…
এডিটর পিক
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি বোঝার জন্য ইরানকে কেবল একটি আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে দেখা যথেষ্ট নয়। ইরান এমন…
Trending Posts
Trending Posts
- আজকের আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এক প্রাচীন পরাশক্তি
- প্রতিবেশী দেশে কেন বোমা ফেলছে তেহরান?
- মধ্যপ্রাচ্যে হতে পারে পারমাণবিক যুদ্ধ
- দুই সপ্তাহে ৪০ খুন, সরকারি দলের নেতাকর্মী পাঁচজন
- কেনাকাটা সংক্রান্ত দুর্নীতি এখতিয়ারে বাহিরে ছিলো বিধায় তদন্ত করিনি
- হরমুজ প্রণালীর অস্থিরতায় হুমকির মুখে বাংলাদেশের এলএনজি সরবরাহ
- খামেনির মতো চাইলেই অন্য দেশের নেতাদের হত্যা করতে পারবে আমেরিকা?
- মুসলিম প্রধান এই দেশে কেন এতো ধর্ষণ?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি থাকবে কি থাকবে না, এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং বুয়েটের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি অবস্থান ও পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে রোববার ক্যাম্পাসে রীতিমত থমথমে অবস্থা দেখা গেছে। কথিত আছে, ‘ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়’। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীদের অবস্থাটাও এমন। ২০০২ সালে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে সাবেকুন নাহার সনি নিহত হওয়ার ঘটনায় বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবি দানা বেঁধেছিল। ২০১৯ সালে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার পর উত্তাল ছাত্র আন্দোলনের মুখে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হয় প্রতিষ্ঠানটিতে। কিন্তু এ ঘটনার ৪ বছর না পেরোতেই বুয়েটে আবারও ছাত্ররাজনীতি চালুর…
এলসওয়ার্থ পর্বতমালায় বেশ কয়েকটি পর্বতচূড়া রয়েছে, যেগুলি ত্রিকোণাকৃতি হলেও তাদের ভিত্তি বর্গাকার এবং প্রতিটি দিকে দু’কিলোমিটার অবধি বিস্তৃত। ঠিক মিশরের পিরামিডের মতো। পিরামিডের ‘জন্ম’ মিশরে। তবে মিশরের বাইরেও পিরামিড-সদৃশ কাঠামোর হদিস একাধিক বার মিলেছে। পিরামিডের সঙ্গে সেই সব কাঠামোর অনেক মিলও রয়েছে। কিন্তু শ্বেতশুভ্র বরফে ঢাকা আন্টার্কটিকাতেও রয়েছে পিরামিড! এমনটাই মনে করছেন এক দল ‘কন্সপিরেসি থিয়োরিস্ট’। ‘কন্সপিরেসি থিয়োরিস্ট’দের মতে, আন্টার্কটিকা বরফে আচ্ছাদিত হওয়া সত্ত্বেও এবং কোনও স্থায়ী মানববসতি না থাকা সত্ত্বেও, সেই বরফের নীচেই নাকি ঢাকা রয়েছে ত্রিকোণাকৃতি এক ‘পিরামিড’। কিন্তু কেন এমনটা মনে করছেন ‘কন্সপিরেসি থিয়োরিস্ট’রা? এর নেপথ্যে রয়েছে একটি উপগ্রহচিত্র। সেই ছবি দেখার পরে সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদেরও একাংশ মনে…
ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক ঋণের বিপরীতে সুদ পরিশোধে সরকারের খরচ দ্বিগুণ বেড়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে সুদ বেড়ে ৮০ কোটি ৬০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে একই সময়ে সুদ পরিশোধে সরকার খরচ করেছিল ৪০ কোটি ৩০ লাখ ডলার। অর্থ্যাৎ সুদ পরিশোধের পরিমাণ ২০০ শতাংশ বেড়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সার্বিকভাবে ঋণ পরিশোধের ব্যয় বেড়েছে। বিষয়টি উদ্বেগের। আর এই অবস্থার অন্যতম কারণ হলো গত এক দশকে বাংলাদেশ স্বল্পমেয়াদি বেশকিছু ঋণ নিয়েছে। অন্যদিকে এসব ঋণের সুদহারও তুলনামূলক বেশি। ইআরডি’র প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে বিদেশি ঋণদাতাদের সুদ-আসল মিলিয়ে ২০৩ কোটি ডলার…
