…
এডিটর পিক
বাংলাদেশে তীব্র গরম এখন আর নিছক ঋতুগত অস্বস্তি নয়; এটি ধীরে ধীরে একটি অর্থনৈতিক, জনস্বাস্থ্য…
Trending Posts
-
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
- How Bangladesh’s Rakhine Are Losing Their Homeland
- মেগিড্ডো: ইতিহাসের প্রথম নথিবদ্ধ যুদ্ধ
- বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাস নেতিবাচক: অর্থনীতি কি নতুন ঝুঁকির দিকে?
- নিষেধাজ্ঞা নিয়েও যেভাবে টিকে থাকতে চায় আওয়ামী লীগ
- তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
- সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ: কেন? এর অর্থ কী?
- শেখ হাসিনাকে ঘিরে রাজনীতি, প্রত্যর্পণ নিয়ে ভেবে দেখছে দিল্লী
- বাংলাদেশের মানুষের পাঁচটি ঐতিহাসিক ভুল ধারণা
Author: বিশেষ প্রতিবেদক
পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে দেশে দেশে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ফোনে আড়ি পাতা নিয়ে সমালোচনার মধ্যে এ বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য দিয়েছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনএসও গ্রুপ। এনএসও দাবি করেছে, নিরাপত্তা বাহিনী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থারগুলোর কাছে পেগাসাসের মতো প্রযুক্তি থাকায় পৃথিবীর লাখ লাখ মানুষ নিরাপদে রাতে ঘুমাতে ও রাস্তায় হাঁটতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি আরও বলছে, তারা এটি পরিচালনা করে না কিংবা গ্রাহকদের সংগৃহীত উপাত্তে কোনো অ্যাকসেসও নেই। এনএসও এর মুখপাত্র বিভিন্ন দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সাহায্য ও যেকোনো ধরনের অপরাধ তদন্ত, সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেগাসাস এবং এ ধরনের সকল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে ধন্যবাদ জানান। এনএসও কর্তৃপক্ষের দাবি, তারা বিভিন্ন দেশের সরকারকে সহায্য করার জন্য এবং…
ই-কমার্সের এই যুগে বাংলাদেশের জন্য একটা বড় ধাক্কা হতে পারে দেশীয় ডিজিটাল কমার্সের শীর্ষ অবস্থানে থাকা ইভ্যালির বন্ধ হয়ে যাওয়া। ২০১৮ সালের ১৬ই ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি গত আড়াই বছরে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছিল। ইভ্যালি এই বন্ধ হয়ে যাওয়া আদতে কোন লাভের না হলেও, ক্ষতির হবে এ নিয়ে সন্দেহ নেই। প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে গেলে, এই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মটি গ্রাহক ও সরবরাহকারীদের কাছ থেকে অগ্রীম যে পরিমাণ টাকা নিয়েছে, যার মোট অঙ্ক প্রায় ৩০০ কোটি টাকারও বেশি, তা পুনরুদ্ধারের কোন সম্ভাবনাই থাকবে না। গত ৪ জুলাই, গ্রাহক ও পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর (মার্চেন্ট) কাছ থেকে অগ্রিম নেওয়া ৩৩৮ কোটি…
কিউবা বলতেই কাস্ত্রো, চে; কিউবা বলতেই পশ্চিমাদের মুখে কমিউনিজমের থাপ্পড়। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের ষড়যন্ত্রে, বাণিজ্য অবরোধেও কাঁধ ঝোঁকেনি হাভানার। ফিদেল কাস্ত্রোকে তার ৯০ বছরের জীবনে ৬৩৮ বার হত্যার চেষ্টা করে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর চরেরা এই চেষ্টা চালায়। হত্যার ষড়যন্ত্র বেশির ভাগই করা হয় তার শাসনামলের শুরুতে। এবার সুযোগসন্ধানী যুক্তরাষ্ট্র কিউবার সাধারণ মানুষের বিক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে স্বার্থ উদ্ধারের চেষ্টা করছে। আর সোভিয়েত-পরবর্তী যুগে এর থেকে গভীর সংকটে পড়েনি কিউবা। মার্কিন অবরোধ, ষড়যন্ত্র, উস্কানি, বৈশ্বিক খাদ্যমূল্যের ঊর্ধ্বমুখী, অভ্যন্তরীণ দমনপীড়ন, অর্থনৈতিক বিপর্যয়, মুদ্রাবাজারে কিউবান পেসোর অবমূল্যায়ন, কম মজুরি, ধসে যাওয়া বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় মুষড়ে পড়া হাভানার কাঁধ আরো ঝুঁকে গেছে এই…
