…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘ভারতপন্থী’ বা ‘ভারতবিরোধী’ তকমা নতুন কিছু নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক বাস্তবতায় এই তকমা আবারও…
Trending Posts
-
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ছত্রাকের সংক্রমণ বিশ্বের নানা দেশে, কতটা ভয়াবহ?
জানুয়ারি ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
সহিংসতা প্রাণহানি বাড়ায় ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কেন?
জানুয়ারি ৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ছত্রাকের সংক্রমণ বিশ্বের নানা দেশে, কতটা ভয়াবহ?
জানুয়ারি ৪, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
সহিংসতা প্রাণহানি বাড়ায় ইসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কেন?
জানুয়ারি ৭, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
জানুয়ারি ৯, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- কলম্বিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ‘হুমকি’ রয়েছে: দেশটির প্রেসিডেন্ট
- বিক্ষোভ তুঙ্গে, টিকবে কি ইরানের শাসকগোষ্ঠী?
- বিএনপি-জামায়াত কি জাতীয় সরকার গঠন করবে?
- কোটি কোটি বছর ধরে যেভাবে পৃথিবীই বাসযোগ্য করছে চাঁদকে
- বিএনপিকে কি ভারতপন্থী দল বলা যায়?
- ভারতের ওপর ৫০০ ভাগ শুল্ক আরোপের বিলে অনুমোদন ট্রাম্পের
- হাসিনাকে তাড়াতে পারলেও বৈষম্যহীন দেশ কি আমরা পেলাম?
- অটোক্রেসির নতুন বিশ্বব্যবস্থায় আপনাকে স্বাগতম
Author: স্টেটওয়াচ ডেস্ক
অনলাইনে ব্যাপক ঘৃণামূলক বক্তব্য ও বিদ্বেষমূলক প্রচারণার কারণে মিয়ানমারে নিজেদের বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদে বাধ্য হওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফেসবুকের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, অনলাইনে ব্যাপক ঘৃণামূলক বক্তব্য ও প্রচারণার কারণে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা তাদের বাড়িঘর থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছেন এবং এ কারণে লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ফেসবুককে। বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি। মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ২০১৭ সালে লক্ষ্যবস্তু বানায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। তাদের অনেকেই বাংলাদেশে চলে আসে। এর পর থেকে তারা শরণার্থীশিবিরে বসবাস করছে। ভুক্তভোগীদের সহযোগিতাকারী সংগঠন ও অধিকারকর্মীরা বলছেন, ফেসবুকের…
১৪ বছরে দেশে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুর জন্ম (সিজারিয়ান সেকশন বা সি–সেকশন) ৮ গুণের বেশি বেড়েছে বলে এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানিয়েছে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)। এর মধ্যে বেশির ভাগ সি–সেকশন হচ্ছে অপ্রয়োজনীয়। সংস্থাটি জানায়, হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রসবে যা খরচ হচ্ছে, তার চেয়ে চার গুণ বেশি খরচ হচ্ছে সি–সেকশনে। আজ বুধবার বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) সি–সেকশন নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরে এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন বিআইডিএসের গবেষণা ফেলো আবদুর রাজ্জাক সরকার। ‘ম্যাসিভ বুম অব সি–সেকশন ডেলিভারি ইন বাংলাদেশ: এ হাউসহোল্ড লেভেল অ্যানালাইসিস (২০০৪–২০১৮)’ (বাংলাদেশে সি–সেকশনের ব্যাপক বৃদ্ধি: পরিবার পর্যায়ে বিশ্লেষণ) শিরোনামে প্রতিবেদনটি সরাসরি বিআইডিএসের সম্মেলনকক্ষ ও অনলাইনে প্রকাশ…
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্যই সরকার তথ্য অধিকার আইন করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সরকারের এ দৃষ্টিভঙ্গি বদলে গেছে। তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে জনগণের জানার যে অধিকার দেওয়া হয়েছিল, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে তা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২২ উপলক্ষ্যে গতকাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আর্টিকেল নাইনটিন আয়োজিত ‘জবাবদিহিতা নিশ্চিতে তথ্য অধিকার আইন’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে বক্তারা এমন অভিমত দেন। বক্তারা বলছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন তথ্য অধিকার বাস্তবায়নের জন্য হুমকি। এ আইন ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করেছে। এর ফলে তথ্য অধিকার আইনের সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। তারা বলেন, অনুমোদিত প্রক্রিয়ায় তথ্য না দেওয়াকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা উচিত। এজন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি…
সুনির্দিষ্ট বিধিমালা ও কমিটি থাকা সত্ত্বেও নজরদারির অভাবে ঢাকার ঐতিহ্যপূর্ণ স্থাপনাগুলো একে একে বেহাত হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)। বিআইপির সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। সেখানে বলা হয়, পরিকল্পনাহীন উন্নয়নের সমারোহে ঢাকার গৌরবময় ইতিহাস বিলীন হওয়ার জোগাড় হয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স বলে, আইন অনুযায়ী বড় কাটরা সরকারের অধীনে থাকার কথা। তবে সরকারি সংস্থাগুলোর নজরদারির অভাবে স্থাপনাটি ব্যক্তি মালিকানাধীন বলে দাবি করা হয়। বড় কাটরার বিশাল অংশজুড়ে একটি মাদ্রাসা, মালের আড়ত, ঝালাই কারখানাসহ নানা রকমের দোকানও রয়েছে। ফলস্বরূপ, বিভিন্ন সময়ে দাবিকৃত মালিকরা ভবনটি ভেঙে ফেলেছে। তারা…
