Author: বিশেষ প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যে সরকার ও আওয়ামী লীগে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। দলের বেশির ভাগ নেতা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর ক্ষুব্ধ। দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বেশির ভাগ নেতা মনে করছেন, মোমেনের বক্তব্য কূটনৈতিকভাবে দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। দেশের ভেতরেও সরকারকে সমালোচনার মুখে ফেলেছে। এ অবস্থায় মোমেনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে দলের ভেতর থেকে চাপ বাড়ছে বলে জানা গেছে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের মতো মন্ত্রিসভার সদস্যদের অনেকেই মনে করেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেনের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। নেতাদের এই মনোভাবের কথা গত শুক্রবার দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এদিকে সরকারকে টিকিয়ে রাখতে ভারতের সহযোগিতা…

Read More

সরকারি প্রতিষ্ঠানে আর্থিক দুর্নীতি এখন ‘ওপেন সিক্রেট’ বিষয়। বাড়তি খরচ না করলে নাগরিকরা যেমন কোনো সেবা পান না, তেমনি কোনো প্রকল্পও বাস্তবায়ন করতে পারে না সরকার নিজেও। আর্থিক লেনদেনের ভাগবাটোয়ারা সরকার বা রাষ্ট্রীয় কোনো প্রতিষ্ঠান পায় না। যারা এগুলো পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন তারাই অর্থ নয় ছয়ের সুযোগ পাাচ্ছেন যুগের পর যুগ। বিনামূল্যের সেবা নগদ অর্থ দিয়ে গ্রহণ কিংবা ৪ হাজার টাকার বালিশ ১৭ হাজার টাকায় কেনা কিংবা অবৈধ কমিশন বা ঘুষ লেনদেনের বাড়তি অর্থের গন্তব্য কোথায়?  বিলাসবহুল বাড়ি, গাড়ি, হোটেল-রিসোর্ট, ব্যাংক-ব্যালান্স, জায়গা-জমিতে দৃশ্যমান কোটিপতি কারবারিদের; কিন্তু শত কোটি বা হাজার কোটির মালিকদের তথ্য চোখে পড়ে না খুব একটা। ধরাছোঁয়ার বাইরে…

Read More

তেলের দাম বৃদ্ধি সব দেশে সব সরকারের জন্যই একটি কঠিন পদক্ষেপ। কারণ এতে ব্যাপক জন অসন্তোষের ঝুঁকি থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনার সরকার এক লাফে তেলের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে দিয়েছে। এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে মধ্যরাতে। কার্যকর হয়েছে মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যবধানে। এটা মানুষকে হঠাৎ করে বিপদের মধ্যে ফেলেছে। কেউ কোনো প্রস্তুতি নেয়ার সুযোগ পায়নি। যে গাড়িটি খুলনা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে সন্ধ্যায় রওনা দিয়েছে, যার পথিমধ্যে তেল কেনার কথা ছিল, সে হঠাৎ করেই পাম্পে গিয়ে দেখেছে তেল বিক্রি বন্ধ। কারণ তেলের দাম বৃদ্ধির ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই পাম্পগুলো তেল বিক্রি বন্ধ করে দেয়। করোনা ভাইরাস মহামারি ও…

Read More

২০২২ সালে করোনার দাপট কমে এলেও ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে বিশ্ব অর্থনীতি। যার প্রভাব পড়ে দেশের অর্থনীতিতেও। এতে ডলার সংকটের পাশাপাশি বাড়ে আমদানি ব্যয়। কমতে থাকে রিজার্ভ। গত ২০ জুলাই যা ৩৯ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। জুলাইতে বাড়লেও তার আগের কয়েক মাস প্রবাসী আয়ের প্রবাহ কমেছে। সব মিলিয়ে লেনদেনের ভারসাম্যে নেতিবাচক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা, রিজার্ভের মজুত চাঙ্গা করা এবং বাজেট ঘাটতি মেটাতে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে ঋণ গ্রহণে সরকারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। যা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ৪৫০ কোটি…

Read More

শুক্রবার (৫ আগস্ট) দিনগত মধ্যরাত থেকে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। এর মধ্যে প্রতি লিটার ডিজেলে বেড়েছে ৩৪ টাকা, কেরোসিনে ৩৪, অকটেনে ৪৬ ও পেট্রলে বেড়েছে ৪৪ টাকা। দাম বাড়ার পর একজন ক্রেতাকে প্রতি লিটার ডিজেল কিনতে হচ্ছে ১১৪ টাকায়। এছাড়া প্রতি লিটার কেরোসিন ১১৪ টাকা, অকটেন ১৩৫ ও পেট্রল ১৩০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় আজ (রোববার) থেকে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। এর সঙ্গে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ও কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্বল্প আয়ের মানুষেরা। রাজধানীর মতিঝিলে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে হিসাবরক্ষক পদে চাকরি করেন…

