…
এডিটর পিক
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বহুদিন ধরেই এক কঠিন বাস্তবতার প্রতীক—যেখানে ভূগোলের চেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়েছে মৃত্যু, আতঙ্ক…
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যেভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ
মার্চ ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যে পাঁচটি বিষয় বলে দেবে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ভবিষ্যৎ
মার্চ ১৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যেভাবে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ
মার্চ ১৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
যে পাঁচটি বিষয় বলে দেবে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ভবিষ্যৎ
মার্চ ১৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করতে ব্যর্থ ট্রাম্প, সাহায্য চাইল চীনের
মার্চ ১৬, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- সীমান্ত কূটনীতিতে বিএনপির অভূতপূর্ব সাফল্য: প্রথম মাসে হত্যা শূন্য
- শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধে হাত ছিল ইসরায়েলের: চাঞ্চল্যকর নথি ফাঁস
- যে পাঁচটি বিষয় বলে দেবে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ভবিষ্যৎ
- ইরান যুদ্ধে পাশে নেই মিত্ররা, ট্রাম্প একা
- ভারতের আরএসএস ও র’য়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা চায় মার্কিন কমিশন
- বিএনপির এই অতি প্রোগ্রেসিভ এপ্রোচের পেছনের চরিত্র কি হতে পারে?
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থার উত্থানের দলিল
- যুদ্ধের ড্রাইভিং সিটে ইরান
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
রুশ ইউক্রেন যুদ্ধ বদলে দিচ্ছে বিশ্বের সাম্যাবস্থা। ইউক্রেনে রুশ আক্রমণের পর বাল্টিক রাষ্ট্রগুলো থেকে শুরু করে মলদোভা পর্যন্ত রাশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভয় ঢুকে গেছে। তাদের মধ্যে ঝোঁক দেখা দিচ্ছে ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার। রাশিয়ার হুমকি এইক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। তাত্ত্বিকভাবে হলেও ফিনল্যান্ড নিরাপদ হওয়া উচিত, কারণ এটি ঐতিহাসিকভাবে নিরপেক্ষ একটি দেশ। এছাড়াও ১৯৩৯ সালে স্তালিনের সোভিয়েত সেনাবাহিনী ফিনল্যান্ডে আক্রমণ করলে তার বাহিনীকে বেশ কঠিন সময় পার করতে হয়েছিল। সুইডেন ও ফিনল্যান্ড-দেশ দুটি নর্ডিক দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত। উত্তর ইউরোপ ও উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরীয় অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত নর্ডিক দেশগুলো। দেশগুলো হচ্ছে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেন। এ ছাড়া ফারো দ্বীপপুঞ্জ, গ্রিনল্যান্ড,…
হারিছ চৌধুরী মারা গেছেন। মারা যাননি। এ নিয়ে রয়েছে নানা কৌতূহল। রয়েছে বিতর্ক। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন সত্যি হারিছ চৌধুরী মারা গেছেন। অনেকের মতে হারিছ গোয়েন্দাদের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতেই মৃত্যুর খবর প্রচার করেছেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হারিছ চৌধুরীকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত সরকার ক্ষমতায় এলে হঠাৎ আত্মগোপনে চলে যান তিনি। পরের ১৪ বছর কোনো খোঁজ ছিল না। নানা সময় খবর আসে দেশের বাইরে আত্মগোপনে আছেন তিনি। অবশেষে এক যুগের বেশি সময় পর এ বছরের শুরুর দিকে জানা গেল হারিছ চৌধুরী মারা গেছেন। তবে নিজ নামে মারা যাননি তিনি, মারা…
