…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের জ্বালানি খাত আবারও এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি, যা শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, শিল্প, পরিবহন,…
Trending Posts
-
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
যেদিন কুয়েত দখল করেছিল ইরাক: মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দেওয়া ২ আগস্ট
আগস্ট ২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
রাজনীতি থেকে ব্যবসা: বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রভাব কতটা বিস্তৃত?
আগস্ট ২, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments -
তীব্র গরমে বছরে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: জলবায়ু সংকটের মূল্য দিচ্ছে কারা?
আগস্ট ১, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
যেদিন কুয়েত দখল করেছিল ইরাক: মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দেওয়া ২ আগস্ট
আগস্ট ২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
- দুই হাজার বছর পর মিলল রোমান সেনাশিবির: হঠাৎ কেন পরিত্যক্ত হয়েছিল পুরো ঘাঁটি?
- ইরান যুদ্ধের মূল্য দেবে বাংলাদেশ? ঝুঁকিতে জিডিপি, রেমিট্যান্স ও জ্বালানি বাজার
- ঘাটতি গ্যাসে বাড়তি লোডশেডিং: সাময়িক সংকট নাকি দীর্ঘমেয়াদি?
- আফগানিস্তানের আড়াই দশক পর একই ভুল করছে ট্রাম্প
- ৫ই আগস্ট প্রকাশ্যে আসছেন শেখ হাসিনা
- আগস্ট ঘিরে পুলিশের মধ্যে চাপা আতঙ্ক কেন?
- মাছের সঙ্গে কি আমরা মাইক্রোপ্লাস্টিকও খাচ্ছি?
- দাবানলের আগুন যেভাবে বদলে দিচ্ছে এক মহাদেশের ভবিষ্যৎ
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশে এরইমধ্যে নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে বাংলাদেশের জনগণকেই এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশে সুষ্ঠু ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ দেশের জনগণ, সরকার ও সুশীল সমাজকে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। এটি ভালোভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। এমনটাই বলছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, মূলত, নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশের জনগণ। আশা করছি, নির্বাচন কমিশন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেবে। নির্বাচন কমিশন তাদের স্বাধীন সত্তা প্রয়োগ করবে। মানবাধিকার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় ছাড় দেবে না যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি অনুযায়ী দেশটি মানবাধিকার এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করবে না। বাংলাদেশ নিয়ে গত…
গোটা বিশ্ব এখন রুদ্ধশ্বাসে নজর রাখছে রাশিয়া-ইউক্রেন রণাঙ্গনে। কেন বাজলো এই যুদ্ধের দামামা, এই যুদ্ধে কে জিতবে কে হারবে, এই যুদ্ধের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কী হবে—তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। আর ক্রমেই এই যুদ্ধের পেছনে ন্যাটোর ভূমিকা নিয়ে অসন্তুষ্টি বাড়ছে গোটা বিশ্ব জুড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জার্মানিতে ১১৯টি সামরিক ঘাঁটি, যুক্তরাজ্যে আছে ২৫টি, ইতালিতে আছে ৪৪টি, বেলজিয়ামে আছে ১১টি। অন্য দেশেও রয়েছে। এখানে প্রশ্ন আমেরিকার এতো ঘাঁটি ইউরোপে কেন? মূলত আমেরিকা এমন একটি যুদ্ধ চাইছিল, যেন ন্যাটোর অবস্থান আরও পোক্ত করা যায় এবং সেনা ঘাঁটি রাখার যৌক্তিকতা মেলে ধরা যায়। প্রসঙ্গত, যুদ্ধ বন্ধে ন্যাটোতে ইউক্রেনের যোগদানের পরিকল্পনা স্থায়ীভাবে বাতিল করতে…