ইসলামী ব্যাংক দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম শরীয়াভিত্তিক ব্যাংক। ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকটির পিএলসি’র বর্তমানে শাখা ৩৯৪টি। এটিএম বুথ রয়েছে ২১১২টি। প্রায় ২১ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত ব্যাংকটি সুদমুক্ত ও কল্যাণমুখী ব্যাংকিং ধারার প্রবর্তক। সব সূচকেই দীর্ঘদিন দেশের শীর্ষে ছিল। চার দশকের পথচলায় শরীয়াভিত্তিক ব্যাংক ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, কৃষি ও ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নয়ন, শিল্পায়ন, প্রবাসী সেবা, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন প্রভৃতির ক্ষেত্রে জাতীয় অর্থনীতিতে অনবদ্য অবদান রেখে চলেছে। অথচ স্বনামধন্য ব্যাংকটি এখন ডুবতে বসেছে। জানতে চাইলে অর্থনীতিবিদ প্রফেসর আবু আহমেদ বলেন, সবার চোখের সামনে ডুবে যাচ্ছে ইসলামী ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুরু করে সবাই দেখছে ব্যাংকটি সঙ্কটে…
যিনি ভাঁড়, আমাদের কাছে তিনিই তো গোপাল। ভাঁড়ের অবয়ব মনে এলে তাই অবধারিতভাবে টাক মাথায় টিকিওয়ালা পেট মোটা দারুণ এক রগুড়ে লোকের চেহারাই ভেসে ওঠে বাঙালির চোখে। তার নাম অবশ্যই গোপাল ভাঁড়। হাস্যরসিক গোপাল ভাঁড়ের নাম শুনেননি, বিশ্বে এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। গোপাল ভাঁড় ছিলেন মধ্য যুগের নদীয়া অঞ্চলের একজন প্রখ্যাত মনোরঞ্জনকারী। তার আসল নাম গোপাল চন্দ্র প্রামাণিক। তিনি অষ্টাদশ শতাব্দীতে নদীয়া জেলার প্রখ্যাত রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজ সভায় নিযুক্ত ছিলেন। রাজা তাকে সভাসদদের একজন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভা ও জনগণের যাবতীয় বিনোদনের আস্ত এক ভাণ্ডার ছিলেন বুদ্ধিমান গোপাল। কিন্তু এত প্রিয় মানুষ হয়েও বাংলাতে তার ঠাঁই হয়নি; বরং…
শত শত বছর আগে, এক প্রসিদ্ধ ইসলামিক লাইব্রেরি বিশ্বে আরবি সংখ্যা নিয়ে আসে। যদিও সেই লাইব্রেরি বহু আগেই বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে কিন্তু গণিতে এটি যে বিপ্লব ঘটিয়েছিল, তা আমাদের পৃথিবীকেই বদলে দিয়েছে। বায়াত আল-হিকমাহ্ বা হাউজ অফ উইজডম – প্রাচীন এই লাইব্রেরির এখন আর কোন অস্তিত্বই নেই, সেটি ১৩ শতকেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তাই শুধুমাত্র কল্পনা করা ছাড়া আমাদের এখন আর নিশ্চিত হবার কোন উপায় নেই যে এটার অবস্থান ঠিক কোথায় ছিল এবং এটি দেখতে কেমন ছিল। কিন্তু এই মর্যাদাপূর্ণ একাডেমি ইসলামের স্বর্ণযুগে ছিল বাগদাদের প্রথম বড় জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্র। একইসাথে এটিকে বলা হয় আধুনিক ‘আরবি’ সংখ্যার জন্মভূমি, আর ‘শূন্য’ দিয়ে…
