…
এডিটর পিক
যুদ্ধের ময়দানে শত্রুকে পরাজিত করার সবচেয়ে পরিচিত পদ্ধতি হলো সরাসরি আঘাত। বোমা হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ,…
Trending Posts
-
সমুদ্রের নিচে দুই হাজার বছরের বাণিজ্যপথ: সিসিলিতে মিলল রোমান জাহাজ
আগস্ট ১৬, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বড় পতন: বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভ কি নড়বড়ে হয়ে যাচ্ছে?
আগস্ট ১৬, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
বাম থেকে তৃণমূল, তৃণমূল থেকে বিজেপি: পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘ রাজনৈতিক পালাবদল আসলে কী বলছে?
আগস্ট ১৬, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments
Trending Posts
-
সমুদ্রের নিচে দুই হাজার বছরের বাণিজ্যপথ: সিসিলিতে মিলল রোমান জাহাজ
আগস্ট ১৬, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বড় পতন: বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভ কি নড়বড়ে হয়ে যাচ্ছে?
আগস্ট ১৬, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
বাম থেকে তৃণমূল, তৃণমূল থেকে বিজেপি: পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘ রাজনৈতিক পালাবদল আসলে কী বলছে?
আগস্ট ১৬, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments
- মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
- শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে আটকে তারেক রহমানের ভারত সফর?
- প্রতি সেকেন্ডে ৯০ হাজার ডলার ঋণ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের, সামনে বড় ঝুঁকি
- ইরানকে কাবু করতে ট্রাম্পের ‘অ্যানাকোন্ডা কৌশল’ আসলে কী?
- প্রাচীন যুদ্ধ থেকে আধুনিক যুদ্ধ—কেন নারীরা যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠেছে?
- ৪০ লাখ বছরে ৫ গুণ বড় মানুষের মস্তিষ্ক, নেপথ্যে কী?
- ভারতে বিজেপির শাসন কি সত্যিই শেষের পথে?
- ভারতের ১০ কোটি তরুণ চাকরি খোঁজা ছেড়ে দিয়েছে
Author: বিশেষ প্রতিবেদক
কঠোর ধর্মীয় অনুশাসনে চলা সৌদি সমাজেও শেষ পর্যন্ত পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। আর এই পরিবর্তন আসছে ক্রাউন প্রিন্স মোহামেদ বিন সালমানের ‘ভিশন ২০৩০’ এর হাত ধরে। ঐতিহ্যগতভাবে রক্ষণশীল ইসলামী দেশ হিসেবেই পরিচিত সৌদি আরব। দীর্ঘদিনের এই গোঁড়ামির খোলস ভাঙতে শুরু করেছে দেশটি। নারীদের উপর থেকে শিথিল হচ্ছে বিধিনিষেধ। নিজস্ব পরিচিতি তারা তৈরি করার অধিকার পেয়েছে। চলচ্চিত্র, গান নিয়ে দেশটির দীর্ঘদিনের কড়াকড়িও শিথিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত সিনেমা হল, মিউজিক শো নিয়ে পরিকল্পনা করছে প্রশাসন। অন্য ধর্মের প্রতি সহনশীলতা বাড়ছে দেশটিতে। স্কুলে হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ পাঠের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এমনকি অন্যে যাতে বিরক্ত না হয়, মসজিদে মাইকের ব্যবহারের উপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে দেশটি।…
[zoomsounds_player artistname=”আদিবাসীদের উপর ব্রিটিশদের নির্মম গণহত্যার ইতিহাস” type=”detect” dzsap_meta_source_attachment_id=”13975″ source=”https://statewatch.net/wp-content/uploads/2021/06/চা-শ্রমিকদের-আন্দোলন.mp3″ thumb=”https://statewatch.net/wp-content/uploads/2021/06/গণহত্যা-২.jpg” config=”default” autoplay=”off” loop=”off” open_in_ultibox=”off” enable_likes=”off” enable_views=”off” enable_rates=”off” play_in_footer_player=”default” enable_download_button=”off” download_custom_link_enable=”off”] ১৯২১ সালের আদিবাসী চা শ্রমিকদের ‘মুল্লুকে চলো’ আন্দোলন আর তাকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া গণহত্যা মুছে যাচ্ছে ইতিহাস থেকে। এর রাজনৈতিক কোন মূল্যই আজ আর নেই। অথচ করপোরেট পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের প্রথম সংগঠিত বিদ্রোহ ছিল এটি। ছিল ভূমিহীন খেটে খাওয়া আদিবাসী শ্রমিকদের বিদ্রোহ। নির্যাতন আর নিপীড়নের জীবন থেকে ঘরে ফেরার উদ্দেশ্যে আসাম আর সিলেটের চা বাগান থেকে বাংলাদেশের চা শ্রমিকেরা অনেক কষ্টে চাঁদপুর স্টিমারঘাট পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছিলেন। মেঘনা পাড়ি দিতে চাইলে তারা গণহত্যার শিকার হন। চরগোলা এক্রস নামে এই…