২০১৬ সালের দিকে ইউনিভার্সিটি অব ঘানায় তৎকালীন ভারতীয় রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির দেয়া একটি ভার্স্কয নিয়ে বেশ বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক-শিক্ষার্থী সকলেই ভার্স্কয অপসারণের দাবিতে শ্রেণীকক্ষ ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে। তারা সম্মিলিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে পিটিশন জমা দেন। পিটিশনে বর্ণবাদের দোহাই দিয়ে মহাত্মা গান্ধীর ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলতে অনুরোধ করা হয়। তাদের মতে, মহাত্মা গান্ধী ছিলেন একজন ‘বর্ণবাদী’। তার পরিবর্তে আফ্রিকার কিংবদন্তিদের সম্মান জানানোর কথা বলেছিলেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। দুই বছর পর, ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মূর্তি অপসারণ করে। শুধু ঘানাতে নয়, জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর ইউরোপজুড়ে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন নতুন মাত্রা লাভ করলে আন্দোলনের অংশ হিসেবে বর্ণবাদের সাথে জড়িয়ে থাকা যেসব ব্যক্তির…
সিরিয়া, প্যালেস্তাইন, আফগানিস্তান, ইউক্রেন; যুদ্ধে দিশেহারা পৃথিবী। আগুনের মতো যেন দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে যুদ্ধের ভয়াবহতা। আর গোটা বিশ্বজুড়েই এই হিংসার শিকার হচ্ছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। ক্রমশ বেড়ে চলেছে উদ্বাস্তুর সংখ্যা। পরিত্রাণ পাচ্ছে না শিশুরাও। এমনকি জন্ম লগ্ন থেকেই ‘উদ্বাস্তু’-র তকমা বসে যাচ্ছে অজস্র শিশুদের নামের পাশে। সম্প্রতি এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল জাতিসংঘের রিপোর্টে। জাতিসংঘের শরণার্থী হাইকমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, সাম্প্রতিক প্রায় ১০ লক্ষাধিক শিশু উদ্বাস্তু জন্মলগ্ন থেকেই। তাছাড়াও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ থেকে বিতাড়িত হওয়ার কারণে বিপর্যস্ত আরও কয়েক লক্ষ শিশুর ভবিষ্যৎ। যা কেবলমাত্র তাদের শৈশবেই প্রভাব বিস্তার করছে না, বরং আজীবন এই অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হয়ে যেতে হবে তাদের। সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে…
ইউক্রেন রুশ যুদ্ধ ঘিরে উত্তাপ ছড়াচ্ছে বিশ্বজুড়ে। তারই মধ্যে দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন করে উত্তেজনা বাধাল বেইজিং। ভিয়েতনামের উপকূলে নতুন করে নৌযুদ্ধের মহড়া শুরু করার কথা শনিবার ঘোষণা করেছে চীনের ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’ (পিএলএ)। পাশপাশি উত্তাপকে আরও এক ধাপ চড়িয়ে ওই এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বন্ধের ফরমানও জারি করা হয়েছে। ভিয়েতনাম সরকার সূত্রের খবর, চীনের হেনান প্রদেশের সানিয়া নৌঁঘাটিতে মোতায়েন বাহিনী এই নৌ-মহড়ায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে। বিতর্কিত ওই জলপথের উপর চীনা ফৌজ কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করেছে বলেও আগেই খবর মিলেছিল। তবে হেনানের ‘মেরিটাইম সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ একে ‘রুটিন অনুশীলন’ বলে জানিয়ে বলেছে, আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে ওই নৌ-মহড়া।…
নানা সময়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের শীর্ষ পর্যায়ের সম্মেলনে সীমান্তে নন-লিথ্যাল উইপন (প্রাণঘাতী নয়) অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়। সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার ব্যাপারে সদিচ্ছার কথাও বলেন নীতিনির্ধারকরা। এমনকি উভয় দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পর্যায়ের আলোচনায়ও সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ভারত; কিন্তু বাস্তবে তার প্রতিফলন খুব কমই চোখে পড়ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যার ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে। সম্প্রতি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে লিটন আলী (৩৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। সে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের বিলগাথুয়া গ্রামের আকবর আলী বিশ্বাসের ছেলে। নিরপরাধ যুবক নিহত নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান,…
