…
এডিটর পিক
সীমান্তে সাধারণত শক্তির প্রদর্শন দেখা যায়। অস্ত্র হাতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী মুখোমুখি থাকে, সীমান্তের…
Trending Posts
-
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
- বাংলাদেশের সীমান্তে কৃষকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, শটগান ফেলে পালাল বিএসএফ
- ইরানে কেন আটকে গেল আমেরিকা?
- জে-১০সিই কিনছে বাংলাদেশ? আকাশ প্রতিরক্ষায় আসছে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
- কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের বাহন বানানোর ইতিহাস: ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক বর্বরতা
- সীমান্তে কাঁটাতার, ভেতরে পরিচয়ের রাজনীতি: পশ্চিমবঙ্গে ‘অনুপ্রবেশ’ কথাটি এত শক্তিশালী কেন?
- প্রশ্ন করাই কি অপরাধ? তিন সাংবাদিকের বিচার ও সংবাদমাধ্যমের নতুন ভয়!
- হরমুজের অস্থিরতায় পানামা খালেও কেন বাড়ছে উত্তেজনা?
- রোহিঙ্গারা কি আদৌ ফিরবে নাকি বাংলাদেশেই থেকে থাবে?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
এখন মোটামুটি সবাই বুঝতে পেরেছে শেখ হাসিনাকে কেন এভাবে সব ছেড়েছুড়ে দেশত্যাগী হতে হল। কী-কী অপরাধ তিনি করেছেন যার দরুণ তাকে এই শাস্তি পেতে হল। এক-দুই করে তা লিখতে গেলে, প্রথম কারণ হবে– চূড়ান্ত ঔদ্ধত্য। অনেক দিন ধরেই কারও কোনও পরামর্শ তিনি শুনতেন না। নিজের ইচ্ছামতো চলতেন। দ্বিতীয় কারণ, নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করে গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেকগুলো গেঁথে দেওয়া, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে অন্ধ অনুগত আজ্ঞাবহ দাসে পরিণত করা। তৃতীয়, বিচারবিভাগকে নিজের ও দলের সুবিধামতো চালনা করা। চতুর্থ, আইনের শাসনের অবলুপ্তি ঘটানো। পঞ্চম, দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধি রোধে চরম ব্যর্থতা, যার দরুণ সর্বত্র হাহাকার সৃষ্টি হওয়া। এবং ষষ্ঠ– দুর্নীতি। শেষের এই কারণ, মানে, দুর্নীতির বহর…
প্রথমে কোটা এবং তারপর সরকার পতনের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত জুলাই ও অগাস্ট মাসে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডকে ‘জুলাই গণহত্যা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। আর এই সময়ে অন্তত ৬৫০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। সূত্র বিবিসি বাংলা। এদিকে ছাত্র আন্দোলনে এক হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেছেন সদ্য সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও বর্তমানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) এম সাখাওয়াত হোসেন। এ সময়ে নিহতদের সংখ্যা নিয়ে বাংলাদেশের একেকটি গণমাধ্যমে একেকরকম সংখ্যা তুলে ধরা হচ্ছে। মোটাদাগে, আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা নিয়ে নানা আলাপ…
‘স্বাধীনতা-হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়/দাসত্ব-শৃংখল বল কে পরিবে পায় হে, কে পরিবে পায়’ (রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়)। সত্যিই দীর্ঘ ১৮ বছর বাংলাদেশের মানুষ হিন্দুত্ববাদী ভারত ও তাদের পুুতুল শেখ হাসিনার দাসত্ব-শৃংখলে আবদ্ধ ছিল। শিক্ষার্থী-জনতার গণঅভ্যুত্থানে জাতি দ্বিতীয়বার স্বাধীন হয়েছে। ৫ আগস্ট স্বৈরাচারিণী শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছেন ভারতে। ১৮ বছরের দুর্বিষহ জুলুম-নির্যাতন ও বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে ৬ আগস্ট বাংলাদেশের পূর্ব দিগন্তে নতুন সূর্য উঠেছে। দেশের ১৭ কোটি মানুষ দ্বিতীয় স্বাধীনতা পেয়ে আনন্দে উদ্বেলিত। ঈদের খুশির মতো আনন্দে আত্মহারা মানুষ। কিন্তু দেশের বেশির ভাগ গণমাধ্যমের গায়ে দ্বিতীয় স্বাধীনতার নতুন সূর্যের রোদ যেন পড়েনি। তারা ‘কিসে পতিত হাসিনা ও দিল্লির দাদাদের সুখ’…
