চলতে পারে, সীমান্তে সংঘাত হোক বা রাজনীতিতে টানাপোড়েন। ভারত এখন সেই সহজ অথচ কঠিন পরীক্ষায় বারবার হোঁচট খাচ্ছে। মণিপুরে ২০২৩ সালের সহিংসতা এবং ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নয়াদিল্লির ঘোষণা—যেখানে ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে ‘ফ্রি মুভমেন্ট রেজিম’ বাতিল ও ১৬৪৩ কিলোমিটার সীমান্তে বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—এই দুই ঘটনাই ভারতের দুর্বলতার আয়না হয়ে দাঁড়িয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিজস্ব পথ রক্তাক্ত ও অচল হয়ে পড়েছে। তাই আজ ভারতের ট্রাকগুলো নিঃশব্দে ঘুরপথে চলছে—বাংলাদেশের বন্দর ও মহাসড়ক ধরে, এক নিরাপদ, স্থিতিশীল…
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের দেড় দশকের শাসনামলে এ খাত নিয়ে অসংখ্য প্রশ্ন উঠেছিল, কিন্তু সেসব প্রশ্ন কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি। এবার অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত চুক্তি পর্যালোচনা কমিটির অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন সেই সব সন্দেহকে বাস্তব রূপ দিয়েছে। প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভয়াবহ দুর্নীতি, অপচয়, লুটপাট ও অনিয়মের এক অন্ধকার চিত্র, যা কেবল আর্থিক ক্ষতিই সৃষ্টি করেনি, বরং দেশের বিদ্যুৎ খাতের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতাকেও বিপন্ন করেছে। কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির নামে বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিক, রাজনীতিক এবং আমলাদের মধ্যে একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে উঠেছিল। এই চক্র সরকার কর্তৃক প্রণীত বিশেষ আইনের…
চট্টগ্রাম পাহাড়ি অঞ্চলের নিস্তব্ধতায় যেন চাপা পড়ে আছে এক অদৃশ্য যুদ্ধের ইতিহাস—এক দীর্ঘ সামরিকীকরণের কাহিনি, যা এখনো চলছে নিঃশব্দে। ফটোগ্রাফার ডেনিম চাকমার প্রকল্প ‘লিভিং আন্ডার মিলিটারাইজেশন’ সেই নীরব যুদ্ধের দলিল। তার চোখে ধরা পড়েছে পাহাড়ের মানুষদের প্রতিদিনের ভয়, তাদের অসহায়তা, আর সেই রাষ্ট্রীয় নীরবতা, যা সবকিছুকে আড়াল করে রাখে। ডেনিমের লেন্স শুধু ছবি ধরে না, তুলে আনে সেই প্রশ্ন—কেন এই মানুষগুলো এখনো বন্দী নিজেদের ভিটেমাটিতেই? ২০০১ সালে শুরু হওয়া “অপারেশন উত্তরণ”-এর পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিণত হয়েছে এক প্রহরিত উপত্যকায়। সেনা ক্যাম্প, চেকপোস্ট, “ফটোগ্রাফি নিষিদ্ধ” লেখা সাইনবোর্ড—সবই যেন পাহাড়বাসীর দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। ডেনিমের শৈশব কেটেছে এই বন্দিত্বের ছায়ায়।…
বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে এক নতুন ও ভয়াবহ বাস্তবতা সামনে এসেছে—ভুয়া তথ্য ও অপতথ্যের বিস্তার। ডিজিটালি রাইটের সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনলাইন জগতে রাজনৈতিক বিভাজন এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, তা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সামাজিক স্থিতির জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে ভুয়া রাজনৈতিক তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা তীব্রভাবে বেড়েছে, এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে তা এক বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই বাস্তবতায় ডিজিটাল প্রচারণার নাম করে রাজনৈতিক দলগুলো, প্রবাসী গোষ্ঠী ও ধর্মীয় সংগঠন পর্যন্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াতে ব্যস্ত। গবেষণায় দেখা গেছে, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয়…
বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতা যেন এক নতুন বাস্তবতার জন্ম দিয়েছে। যুদ্ধ, বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা, সুদের হার পরিবর্তন এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর নীতিনির্ধারণ—সবকিছু মিলেই তৈরি করছে এক জটিল অর্থনৈতিক চিত্র। এই জটিলতার মধ্যেই মরগান স্ট্যানলি সম্প্রতি যে পূর্বাভাস দিয়েছে, তা বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ব্যাপকভাবে। তাদের ধারণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি নাগাদ স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৪৫০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই পূর্বাভাস কেবল একটি সংখ্যা নয়; বরং এটি বিশ্ব অর্থনীতির দিকনির্দেশক, মানুষের বিনিয়োগ মনোভাবের প্রতিফলন, এবং অনিশ্চয়তার ভেতর আশ্রয় খোঁজার প্রতীক। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হার নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ও নীতিগত দ্বিধা বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি…
সুদান—আফ্রিকার উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত বিশাল দেশটি আজ বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের কেন্দ্রবিন্দু। গত দুই বছরে এখানে প্রাণ হারিয়েছে দেড় লক্ষাধিক মানুষ। বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ। সশস্ত্র সংঘাত, দুর্ভিক্ষ, ধর্ষণ, জাতিগত নিধন আর যুদ্ধাপরাধের ভয়াল মিশ্রণে দেশটি পরিণত হয়েছে এক গভীর মানবিক ট্র্যাজেডিতে। এই সংঘাতের মূলে আছে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব—সুদানের সেনাবাহিনী ও আধা-সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস বা আরএসএফ-এর মধ্যকার রক্তক্ষয়ী লড়াই। গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত ২০২৩ সালের এপ্রিলে, কিন্তু এর শিকড় আরও পুরোনো। ২০১৯ সালে তিন দশক ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরকে গণবিক্ষোভের মুখে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। তার পতনের পর সেনাবাহিনী ও বেসামরিক নেতৃত্বের যৌথ সরকার প্রতিষ্ঠিত হলেও, ২০২১…
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন আবারও অস্থিরতার এক চক্রে প্রবেশ করছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের বহু নেতাকর্মী রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক, মোড় এবং আবাসিক এলাকার গলিতে ঝটিকা মিছিল করছে—এমন দৃশ্য সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে বারবার ঘটছে। এই মিছিলগুলোর লক্ষ্য সরাসরি সংঘর্ষে জড়ানো নয়; বরং শহরের স্বাভাবিক আবহাওয়ার ভেতরে হঠাৎ করে উপস্থিত হয়ে নিজেদের অস্তিত্ব এবং সক্রিয়তার জানান দেওয়া। এই কাজটিই এখন হয়ে উঠেছে একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক কৌশল। আর এর জবাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও সমান তৎপর। গত দশ মাসে রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও ইউনিট মিলে প্রায় তিন হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে—এমন তথ্য জানানো হয় পুলিশের মিডিয়া ব্রিফিংয়ে। গ্রেপ্তারের…
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধু একটি প্রতিরক্ষা বাহিনী নয়, এটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রতীক। এই বাহিনীর ইতিহাস, ত্যাগ এবং অবদান আমাদের স্বাধীনতার আত্মগৌরবের সাথে জড়িত। তাই সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে এই বাহিনীকে এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যাতে ভবিষ্যতের যেকোনো জটিল ও কঠোর পরিস্থিতির সামনে তারা আত্মবিশ্বাসের সাথে দাঁড়াতে পারে। চট্টগ্রামের হালিশহরে সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই বাস্তবতার ওপর জোর দিয়ে যে আহ্বান জানান, তা শুধু একটি আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নয়, বরং বর্তমান আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের আলোকে বাংলাদেশের সামরিক কৌশলগত অবস্থানকে শক্তিশালী করারই একটি রূপরেখা। বিশ্বের রাজনীতি এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। কখনো প্রচলিত যুদ্ধ,…