…
এডিটর পিক
যুদ্ধের ময়দানে শত্রুকে পরাজিত করার সবচেয়ে পরিচিত পদ্ধতি হলো সরাসরি আঘাত। বোমা হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ,…
Trending Posts
-
সমুদ্রের নিচে দুই হাজার বছরের বাণিজ্যপথ: সিসিলিতে মিলল রোমান জাহাজ
আগস্ট ১৬, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বড় পতন: বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভ কি নড়বড়ে হয়ে যাচ্ছে?
আগস্ট ১৬, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
বাম থেকে তৃণমূল, তৃণমূল থেকে বিজেপি: পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘ রাজনৈতিক পালাবদল আসলে কী বলছে?
আগস্ট ১৬, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments
Trending Posts
-
সমুদ্রের নিচে দুই হাজার বছরের বাণিজ্যপথ: সিসিলিতে মিলল রোমান জাহাজ
আগস্ট ১৬, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বড় পতন: বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভ কি নড়বড়ে হয়ে যাচ্ছে?
আগস্ট ১৬, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
বাম থেকে তৃণমূল, তৃণমূল থেকে বিজেপি: পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘ রাজনৈতিক পালাবদল আসলে কী বলছে?
আগস্ট ১৬, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments
- শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে আটকে তারেক রহমানের ভারত সফর?
- প্রতি সেকেন্ডে ৯০ হাজার ডলার ঋণ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের, সামনে বড় ঝুঁকি
- ইরানকে কাবু করতে ট্রাম্পের ‘অ্যানাকোন্ডা কৌশল’ আসলে কী?
- প্রাচীন যুদ্ধ থেকে আধুনিক যুদ্ধ—কেন নারীরা যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠেছে?
- ৪০ লাখ বছরে ৫ গুণ বড় মানুষের মস্তিষ্ক, নেপথ্যে কী?
- ভারতে বিজেপির শাসন কি সত্যিই শেষের পথে?
- ভারতের ১০ কোটি তরুণ চাকরি খোঁজা ছেড়ে দিয়েছে
- মাছ উৎপাদনে এগিয়ে বাংলাদেশ, তবু কেন শত কোটি টাকার আমদানি?
Author: বিশেষ প্রতিবেদক
বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় নতুন ও উচ্চাভিলাষী সংযোজন হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬–২৭ অর্থবছরে প্রথম পর্যায়ে ৪১ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। নির্বাচিত প্রতিটি পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা পাবে। অর্থ সরাসরি পরিবারের জ্যেষ্ঠ নারী সদস্যের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল আর্থিক সেবার হিসাবে পাঠানো হবে। পরবর্তী চার বছরে কর্মসূচির আওতা বাড়িয়ে প্রায় ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ কর্মসূচির জন্য প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। আকার, ব্যয় ও সম্ভাব্য উপকারভোগীর দিক থেকে এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ নগদ সামাজিক সহায়তা…
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর ঘিরে ঢাকা ও দিল্লিতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ভারত ইতোমধ্যে তাঁকে দ্বিপক্ষীয় সফর এবং ব্রিকস আউটরিচ সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ঢাকার পক্ষ থেকেও সফরের সম্ভাবনা নাকচ করা হয়নি। তবে তারিখ, আলোচ্যসূচি কিংবা সফরের রাজনৈতিক শর্ত—কোনোটিই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি। এই অনিশ্চয়তাই সফরটির তাৎপর্য কমাচ্ছে না; বরং বাড়াচ্ছে। কারণ তারেক রহমান দিল্লি গেলে সেটি শুধু দুই প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ হবে না। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক কোন ভিত্তিতে পুনর্গঠিত হবে, তার প্রথম বড় পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে এই সফর। প্রশ্ন হলো, নতুন সম্পর্ক কি সমতা, পারস্পরিক স্বার্থ ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার ভিত্তিতে দাঁড়াবে?…
