…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সরকারি ঋণের পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের সাম্প্রতিক প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বর্তমান ঋণ…
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ট্রাম্পকে অগ্রাহ্য করে ইরানে নেতানিয়াহুর হামলা কী বার্তা দিল?
জুন ৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
জুন ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
জুন ১৩, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ট্রাম্পকে অগ্রাহ্য করে ইরানে নেতানিয়াহুর হামলা কী বার্তা দিল?
জুন ৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
জুন ১২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- ইসলামী ব্যাংককে সামলাতে কেন ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক?
- ক্রিকেটার নাঈমকে পুলিশের মারধর: সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়?
- ৩ বছরের মধ্যে সরকারি ঋণ প্রায় ৩৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছানোর আশঙ্কা
- বাঁধের ‘ব্যবসা’: ডুবছে হাওর, পানি নামার পথের বাধা
- ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর কুকুর দিয়ে বর্বরতা চালিয়েছে ইসরায়েলিরা
- বিশাল বাজেটে সাধারণ মানুষের জায়গা কতটা?
- আবারও জাহাজে মার্কিন হামলা, ছিল ২০ ভারতীয় নাবিক
- এপস্টিনের কাছে কেন তরুণীদের পাঠাতেন মডেলিং এজেন্ট
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি ও শক্তির ভারসাম্য নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের উত্তেজনাপূর্ণ তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে, যার অনেকগুলোই বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর সম্পর্ক ঘিরে “৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম”, “তাৎক্ষণিক যুদ্ধ” বা “বিশ্ব অর্থনীতির ধস”—এই ধরনের বক্তব্যগুলো সাধারণ মানুষের মনে ভয় ও বিভ্রান্তি তৈরি করছে। অথচ প্রকৃত পরিস্থিতি অনেক বেশি জটিল, ধীরগতির এবং কূটনৈতিক হিসাব-নিকাশের ওপর নির্ভরশীল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক নতুন নয়; এটি দীর্ঘ কয়েক দশকের টানাপোড়েনের ফল। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি রাজনৈতিক সম্পর্ক কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এরপর বিভিন্ন সময় উত্তেজনা বেড়েছে, আবার কিছু সময় কমেছেও। ২০১৫ সালে…
শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে, বিশেষ করে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের বক্তব্য ও তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যের দ্বৈততার কারণে। ভারতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে হাজির করা হলে ফয়সাল দাবি করেন, তিনি এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত নন। কিন্তু একই সময়ে তদন্তকারী সংস্থার দাবি—জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেন হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। এই দুই বিপরীত অবস্থান কেবল মামলার জটিলতাকেই সামনে আনছে না, বরং প্রশ্ন তুলছে বিচারপ্রক্রিয়া, তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে। ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ১২ ডিসেম্বর, যখন ঢাকায় প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণের শিকার হন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ…
মানুষের বিবর্তনের ওপর যে চাপগুলো কাজ করে, সেগুলোর মধ্যে একটি বড় পরিবর্তন হয়তো এখন ঘটছে—যা আমাদের বিবর্তনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। বিভিন্ন বিজ্ঞানী দলের মতে, এখন মানুষের বিবর্তনকে প্রভাবিত করছে মূলত আমাদের সংস্কৃতি—যেমন প্রযুক্তি, চিকিৎসা এবং একসাথে সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা। আগে যেখানে পরিবেশ এবং শারীরিক সীমাবদ্ধতা বিবর্তনকে চালিত করত, এখন সেই জায়গা দখল করছে মানুষের তৈরি সমাধান। কারণ আমরা যেসব প্রযুক্তি তৈরি করি—যেমন সেন্ট্রাল হিটিং বা কনট্যাক্ট লেন্স—এসব জীবনের সমস্যাগুলোকে অনেক দ্রুত সমাধান করে দেয়। ফলে শরীরকে সেই সমস্যা মোকাবিলার জন্য ধীরে ধীরে জেনেটিকভাবে পরিবর্তিত হতে হয় না। ইউনিভার্সিটি অব মেইনের গবেষক টিম ওয়ারিং বলেন, “মানব বিবর্তন যেন…
ঈদ—শব্দটি উচ্চারণ করলেই মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি মানুষের মনে ভেসে ওঠে আনন্দ, মিলন আর এক বিশেষ আধ্যাত্মিক পরিতৃপ্তির অনুভূতি। কিন্তু এই আনন্দঘন উৎসবটি কীভাবে শুরু হলো, কীভাবে ধীরে ধীরে একটি ধর্মীয় বিধান থেকে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মহোৎসবে রূপ নিল—তার ইতিহাস অনেকের কাছেই অজানা। ইসলামের সূচনালগ্ন থেকে আজকের বৈশ্বিক উদযাপনের এই দীর্ঘ পথচলা কেবল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের ইতিহাস নয়; এটি মুসলিম সমাজের বিবর্তন, সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং সামাজিক সংহতির এক গভীর প্রতিফলন। ইসলাম ধর্মের আবির্ভাবের পরপরই ঈদের প্রচলন শুরু হয়নি—এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার পর ইসলামী সমাজ একটি সংগঠিত কাঠামো পেতে শুরু করে। সেই…
