Author: সাঈম শামস্

সে যে নরঘাতী উন্মাদ হতে পারে এটা কেউ ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করেনি। নারীদের কাছে হ্যান্ডসাম লুক, চমৎকার চোখের অধিকারী টেড বান্ডি ছিল প্রেম করার জন্য আদর্শ পুরুষ। তরুণদের চোখে সে ছিল আদর্শ বন্ধু, মায়েদের চোখে আদর্শ সন্তান। অথচ এরকম একজন সুদর্শন, হ্যান্ডসাম পুরুষ আড়ালে একজন নৃশংস খুনী, সিরিয়াল কিলারের ভূমিকা পালন করতো! থিওডোর রবার্ট বান্ডি’র ক্রাইম ফাইলটা এজন্যই এত ইন্টারেস্টিং হয়ে উঠেছিল। থিওডোর রবার্ট বান্ডি’র ডাক নাম ছিল টেড। তার অতীত ইতিহাসে অবশ্য কিছু সূত্র ছিল, যেগুলো তার পরবর্তী জীবনে দানব হয়ে ওঠার দিকে ইঙ্গিত করে। ১৯৪৬ সালের ২৪ নভেম্বর, ফিলাডেলফিয়া’র বাসিন্দা ১৯ বছর বয়সী লুইস কাউয়েল-এর কোল আলো করে টেডের…

Read More

ডেভিড পার্কার রে। সাম্প্রতিক ইতিহাসে যতজন ব্যক্তি খুনী হিসেবে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, তাদের মধ্য ‘অফিসিয়ালি’ সবচেয়ে ভয়ংকর খুনী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে তাকে। যদিও তাকে কখনো খুনী হিসেবে প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি। তার বিরুদ্ধে অপহরণ, ধর্ষণ এবং নারীদেরকে নির্যাতনের অভিযোগ ছিল। আমেরিকার নিউ মেক্সিকো’র একটি ছোট্ট শহরে সে এসব অপকর্ম করেছিল। শহরের নামটা বেশ অদ্ভুত; ট্রুথ অর কনন্সিকোয়েন্স। বাংলায় অনুবাদ করলে অনেকটা এরকম দাঁড়ায় : সত্য কিংবা ফলাফল। ভিকটিমদের স্মৃতি মুছে দেওয়ার জন্য তাদেরকে ড্রাগ দিতো ডেভিড। নারীদেরকে নির্যাতন করার জন্য তার বাড়ির পেছনে বিশেষভাবে বানানো একটি চেম্বার ছিল। সেই চেম্বারকে সে দুটো নামে ডাকতো, ‘শয়তানের ডেরা’ কিংবা ‘দ্য টয়…

Read More

ফ্রেডরিক ওয়েস্ট-এর জন্ম হয়েছিল ১৯৪১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর। ৩ বোন এবং ছোট ২ ভাইয়ের মাঝে ফ্রেড তার মায়ের সবচেয়ে পছন্দের ছিল। গুজব আছে, ফ্রেডের বয়স যখন মাত্র ১২ বছর তখন তার মা তাকে যৌনকর্মে প্রলুব্ধ করেছিল। ফ্রেডের বাবার নাম ওয়াল্টার ওয়েস্ট, গ্লোচেস্টাশায়ার ফার্মে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতো। সে তার সন্তানদেরকে যৌন-খেলনা হিসেবে বিবেচনা করতো এবং ফ্রেড ছোটবেলা থেকেই অজাচারের (রক্তের সম্পর্ক থাকা ব্যক্তির সাথে যৌন সঙ্গম যেমন : মায়ের সাথে ছেলের, বাবার সাথে কন্যার, ভাইয়ের সাথে বোনের ইত্যাদি) সাথে পরিচিত ছিল। ফলে ফ্রেড তার বাবা-মায়ের মতো নিজেও অজাচার কর্মে দীক্ষিত হয়েছিল, সে ভাবতো অজাচার একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। ১৯৬১ সালে ১৩…

Read More

স্কট টং লেখক এবং দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের অনুসন্ধানী সাংবাদিক ক্রেইগ হুইটলক রচিত নতুন বই ‘দ্য আফগানিস্তান পেপারস : দ্য সিক্রেট হিস্টোরি অব দ্য অ্যর’-এ গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। বিগত দুই দশক ধরে আফগানিস্তানে অবস্থান করতে গিয়ে আমেরিকান সেনাবাহিনী কী কী ভুল করেছিল সেগুলো উন্মোচিত হয়েছে বইটিতে। ২০০২ সালের এপ্রিলে আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ. বুশ সতর্ক করেছিলেন, আফগানিস্তানে আমেরিকানদের যেকোনো ধরনের অগ্রগতি এবং শান্তি কর্মসূচিতে বিদ্রোহীরা হামলা করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ভার্জিনিয়া মিলিটারি ইন্সটিটিউটে বক্তৃতা দিয়েছিলেন বুশ, “ইন্টেলিজেন্স থেকে তো বটেই, আফগানিস্তানে মিলিটারি সংঘর্ষের ইতিহাস থেকেও আমরা বিষয়টা জানি। প্রাথমিকভাবে একটি সফলতা অর্জন করার পর দেখা গেছে অনেক বছর…

Read More