বাংলাদেশে এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের অবকাঠামোর অভাবই একমাত্র সমস্যা নয়। কাগজে-কলমে বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, সঞ্চালন লাইন আছে, আমদানির ব্যবস্থাও আছে। কিন্তু এসব কেন্দ্র চালানোর মতো নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস, কয়লা, তেল কিংবা বৈদেশিক মুদ্রার নিশ্চয়তা নেই। ফলে বিদ্যুৎ খাতের সবচেয়ে বড় সংকটটি উৎপাদনক্ষমতা থেকে সরে গিয়ে দাঁড়িয়েছে জ্বালানির প্রাপ্যতা ও অর্থায়নের জায়গায়। এই বাস্তবতা আবারও সামনে এসেছে সরকারের নতুন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নির্দেশনায়। ১৩ আগস্ট থেকে দোকান, বাজার ও বিপণিবিতান রাত আটটার মধ্যে বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। আলোকিত বিলবোর্ড সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল, ওষুধের দোকান এবং খাবারের ব্যবসা এর…
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এমন এক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে কেউই প্রকাশ্যে সংঘাত বাড়াতে চায় না, আবার পুরোনো সম্পর্কের কাঠামোয় ফিরে যাওয়াও সহজ নয়। ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বৈঠকে তাই “অনুকূল পরিবেশ” তৈরির আহ্বান নিছক কূটনৈতিক সৌজন্য নয়। এটি একই সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতের আগ্রহ, রাজনৈতিক দূরত্বের স্বীকৃতি এবং ভারতের প্রতি বাংলাদেশের কয়েকটি প্রত্যাশার পরোক্ষ প্রকাশ। এই বৈঠকের সময়টিই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ। শেখ হাসিনার দিল্লি থেকে দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে ঢাকা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বাংলাদেশ তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করে আসছে; অন্যদিকে ভারত বলছে, বিষয়টি তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে পর্যালোচিত হচ্ছে। এমন উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশ সম্পর্ক…
শেখ হাসিনার দিল্লি থেকে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনকে শুধু একজন ক্ষমতাচ্যুত নেতার রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে দেখলে ঘটনাটির বৃহত্তর তাৎপর্য ধরা যাবে না। এটি একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, ভারতের বাংলাদেশনীতি এবং দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টার একটি পরীক্ষা। মানবজমিনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ঢাকার কঠোর বিবৃতির পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দিল্লির অবস্থানে পরিবর্তন এসেছে এবং সম্পর্ক উন্নয়নের বার্তাসহ একজন শীর্ষ কর্মকর্তা ঢাকা আসতে পারেন। তবে এই ‘বিশেষ পত্র’ বা নতুন আমন্ত্রণের দাবি অন্য নির্ভরযোগ্য সূত্রে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি। উপরন্তু, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ সংবাদ সম্মেলনের আগেই পাঠানো হয়েছিল। ফলে দিল্লির আগের আমন্ত্রণকে ঢাকার বিবৃতির তাৎক্ষণিক ফল…
দুই বছর আগে যে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন, ঠিক সেই তারিখেই নয়াদিল্লি থেকে আবার বাংলাদেশের রাজনীতিতে নিজের উপস্থিতি জানান দিলেন তিনি। তবে বহুল আলোচিত অনুষ্ঠানটিতে প্রত্যাশিত ভিডিও উপস্থিতি ছিল না। ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ার আয়োজনে তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও আওয়ামী লীগের অন্য নেতারা দৃশ্যমানভাবে অংশ নিলেও শেখ হাসিনা বক্তব্য দেন একটি ফাঁকা ভিডিও পর্দার আড়াল থেকে—শুধু তাঁর কণ্ঠ শোনা যায়। এই অনুপস্থিত দৃশ্যটিই সম্ভবত পুরো আয়োজনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ প্রতীক। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে আবার প্রবেশ করতে চাইছেন, কিন্তু এখনো তিনি নিজেকে কোথায় রেখেছেন, কী পরিস্থিতিতে আছেন কিংবা ভারত তাঁর রাজনৈতিক তৎপরতাকে…
