Author: স্টেটওয়াচ ডেস্ক

গুলজার হোসেন উজ্জ্বল কথিত শিশু বক্তা ওরফে মাদানী হুজুর ওরফে রফিকুল ইসলাম গ্রেফতার হয়েছেন। তার গ্রেফতারের পর সংবাদ মাধ্যম মারফত জানতে পারলাম তার মোবাইলে প্রচুর পর্ণ ভিডিও পাওয়া গেছে। এছাড়াও জনৈক নারীর সাথে গোপন সম্পর্কের আলামতও মিলেছে। মাওলানা রফিক ২৭ বছরের একজন যুবক। তার মোবাইলে পর্ণ ভিডিও পাওয়া এমন কোন বিচিত্র ঘটনা নয়, অনেকের দৃষ্টিতে অপরাধও নয়। বয়ঃসন্ধি থেকেই এই বিষয়ে আমাদের কৌতুহল তৈরি হয়। এটা স্বাভাবিক। তবে পর্ণ একধরণের সেক্স ফ্যান্টাসি, রিয়েলিটি নয়। একে বাস্তব মনে করলে সমস্যা। সেটা ভিন্ন আলোচনা। সে আলোচনা আজ থাক। তবে পর্ণ সংরক্ষণ একজন আলেমের নৈতিক অবস্থানের সাথে সাংঘর্ষিক এ কথা বলাই যায়। রাষ্ট্র…

Read More

গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ঢাকার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সহিংসতার ঘটনায় হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক সহ ১৭ জনকে আসামি করে রাজধানীর পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৫ এপ্রিল (সোমবার) যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ উপ-দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। উল্লেখিত মামলায় আসামিরা হলেন- ১. আল্লামা মামুনুল হক (যুগ্ম মহাসচিব), ২. মাওলানা ফলায়েদ আল হাবিব (যুগ্ম-মহাসচিব), ৩. মাওলানা লোকমান হাকিম (যুগ্ম-মহাসচিব), ৪. নাসির উদ্দিন মনির (যুগ্ম-মহাসিচব), ৫. মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া (নায়েবে আমির), ৬. মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী (মাথজান, ঢাকা),  ৭. মাজেদুর রহমান (নায়েবে আমির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া), ৮. মাওলানা হাবিবুর রহমান (লালবাগ, ঢাকা), ৯. মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ…

Read More

আজ রোববর সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে দুই শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি লঞ্চ ডুবে গেছে। সূত্র মতে, মালবাহী একটি কার্গো লঞ্চটিকে ধাক্কা দিলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। লঞ্চডুবিতে বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জ রুটে চলাচল করা এমভি রাবিতা আল হাসান নামের লঞ্চটি নারায়ণগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল থেকে মুন্সীগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার ১৫ মিনিটের মধ্যে নির্মাণাধীন তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর সামনে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। নদীর তীরে থাকা কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ে লঞ্চটি একপাশে কাত হয়ে ডুবে যায়। ওই সময় কিছু যাত্রী লঞ্চ থেকে বের হয়ে সাতঁরে তীরে উঠার চেষ্টা করেন। তবে ঝড়ের কারণে নদীর তীর থেকে কেউ ডুবে যাওয়া লঞ্চের যাত্রীদের সহায়তা…

Read More

রবিবার (৪ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে দেওয়া সমাপনী বক্তব্যে সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টে হেফাজতে ইসলামীর যুগ্ম মহাসচিব যে মহিলাকে নিয়ে অবস্থান করেছিল সে পার্লারে কাজ করে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময়  হেফাজতিরা ইসলামকে কলুষিত করছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। এরা ইসলাম ধর্মের নামে কলঙ্ক: প্রধানমন্ত্রী সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী মামুনুল হকের প্রসঙ্গে বলেন, এদের চরিত্র নিয়ে কিছু বলতে চাই না। গতকালই আপনারা দেখেছেন। ধর্ম ও পবিত্রতার কথা বলে অপবিত্র কাজ করে ধরা পড়ে এরা। সোনারগাঁয়ে একটি রিসোর্টে হেফাজতের যুগ্ম সম্পাদক ধরা পড়লো। তা ঢাকার জন্য নানা রকম চেষ্টা করেছে তারা। পার্লারে কাজ করা এক মহিলাকে বউ হিসেবে পরিচয় দেয়। আবার নিজের বউয়ের…

Read More

মুজিব রহমান : যে নারীকে নিয়ে মামুনুল হক সাহেবকে আটক করা হয়েছিল নারায়ণগঞ্জে তা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে ভিন্নমতে বিভিন্ন কথা উঠছে। প্রশ্ন উঠেছে যে কোন নারীকে নিয়ে ওই নারীর সম্মিতিতে তিনি রিসোর্টে একান্তে সময় কাটাতে পারেন কিনা? প্রথম আলো এখানে অবকাশযাপন শব্দটি ব্যবহার করেছে, যা মামুনুল নিজেও করেননি। প্রগতিশীল মানুষ বলবেন- মামুনুলের অধিকার রয়েছে যে কোন নারীর সম্মতিতে তাকে নিয়ে হোটেলে একান্তে সময় কাটানোর। কিন্তু ওই নারী যদি অন্যের বিবাহিতা স্ত্রী হয়, দুই সন্তানের জননী হয় ও বন্ধুর স্ত্রী হয় তাহলেও তা কি প্রশ্নহীন থাকবে? মামুনুলের নৈতিকতা, শিষ্টাচার ও শুদ্ধাচার নিয়ে কি প্রশ্ন উঠাতে পারি? ইসলামে বিয়ে সামাজিক চুক্তি। সেই…

