…
এডিটর পিক
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়েছে, ক্ষমতায় এসেছে নির্বাচিত সরকার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির প্রতিশ্রুতিও বারবার দেওয়া হয়েছে।…
Trending Posts
-
সবকিছুর মতামত থাকা কি জরুরি? না জানার স্বাধীনতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততা
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments -
রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
দশ প্রাণের বিনিময়ে অগ্নিনিরাপত্তার প্রশ্ন: আগুন লাগার আগে দায়িত্ব কোথায় ছিল?
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
জুলাই সনদের এক বছর: সংস্কারের প্রতিশ্রুতি কেন ক্ষমতার রাজনীতিতে আটকে যাচ্ছে?
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিবেদক | 0 Comments -
পুজোর বইয়ের স্টলে হামলার অভিযোগ: পশ্চিমবঙ্গে ভিন্নমতের জায়গা কতটা নিরাপদ?
অক্টোবর ১৮, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments
Trending Posts
-
সবকিছুর মতামত থাকা কি জরুরি? না জানার স্বাধীনতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততা
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments -
রুটির দাম থেকে বিপ্লব: ফরাসি বিপ্লবে ক্ষুধা, গুজব ও রাষ্ট্রের আস্থাসংকট
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
দশ প্রাণের বিনিময়ে অগ্নিনিরাপত্তার প্রশ্ন: আগুন লাগার আগে দায়িত্ব কোথায় ছিল?
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
জুলাই সনদের এক বছর: সংস্কারের প্রতিশ্রুতি কেন ক্ষমতার রাজনীতিতে আটকে যাচ্ছে?
অক্টোবর ১৭, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিবেদক | 0 Comments -
পুজোর বইয়ের স্টলে হামলার অভিযোগ: পশ্চিমবঙ্গে ভিন্নমতের জায়গা কতটা নিরাপদ?
অক্টোবর ১৮, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments
- এপস্টিনের সঙ্গে পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ, পদত্যাগের দাবিতে চাপে মোদি সরকার
- হিন্দুধর্মে শিশু বলি: ইতিহাসের দলিল কী বলে?
- সড়ক দুর্ঘটনায় হারাচ্ছে প্রজন্ম, ছয় বছরে প্রায় আট হাজার শিশুর মৃত্যু
- জীবিকার খোঁজে সৌদি আরব, নির্যাতনের ঝুঁকিতে বাংলাদেশি নারীরা
- যেভাবে যুদ্ধ থামিয়ে দিয়েছিলেন নবাব মুর্শিদকুলী খানের কন্যা
- আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি: উন্নয়ন, দুর্নীতি ও জনদুর্ভোগের হিসাব
- আসামে দুই দিনে ১১০০-এর বেশি পরিবার উচ্ছেদ, ১০ মসজিদ ভাঙার দাবি কতটা সত্য?
- নির্বাচিত সরকারেও থামছে না মব সহিংসতা: নেপথ্যে কি রাজনৈতিক প্রশ্রয়?
Author: বিশেষ প্রতিবেদক
নির্বাচনের প্রতি আস্থা মানে শুধু ভোটের দিন কেন্দ্রে যাওয়া নয়। আস্থা মানে ভোটার বিশ্বাস করবেন, তাঁর পছন্দ গোপন থাকবে, তাঁর ভোট যথাযথভাবে গণনা হবে এবং ফল তাঁর মতামতকে প্রতিফলিত করবে। প্রার্থী বিশ্বাস করবেন, প্রতিদ্বন্দ্বী সরকারি ক্ষমতার বাড়তি সুবিধা পাবেন না। আর পরাজিত পক্ষ বুঝতে পারবে, ফল নিয়ে আপত্তি থাকলে তা যাচাই ও প্রতিকারের বিশ্বাসযোগ্য পথ আছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার এই আস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হতে পারে। কিন্তু সরকারের নাম বদলালেই নির্বাচনের পুরো পরিবেশ বদলে যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। ৬ অক্টোবর জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকবে এমন একটি তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা গড়তে বিভিন্ন…
সংবাদে আস্থা কমছে, কিন্তু তথ্যের চাহিদা শেষ হয়নি। মানুষ এখন সংবাদপত্র বা টেলিভিশনের বদলে পরিচিত মুখ, ভিডিও নির্মাতা, ব্যক্তিগত নিউজলেটার, সামাজিক মাধ্যমের ফিড এবং AI চ্যাটবটের কাছে যাচ্ছে। এটি শুধু প্রযুক্তির পরিবর্তন নয়; প্রতিষ্ঠানহীন বিশ্বাস, ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা এবং অদৃশ্য অ্যালগরিদমের নতুন ক্ষমতার গল্প। একসময় মানুষ খবরের কাগজ কিনত, নির্দিষ্ট সময়ে টেলিভিশনের সংবাদ দেখত, অথবা পছন্দের সংবাদমাধ্যমের ওয়েবসাইট খুলত। এখন একটি বড় অংশের কাছে সংবাদ আলাদা কোনো গন্তব্য নয়। ভিডিও দেখতে, বন্ধুর পোস্ট দেখতে বা সময় কাটাতে সামাজিক মাধ্যমে ঢুকে তারা হঠাৎ একটি যুদ্ধ, নির্বাচন, মূল্যবৃদ্ধি কিংবা অপরাধের খবর পায়। খবরটি সামনে এনেছে সংবাদ সম্পাদক নয়, প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদম; ব্যাখ্যা করছেন কোনো…