বাংলাদেশ বর্তমানে দুটি বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে: উচ্চ মূদ্রাস্ফীতি, যেটি ৯ শতাংশ বেড়েছে এবং টাকার মূল্যমানের বড় অবনতি। করোনা মহামারির সময় বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা আরও খারাপ হয়। টেক্সটাইল খাতের উপর নির্ভরশীল বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই সময়টায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটে। হাসিনার পতনের পর নতুন যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে সেটি জানিয়েছে এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো অর্থনীতিকে সঠিক জায়গায় এবং ব্যাংকের উপর মানুষের আস্থা ফেরানো। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ বার্তাসংস্থা পিটিআইকে এই তথ্য জানিয়েছেন। অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, “আমরা সংস্কার আনব। বেশ কিছু কারণে দেশের অর্থনীতির চাকা ধীর হয়ে গেছে। আমাদের লক্ষ্য থাকবে যত…
এলএনজি ও জ্বালানি তেল আমদানিতে বকেয়ার পরিমাণ ১ দশমিক ২ বিলিয়ন (১২০ কোটি) ডলার ছাড়িয়েছে। বর্তমান বিনিময় হারে প্রতি ডলারে ১১৮ টাকা ধরে বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১৪ হাজার ১৬০ কোটি টাকা। এর মধ্যে এলএনজিতে জুলাই পর্যন্ত বকেয়ার পরিমাণ ৭০০ মিলিয়ন (৭০ কোটি) ডলার। জ্বালানি তেলে বকেয়া ৫০০ মিলিয়ন (৫০ কোটি) ডলারের বেশি। বিপুল এ বকেয়া পরিশোধে জ্বালানি বিভাগকে চাপ দিচ্ছে সরবরাহকারীরা। সূত্র: বণিক বার্তা। জ্বালানি বিভাগসংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত ডলারের সংস্থান না থাকায় জ্বালানি আমদানি বাবদ বকেয়া বেড়ে চলেছে। দ্রুত তা পরিশোধ না হলে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে ঝুঁকিতে পড়তে পারে বাংলাদেশ। তবে অর্থ বিভাগ থেকে নিয়মিত বিল পরিশোধের বিষয়টি…
কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রতিষ্ঠায় আইনস্টাইনের ভূমিকা ব্যাপক। সেই আইনস্টাইনই পরে কোয়ন্টাম তত্ত্বকে অস্বীকার করেছিলেন। এটা তার বড় ভুল। কিন্তু আইনস্টাইন নিজে কোনটাকে সবচেয়ে বড় ভুল মনে করেছিলেন? মূলত মহাবৈশ্বিক ধ্রুবকের জন্ম দেওয়াই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ভূল বলে মনে করতেন আইনস্টাইন। আদৌ কি তাই? কালের কণ্ঠের সূত্রে, মহাবৈশ্বিক ধ্রুবককে ভুল ভাবাও আইনস্টইনের আরেকটা ভুল ছিল। কারণ বর্তমান বিজ্ঞানে প্রবল বিক্রমে রাজত্ব করছে মহাবৈশ্বিক ধ্রুবক। আইনস্টাইন সাধারণ আপেক্ষিকতা প্রকাশ করেছিলেন ১৯১৫ সালে। ১৯১৯ সালে সেই তত্ত্বের পরীক্ষামূলক প্রমাণ দেন আর্থার এডিংটনের নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানী। আইনস্টাইন তার বহু আগে থেকেই রীতিমত সুপারস্টার। সুতরাং আইনস্টাইনের একটা কথার মূল্য অনেক। আইনস্টাইনের তত্ত্ব থেকেই বেরিয়ে এসেছিল…