Read More

অনন্য আজাদ : বর্তমানে বাঙলাদেশে যে কয়জন দুর্ধর্ষ ইসলামিক উগ্রবাদি রাজনীতির ময়দানে সক্রিয় ও আক্রমণাত্মক এবং উসকানিমূলক মতবাদ প্রচার ও প্রসারের ভূমিকা পালন করে থাকেন তাদের মধ্যে শীর্ষস্থানে অবস্থান করেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর মহাসচিব মামুনুল হক। তিনি গত এক দশক ধরে বাঙলাদেশকে শরিয়া ভিত্তিক ইসলামী রাষ্ট্রে রূপান্তর করার জন্য ওয়াজ মাহফিলে কট্টর ইসলামিক নিয়মকানুন ও বিধিনিষেধ মেনে চলার বক্তব্য প্রদানের মধ্য দিয়ে  ধর্মান্ধ সমাজে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তিনি মনে করেন, বাঙলাদেশ চলবে শরিয়া মোতাবেক ও নারীর অধিকার ও স্বাধীনতা থাকবে পুরুষের অধীনে এবং লাল সবুজের এই ভূখণ্ডে কোন নাস্তিক বা অবিশ্বাসী বেঁচে থাকতে পারবে না। নাস্তিকদের জন্য…

Read More

সমালোচনা যেন পিছু ছাড়ছে না কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিনা উসকানিতে সংঘাত সৃষ্টির পর এবার বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে সংগঠনের তহবিল তছরুপের। এবার নিজস্ব তহবিলের লাখ লাখ টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ২০১৩ সাল থেকে গত আট বছরে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচুর অনুদান এলেও এর কোনো হিসাব নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে হেফাজত নেতাদের মধ্যেও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক (অডিটর) মাওলানা সলিমউল্লাহর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি আলোচনায় আসে। অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ মাওলানা সলিমউল্লাহ বলেন, রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে…

Read More

মামুন আব্দুল্লাহ :: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন উপলক্ষে হেফাজতে ইসলাম ও অন্যান্য সমমনা ইসলামী সংঘটনগুলোর প্রতিবাদী কর্মসূচিগুলো প্রমাণ করে বাংলাদেশে হিন্দু বিদ্বেষ কতটা ভয়াবহ। গরু জবাই, সাধারণ জনগণ ও হিন্দুদের বাড়ি ঘর মন্দিরে হামলা যদিও নৈমিত্তিক ঘটনা কিন্তু এটা ইঙ্গিত দেয় আরও সাংঘাতিক কিছুর। একথা স্পষ্ট যে হেফাজতের নেতাদের পদত্যাগ ও সরকার দলীয় ছাত্র নেতাদের পদত্যাগ আমাদের জানান দিচ্ছে যে হেফাজতে ইসলাম সরাসরি বাংলাদেশের রাজনীতিকে প্রভাবিত করছে। খুব সম্ভবত আমরা দ্রুতই তাদের রাজনীতিতে দেখতে পাব। শুধু প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে ১০ জন হেফাজত কর্মীর মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত হওয়া গেছে। কিন্তু এর টার্গেট যে হিন্দু সংখ্যালঘুরা তাতে কোন সন্দেহ…

Read More

মুজিব রহমান :: গণতন্ত্রের একটা মূল কথা হচ্ছে- ধর্ম ও রাষ্ট্রকে পৃথক করে দিতে হবে। অথচ অধিকাংশ মুসলমানের কাছে ধর্মই হচ্ছে তার রাষ্ট্র। তারা কোনভাবে আলাদা করার কথা ভাবতেও পারে না। অথচ ৫শত বছরেরও আগে ১৫১৭ সালে মার্টিন লুথার এমন উপলব্ধি থেকেই চার্চের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আরম্ভ করেন। রাষ্ট্রের উপর চার্চের প্রভাবমুক্তির দাবি উঠে, দাবি উঠে খৃস্ট ধর্ম সংস্কারের। এই আন্দোলনের বস্তুজাগতিক পরিস্থিতি ধর্মসংস্কারকে প্রায় অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছিল। এই আন্দোলনের ফসল হলো প্রটেস্টান্ট মতাবলম্বীদের উত্থান। পুরোহিত শ্রেণির পক্ষে টাকার বিনিময়ে পাপমুক্তির সনদ দেয়া বন্ধ হয়ে যায়। মানুষ বুঝতে পারে, ব্যক্তি ও স্রষ্টার মধ্যে পুরোহিত শ্রেণির দালালির কোন প্রয়োজন নেই। বাইবেল আরাধনার…

Read More

জসিম মুহাম্মদ রুশনী :: হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে চর্চার একটা জোয়ার চলছে দেশে। এমনকি নবীন লিখিয়েরা প্রচারে আসার জন্যও ব্যবহার করছে এই ট্রেন্ড। ফলে একটা গড়পড়তা গড্ডালিকার পত্তন ঘটে গেছে। কোনও তত্ত্ব নেই, তথ্য নেই, উপাত্ত নেই, ইতিহাস নেই, আছে কেবল শব্দসর্বস্ব বন্দনা। এটাকে কী মুজিবচর্চা বলা যায়? আমি অন্ততঃ তা বলি না। ১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির পর থেকে আলোচনার পাদপ্রদীপ হয়ে ওঠেন তৎকালীন মুজিব ভাই। শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের আদর্শানুসারীরা, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ভাবশিষ্যরা, ভাসানী সাহেবের অনুগামীরা, এমনকি এককালের তুখোড় মুসলিম লীগাররাও মুজিব ভাইয়ের সৈনিক হয়ে যান। কারণ ছিলো একটাই -…

Read More