রোববারের প্রার্থনা চলছিল একটি বাড়ির ভেতরে। বাইরে থেকে সেটি ছিল আর দশটি সাধারণ পারিবারিক জমায়েতের মতো। কিন্তু ‘জোরপূর্বক ধর্মান্তর’ হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলে একদল মানুষ ঘরে ঢুকে পড়ার পর প্রার্থনা আর ব্যক্তিগত ধর্মাচরণের বিষয় থাকল না; তা হয়ে উঠল পরিচয়, সন্দেহ ও রাজনৈতিক ক্ষমতার সংঘাত। পুলিশের সহায়তায় যাজক ও উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্ধার করতে হলো। এরপর কয়েকটি খ্রিষ্টান গোষ্ঠী নিরাপত্তার ভয়ে বাড়িতে প্রার্থনা এবং ধর্মীয় সফর স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, ২৩ আগস্ট হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় একটি বাড়িতে রোববারের প্রার্থনার সময় হামলার অভিযোগ ওঠে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে হামলাকারীদের ‘ধর্মান্তর’ অভিযোগ তুলতে দেখা গেছে বলে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। একই সময়ে পূর্ব…
ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের ওপর কাঁটাতারের বেড়া নতুন নয়। নতুন হলো বেড়াটিকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ভাষা। একসময় যে সীমান্ত নিয়ে আলোচনা হতো চোরাচালান, মানবপাচার, গবাদিপশু ব্যবসা, সীমান্ত হত্যা কিংবা দুই দেশের নদী ও ছিটমহলের প্রসঙ্গে—এখন তার কেন্দ্রে বসেছে একটি শব্দ: ‘অনুপ্রবেশ’। শব্দটি আপাতদৃষ্টিতে আইনগত। কোনো বিদেশি ব্যক্তি বৈধ অনুমতি ছাড়া অন্য দেশে প্রবেশ করলে তাঁকে অনিয়মিত অভিবাসী বলা যায়। একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের সীমান্ত রক্ষা, প্রবেশকারীর পরিচয় যাচাই এবং আইন অনুযায়ী প্রত্যাবাসনের অধিকারও রয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনীতিতে ‘অনুপ্রবেশকারী’ কেবল সীমান্ত অতিক্রমের পদ্ধতি বোঝাচ্ছে না। শব্দটি প্রায়ই একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় ও ভাষাগত পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে আসা অমুসলিম ব্যক্তিকে ‘নির্যাতিত শরণার্থী’…
বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় নতুন ও উচ্চাভিলাষী সংযোজন হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬–২৭ অর্থবছরে প্রথম পর্যায়ে ৪১ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। নির্বাচিত প্রতিটি পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা পাবে। অর্থ সরাসরি পরিবারের জ্যেষ্ঠ নারী সদস্যের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল আর্থিক সেবার হিসাবে পাঠানো হবে। পরবর্তী চার বছরে কর্মসূচির আওতা বাড়িয়ে প্রায় ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ কর্মসূচির জন্য প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। আকার, ব্যয় ও সম্ভাব্য উপকারভোগীর দিক থেকে এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ নগদ সামাজিক সহায়তা…
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর ঘিরে ঢাকা ও দিল্লিতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ভারত ইতোমধ্যে তাঁকে দ্বিপক্ষীয় সফর এবং ব্রিকস আউটরিচ সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ঢাকার পক্ষ থেকেও সফরের সম্ভাবনা নাকচ করা হয়নি। তবে তারিখ, আলোচ্যসূচি কিংবা সফরের রাজনৈতিক শর্ত—কোনোটিই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি। এই অনিশ্চয়তাই সফরটির তাৎপর্য কমাচ্ছে না; বরং বাড়াচ্ছে। কারণ তারেক রহমান দিল্লি গেলে সেটি শুধু দুই প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ হবে না। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক কোন ভিত্তিতে পুনর্গঠিত হবে, তার প্রথম বড় পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে এই সফর। প্রশ্ন হলো, নতুন সম্পর্ক কি সমতা, পারস্পরিক স্বার্থ ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার ভিত্তিতে দাঁড়াবে?…