সম্প্রতি কক্সবাজারের কয়েকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যার ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশ উত্তেজনা চলছে। ঠিক এই সময়ে উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৪ মাঝিকে (নেতা) খুনের দায় স্বীকার করে রোহিঙ্গা যুবকের ভিডিও বার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। কীভাবে, কার ইন্ধনে খুন করেছেন তার বর্ণনা দিলেন মো. হাসিম (২১) নামের ওই রোহিঙ্গা যুবক। গত ১ মাসে ৪ নেতা খুনের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও আকারে প্রকাশ করেন হাসিম। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি অস্ত্র হাতে কোন ক্যাম্পের কোন মাঝিকে কীভাবে হত্যা করেন তার বর্ণনা দিচ্ছেন মো. হাসিম। ভিডিওতে বলেন, তার মতো ২৫ জন যুবককে অস্ত্র দিয়ে ইসলামী সংগঠন ‘মাহাজ’ সৃষ্টি করেছে ক্যাম্পের কতিপয় ব্যক্তি। তিনি বলেন,…
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে যুগে যুগে ভ্রমণকারীরা মুগ্ধ হয়েছে। ঐতিহাসিক ও আত্মিক সকল সম্পদেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধ। তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশ স্বল্প আয়তনের দেশ হলেও বিদ্যমান পর্যটক আকর্ষণে যে বৈচিত্র্য তা সহজেই পর্যটকদের আকর্ষণ করতে সক্ষম। তাই যুগ যুগ ধরে দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশ চিরসবুজে ঘেরা এক স্বপ্নের দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু এবং প্রাচীন সভ্যতার একটি কেন্দ্র হিসেবে পর্যটকদের আকর্ষণ করার মতো অনেক সম্পদ রয়েছে এ দেশে। তবে পর্যটক হয়রানির কারণে দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এদিকে বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ভ্রমণে গিয়ে দেশের শতকরা ৮৭ ভাগ পর্যটক হয়রানির শিকার হন বলে দাবি করেছে পরিবেশবাদী…
দেশে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ছেই। বাড়ছে মৃত্যুও। সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৪৮২ জন। যা চলতি বছর একদিনে সর্বোচ্চ। সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৩৬২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৪৮২ জনের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ৩২৮ জন এবং…
প্রায় প্রতিটি বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস যেন বর্তমানে একটি রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়ার ধরনটাও পাল্টে গেছে। পরীক্ষার আগে পড়াশোনা করার চেয়ে তারা বেশি ব্যস্ত ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের খোঁজে। প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ, মিছিল প্রভৃতি অরাজকতা। উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকলেও দুর্নীতিতে শীর্ষে অবস্থান করছি আমরা, যা একটি জাতির জন্য অত্যন্ত অপমানজনক। দেশের প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি, আর্থিক কেলেঙ্কারি এখন আর নতুন কিছু নয়। আশঙ্কার বিষয় হল, বর্তমান প্রজন্ম কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের আগে শিক্ষাজীবনেই দুর্নীতির সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে। শিক্ষাঙ্গনে দুর্নীতির এক অভিনব পদ্ধতি প্রশ্নপত্র ফাঁস। এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষা; বিশ্ববিদ্যালয়, বিসিএস,…
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার দ্বিতীয় বার্ষিকীতেও শুরু হয়নি এ ঘটনায় হওয়া মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর কলেজের একটি ছাত্রাবাসে স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে আসা নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু না হওয়ায় বিচারে দীর্ঘসূত্রিতার আশঙ্কা করছে বাদীপক্ষ। তাদের অভিযোগ, আসামিরা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত তারা। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বিকালে দক্ষিণ সুরমার এক যুবক তার নববিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে ঘুরতে এসেছিলেন। সন্ধ্যার পর কলেজের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান করছিলেন তারা। এ সময় কয়েকজন যুবক তাদের ঘিরে ধরে। এক…
গত দুই বছরে করোনা প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের উদ্যোক্তারা। এ সময় তাদের যেমন বিক্রি ও আয় কমেছে তেমনি লোকবলও ছাঁটাই করতে হয়েছে। বহু ছোট উদ্যোক্তা কারখানা বন্ধ করতে কিংবা উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছেন। ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক অব অল্টার্নেটিভ ফাইন্যান্সিং ইনস্টিটিউশনস (ইনাফি) বাংলাদেশের গবেষণা অনুসারে, করোনার অভিঘাতে দেশের ৮৩ দশমিক ৯০ শতাংশ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার আয় কমেছে। ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকে ৪০ শতাংশ চাকরি হারিয়েছেন। ২২ শতাংশ ছোট উদ্যোক্তা ঋণের কিস্তির টাকা নিয়মিত পরিশোধ করতে পারেননি। সাড়ে ৫ শতাংশ চাহিদা অনুযায়ী ঋণ পাননি। আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সঞ্চয় ভেঙেছেন ৪৭ শতাংশ উদ্যোক্তা। ২১ শতাংশ উদ্যোক্তা…