প্রেসিডেন্টরা ক্ষমতায় আসবেন আর নানান ছলছুতো ধরে যুদ্ধ বাধাবেন- যুক্তরাষ্ট্রের এ ব্যাধি অনেক পুরনো। ইতিহাসের ঝুলকালির হিসেবে তা ২০০ বছরেরও অতীত। ১৮০০ সালের দিকে ‘ইন্ডিয়ান রিমোভাল অ্যাক্ট’ অনুমোদন করে হতদরিদ্র আদিবাসীদের নিজ ভূমি থেকে বিতাড়িত করেছিলেন সে সময়ের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু জ্যাকসন। মার্কিন সরকার যন্ত্রে সাম্রাজ্যবাদ সংক্রামকটা তখন থেকেই জেঁকে বসে। সরকার বদলেছে, প্রেসিডেন্ট পাল্টেছে, বদলায়নি যুদ্ধবাজ নীতি। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে চোখ রাখলেই তার প্রমাণ ধরা পড়ে। বারাক ওবামা, জর্জ ডব্লিউ বুশ, বিল ক্লিনটন- সবার শরীর থেকেই কমবেশি বারুদের গন্ধ এসেছে। পূর্বসূরিদের রেখে যাওয়া যুদ্ধসাপকে দুধ-কলা দিয়ে কোলে-কাঁখে পুষছেন তাদেরই সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। বাদ যাননি সাম্প্রতিক বাইডেনও। যুক্তরাষ্ট্র চাইলেই এড়াতে…
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে। এ যুদ্ধের খবরাখবর জানানো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীদের খোলামেলা বর্ণবাদী মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া দেখে রীতিমতো ধাক্কা খেতে হয়। ইউরোপে সীমান্তরক্ষীরা যেভাবে শরণার্থীদের আটকে দিচ্ছেন এবং সরাসরি বর্ণবিদ্বেষী আচরণ করছেন, তাতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক শুদ্ধতার আবরণে ঠিক কীভাবে ছড়িয়েছে বর্ণবাদ। ইউক্রেন বনাম ইরাক-ফিলিস্তিন-আফগানিস্তান রুশ বাহিনীর আগ্রাসী আচরণের নিন্দায় সরব যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডার মতো দেশগুলো। সেসব দেশের মিডিয়াতে রীতিমতো ধুয়ে ফেলা হচ্ছে ভ্লাদিমির পুতিন ও তার বাহিনীকে। ভুক্তভোগী ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার ঝড় বইয়ে দিচ্ছে পশ্চিমারা। অথচ এই দেশগুলোই ফিলিস্তিন, ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া যুদ্ধের ক্ষেত্রে চোখে যেন টিনের চশমা পরে থাকে। আজ ইউক্রেনের সাধারণ…
সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে ৮৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ১২ জন, আহত হয়েছেন ১ হাজার ১৪৬ জন। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ১৪৩ জন নারী ও ১৩০ জন শিশু। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে দেশে ৫ হাজার ৬২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৭ হাজার ৮০৯ জন। আহত হন ৯ হাজার ৩৯ জন। সড়ক, রেল ও নৌপথে মোট দুর্ঘটনার ৯১ শতাংশই সড়কে ঘটছে। এদিকে, ২০২০ সালে দেশে চার হাজার ৭৩৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ হাজার ৪৩১ জন নিহত এবং সাত হাজার ৩৭৯ জন আহত হন। আজ শনিবার রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য…
অক্টোবর বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ার বিখ্যাত কমিউনিস্ট নেতা ভ্লাদিমির লেনিন তার সহযোদ্ধাদের নিয়ে জারশাসিত রুশ রাজতন্ত্রকে উৎখাত করেন। কিন্তু রুশ কমিউনিস্টরা জারশাসিত রাজতন্ত্রকে উৎখাত করতে সমর্থ হলেও বিপ্লবের পরে আরও বেশ কিছুদিন তাদের প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি, অর্থাৎ জারের প্রতি অনুগত বাহিনীর সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হয়। কারণ, ‘হোয়াইটস’ হিসেবে পরিচিত রাজতন্ত্রের সমর্থকরা রাশিয়ার রাষ্ট্রব্যবস্থায় কমিউনিজম প্রতিষ্ঠিত হওয়াকে মোটেও ভালোভাবে নেননি। যুদ্ধফেরত সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, পুঁজিবাদের সমর্থক রুশ সমাজের ধনী সম্প্রদায় ও রুশ রাজপরিবারের প্রতি সহানুভূতিশীল ব্যক্তিরা আমেরিকা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মতো দেশের সহায়তা নিয়ে কমিউনিস্টদের লালফৌজের সাথে গৃহযুদ্ধ চালিয়ে যান। শেষপর্যন্ত লেনিনের লালফৌজের কাছে রাশিয়ার প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির পতন ঘটে এবং লেনিন সোভিয়েত…