বাংলাদেশে এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের অবকাঠামোর অভাবই একমাত্র সমস্যা নয়। কাগজে-কলমে বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, সঞ্চালন লাইন আছে, আমদানির ব্যবস্থাও আছে। কিন্তু এসব কেন্দ্র চালানোর মতো নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস, কয়লা, তেল কিংবা বৈদেশিক মুদ্রার নিশ্চয়তা নেই। ফলে বিদ্যুৎ খাতের সবচেয়ে বড় সংকটটি উৎপাদনক্ষমতা থেকে সরে গিয়ে দাঁড়িয়েছে জ্বালানির প্রাপ্যতা ও অর্থায়নের জায়গায়। এই বাস্তবতা আবারও সামনে এসেছে সরকারের নতুন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নির্দেশনায়। ১৩ আগস্ট থেকে দোকান, বাজার ও বিপণিবিতান রাত আটটার মধ্যে বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। আলোকিত বিলবোর্ড সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল, ওষুধের দোকান এবং খাবারের ব্যবসা এর…
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এমন এক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে কেউই প্রকাশ্যে সংঘাত বাড়াতে চায় না, আবার পুরোনো সম্পর্কের কাঠামোয় ফিরে যাওয়াও সহজ নয়। ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বৈঠকে তাই “অনুকূল পরিবেশ” তৈরির আহ্বান নিছক কূটনৈতিক সৌজন্য নয়। এটি একই সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতের আগ্রহ, রাজনৈতিক দূরত্বের স্বীকৃতি এবং ভারতের প্রতি বাংলাদেশের কয়েকটি প্রত্যাশার পরোক্ষ প্রকাশ। এই বৈঠকের সময়টিই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ। শেখ হাসিনার দিল্লি থেকে দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে ঢাকা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বাংলাদেশ তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করে আসছে; অন্যদিকে ভারত বলছে, বিষয়টি তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে পর্যালোচিত হচ্ছে। এমন উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশ সম্পর্ক…
শেখ হাসিনার দিল্লি থেকে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনকে শুধু একজন ক্ষমতাচ্যুত নেতার রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে দেখলে ঘটনাটির বৃহত্তর তাৎপর্য ধরা যাবে না। এটি একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, ভারতের বাংলাদেশনীতি এবং দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টার একটি পরীক্ষা। মানবজমিনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ঢাকার কঠোর বিবৃতির পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দিল্লির অবস্থানে পরিবর্তন এসেছে এবং সম্পর্ক উন্নয়নের বার্তাসহ একজন শীর্ষ কর্মকর্তা ঢাকা আসতে পারেন। তবে এই ‘বিশেষ পত্র’ বা নতুন আমন্ত্রণের দাবি অন্য নির্ভরযোগ্য সূত্রে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি। উপরন্তু, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ সংবাদ সম্মেলনের আগেই পাঠানো হয়েছিল। ফলে দিল্লির আগের আমন্ত্রণকে ঢাকার বিবৃতির তাৎক্ষণিক ফল…
দুই বছর আগে যে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন, ঠিক সেই তারিখেই নয়াদিল্লি থেকে আবার বাংলাদেশের রাজনীতিতে নিজের উপস্থিতি জানান দিলেন তিনি। তবে বহুল আলোচিত অনুষ্ঠানটিতে প্রত্যাশিত ভিডিও উপস্থিতি ছিল না। ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ার আয়োজনে তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও আওয়ামী লীগের অন্য নেতারা দৃশ্যমানভাবে অংশ নিলেও শেখ হাসিনা বক্তব্য দেন একটি ফাঁকা ভিডিও পর্দার আড়াল থেকে—শুধু তাঁর কণ্ঠ শোনা যায়। এই অনুপস্থিত দৃশ্যটিই সম্ভবত পুরো আয়োজনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ প্রতীক। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে আবার প্রবেশ করতে চাইছেন, কিন্তু এখনো তিনি নিজেকে কোথায় রেখেছেন, কী পরিস্থিতিতে আছেন কিংবা ভারত তাঁর রাজনৈতিক তৎপরতাকে…