২০১৯ সালের ৯ই এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম কেন্দ্রিক একটি রাজনৈতিক দল ইউপিডিএফ-এর সংগঠক মাইকেল চাকমা। ঢাকার শ্যামলি থেকে সাদা পোশাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে তাকে গোপন বন্দীশালায় আটকে রাখা হয়েছিল, যেটি ‘আয়নাঘর’ নামে অনেকের কাছে পরিচিত। কথিত ‘আয়নাঘরে’ বন্দি থাকার পর ছয় আগস্ট তাকে চট্টগ্রামের একটি সড়কের ধারে চোখ বেঁধে ছেড়ে দেয়া হয়। বন্দীদশা থেকে ফিরে জানতে পারেন পূত্র শোক বুকে নিয়ে তার বৃদ্ধ পিতা মারা গেছেন। মাইকেল চাকমা আর জীবিত নেই ধরে নিয়ে রীতি মেনে তার শেষকৃত্যও করেছে পরিবার। বিবিসিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে গোপন বন্দীশালায় কাটানো দিনগুলোর অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন মাইকেল চাকমা।…
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বিক্ষোভ ও বিক্ষোভের পর সংঘাত দমনের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘অপ্রয়োজনীয়’ ও ‘মাত্রাতিরিক্ত’ বলপ্রয়োগের গুরুতর ও বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ রয়েছে বলে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ এবং সহিংসতার ঘটনার ক্ষেত্রে নির্বিচার বল প্রয়োগ করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেডের পাশাপাশি পাখি শিকারে ব্যবহৃত অস্ত্র, বুলেটসহ নানা রকম প্রাণঘাতী আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছেন। ‘বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ ও অস্থিরতা বিষয়ে প্রাথমিক বিশ্লেষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। গণমাধ্যম এবং আন্দোলনে যুক্তদের দেওয়া তথ্য উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৬ জুলাই থেকে ১১…
ইন্টারনেট ব্যবহারে বিঘ্ন ঘটছে পাকিস্তানে। দেশটিতে ইন্টারনেট সচল থাকলেও এর গতি কম। ফলে বিঘ্নিত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য। তবে, কেন এমন হচ্ছে–এর কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন অথোরিটি (পিটিএ)। দেশটিতে রাজনৈতিক উত্তেজনা চলছে, অর্থনৈতিক টালমাটাল অবস্থা। এ অবস্থায় এভাবে ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেওয়ার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। দেশটিতে বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে না তো? কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি বাংলাদেশে বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবা। প্রথমে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়। পরে বন্ধ করে দেওয়া হয় ব্রডব্যান্ড পরিষেবাও। একপর্যায়ে চাপে পড়ে জুলাইয়ের শেষদিকে চালু হয় ইন্টারনেট। তবে, এর মধ্যেই আন্দোলন…
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন সালমান এফ রহমান। দরবেশ খ্যাত এই মানুষটির নামে গত ১৫ বছরে আর্থিক খাতে নজিরবিহীন দুর্নীতি, লুটপাট, জালিয়াতি ও টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ফেরত না দেওয়ার পাশাপাশি রপ্তানি করে দেশে টাকা না আনার অভিযোগও রয়েছে তার মালিকানাধীন বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে। আর এভাবেই কামিয়ে নিয়েছেন হাজার হাজার কোটি টাকা। আসলে তিনি কত টাকার মালিক তার প্রকৃত হিসাব কারও কাছেই নেই। ২০০৬-২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও ঋণখেলাপিসহ নানা অভিযোগে জেলে গিয়েছিলেন সালমান এফ রহমান। এরপর জেল থেকে বের হয়ে নাম জড়ান ২০১০-১১ সালের শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারিতে। এতকিছুর পরও…