একটি কিংবা দুটি নয়, সহস্রাধিক মানুষের মস্তিষ্কের জীবাশ্ম আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এসব মস্তিষ্কের কিছু আবার ১২ হাজার বছর কিংবা তারও আগের কোনো মানুষের। জাহাজের ধ্বংসাবশেষ কিংবা জলাবদ্ধ কোনো কবরের মতো স্থানে হাজার হাজার বছর ধরে কীভাবে মস্তিষ্কের মতো একটি নরম বস্তু জীবাশ্মে পরিণত হলো তা বিজ্ঞানীদের কাছে এক রহস্য। দেখা গেছে—মানুষগুলোর অস্থি, চর্ম সহ শারীরিক অবয়বের সবকিছু বিলীন হয়ে গেলেও অলৌকিকভাবে শুধু মস্তিষ্কটি জীবাশ্ম আকারে থেকে গেছে। বিষয়টিকে অদ্ভুত আখ্যা দিয়ে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক আলেকজান্দ্রা মর্টন-হেওয়ার্ড বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে, যে পরিবেশই হোক না কেন—তা মস্তিষ্ককে সংরক্ষণ করবে, এমনটা আমরা আশা করি না।’ এ বিষয়ে নিও সায়েন্টিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,…
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর থেকে প্রকাশিত ২০২৪ সালের বৈদেশিক বাণিজ্যে বাধা বিষয়ক প্রতিবেদনে বাংলাদেশে ঘুষ, দুর্নীতি ও অস্বচ্ছতাকে চিহ্নিত করেছে। বলেছে, এর ফলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘ ৩৯৪ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে বাংলাদেশ অংশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে দুর্নীতি একেবারেই সাধারণ বিষয়। সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয় ইলেকট্রনিক পোর্টাল চালু করেছে। কিন্তু মার্কিন অংশীদাররা তা নিয়ে উদ্বেগ তুলে ধরেছেন। তারা বলেছেন, এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় আউটডেটেড বা মেয়াদোত্তীর্ণ প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য। এর ফলে সুবিধা দেয়া হয় পছন্দের দরদাতাদের। সরকারি টেন্ডারে আছে সার্বিক স্বচ্ছতার অভাব। মার্কিন বেশ কিছু কোম্পানি অভিযোগ করেছে, ক্রয় প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের জন্য মাঝে মাঝে স্থানীয় অংশীদারদের ব্যবহার করে তাদের বৈদেশিক…
দীর্ঘদিন ধরেই দেশে ডলার সংকট। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করলেও খুব বেশি কাজ হয়নি তাতে। বরং আমদানি কমায় উল্টো বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। এমন পরিস্থিতিতেও প্রতিদিন দেশ থেকে পাচার হচ্ছে কোটি কোটি টাকা মূল্যের ডলার। সম্প্রতি এমন এক চক্রের সন্ধান পায় দুদক। যারা প্রতিদিন শত কোটি টাকা মূল্যের ডলার বা বৈদেশিক মুদ্রা অবৈধভাবে দেশের বাইরে পাচার করছিল। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন শত শত প্রবাসী দেশে ফেরেন। এছাড়া বাংলাদেশ ভ্রমণ বা কোনো কাজে আসেন অনেক বিদেশি। এসব প্রবাসী ও বিদেশি তাদের সঙ্গে থাকা ডলার বা বিদেশি মুদ্রা বিমানবন্দরে থাকা ব্যাংকের বুথ ও মানি চেঞ্জার থেকে বাংলাদেশি টাকায়…
জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি বা ইউনেপের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বিশ্বে ২০২২ সালে বাসাবাড়ি, খাদ্য সেবা ও খুচরা পর্যায়ে মোট খাদ্যের প্রায় উনিশ শতাংশ অর্থাৎ একশ কোটি টনের বেশি খাবার অপচয় হয়েছে। ওই সময় বাংলাদেশে গড়ে একজন ব্যক্তি বছরে ৮২ কেজি খাবার অপচয় করেছেন। এতে বলা হয়, “বিশ্বের বেশিরভাগ খাদ্য অপচয় হয়েছে বাসাবাড়িতে। যত খাদ্য অপচয় হয়েছে ৬০ শতাংশই বাসাবাড়িতে হয়েছে। এছাড়া গড়ে একজন মানুষ বছরে ৭৯ কেজি খাবার অপচয় করেছে,” প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স রিপোর্ট ২০২৪ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ওই সময়ে বাংলাদেশের খাদ্য অপচয়ের এ প্রবণতা ছিলো ভারত, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি।…