যুদ্ধ ইউক্রেনকে বিশ্বের রুটির বাস্কেট থেকে দরিদ্রতম দেশে পরিণত করেছে। বিশ্বব্যাপী ১২৫ মিলিয়ন মানুষকে খাওয়ানোর জন্য যে শস্য ক্রয় করা হয়, তার ৫০ শতাংশ ইউক্রেন থেকে আসে। এ পরিস্থিতিতে ইয়েমেনের মতো যুদ্ধ-বিধ্বস্ত অঞ্চলে রেশন কমানো শুরু করতে হচ্ছে, যেখানে ইতিমধ্যেই খাদ্য, জ্বালানি এবং পরিবহনের ক্রমবর্ধমান খরচের কারণে খাদ্য বরাদ্দের পরিমাণ অর্ধেকে নামানো হয়েছে। ইউক্রেন ও রাশিয়া যৌথভাবে বিশ্বের গমের সরবরাহের ৩০ শতাংশ, ২০ শতাংশ ভুট্টা এবং ৭৫-৯০ শতাংশ সূর্যমুখী বীজের তেল উৎপাদন করে। মিসর ও লেবানন তাদের শস্য সরবরাহের ৮০ শতাংশ ইউক্রেন থেকে আমদানি করে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সফল আবেদন এবং আন্তর্জাতিক সামরিক ও মানবিক সহায়তায় ভরপুর দেশটির অর্থনৈতিক এবং…
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য চড়া রয়েছে। চীনের মতো বড় পণ্য প্রস্তুতকারক অর্থনীতির জন্য যা রীতিমতো মাথাব্যথার কারণ। কিন্তু, দুনিয়ার দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির ভাগ্যের চাকা খুলে দিয়েছে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং তার ফলে মস্কোর ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা। রাশিয়াকে এসব নিষেধাজ্ঞা নাগপাশ কাটাতে ভারত ও চীনসহ বড় ক্রেতাদের কাছে সুলভে বিক্রি করতে হচ্ছে জ্বালানি তেল। ছাড়কৃত মূল্যে তেল বিক্রি করে চীনের জ্বালানি তেলের বাজার মাত করছে রাশিয়া। বেইজিংয়ের কাছে এরমধ্যেই বিক্রি করেছে অন্য যে কোনো রপ্তানিকারকের চেয়ে বেশি। মে মাসের আমদানি তথ্য অনুসারে, এ মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৫ শতাংশ বেশি তেল কিনেছে চীন। ফলে গত মে’তে- সৌদি আরবকে…
মাত্র ১৩ বছরেই শুকিয়ে গেছে চিলির পেনুয়েলাস জলাশয়। পেনুয়েলাস জলাধারটি ছিল প্রায় ৩৮ হাজার অলিম্পিক সুইমিং পুলের সমান আয়তনের। গত ২০ বছর আগেও ছিল চিলির ভালপরাইসো শহরের প্রধান জলাধার। এখন সেটি প্রায় মরুভূমি। খটখটে শুকনো। এখানে-ওখানে পড়ে থাকা মাছের কঙ্কাল বহন করছে মৃত্যুর অশনিসংকেত। ১৩ বছরের ঐতিহাসিক খরা, আমূল বদলে দিয়েছে অঞ্চলের জলবায়ু ও বাস্তুতন্ত্র। প্রচণ্ড গরমে শুকিয়ে যাচ্ছে, জলাধারটি। যার প্রভাব পড়েছে তামা এবং লিথিয়াম উৎপাদনে। তালা পড়েছে শিল্পে। এমনকি চিলের রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে জল-রেশন করার ঐতিহাসিক নির্দেশিকা জারি হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ধুঁকছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পেনুয়েলাসের পানিতে মাছ ধরে জীবিকানির্বাহ করতেন এমন জনগোষ্ঠীরা পড়েছেন বেশি ভোগান্তিতে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত বিশেষজ্ঞরাও।…
সিলেট-সুনামগঞ্জে যে বন্যা চলছে তা ১২২ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান। ভারতের আসাম ও মেঘালয়ের রেকর্ড বৃষ্টি চরম দুর্ভোগ নিয়ে এসেছে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায়। মৌসুমের তৃতীয় দফা বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সিলেট ও সুনামগঞ্জের অন্তত ৩৫ লাখ মানুষ। আর এর মধ্যেই বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৮৭৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫৭ হাজার ২০০ জনে। শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এ সময়ে করোনায় এক জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মোট মারা যাওয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১৩২…
