…
এডিটর পিক
ক্ষমতার পরিবর্তনের পর রাষ্ট্রের নিয়ম বদলানো কেন কঠিন হয়ে ওঠে—জুলাই সনদের প্রথম বর্ষপূর্তিতে এই প্রশ্নই…
Trending Posts
-
ককরোচের প্রতিবাদে দিল্লির অস্বস্তি: তরুণদের আন্দোলন, সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও বিরোধীদের হিসাব
অক্টোবর ১১, ২০২৬By নুর নবী দুলাল | 0 Comments -
পোষা প্রাণী থেকে পরিবারের সদস্য: মানুষ ও প্রাণীর সম্পর্কের বদলে যাওয়া গল্প
অক্টোবর ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধসের শঙ্কা! প্রবৃদ্ধি ৩.২%, মূল্যস্ফীতি ১০.৯%—আইএমএফের বড় সতর্কবার্তা
অক্টোবর ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
ককরোচের প্রতিবাদে দিল্লির অস্বস্তি: তরুণদের আন্দোলন, সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও বিরোধীদের হিসাব
অক্টোবর ১১, ২০২৬By নুর নবী দুলাল | 0 Comments -
পোষা প্রাণী থেকে পরিবারের সদস্য: মানুষ ও প্রাণীর সম্পর্কের বদলে যাওয়া গল্প
অক্টোবর ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধসের শঙ্কা! প্রবৃদ্ধি ৩.২%, মূল্যস্ফীতি ১০.৯%—আইএমএফের বড় সতর্কবার্তা
অক্টোবর ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ভোটার তালিকা কার আস্থা ফেরাবে? পশ্চিমবঙ্গে ফের সংশোধনের দাবি ও নাগরিকের উদ্বেগ
- রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
- জুলাই সনদের এক বছর: সংস্কারের প্রতিশ্রুতি কেন ক্ষমতার রাজনীতিতে আটকে যাচ্ছে?
- সবকিছুর মতামত থাকা কি জরুরি? না জানার স্বাধীনতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততা
- দশ প্রাণের বিনিময়ে অগ্নিনিরাপত্তার প্রশ্ন: আগুন লাগার আগে দায়িত্ব কোথায় ছিল?
- মাথাপিছু তিন হাজার ডলারের দেশ, তবু মানুষ কেন হাঁপাচ্ছে?
- ঘড়ির শাসন: কারখানা কীভাবে মানুষের সময়কে নিজের করে নিল?
- যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই ইরানে ‘মাদার অব অল বম্বস’ ফেলবে, ফেললে কী হবে
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
১৮১৬ সাল। ক্যালেন্ডার বলছে গ্রীষ্মকাল। অথচ প্রকৃতি যেন অন্য কোনো ঋতুর গল্প লিখছে। জুন মাসের মাঝামাঝি সময়েও ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মানুষ মোটা কাপড়ে শরীর ঢেকে ঘর থেকে বের হচ্ছে। সকালের আকাশে সূর্যের আলো নেই, চারদিকে ঘন ধূসর মেঘ আর কুয়াশার আস্তরণ। দুপুর গড়িয়েও শীতের অনুভূতি কাটছে না। কোথাও কোথাও গ্রীষ্মের মাঝামাঝি সময়ে তুষারপাত হচ্ছে, জমে যাচ্ছে বরফ। মাঠের গম, ভুট্টা ও আলুর ক্ষেত মুহূর্তেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। কৃষকেরা হতবাক। বাজারে খাদ্যের দাম বাড়ছে, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ছে। মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন—পৃথিবীর কী হলো? গ্রীষ্ম কি চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেল? বিশ্ব ইতিহাসে এই ঘটনাটি পরিচিত ‘দ্য ইয়ার উইদাউট…
ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কের ইতিহাসে উত্থান-পতন নতুন কোনো ঘটনা নয়। ভৌগোলিক বাস্তবতা, অর্থনৈতিক নির্ভরতা, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং অভিন্ন নদীর মতো অসংখ্য ইস্যু দুই দেশকে যেমন একে অপরের ঘনিষ্ঠ করে, তেমনি রাজনৈতিক পরিবর্তন, সীমান্ত সংকট কিংবা অভ্যন্তরীণ ঘটনাও বারবার এই সম্পর্ককে কঠিন পরীক্ষার মুখে দাঁড় করায়। সাম্প্রতিক সময়ে সেই পরীক্ষার নতুন নাম হয়ে উঠেছে শেখ হাসিনা ইস্যু। দুই বছর ধরে টানাপোড়েনের পর যখন ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলছিল, তখন ভারতের রাজধানীতে একটি সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্য এবং তা ঘিরে বাংলাদেশের তীব্র প্রতিক্রিয়া নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—দুই দেশের সম্পর্ক কি আবারও দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থার দিকে…