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্য ঘিরে আবারও মুখোমুখি হয়েছে আইন, রাজনীতি, সংবাদমাধ্যম এবং কূটনীতি। ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ার একটি অনুষ্ঠানে তাঁর ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেওয়ার কথা। এর আগেই বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোকে বক্তব্যটি প্রচার বা প্রকাশ না করার আহ্বান জানিয়েছে। সরকারের ভাষ্য, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনার লঙ্ঘন হবে। অন্যদিকে ভারত বলেছে, অনুষ্ঠানটির সঙ্গে তাদের সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই; এটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের আয়োজন এবং সেখানে প্রকাশিত মতামতও ভারত সরকারের অনুমোদিত অবস্থান নয়। ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে একটি বক্তব্য প্রচার করা হবে কি না—এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ মনে হলেও এর…
বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে সাধারণত দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দুর্যোগ মোকাবিলা, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং জাতীয় জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখা হয়। দেশের মানুষের কাছেও প্রতিষ্ঠানটির গ্রহণযোগ্যতা ও আস্থা তুলনামূলকভাবে বেশি। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, সেনাবাহিনীর ভূমিকা শুধু প্রতিরক্ষা ব্যারাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজনীতি, প্রশাসন, অবকাঠামো নির্মাণ, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান—বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ উপস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রশ্নটি তাই সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নয়। মূল প্রশ্ন হলো, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সামরিক প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের সীমা কোথায় হওয়া উচিত এবং সেই প্রভাবের ওপর কার্যকর বেসামরিক ও সংসদীয় তদারকি আছে কি না। রাজনীতিতে প্রবেশের ঐতিহাসিক…
নির্বাচনী জোট আর রাজনৈতিক জোট এক জিনিস নয় — এই পার্থক্যটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে এবার নগ্নভাবে সামনে এসেছে। ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গড়ে ওঠা জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ভাঙছে ঠিক তখনই, যখন নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারা বেরিয়ে গেল গত ২৫ জুলাই কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনে খেলাফত মজলিস (আবদুল বাছিত আজাদ) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়, তারা ১১ দলীয় ঐক্যের সব কর্মসূচি থেকে বিরত থাকবে। দলটির প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল হাফিজ খসরুর ভাষ্য: এটি আনুষ্ঠানিক জোট ছিল না, ছিল জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে একটি সমঝোতা; নির্বাচন শেষ, সমঝোতার প্রয়োজনও শেষ। এখন তাদের লক্ষ্য নিজেদের সংগঠন…
প্রায় প্রতি সপ্তাহেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কোনো না কোনো পয়েন্টে একই খবর আসছে—বিএসএফ কাউকে জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে, আর বিজিবি তা প্রতিহত করেছে। এই ঘটনা কি বিচ্ছিন্ন সীমান্ত সংঘর্ষ, নাকি এর পেছনে গভীরতর কূটনৈতিক টানাপোড়েন কাজ করছে? সাম্প্রতিক ঘটনার তালিকা জুলাই মাসেই একাধিক জেলায় “পুশ-ইন” চেষ্টার খবর এসেছে—সিলেটের কোম্পানিগঞ্জে ৭ জন, ঝিনাইদহের মহেশপুরে ৬ জন (৪ পুরুষ, ২ নারী), কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে, চুয়াডাঙ্গায় ৫ জন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে আলো নিভিয়ে করা এক প্রচেষ্টা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিরোধে তা ব্যর্থ হয়েছে বলে বিজিবির ভাষ্য। যশোরের বেনাপোল সীমান্তে সন্তানসহ আটকে পড়া ভারতের ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা রেশমার ঘটনা দেখিয়ে দেয়, এই…