বিটিভি খুললেই ফসলের বাম্পার ফলনে চোখ ধাঁধিয়ে যায়। এদিকে উদ্বৃত্ত ৩০ লাখ টন, তারওপর ১০ লাখ টন আমদানিও করছে সরকার; তবুও বাড়ছে চালের দাম। কার ইশারায় বাড়ছে? সরকার দেখাচ্ছে মিলারদের, মিলাররা দেখাচ্ছে কৃষকদের, কৃষকরা আঙুল তুলছেন পাইকারদের দিকে, আবার পাইকাররা দায়ী করছেন আড়তদারদের। চালের দাম জড়িয়ে পড়েছে এক মহাচক্রে। যার মূল্য দিতে হচ্ছে মহামারিতে আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত মানুষদেরকেই। বাজারের সবচেয়ে কমদামি চালের কেজিই এখন ৪৮ টাকা। আগে যা ছিল বড়জোর ২৮-৩০ টাকা। বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৪৮ টাকা দামের চালটা বেশ লাল ও মোটা। এক বেলায় রান্না করা ভাত আরেক বেলায় খাওয়া যায় না। নাজিরশাইল বা মিনিকেটের দিকে হাত বাড়ালেই…
নিয়মের কোনো বালাই নেই দেশের কারখানাগুলোতে। আগুনের ঝুঁকি কমাতে যে যে নিয়মগুলো মানা দরকার তার সিকিভাগও মানছে না। নিজেদের ব্যয় সংকোচন করতে গিয়ে কিংবা গাফিলতিতে কারখানাগুলো মৃত্যুকুপে পরিণত হয়েছে। দেশের প্রতিটি কারখানায় বৈদ্যুতিক সুরক্ষার গড় ঘাটতি ৫০ শতাংশ। আর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কারখানায় কাঠামোগত ঝুঁকি রয়েছে। অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকির ক্ষেত্রে এ ‘উদ্বেগজনক চিত্র’ উঠে এসেছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) একটি জরিপে। দেশের মোট ৩০০টি কারখানা পরিদর্শন করে এই জরিপ করা হয়। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, আগুনের ঝুঁকি কমাতে যে বিষয়গুলো মেনে চলা দরকার, একেকটি কারখানা গড়ে তার ৬০ শতাংশই পূরণ করছে না। কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর জানায়, তাদের ‘চেকলিস্টে’ কারখানায়…
আজকের ভারতে সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হল দেশটিতে সব নির্বাচনই অনুষ্ঠিত হচ্ছে হিন্দু-মুসলিম ধর্মীয় মেরুকরণের আবহে। যদিও এই মেরুকরণের রাজনীতি ভারতে নতুন নয়। আর উত্তরপ্রদেশ যে এই সাম্প্রদায়িকতার লীলাভূমি, তা প্রায় সবারই জানা। ভারতের এই রাজ্যটি জনসংখ্যার বিচারে সবচেয়ে বড়; একইসাথে বিতর্কিতও। কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি নেতা যোগী আদিত্যনাথের শাসনে উত্তরপ্রদেশে মুসলিম নির্যাতনের ঘটনা এখন এতটাই ডালভাত হয়ে গেছে যে মিডিয়াতেও এসব খবর ঠাঁই পায় না। ভারতের সবচেয়ে জনবহুল ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই রাজ্যটিতে বিধানসভা ভোট মাত্র ছ’সাত মাস পরেই। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্যটিতে বসবাসরত মুসলিম সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিতে উঠে পড়ে লেগেছে হিন্দুত্ববাদী দলগুলো। যদিও উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতাসীন বিজেপি এই অভিযোগ মানতে…