একসময় শ্রেণিকক্ষ ছিল এমন একটি জায়গা, যেখানে শিক্ষক ছিলেন জ্ঞান, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার প্রতীক। একজন শিক্ষক শুধু পাঠ্যবইয়ের পাঠই দিতেন না, বরং একজন শিক্ষার্থীর চরিত্র গঠন, মূল্যবোধ সৃষ্টি এবং ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন। শিক্ষকের শাসনকে অভিভাবকরা শিক্ষা প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অংশ হিসেবেই দেখতেন। কিন্তু সময় বদলেছে। সমাজ বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, শিক্ষাব্যবস্থা বদলেছে, বদলেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের ধরনও। আজকের বাংলাদেশে অনেক শিক্ষকই মনে করছেন, শ্রেণিকক্ষে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গিয়ে তারা আগের মতো স্বাধীন নন। কোনো শিক্ষার্থীকে বকাঝকা করা, পরীক্ষায় নকল ঠেকানো কিংবা নিয়ম মানতে বাধ্য করার চেষ্টা অনেক সময় অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা, এমনকি শারীরিক হেনস্তা বা হামলার কারণ…
মৃত্যুদণ্ডের রায় মাথায় নিয়েও দেশে ফেরার ঘোষণা—এমন সিদ্ধান্ত যে কোনো রাজনীতিকের ক্ষেত্রেই অসাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য সেই অসম্ভবকেই নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। প্রায় দুই বছর আগে গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা হারিয়ে দেশ ছাড়ার পর তিনি প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দেশে ফেরার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। এমন এক সময়ে এই ঘোষণা এসেছে, যখন তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম কার্যত ভেঙে পড়েছে, বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং ভারতও বিষয়টি নিয়ে কূটনৈতিক চাপের মুখে রয়েছে। ফলে এই ঘোষণা কেবল একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; এটি বাংলাদেশের…
পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘাত, হাজারো প্রাণহানি, লাখো মানুষের বাস্তুচ্যুতি এবং একটি ভেঙে পড়া অর্থনীতি—এই বাস্তবতাই আজকের মিয়ানমারের পরিচয়। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার পর দেশটি যে গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তা ধীরে ধীরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বড় মানবিক ও রাজনৈতিক সংকটে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই সংঘাতে একসময় মনে হয়েছিল, কোনো পক্ষই আর আলোচনার টেবিলে ফিরবে না। কিন্তু সাম্প্রতিক কয়েকটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ঘটনা নতুন এক সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন পর মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে শান্তি আলোচনার একটি বিরল সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সম্ভাবনার পেছনে রয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রের…
ভারতের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০২৬ সালের জুলাই মাস একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। প্রশ্নপত্র ফাঁস, শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ একসময় এমন এক গণআন্দোলনের জন্ম দেয়, যা শুধু একজন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে। এই আন্দোলনের অন্যতম আলোচিত মুখ হয়ে ওঠেন পরিবেশ আন্দোলনকর্মী, শিক্ষাবিদ ও উদ্ভাবক সোনম ওয়াংচুক। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওয়াংচুক বলেন, সাম্প্রতিক তরুণদের আন্দোলন নরেন্দ্র মোদিকে “ভীষণভাবে দুর্বল” করেছে। তাঁর এই মন্তব্য রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কারণ, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর মোদি সরকার একাধিক আন্দোলনের মুখোমুখি…