ফ্রান্সের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি নির্বাচনে জিততে পারলো না প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোর জোট। তারা সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পারেনি। ম্যাক্রোর জোটের নাম হলো এনসেম্বল। এই মধ্যপন্থি জোটই আগে ক্ষমতায় ছিল। পার্লামেন্টেসংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য তাদের প্রয়োজন ছিল ২৮৯ আসন। কিন্তু ম্যাক্রোর জোট পেয়েছে ২৪৫টি আসন। জ্যঁ লুক মেলাঞ্চের নেতৃত্বে জোট বেঁধেছেন সমাজবাদী, বামপন্থি ও গ্রিন পার্টি। তাদের বলা হচ্ছে নুপেস জোট। তারা ১৩১টি আসনে জিতেছেন। মেলাঞ্চ বলেছেন, এই ফলাফল দেখিয়ে দিচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ব্যর্থ। কট্টর দক্ষিণপন্থি ল্য পেন ছিলেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ম্যাক্রোর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী। তার নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল রেলি পার্টি ৮৯টি আসনে জিতেছে। আগের পার্লামেন্টে পেনের দল পেয়েছিল আটটি আসন। ফলে আসনপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে…
ভয়াবহ বন্যায় বাংলাদেশে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বন্যা এখানে নিয়মিত। তবে জলবায়ু পরিবর্তন এর তীব্রতাকে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। সূত্র মতে, প্রবল বর্ষণের জেরে তৈরি বন্যায় এর মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই মারা গিয়েছেন ২১ জন। বন্যায় মোট মৃতের সংখ্যা ২৫। বাংলাদেশের সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পাহাড়ি ঢল আর অতি ভারী বৃষ্টিতে নদনদী ও হাওরের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যার আরও বিস্তৃতি ঘটেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন দুই জেলার প্রায় ৪০ লাখ মানুষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি সিলেটে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা। পানিবন্দি মানুষের মধ্যে হাহাকার ও আর্তনাদ চলছে। আশ্রয়ের খোঁজে পানি-স্রোত ভেঙে ছুটছে মানুষ।…
নিজের দেশে ফিরে যাওয়ার দাবিতে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে আজ সকালে সমাবেশ করেছেন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। জেলার ৩৪ টি আশ্রয় শিবিরের প্রায় সবগুলোতে বিভিন্ন অংশে ইংরেজি এবং বার্মিজ ভাষায় লেখা ব্যানার, পোষ্টার হাতে জড়ো হয়ে পাঁচটি দাবি জানিয়েছেন রোহিঙ্গারা। ‘গোয়িং ব্যাক হোম’ বা চল বাড়ি যাই, ‘লেটস গো টু মিয়ানমার’ বা চল মিয়ানমার যাই, ‘নো মোর রিফিউজি লাইফ’ বা আর নয় শরণার্থীর জীবন- এরকম শ্লোগান সম্বলিত ফেস্টুন নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তারা। আরো নানা ধরনের বার্তার মধ্যে ছিল ‘কয়েক দশক ধরে আমরা রাষ্ট্রহীন হয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছি। আর কতদিন?’। জাতিসংঘের বিশ্ব শরণার্থী দিবসের ঠিক একদিন আগে রোহিঙ্গাদের এই প্রচারণা চালাতে দেখা গেল। কী বলছে…
কুখ্যাত মাদক মাফিয়া বলতে আমাদের চোখের সামনে মূলত পুরুষের চেহারাই ভেসে আসে। তবে এই মাদক সম্রাটদের ভিড়ে একাধিক সম্রাজ্ঞীও ছিলেন। যাদের দৌরাত্ম্যে নাকানিচুবানি খেতে হয়েছিল অনেক পুলিশ এবং গোয়েন্দাকর্তাকে। এদের মধ্যে যিনি সব থেকে বিখ্যাত, (বলা ভালো, কুখ্যাত) তিনি গ্রিসেলডা ব্লাঙ্কো। তবে পরিবারসূত্রে পাওয়া নামের থেকেও তিনি বেশি পরিচিত ছিলেন ‘লা মাদ্রিনা’ বা ‘গডমাদার’ নামে। মূলত কোকেন এবং গাঁজা ব্যবসায় প্রতিপত্তি লাভ করলেও হেন মাদক ছিল না যা নিয়ে ব্ল্যাঙ্কো ব্যবসা করেননি। ব্ল্যাঙ্কো ছিলেন মেডেলিন মাদকচক্রের অন্যতম প্রধান। মেডেলিন মাদকচক্র ছিল কলম্বিয়ার ক্ষমতাশালী এবং অত্যন্ত সংগঠিত মাদকচক্র। মনে করা হয়, এস্কোবার এই মাদকচক্র চালু করেছিলেন। এস্কোবারের একজন প্রধান পরামর্শদাতাও ছিলেন…