হীরক রানীর দেশ বাংলাদেশ। এখানে করোনার কারণে প্রায় ১৫ মাস বন্ধ রাখা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অথচ খুলে রাখা হয় মার্কেট, শপিংমল, পর্যটন এলাকা, এমনকি গণপরিবহনও। মানা হয় না লকডাউন। মাছবাজারে একজনের ঘাড়ের উপর দিয়ে অন্যজন কম দামে মাছ বাগিয়ে নিতে ব্যস্ত। এমনকি নির্বাচনও হয় ঘোর এই করোনাকালে। শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে বেড়ে যায় করোনার ঝুঁকি। সম্প্রতি গতকালই নির্বাচনকে করোনার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। আবার আজ শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সাফ সাফ জানিয়ে দিলেন করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে না। সরকারের এই দ্বিমুখী নীতিতে কপালে ভাঁজ পড়ছে বিশ্লেষকদের। শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে ক্ষোভ।…
আজ ১১ জুন। ২০০৭ সালের এই দিনে চট্টগ্রামের সাতটি এলাকায় পাহাড় ধসে মারা যান ১২৭ জন। এরপর দীর্ঘ ১৪ বছরেও থামেনি পাহাড় ধস। থামেনি মানুষের মৃত্যু। প্রায় প্রতিবছরই কোনও না কোনোভাবে পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঘটেছে। অথচ প্রশাসনের চোখে পড়ার মতো কোন পদক্ষেপ নেই। তাদের এই উদাসীনতায় গত ১৪ বছরে চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে প্রায় চার শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। প্রশাসনের কোন মাথাব্যথা নেই প্রতি বছর বৃষ্টির আগে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ অভিযান চালায় প্রশাসন। এরপর বাকি দশ মাস আড়ালে চলে যায় তাদের কার্যক্রম। জানা যায়, ২০০৭ সালে পাহাড় ধসে ১২৭ জনের মৃত্যুর পর একটি পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছিল।…
আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সকল বিদেশি সৈন্য প্রত্যাহারের কথা রয়েছে। বিদেশি সেনারা চলে যাবার পর তালিবান যোদ্ধারা আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করবেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পর্যবেক্ষকরা। প্রায় প্রতিটি প্রদেশের রাজধানীতে তালিবান আক্রমণ চালাচ্ছে। তারা চেক পয়েন্ট, পুলিশ ফাঁড়িতেও আক্রমণ করছে। আফগানিস্তানের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মুখপাত্র রহমতুল্লাহ আন্দার জানিয়েছেন, বিদেশি সেনা প্রত্যাহার শুরু হওয়ার পর থেকে তালিবান এক হাজার ৪৫৫টি আক্রমণ করেছে। গত এপ্রিলে জাতিসংঘ জানিয়েছিল, এই বছর জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে সেনা ও তালিবানের মধ্যে সংঘর্ষে এক হাজার ৮০০ সাধারণ মানুষ মারা গেছেন বা গুরুতর আহত হয়েছেন। গত কয়েক সপ্তাহে কয়েক লাখ মানুষ ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। আইএস…
জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য এখন অব্দি তেরোটি কোভিড-১৯ টিকার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কিন্তু এর কোনটিই শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত নয়, যারা কিনা করোনা ভাইরাসে কম ঝুঁকিপূর্ণ। এই পরিস্থিতি হয়তো বদলে যাবে। গত ১৬ই মার্চ মর্ডানা, আমেরিকান ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা, ঘোষণা দিয়েছিল যে ছয় মাস থেকে বারো বছরের শিশুদের টিকা দেয়া শুরুর ক্ষেত্রে তারা অনেকটাই এগিয়েছে। ট্রায়াল চলছে। ফাইজার, আরও একটি আমেরিকান প্রতিষ্ঠান, বারো বছরের বেশি বয়সী শিশুদের উপর তাদের টিকার পরীক্ষা চালাচ্ছে। অ্যাস্ট্রাজেনেকা, একটি ব্রিটিশ-সুইডিশ কোম্পানি, খুব শিঘ্রই ছয় থেকে সতেরো বছর বয়সী শিশুদের উপর টিকার ট্রায়াল শুরু করবে। চলুন জেনে নিই, কেন প্রাপ্ত বয়স্কদের থেকে শিশুদের উপর টিকার…