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত যুদ্ধ পরিস্থিতি আবারও বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে সংবেদনশীল শিরা—জ্বালানি বাজার—কে অস্থির করে তুলেছে। হরমুজ প্রণালির মতো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ রুট বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহে যে ধাক্কা লেগেছে, তার প্রভাব ইতোমধ্যেই প্রতিটি দেশের অর্থনীতিতে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। এমন এক সংকটময় সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত—ইরানের কিছু তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা—আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির জটিল বাস্তবতাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। এই সিদ্ধান্ত কেবল একটি অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নয়; বরং এটি একদিকে বৈশ্বিক বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অবস্থানের একটি ব্যতিক্রমী পরিবর্তন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল…
ঈদ মানেই ঘরে ফেরা, পরিবার, শেকড়ের কাছে ফিরে যাওয়ার এক আবেগঘন যাত্রা। কিন্তু প্রতি বছরের মতো এবারও সেই যাত্রা অনেকের জন্য আনন্দের বদলে হয়ে উঠেছে ক্লান্তিকর, অনিশ্চিত এবং কখনো কখনো ভীতিকর অভিজ্ঞতা। রাজধানী ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়া লাখো মানুষের এই বার্ষিক স্থানান্তর যেন একটি অদৃশ্য পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে, যেখানে পরীক্ষার্থী সাধারণ মানুষ আর পরীক্ষক এক অদৃশ্য, বিশৃঙ্খল ব্যবস্থা। সড়ক, রেল ও নৌপথ—সবখানেই ছিল চাপ, ছিল অপ্রস্তুতি, ছিল নিয়ন্ত্রণহীনতার ছাপ। গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, অনেক যাত্রীকে গন্তব্যে পৌঁছাতে স্বাভাবিক সময়ের দ্বিগুণ, কখনো তিনগুণ সময় লেগেছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্থবিরতা, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ধীরগতি, চট্টগ্রামমুখী যাত্রীদের…
উনিশ শতকে ঢাকায় তিনটি বড় মিছিল খুবই জনপ্রিয় ছিল—ঈদ, মহররম ও জন্মাষ্টমী। এসব মিছিল অনেক সময় ধর্মীয় সীমা ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হতো। এই প্রেক্ষাপটে ঢাকার ঈদ মিছিল শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছিল না; এটি ছিল সামাজিক সমাবেশ, সাংস্কৃতিক উৎসব এবং শহরের প্রাণস্পন্দন। ঐতিহাসিকভাবে, শিল্পী আলম মুসাওয়ারের চিত্রকর্মে ঈদ মিছিলের উল্লেখ পাওয়া যায়। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি ঢাকার ঈদ ও মহররমের মিছিল নিয়ে ৩৯টি ছবি আঁকেন, যা বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। এসব ছবিতে নবাবি আমলের মিছিলের জাঁকজমক দেখা যায়—হাতি, উট, পালকি, রঙিন ছাউনি, ব্যানার। নায়েব-নাজিমরা সামনের সারিতে থাকতেন, আর রাস্তা ও ছাদের ওপর দাঁড়িয়ে মানুষ মিছিল দেখত। সেখানে…
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই “অটুট মিত্রতা” হিসেবে পরিচিত। সামরিক, কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতার ক্ষেত্রে এই দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা প্রায় নজিরবিহীন। কিন্তু ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনা, বিশেষ করে সাম্প্রতিক গ্যাসক্ষেত্র ও জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে, এই সম্পর্কের ভেতরে সূক্ষ্ম এক দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না—সেই প্রশ্ন এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এই প্রশ্নের উত্তর সরল নয়, বরং এটি বহুস্তরীয় রাজনৈতিক সংকেত, কৌশলগত হিসাব-নিকাশ এবং ব্যক্তিগত নেতৃত্বের ধরণ মিলিয়ে তৈরি এক জটিল বাস্তবতা। ঘটনার সূচনা ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের হামলা দিয়ে। এই গ্যাসক্ষেত্র শুধু ইরানের নয়, কাতারের সাথেও যৌথ মালিকানাধীন এবং বিশ্ব জ্বালানি বাজারের জন্য…
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বহুদিন ধরেই এক কঠিন বাস্তবতার প্রতীক—যেখানে ভূগোলের চেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়েছে মৃত্যু, আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তার গল্প। কাঁটাতারের ওপারে দাঁড়িয়ে থাকা দুই দেশের মানুষ একই ভাষা, সংস্কৃতি আর ইতিহাসের বন্ধনে আবদ্ধ হলেও সীমান্তে প্রায়ই সেই মানবিক সম্পর্ককে ছাপিয়ে গেছে গুলির শব্দ। বছরের পর বছর ধরে সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রাণহানি যেন এক ধরনের স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছিল। এমন এক বাস্তবতায় নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম মাসেই সীমান্ত হত্যা শূন্যে নেমে আসা নিঃসন্দেহে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়—যা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার ও কূটনৈতিক কৌশলের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন। ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যেই…
শ্রীলঙ্কার দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধ শুধু একটি অভ্যন্তরীণ সংঘাত ছিল না; বরং এর ভেতরে লুকিয়ে ছিল আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কৌশলগত স্বার্থ, এবং নীরব জোটের জটিল ইতিহাস। সম্প্রতি ইসরায়েল স্টেট আর্কাইভ থেকে প্রকাশিত নথিপত্র সেই ইতিহাসের একটি অন্ধকার দিক উন্মোচন করেছে—যেখানে দেখা যায়, আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও ইসরায়েল কীভাবে শ্রীলঙ্কার সামরিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গভীরভাবে যুক্ত ছিল। এই নথিগুলো শুধু অতীতের গোপন লেনদেনের প্রমাণই নয়, বরং মানবাধিকার, কূটনীতি এবং যুদ্ধনীতির নৈতিক প্রশ্নগুলোকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে। ১৯৭০ সালে আরব বিশ্বের চাপের মুখে শ্রীলঙ্কা ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। কিন্তু ১৯৮০-এর দশকে যখন দেশটি তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের বিরুদ্ধে এক রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে,…