Trial Run

আইনপ্রয়োগের চিত্র ও গণমাধ্যম: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১

স্টেটওয়াচ রিসার্চ নেটওয়ার্ক কাজ করছে বাংলাদেশে আইনপ্রয়োগের সার্বিক চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত বাস্তবতা নিয়ে। এর অংশ হিসেবে স্টেটওয়াচ নিউজে আমরা প্রতিদিনকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত খবরাখবরগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছি। প্রতিদিন নিম্নোক্ত মাধ্যমসমূহ থেকে সংবাদগুলো সংগ্রহ ও তা নথিবদ্ধ করছে আমাদের কর্মীরা: প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, যুগান্তর, সমকাল, নয়া দিগন্ত, ইত্তেফাক, দেশ রূপান্তর, ডেইলি স্টার, নিউ এজ, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, বাংলা ট্রিবিউন, বিডিনিউজ২৪ ডটকম, আমাদের সময়, মানবজমিন। আমরা আশা করি, এই প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার আরো শক্তিশালী হবে।

১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সোমবার, ১৮ মাঘ ১৪২৭, পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যম সংক্রান্ত নির্বাচিত খবরের সার-সংক্ষেপ

ঢাকায় আবার নাগরিক তথ্য সংগ্রহ করবে পুলিশ

প্রথম আলো
বিভাগ: রাষ্টীয় বাহিনী

নাগরিক তথ্যভান্ডার সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমসে (সিআইএমএস) সম্প্রতি গ্রেপ্তার হয়েছেন এমন কিছু ব্যক্তির তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এই প্রেক্ষাপটে সোমবার আবার ‘নাগরিক তথ্য সংগ্রহ পক্ষ’ শুরু করতে যাচ্ছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানিয়েছে, ১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে।

রোববার ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তরে এ সম্পর্কিত একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীতে থাকা সব নাগরিককে তথ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট থানার বিট অফিসারদের সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানায়, করোনায় ঢাকা মহানগরীর অনেক ভাড়াটিয়া পরিবারসহ ঢাকা শহর ছেড়ে যান। অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের পরিবর্তে ‘ব্যাচেলর’দের (অবিবাহিত) বাসা ভাড়া দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ডিএমপি কিছুসংখ্যক অপরাধী গ্রেপ্তার করেছে। সিআইএমএসে তাঁদের ব্যাপারে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। নাগরিক তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি অপরাধ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। তা ছাড়া কোনো অপরাধ ঘটলে নাগরিক তথ্য কাজে লাগিয়ে ঘটনার রহস্য সহজেই উদঘাটন করা যায়।

 

চরে ভাসছে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ, ঘণ্টায়ও উদ্ধারে আসেনি পুলিশ

জাগো নিউজ
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

ঝালকাঠির সুগন্ধার চরে ভেসে ওঠা অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিলেও সাড়ে ছয় ঘণ্টায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি পুলিশ।

রোববার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত নলছিটি উপজেলার বারিইকরণ নামক স্থানেই পড়েছিল মরদেহটি। অজ্ঞাত মরদেহ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রোববার সকালে নলছিটি উপজেলার সুগন্ধা নদীর চরের বারইকরণ এলাকায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ ভেসে ওঠে। দুপুরে স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে অবগত করেন। তবে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সেখানে পুলিশ পৌঁছাতে পারেনি। সন্ধ্যার পরেও লাশ উদ্ধারে পুলিশ না আসায় নদী তীরবর্তী মানুষের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকার কৃষক জামাল হোসেন বলেন, ‘দুপুরে আমরা ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়েছি। তারা আমাদেরকে পরে জানিয়েছে, বিষয়টি নলছিটি থানাকে অবগত করা হয়েছে। দ্রুত পুলিশ যাবে। কিন্তু রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পুলিশ আসেনি।’

চা দোকানি হালিম হাওলাদার বলেন, ‘আমার ১০ বছরের ছেলে বিকেল থেকে ভয়ে কাতর। সন্ধ্যার পর বাচ্চাদের মধ্যে আরও ভীতি ছড়িয়ে পড়ছে। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে না নিয়ে গেলে বাচ্চারা রাতে ঘুমাতে পারবে না।’জানতে চাইলে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মেদ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত জানিয়ে মুঠোফোনের লাইন কেটে দেন।

 