‘নিরাপত্তা’—শব্দটি শুনলেই স্বস্তির অনুভূতি হওয়ার কথা। কিন্তু যখন সেই নিরাপত্তার নামে একজন প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর চলাফেরা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ কিংবা জরুরি মুহূর্তে ব্যবস্থা নেওয়ার স্বাধীনতা সীমিত হয়ে যায়, তখন প্রশ্ন ওঠে—এটি কি সত্যিই নিরাপত্তা, নাকি নিয়ন্ত্রণ? সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আবাসিক হলের বিভিন্ন বিধিনিষেধকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটি মূলত এই প্রশ্নকেই সামনে নিয়ে এসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত। এখান থেকেই বিভিন্ন সময় গণতান্ত্রিক আন্দোলন, সাংস্কৃতিক জাগরণ এবং সামাজিক পরিবর্তনের নেতৃত্ব এসেছে। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা যখন হলের সময়সীমা, জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যাওয়ার অনুমতি, দর্শনার্থী প্রবেশ, নন-রেসিডেনশিয়াল শিক্ষার্থীদের সুবিধা এবং অন্যান্য বিধিনিষেধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তখন বিষয়টি…
২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে বাংলাদেশে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থান দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষমতাসীন সরকারের পতন ঘটে এবং দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। কিন্তু আন্দোলনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও একটি প্রশ্ন এখনো স্পষ্টভাবে মীমাংসিত হয়নি—এই আন্দোলনে প্রকৃতপক্ষে কতজন নিহত হয়েছেন? বিভিন্ন সময় সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, মানবাধিকার সংগঠন, হাসপাতাল, রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে নিহতের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থামেনি। যেকোনো বড় গণআন্দোলন বা সংঘর্ষের পর প্রাণহানির সঠিক হিসাব নির্ধারণ করা একটি জটিল কাজ। বিশেষ করে যখন ঘটনাগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকে, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে…
প্রাচীন সভ্যতার কথা উঠলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিশাল প্রাসাদ, যুদ্ধজয়ী সেনাপতি, গ্ল্যাডিয়েটরের রক্তক্ষয়ী লড়াই কিংবা অসাধারণ স্থাপত্যের নিদর্শন। কিন্তু একটি সভ্যতাকে সত্যিকার অর্থে বোঝার জন্য কেবল তার রাজা-সম্রাট বা যুদ্ধের ইতিহাস জানলেই হয় না। সেই সমাজের সাধারণ মানুষ কীভাবে জীবনযাপন করত, কীভাবে খাবার খেত, কোথায় গোসল করত কিংবা কীভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করত—এসব বিষয়ও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটি নগর সভ্যতার প্রকৃত চেহারা অনেক সময় তার নর্দমা, পানিনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং শৌচাগারের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে। প্রাচীন রোম এমনই একটি সভ্যতা, যার প্রকৌশল দক্ষতা আজও বিস্ময় জাগায়। বিশাল সড়ক, সুদৃঢ় সেতু, জল সরবরাহের জন্য অ্যাকুয়েডাক্ট এবং সুবিশাল নর্দমা ব্যবস্থা নির্মাণে রোমানরা ছিল তাদের…
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। দীর্ঘ দেড় দশকের কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসানের মধ্য দিয়ে দেশের সামনে গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুনভাবে গড়ে তোলার একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই সময় সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল, রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অর্থনীতিও দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবে, বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং প্রশাসনিক কাঠামোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু দুই বছর পর এসে দেখা যাচ্ছে, সেই প্রত্যাশার অনেকটাই এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে। ক্ষমতার পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করলেও তারা এমন একটি অর্থনীতি উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছিল, যা দীর্ঘদিনের নানামুখী…