…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় মেয়েদের একটি আবাসিক কওমি মাদ্রাসায় একজন ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার…
Trending Posts
-
পুতিনের বার্তা যুদ্ধের নতুন মোড়: ইরানের জন্য যা করতে হয় রাশিয়া করবে
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত ২৬৪ শিশুর মৃত্যু: দায় কে নেবে?
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বিবর্তন: বনোবোরা কল্পিত চা-আড্ডা উপভোগ করে আর শিম্পাঞ্জিরা যুক্তি দিয়ে চিন্তা করে
এপ্রিল ২৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
পুতিনের বার্তা যুদ্ধের নতুন মোড়: ইরানের জন্য যা করতে হয় রাশিয়া করবে
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত ২৬৪ শিশুর মৃত্যু: দায় কে নেবে?
এপ্রিল ২৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বিবর্তন: বনোবোরা কল্পিত চা-আড্ডা উপভোগ করে আর শিম্পাঞ্জিরা যুক্তি দিয়ে চিন্তা করে
এপ্রিল ২৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- গণভোটের প্রচারে বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা: কারণ কী?
- পারমাণবিক যুগের সূচনা: শুরু হচ্ছে ফুয়েল লোডিং
- গুপ্ত রাজনীতির ক্ষতিকর দিকগুলো
- বাংলাদেশের রেলক্রসিংগুলোতে প্রতিদিন প্রায় একটি করে মৃত্যু ঘটে
- নরসিংদীর মাদ্রাসায় কী ঘটেছে? আবাসিক মাদ্রাসায় মেয়েরা কতটা নিরাপদ?
- পুতিনের বার্তা যুদ্ধের নতুন মোড়: ইরানের জন্য যা করতে হয় রাশিয়া করবে
- হাম ও হামের উপসর্গে এ পর্যন্ত ২৬৪ শিশুর মৃত্যু: দায় কে নেবে?
- তিন বছরে প্রায় ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সবচেয়ে বিস্ময়কর এবং অনেকটাই অপ্রত্যাশিত যে রাজনৈতিক পরিবর্তনটি ঘটেছে, তা হলো গত দেড় বছরে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি জনসমর্থনের দ্রুত বৃদ্ধি। এই উত্থান এতটাই নাটকীয় যে সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে যদিও ফেব্রুয়ারি ১২–এর নির্বাচনে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে দেখা যাচ্ছে, তবুও কিছু বিশ্লেষকের মতে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটও শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হতে পারে। এই পরিবর্তনের ব্যাপকতা খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগের শেষ কয়েক বছরে জামায়াত এতটাই প্রান্তিক ও দমনমূলক অবস্থার মধ্যে ছিল যে দলটি কার্যত একটি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে স্বাভাবিকভাবে কাজই করতে পারেনি। তাদের বহু শীর্ষ নেতা কারাবন্দি ছিলেন এবং দলটি প্রায় গোপন অবস্থায় কার্যক্রম…
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কর্মজীবী নারীদের নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে তার প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন একাধিক নারী নেত্রী। রোববার নির্বাচন ভবনে গিয়ে তারা সরাসরি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের আপত্তির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন। এই আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সম্প্রতি ডা. শফিকুর রহমানের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত একটি মন্তব্যে কর্মজীবী নারীদের নিয়ে এমন ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে যা অবমাননাকর,…
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসে ততই রাজনৈতিক কথাবার্তায় একটি শব্দ ঘুরেফিরে সামনে আসে—ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং। রাজনৈতিক দলের নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন যে কোনো না কোনো পক্ষ আগেভাগেই নির্বাচনের ফল নিজেদের পক্ষে সাজিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এই শব্দটি এখন এতটাই পরিচিত যে সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্রেও এটি জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের বড় একটি অংশ এখনও স্পষ্টভাবে জানে না ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে ঠিক কী বোঝানো হয় এবং বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এই অভিযোগের শিকড় কোথায়। রাজনীতি ও নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং মূলত একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে নির্বাচনের নিয়মকানুন ভোটগ্রহণের পরিবেশ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং ক্ষমতার কাঠামোকে এমনভাবে প্রভাবিত…
বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতীকী সিদ্ধান্ত বরাবরই বাস্তবতার চেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দেয়। খুলনা–১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যখন একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রার্থী হিসেবে কৃষ্ণ নন্দীকে মনোনয়ন দেয়, তখন সেটিও ঠিক তেমনই একটি প্রতীকী ঘটনা হয়ে ওঠে। ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন প্রার্থী দাঁড় করানো নিঃসন্দেহে চমকপ্রদ। কিন্তু এই চমকের আড়ালে যে প্রশ্নটি ক্রমশ বড় হয়ে উঠছে, তা হলো—এই সিদ্ধান্ত কি জামায়াতের দীর্ঘদিনের আদর্শিক অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়? বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিকভাবে আত্মপরিচয় নির্মাণ করেছে ইসলামকে রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। দলটির ঘোষণাপত্র, রাজনৈতিক ভাষ্য এবং অতীত কর্মকাণ্ডে বারবার উঠে এসেছে শরিয়াভিত্তিক…
জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে দেখিয়েছেন—এপেরাও কল্পনা ব্যবহার করতে পারে এবং ‘ভান করে খেলা’ বা প্রিটেন্ড প্লে খেলতে সক্ষম, যা এতদিন কেবল মানুষের একচেটিয়া সক্ষমতা বলেই মনে করা হতো। চা-পার্টির মতো সাজানো একাধিক পরীক্ষায় একটি বনোবো ধারাবাহিক ও দৃঢ়ভাবে কাল্পনিক জুস ভর্তি কাপ আর ভান করা আঙুরের অবস্থান অনুসরণ করেছে। এই ফলাফল প্রাণীর বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা নিয়ে দীর্ঘদিনের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। গবেষণাটি ইঙ্গিত দেয়, ‘ভান করা বস্তু’ বোঝার ক্ষমতা অন্তত একটি মানব-সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা এপের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্ভাবনার মধ্যেই রয়েছে। আরও গভীরে গেলে দেখা যায়, এই সক্ষমতার শিকড় হয়তো আজ থেকে ৬ থেকে ৯ মিলিয়ন বছর আগে—মানুষ ও এপের…
ঢাকার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে যখন নির্বাচনী উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়—একটি রূপান্তরমুখী সাধারণ নির্বাচনের মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টা আগে—৯ ফেব্রুয়ারি একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হওয়ার খবর যেন স্বাভাবিক ঘটনাপ্রবাহকে ছাপিয়ে গেছে। এই সফর কোনো আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, কিংবা ভবিষ্যতের সম্ভাবনা নিয়ে কথাবার্তার সাধারণ পর্বও নয়। লক্ষ্য একেবারে নির্দিষ্ট ও তাৎপর্যপূর্ণ: এমন একটি বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করা, যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতিপথকে শুধু সাময়িকভাবে নয়, কাঠামোগতভাবেই পুনর্গঠন করতে পারে। দেশের ভেতরে এই সময় নির্ধারণ নিয়ে বিতর্ক তীব্র। সমালোচকদের একটি অংশ একে অন্তর্বর্তী সরকারের সুপরিকল্পিত কৌশল হিসেবে দেখছেন—নির্বাচনের প্রাক্কালে আন্তর্জাতিক বৈধতা ও পশ্চিমা সমর্থন নিশ্চিত করার প্রয়াস বলে ব্যাখ্যা…
আমার মা নব্বইয়ের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডিইউ) অর্থনীতির ছাত্রী ছিলেন। আমার শৈশব কেটেছে তাঁর মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—ডাকসু—নিয়ে গল্প শুনে। বহু বছর পরে, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী হিসেবে আমি সেই উত্তরাধিকারকে পেয়েছি অনেক বেশি বাস্তব ও সাধারণ এক জায়গায়: ভোটকেন্দ্রে। আমি ভোট দিয়েছিলাম সেই প্রার্থীদের, যাদের আগের কাজকর্ম এবং ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতি বিচার করে আমার মনে হয়েছিল—তারা ছাত্রসংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিচালনা করতে সক্ষম। ছাত্ররাজনীতি এখানে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখনো হাতে গোনা কয়েকটি প্রাতিষ্ঠানিক জায়গার একটি, যেখানে ছাত্রদের কণ্ঠস্বর শোনা যায়। সে কারণেই গত বছরের সেপ্টেম্বরের পর থেকে আমি নজর রাখছি—ডাকসু এবং ছাত্রদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আসলে কী করছেন। চার মাস…
আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই অনুষ্ঠেয় গণভোট শুধু একটি সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্ন নয়, বরং এটি সরাসরি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ক্ষমতার কাঠামো নির্ধারণ করে দিতে পারে। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে যে পরিবর্তনগুলো কার্যকর হবে, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল আলোচিত দিক হলো—বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। জুলাই সনদের একটি মৌলিক প্রস্তাব হলো প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ নির্ধারণ। বিদ্যমান সংবিধানে প্রধানমন্ত্রী কতবার এবং কত বছর ক্ষমতায় থাকতে পারবেন—সে বিষয়ে কোনো সীমা নেই। এর ফলেই দীর্ঘ সময় ধরে একই ব্যক্তি রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে অবস্থান করতে পেরেছেন। জুলাই সনদ সেই জায়গায় একটি স্পষ্ট সীমারেখা টানতে চায়। এতে বলা হয়েছে,…
ঝালকাঠি জেলার কীর্তিপাশা ইউনিয়নের বাসিন্দা শংকর মুখার্জীর জীবনে ২৭ ডিসেম্বরের সকালটি ছিল অন্য দিনের মতোই। কিন্তু সেই সকালই তার জীবনের গতিপথ বদলে দেয়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো ওয়ারেন্ট দেখানো ছাড়াই সাদা পোশাকে আসা গোয়েন্দা পুলিশ তাকে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরদিন তাকে ২০২২ সালের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়—যে মামলায় দায়েরের সময় তার নামই ছিল না। অভিযোগ করা হয়, তিনি বিএনপির একটি অফিসে হামলা ও ভাঙচুরে জড়িত ছিলেন। অথচ পরিবারের দাবি, এলাকার বাজারসংলগ্ন জমি ও খামার দখলের উদ্দেশ্যেই পুরোনো একটি মামলায় নতুন করে তাকে জড়ানো হয়েছে। এই ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন উদাহরণ নয়; বরং সাম্প্রতিক বাংলাদেশে নির্বিচার আটক ও…
আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাই একটি রাষ্ট্রের সভ্যতার মানদণ্ড। কিন্তু সেই মানদণ্ডে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ছে বাংলাদেশ। মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সর্বশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এক উদ্বেগজনক চিত্র—মাত্র এক বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন অন্তত ৩৩ জন। সংখ্যাটি শুধু পরিসংখ্যান নয়; এর পেছনে রয়েছে ভেঙে পড়া পরিবার, ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত মানুষ এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপর ক্রমশ হারিয়ে যাওয়া আস্থা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডগুলো সংঘটিত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে কেউ পুলিশের হাতে, কেউ যৌথ বাহিনীর অভিযানে, কেউ আবার র্যাব, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, ডিবি পুলিশ, বিজিবি কিংবা কোস্টগার্ডের হেফাজতে প্রাণ হারিয়েছেন। রাষ্ট্রের যেসব বাহিনীর দায়িত্ব ছিল নাগরিকের জীবন…