হামলা চালিয়ে পুলিশের কাছ থেকে মাদক ব্যবসায়ীকে নিয়ে গেছে সহযোগিরা

 
নয়াদিগন্ত

বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানের সময় হামলা করেছে মাদক ব্যবসায়িরা। এসময় এক মাদক ব্যবসায়িকে ছিনিয়ে নিয়েছে তারা। তবে অভিযান কালে পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে মাদকব্যবসায়ী রানাকে আটক করা হয়েছে। ছিনিয়ে নেয়া ওই মাদক ব্যবসায়ির নাম আক্তার হোসেন। তার বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় প্রায় ডজন খানেক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার নারায়ণগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বেলা ৩টায় সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলী এলাকার ডিএনডি ক্যানেল সংলগ্ন মিতালীর বাড়ির পাশে অভিযান চালায়। এসময় মাদক ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন ও পুলিশের সোর্স রানাকে আটক করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর। তাদের কাছ থেকে ১৫ পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে মাদক ব্যবসায়ি আক্তারের সহযোগীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লোকজনের ওপর অতির্কিত হামলা করে। এতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক সিপাহী আহত হয়। এসময় মাদকব্যবসায়ি আক্তার হোসেনকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় তার সহযোগিরা। মাদব্যবসায়ী আক্তারকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়ার বিষয়টি ঘটনাস্থলে থাকা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নারায়ণগঞ্জের সহকারী উপ-পরিদর্শক মোশারফ হোসেন স্বীকার করেছেন।

 

নওগাঁয় পুলিশের মারধরের প্রতিবাদে আইনজীবীদের কোর্ট বর্জন

জাগো নিউজ
বিভাগ: রাষ্ট্রীয় বাহিনী

নওগাঁয় আদালত চত্বরে মুরাদ হোসেন নামে এক আইনজীবীকে পুলিশের মারধর ও লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে সব ধরনের বিচারিক কার্যক্রম বর্জন করেছেন আইনজীবীরা। সোমবার (১ ফ্রেব্রুয়ারি) সকালে ঘটনাটি ঘটে। জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি খোদাদাত খান জানান, সকালে এক আইনজীবী রিকশা নিয়ে আদালত চত্বরে ঢুকছিলেন। এ সময় তাকে রিকশা থেকে নেমে আদালত চত্বরে প্রবেশের কথা বলেন দায়িত্বরত কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এ নিয়ে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা ওই আইনজীবীকে মারধর করেন।

এরই প্রতিবাদে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেন আইনজীবীরা। সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে সব ধরনের বিচারিক কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দওয়া হয়।

 

সুনামগঞ্জে ছবি তোলায় সাংবাদিককে গাছে বেঁধে মারধর

জাগো নিউজ
বিভাগ: গণমাধ্যম

ছবি তোলায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে স্থানীয় এক সাংবাদিককে বেদম মারধর করা হয়েছে। মারধরের পর তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। এমন দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাশমির রেজা নিজের ফেসবুক আইডিতে এই ভিডিও ছেড়ে দিয়ে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জাদুকাটা নদীতে অবৈধভাবে পাড় কেটে বালু-পাথর উত্তোলন করা হচ্ছিল। সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে দৈনিক সংবাদ ও দৈনিক শুভ প্রতিদিনের তাহিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি কামাল হোসেন পাড় কেটে বালু-পাথর উত্তোলনের ছবি তুলতে যান। ছবি তুলতে দেখে পাথর কাটার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা তাকে মারধর করেন এবং ঘাগটিয়া চকবাজারে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন।

ভাইরাল ১ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মারধরের পর সাংবাদিক কামাল হোসেনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। তার মুখমণ্ডলে আঘাতের চিহ্ন। চারপাশ ঘিরে রেখেছে মানুষ। একপর্যায়ে তার বাঁধন খুলে দেয়া হয়। তবে হামলাকারীদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হামলাকারীরা জাদুকাটা নদীতে অবৈধভাবে পাড় কেটে বালু-পাথর উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত। তাদের অভিযোগ, চক্রটির কারণে জাদুকাটা নদী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা জিয়ারুল হক জাগো নিউজকে বলেন, ‘জনসম্মুখে সাংবাদিককে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়েছে। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে তাহিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসি।’

ছড়িয়ে দিনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আপনার মতামত জানানঃ