…
এডিটর পিক
ঢাকার যানজট যেন শহরটির নিত্যদিনের পরিচয়। সকাল থেকে রাত—প্রধান সড়কগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি, গণপরিবহনের বিশৃঙ্খলা,…
Trending Posts
-
তিলক থেকে শ্রেণিকক্ষ: পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষা কি পরিচয়ের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র?
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
রেমিট্যান্স বাড়ছে, প্রবৃদ্ধি কমছে: প্রবাসীর ডলারে অর্থনীতি টিকলেও পরিবার কেন স্বস্তিতে নেই?
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
পৃথিবী ছেড়ে সবচেয়ে দূরে: ভয়েজার–১ কেন এখনো মানবসভ্যতার সবচেয়ে সাহসী দূত?
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
৫০–৮০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা প্রতিদিন ব্যবহার করছে দেশের বিদ্যুতের ৫ শতাংশ
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
তিলক থেকে শ্রেণিকক্ষ: পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষা কি পরিচয়ের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র?
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
রেমিট্যান্স বাড়ছে, প্রবৃদ্ধি কমছে: প্রবাসীর ডলারে অর্থনীতি টিকলেও পরিবার কেন স্বস্তিতে নেই?
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
পৃথিবী ছেড়ে সবচেয়ে দূরে: ভয়েজার–১ কেন এখনো মানবসভ্যতার সবচেয়ে সাহসী দূত?
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
৫০–৮০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা প্রতিদিন ব্যবহার করছে দেশের বিদ্যুতের ৫ শতাংশ
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- সৌদি আরবকে ঘিরে ফেলছে ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সঙ্কট
- গাজায় হত্যাযজ্ঞের নেপথ্য কৌশল ফাঁস, ইসরায়েলি সেনাদের জবানবন্দিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ১৫ ব্যাংক, খেলাপি ঋণের চাপে নড়বড়ে আর্থিক সুরক্ষা
- নৈতিকতার জন্য কি ঈশ্বর অপরিহার্য
- বন্ধু হয়েও ইসরাইলের বিরুদ্ধে আমিরাত, ৮ মুসলিম দেশের নিষেধাজ্ঞার ডাক
- ২ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকার মেট্রোরেল: অতিমূল্যায়িত প্রকল্পের ফাঁদে ঢাকা
- প্লাস্টিক উৎপাদনকারীর ওপর বাড়ল দায়, কতটা বদলাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা?
- সব মানুষকে হত্যা করতে পারে এআই: গবেষণা
Author: বিশেষ প্রতিবেদক
রোববারের প্রার্থনা চলছিল একটি বাড়ির ভেতরে। বাইরে থেকে সেটি ছিল আর দশটি সাধারণ পারিবারিক জমায়েতের মতো। কিন্তু ‘জোরপূর্বক ধর্মান্তর’ হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলে একদল মানুষ ঘরে ঢুকে পড়ার পর প্রার্থনা আর ব্যক্তিগত ধর্মাচরণের বিষয় থাকল না; তা হয়ে উঠল পরিচয়, সন্দেহ ও রাজনৈতিক ক্ষমতার সংঘাত। পুলিশের সহায়তায় যাজক ও উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্ধার করতে হলো। এরপর কয়েকটি খ্রিষ্টান গোষ্ঠী নিরাপত্তার ভয়ে বাড়িতে প্রার্থনা এবং ধর্মীয় সফর স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, ২৩ আগস্ট হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় একটি বাড়িতে রোববারের প্রার্থনার সময় হামলার অভিযোগ ওঠে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে হামলাকারীদের ‘ধর্মান্তর’ অভিযোগ তুলতে দেখা গেছে বলে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। একই সময়ে পূর্ব…
ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের ওপর কাঁটাতারের বেড়া নতুন নয়। নতুন হলো বেড়াটিকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ভাষা। একসময় যে সীমান্ত নিয়ে আলোচনা হতো চোরাচালান, মানবপাচার, গবাদিপশু ব্যবসা, সীমান্ত হত্যা কিংবা দুই দেশের নদী ও ছিটমহলের প্রসঙ্গে—এখন তার কেন্দ্রে বসেছে একটি শব্দ: ‘অনুপ্রবেশ’। শব্দটি আপাতদৃষ্টিতে আইনগত। কোনো বিদেশি ব্যক্তি বৈধ অনুমতি ছাড়া অন্য দেশে প্রবেশ করলে তাঁকে অনিয়মিত অভিবাসী বলা যায়। একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের সীমান্ত রক্ষা, প্রবেশকারীর পরিচয় যাচাই এবং আইন অনুযায়ী প্রত্যাবাসনের অধিকারও রয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনীতিতে ‘অনুপ্রবেশকারী’ কেবল সীমান্ত অতিক্রমের পদ্ধতি বোঝাচ্ছে না। শব্দটি প্রায়ই একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় ও ভাষাগত পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে আসা অমুসলিম ব্যক্তিকে ‘নির্যাতিত শরণার্থী’…
বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় নতুন ও উচ্চাভিলাষী সংযোজন হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬–২৭ অর্থবছরে প্রথম পর্যায়ে ৪১ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। নির্বাচিত প্রতিটি পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা পাবে। অর্থ সরাসরি পরিবারের জ্যেষ্ঠ নারী সদস্যের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল আর্থিক সেবার হিসাবে পাঠানো হবে। পরবর্তী চার বছরে কর্মসূচির আওতা বাড়িয়ে প্রায় ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ কর্মসূচির জন্য প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। আকার, ব্যয় ও সম্ভাব্য উপকারভোগীর দিক থেকে এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ নগদ সামাজিক সহায়তা…
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর ঘিরে ঢাকা ও দিল্লিতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ভারত ইতোমধ্যে তাঁকে দ্বিপক্ষীয় সফর এবং ব্রিকস আউটরিচ সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ঢাকার পক্ষ থেকেও সফরের সম্ভাবনা নাকচ করা হয়নি। তবে তারিখ, আলোচ্যসূচি কিংবা সফরের রাজনৈতিক শর্ত—কোনোটিই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি। এই অনিশ্চয়তাই সফরটির তাৎপর্য কমাচ্ছে না; বরং বাড়াচ্ছে। কারণ তারেক রহমান দিল্লি গেলে সেটি শুধু দুই প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ হবে না। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক কোন ভিত্তিতে পুনর্গঠিত হবে, তার প্রথম বড় পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে এই সফর। প্রশ্ন হলো, নতুন সম্পর্ক কি সমতা, পারস্পরিক স্বার্থ ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার ভিত্তিতে দাঁড়াবে?…
বাংলাদেশে এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের অবকাঠামোর অভাবই একমাত্র সমস্যা নয়। কাগজে-কলমে বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, সঞ্চালন লাইন আছে, আমদানির ব্যবস্থাও আছে। কিন্তু এসব কেন্দ্র চালানোর মতো নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস, কয়লা, তেল কিংবা বৈদেশিক মুদ্রার নিশ্চয়তা নেই। ফলে বিদ্যুৎ খাতের সবচেয়ে বড় সংকটটি উৎপাদনক্ষমতা থেকে সরে গিয়ে দাঁড়িয়েছে জ্বালানির প্রাপ্যতা ও অর্থায়নের জায়গায়। এই বাস্তবতা আবারও সামনে এসেছে সরকারের নতুন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নির্দেশনায়। ১৩ আগস্ট থেকে দোকান, বাজার ও বিপণিবিতান রাত আটটার মধ্যে বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। আলোকিত বিলবোর্ড সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল, ওষুধের দোকান এবং খাবারের ব্যবসা এর…
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এমন এক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে কেউই প্রকাশ্যে সংঘাত বাড়াতে চায় না, আবার পুরোনো সম্পর্কের কাঠামোয় ফিরে যাওয়াও সহজ নয়। ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বৈঠকে তাই “অনুকূল পরিবেশ” তৈরির আহ্বান নিছক কূটনৈতিক সৌজন্য নয়। এটি একই সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতের আগ্রহ, রাজনৈতিক দূরত্বের স্বীকৃতি এবং ভারতের প্রতি বাংলাদেশের কয়েকটি প্রত্যাশার পরোক্ষ প্রকাশ। এই বৈঠকের সময়টিই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ। শেখ হাসিনার দিল্লি থেকে দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে ঢাকা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বাংলাদেশ তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করে আসছে; অন্যদিকে ভারত বলছে, বিষয়টি তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে পর্যালোচিত হচ্ছে। এমন উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশ সম্পর্ক…