Read More

বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে একলাফে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়িয়েছে সরকার৷ তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম গত সপ্তাহে একশো ডলারের নীচে নেমে এসেছে৷ বাংলাদেশে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম রাতারাতি ৪২ দশমিক পাঁচ শতাংশ বাড়িয়ে প্রতি লিটার ১১৪ টাকা করা হয়েছে৷ পেট্রোলের দাম ৫১ দশমিক এক ছয় শতাংশ বেড়ে প্রতি লিটার ১৩০ টাকা হয়েছে৷ অকটেনের দাম বেড়েছে ৫১ দশমিক ছয়-আট শতাংশ৷ প্রতি লিটারে যার দাম পড়বে ১৩৫ টাকা৷ এর আগে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম একবারে কখনোই এতটা বাড়ানো হয়নি৷ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মূল্যবৃদ্ধির ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সমন্বয়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের লোকসান…

Read More

রাজনৈতিকভাবে বহুদিন ধরেই প্রতিকূল পরিবেশের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। জাতীয় সংসদ থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত ক্ষমতাসীনদের শক্ত অবস্থানের কাছে রীতিমতো অসহায় অবস্থায় রয়েছে দলটি। মূলধারার রাজনৈতিক দলটি দীর্ঘদিন এ অবস্থায় থাকার কারণে সাংগঠনিকভাবেও হারিয়েছে শক্তি।     অবশ্য সরকারের দুর্নীতি, অনিয়ম ও বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে আসছে বলেও দাবি করছেন বিএনপি নেতারা। তারা বলছেন, সেই ধারাবাহিকতায় আগামীতে আরও গতিশীল কর্মসূচি দেওয়া হবে। যদিও ভোলায় পুলিশের হামলায় দুই নেতা নিহত হওয়ার পরও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতেই আছেন তারা। তৃণমূল থেকে বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের চাপ থাকা সত্ত্বেও আপাতত কঠোর কর্মসূচিতে যাচ্ছে না বিএনপি। বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের…

Read More

ক্ষমতার দীর্ঘ ১৩ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদ, বিভিন্ন বক্তৃতা এবং গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাত নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেছিলেন এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। যেগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি এবং এসব মন্তব্য নিয়ে অনেকক্ষেত্রে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানাধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মন্তব্য নিয়ে আমাদের পর্যালোচনা। “গ্যাস উত্তোলনে যত বাধাই আসুক, দেশের উন্নয়নে সরকার যা করা দরকার তা-ই করবে।” [সংসদ অধিবেশনে বক্তৃতাকালে। ৭ অক্টোবর ২০০৯, বিডিনিউজ২৪ ডটকম] পর্যালোচনা: শেখ হাসিনার এই ঘোষণার পর এক যুগেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু তার সরকার গ্যাস উত্তোলনে কোনো অর্জন দেখাতে পারেনি। এমনকি সমুদ্রজয় নিয়ে বহু বড়াই করেছে, কিন্তু সমুদ্রের…

Read More

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত জাতীয় নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এ খাতের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের হাতে থাকাই বাঞ্ছনীয়। নইলে আশঙ্কা থাকে জাতীয় নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার। কিন্তু বাংলাদেশে সরকার এই খাতকে ব্যক্তি মালিকদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে একগুচ্ছ পদক্ষেপ কার্যকর করেছে। সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত উন্নয়নের নীতিই ছিল ব্যক্তি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারি খাতকে সংকুচিত করে আনা। এ খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের চেয়ে সরকার আমদানিকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর আইএমএফ বেসরকরি খাতের বিকাশ এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ের শর্তারোপ করে সরকারকে ১০০ কোটি ডলার ঋণ দেয়। শর্তাবলির অধীনে থাকা নানা বিষয়ের মধ্যে…

Read More

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত বর্তমানে কঠিন সংকট মোকাবিলা করছে। জ্বালানি সংকটের কারণে হচ্ছে না পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন। ফলে সারা দেশে দিনে রাতে দফায় দফায় চলছে লোডশেডিং। বিদ্যুতের অভাবে বন্ধ সার কারখানার উৎপাদন। উৎপাদন সীমিত করতে হয়েছে নানা ধরনের শিল্পকে। গ্রামাঞ্চলে কোথাও কোথাও ১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং চলছে বিধায় কৃষি উৎপাদনও বিপর্যয়ের মুখে। সরকারের কঠোর নির্দেশে সূর্যাস্তের প্রায় ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই বন্ধ করে দিতে হচ্ছে সব ধরনের দোকানপাট। মোটকথা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সংকটে শিল্প ও কৃষি উৎপাদন, বেচাকেনা, গৃহস্থালী জীবন, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা, সব কিছুই চরম দুর্দশায়। সরকার যেখানে চাহিদার চেয়েও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে, সেখানে আজ কেন ঘরে ঘরে…

Read More