দেশে মহামারি করোনার তৃতীয় ঢেউ চলছে। প্রতিদিন ভাঙছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড। করোনা মহামারির এই আতঙ্কের মধ্যে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে ডেঙ্গু। গত কয়েক বছরে ডেঙ্গুর কারণেও কম ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি আমাদের। বছরের এই সময়টায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। এবারও ব্যতিক্রম নয়, এরই মধ্যে হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীর পাশাপাশি বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীও। চলতি মাসে রাজধানীতে ৪২৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার (১২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের স্বাস্থ্য তথ্য ইউনিটের (এমআইএস) সহকারী পরিচালক ও হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের প্রতিবেদনে এই তথ্য এসেছে। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৭০ জন ডেঙ্গু রোগী রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত…
সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে। এশিয়ার দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী দেশ ভারত ও চীন দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের প্রভাব বিস্তার করার খেলায় মত্ত হয়েছে। এই দুটি দেশই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে নিজেদের বলয়ে আনার মাধ্যমে ভূ-রাজনীতিতে নিজেদের করায়ত্ত বজায় রাখার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। করোনা মহামারির এই সংকটময় সময়ে আধিপত্য বজায় রাখার এই প্রতিযোগিতায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভ্যাকসিন কূটনীতি। করোনা মোকাবিলায় সহযোগিতা করার জন্য ভারত দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান, মালদ্বীপে অনুদান হিসেবে লাখ লাখ ডোজ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছে। ভ্যাকসিন কূটনীতি ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে ভারতের বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান…
বুলিং এবং বডিশেমিং মূলত শরীরের গঠন এবং রঙ নিয়ে ব্যঙ্গ করা, এর জন্য ব্যক্তিটি হীনমন্যতায় ভোগে। ব্যঙ্গ করার অভ্যাস একটি সামাজিক সমস্যা। এই সমস্যার কবলে পড়ে হাজার হাজার তরুণ তরুণী মানসিক বিপর্যয়ের শিকার হচ্ছে। এজন্য ব্যঙ্গ করার ব্যাপারটিকে গুরুত্বের সাথে দেখে এটি নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনার ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। সরকারিভাবে স্কুল কলেজগুলোতে এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণকেন্দ্রে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি বুলিংয়ের ব্যাপারে আলোচনা করা জরুরি। গত বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) অ্যানোরেক্সিয়া এবং বুলিমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এক কিশোরের মৃত্যুর পর তার পরিবার থেকে অভিযোগ উঠেছে, ছেলেটি মোটা হবার দরুণ স্কুলের সহপাঠী ও শিক্ষকদের বুলিং এর শিকার হবার ফলস্বরূপ এই ঘটনা ঘটেছে। মৃত ছেলেটি…
পিরিয়ডের সময় নারীরা যাতে মন্দিরে বা দরগায় যেতে পারে সে দাবি জানিয়ে নারী সংগঠনগুলো বিভিন্ন সময়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। সোসাল মিডিয়াতেও পিরিয়ডের সময় মেয়েদের ‘অশুচি’ বলার বিরুদ্ধে আন্দোলন চালানো হয়েছে। অথচ মানুষ যখন মহাকাশ জয়ে ব্যস্ত, তখনও ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের অনুন্নত জেলা গাডচিরোলির মাদিয়া সম্প্রদায়ে প্রতি মাসেই হাজার হাজার নারী এবং কিশোরীকে পিরিয়ডের সময় হলেই পাঠিয়ে দেয়া হয় বসবাসের অযোগ্য কুঁড়েঘরে। সেখানে দুর্বিষহ সপ্তাহ কাটাতে হয় তাদের। তবে কিশোরীরা কিন্তু নিজ ইচ্ছেতে থাকেনা। তাদেরকে থাকতে বাধ্য করা হয়। ভারতের এই গ্রামে এখনও পিরিয়ডের সময় নারীদের অশুচি বলে বিবেচনা করে এসব ঘরে রাখা হয়। পাশাপাশি তাদের কঠোর বিধিনিষেধ মেনে চলতে হয়।…