করোনাকালে প্রকৃতির কদর বেড়েছে অনেকাংশেই। তবে পরিবেশ নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে যুগ যুগ ধরে। প্রতিবছর ৫ জুন পালিত হয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস। পরিবেশ রক্ষার সচেতনতা এবং নতুন পদক্ষেপকে উৎসাহিত করতে জাতিসংঘ যথাযথ গুরুত্ব সহকারে পরিবেশ দিবস পালন করে। ‘প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার, হোক সবার অঙ্গীকার’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ৫ জুন শনিবার বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে এ দিবস। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, পরিবেশ বিপর্যয়ের ফলে পৃথিবীর ৪০ শতাংশ মানুষ ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, বিজ্ঞানের মতে পরিবেশ বিপর্যয় থেকে বাঁচার জন্য আগামী ১০ বছর পৃথিবীর মানুষের জন্য শেষ সুযোগ। পরিবেশ দূষণ ও বিপর্যয় থেকে ঘুরে…
রোহিঙ্গাদের নিয়ে ক্রমশ জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। মিয়ানমার সরকারের ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশেই স্থায়ীভাবে বসবাসের দিকে ঝুঁকছে। যদিও সম্প্রতি জান্তা সরকারের রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে অনাগ্রহ প্রকাশের পর, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ দেশে নিরাপদে ফিরিয়ে নিয়ে নাগিরকত্ব স্বীকৃতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মিয়ানমারের ছায়া সরকার। এদিকে, মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি) ধীরে ধীরে সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ হয়ে উঠছে। ক্রমেই জোরালো হচ্ছে গণতান্ত্রিক সরকার উৎখাত করে ক্ষমতা দখলকারী সেনা সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলন। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রতিশ্রুতি মিয়ানমারের ছায়া সরকারের জান্তা সরকার উৎখাত করে ক্ষমতায় ফিরতে বৃহস্পতিবার পাঁচটি নীতিকৌশল প্রকাশ করেছে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত ঐক্য সরকার। এর মধ্যে অন্যতম হলো, বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতে…
মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদে তৃতীয়বারের মতো বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। করোনাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় ছয় লাখ তিন হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৩ জুন) দুপুর ৩টায় বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের ২১তম বাজেট এটি, বর্তমান অর্থমন্ত্রীর তৃতীয়। ‘জীবন-জীবিকায় প্রাধান্য দিয়ে সুদৃঢ় আগামীর পথে বাংলাদেশ’ শিরোনামের এবারের বাজেটটি প্রস্তুত হয়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে সবচেয়ে কম সংখ্যক সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে দেশের ৫০তম বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। যারা উপস্থিত রয়েছেন তাদের মানতে…
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সংঘটিত হলোকাস্টে ৬০ লাখ ইহুদির প্রাণহানি হয়। পরবর্তীতে এটিকে ইহুদিদের নিজেদের আবাসভূমির দাবির বিরাট এক যৌক্তিকতা রূপে দেখানো হয়। তবে তার আগেই ১৯৩৭ সালে পিল কমিশনের বিভাজন পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ৩০ শতাংশ ইহুদিদের প্রদানের কথা বলা হয়। পরের বছর আরও দু’টো বিকল্প বিভাজন পরিকল্পনা দেওয়া হয়। এরপর ১৯৪৭ সালে ব্রিটেনের অনুরোধে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ফিলিস্তিন বিভাজন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। যেখানে ভূখণ্ডটিকে ‘আরব রাষ্ট্র, ইহুদি রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে জেরুজালেম’— এই তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়। আরবরা এর বিরোধিতা করে। কিন্তু ততদিনে ইউরোপ থেকে ইহুদি অভিবাসীর স্রোত তখন ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বিরাট আকার ধারণ করছে। ব্রিটিশ সরকার নানা ধরনের…