শেখ হাসিনার দিল্লি থেকে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনকে শুধু একজন ক্ষমতাচ্যুত নেতার রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে দেখলে ঘটনাটির বৃহত্তর তাৎপর্য ধরা যাবে না। এটি একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, ভারতের বাংলাদেশনীতি এবং দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টার একটি পরীক্ষা। মানবজমিনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ঢাকার কঠোর বিবৃতির পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দিল্লির অবস্থানে পরিবর্তন এসেছে এবং সম্পর্ক উন্নয়নের বার্তাসহ একজন শীর্ষ কর্মকর্তা ঢাকা আসতে পারেন। তবে এই ‘বিশেষ পত্র’ বা নতুন আমন্ত্রণের দাবি অন্য নির্ভরযোগ্য সূত্রে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি। উপরন্তু, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ সংবাদ সম্মেলনের আগেই পাঠানো হয়েছিল। ফলে দিল্লির আগের আমন্ত্রণকে ঢাকার বিবৃতির তাৎক্ষণিক ফল…
দুই বছর আগে যে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন, ঠিক সেই তারিখেই নয়াদিল্লি থেকে আবার বাংলাদেশের রাজনীতিতে নিজের উপস্থিতি জানান দিলেন তিনি। তবে বহুল আলোচিত অনুষ্ঠানটিতে প্রত্যাশিত ভিডিও উপস্থিতি ছিল না। ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ার আয়োজনে তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও আওয়ামী লীগের অন্য নেতারা দৃশ্যমানভাবে অংশ নিলেও শেখ হাসিনা বক্তব্য দেন একটি ফাঁকা ভিডিও পর্দার আড়াল থেকে—শুধু তাঁর কণ্ঠ শোনা যায়। এই অনুপস্থিত দৃশ্যটিই সম্ভবত পুরো আয়োজনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ প্রতীক। শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে আবার প্রবেশ করতে চাইছেন, কিন্তু এখনো তিনি নিজেকে কোথায় রেখেছেন, কী পরিস্থিতিতে আছেন কিংবা ভারত তাঁর রাজনৈতিক তৎপরতাকে…
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্য ঘিরে আবারও মুখোমুখি হয়েছে আইন, রাজনীতি, সংবাদমাধ্যম এবং কূটনীতি। ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ার একটি অনুষ্ঠানে তাঁর ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেওয়ার কথা। এর আগেই বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোকে বক্তব্যটি প্রচার বা প্রকাশ না করার আহ্বান জানিয়েছে। সরকারের ভাষ্য, শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনার লঙ্ঘন হবে। অন্যদিকে ভারত বলেছে, অনুষ্ঠানটির সঙ্গে তাদের সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই; এটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের আয়োজন এবং সেখানে প্রকাশিত মতামতও ভারত সরকারের অনুমোদিত অবস্থান নয়। ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে একটি বক্তব্য প্রচার করা হবে কি না—এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ মনে হলেও এর…
বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে সাধারণত দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দুর্যোগ মোকাবিলা, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং জাতীয় জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখা হয়। দেশের মানুষের কাছেও প্রতিষ্ঠানটির গ্রহণযোগ্যতা ও আস্থা তুলনামূলকভাবে বেশি। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, সেনাবাহিনীর ভূমিকা শুধু প্রতিরক্ষা ব্যারাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজনীতি, প্রশাসন, অবকাঠামো নির্মাণ, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান—বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ উপস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রশ্নটি তাই সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নয়। মূল প্রশ্ন হলো, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সামরিক প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের সীমা কোথায় হওয়া উচিত এবং সেই প্রভাবের ওপর কার্যকর বেসামরিক ও সংসদীয় তদারকি আছে কি না। রাজনীতিতে প্রবেশের ঐতিহাসিক…