…
এডিটর পিক
সীমান্তে সাধারণত শক্তির প্রদর্শন দেখা যায়। অস্ত্র হাতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী মুখোমুখি থাকে, সীমান্তের…
Trending Posts
-
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
মাজার থেকে বঙ্গভবন: যে ভবনের ইতিহাসে মিশে আছে পাঁচ শতকের ঢাকা
আগস্ট ২২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বিজেপির একশ দিন: পশ্চিমবঙ্গের নতুন সীমান্তনীতি বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে, সরকার পিছিয়ে: জনমতের এই ব্যবধান আসলে কী বলছে?
আগস্ট ২২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
- বাংলাদেশের সীমান্তে কৃষকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, শটগান ফেলে পালাল বিএসএফ
- ইরানে কেন আটকে গেল আমেরিকা?
- জে-১০সিই কিনছে বাংলাদেশ? আকাশ প্রতিরক্ষায় আসছে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
- কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের বাহন বানানোর ইতিহাস: ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক বর্বরতা
- সীমান্তে কাঁটাতার, ভেতরে পরিচয়ের রাজনীতি: পশ্চিমবঙ্গে ‘অনুপ্রবেশ’ কথাটি এত শক্তিশালী কেন?
- প্রশ্ন করাই কি অপরাধ? তিন সাংবাদিকের বিচার ও সংবাদমাধ্যমের নতুন ভয়!
- হরমুজের অস্থিরতায় পানামা খালেও কেন বাড়ছে উত্তেজনা?
- রোহিঙ্গারা কি আদৌ ফিরবে নাকি বাংলাদেশেই থেকে থাবে?
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
২০০৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল পাঁচটায় নির্দেশ পৌঁছালো। ওই দিন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্যারাশ্যুট রেজিমেন্টের অগ্রবর্তী দলের দায়িত্বে ছিলেন মেজর কমলদীপ সিং সাধু। মাত্রই সক্রিয় করা হয়েছে জরুরী সংকেত। সম্মুখসারির একাধিক প্যারাট্রুপার দলকে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। চব্বিশ ঘন্টাই জরুরি মোতায়েনের জন্য পুরো এক ব্যাটালিয়ন সৈন্যধারী একটি স্ট্রাইক ফোর্স প্রস্তুত রাখে ভারত। এদেরকে ভারতের ক্ষমতা প্রক্ষেপণের অগ্রবিন্দু হিসেবে গণ্য করা হয়। আগের রাতেই অনুরূপ একটি জরুরি সংকেত সক্রিয় হয়ে পরে বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু ফের যখন সংকেত সক্রিয় হলো এবং “পাঁচ থেকে ছয়টি” আইএল-৭৬ ও এএন-৩২ বিমান প্রস্তুত রাখার নির্দেশ এলো, সাধু বুঝতে পারলেন বড় কিছু ঘটতে চলেছে। আড়াই…
ভারত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সমর্থক ছিল। নির্বাসিত হওয়ার পর তাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। বাংলাদেশিরা তার বর্বরতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করার আগ পর্যন্ত হাসিনার সরকারকে সমর্থনও করে এসেছে। এই সপ্তাহে দীর্ঘসময় ধরে শাসনকারী প্রধানমন্ত্রীর উপর নয়াদিল্লির বাজি হঠাৎ পাল্টে গেছে। কয়েক সপ্তাহের ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভ ও সহিংসতার পর শেখ হাসিনা সোমবার ভারতে পালিয়ে যান যখন সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা তার সরকারি বাসভবনের দিকে মিছিল করে এগিয়ে যাচ্ছিল। ১৫ বছর পর তার সরকারের আকস্মিক পতন বাংলাদেশে একটি অনিশ্চিত শূন্যতা তৈরি করেছে। ১৭০ মিলিয়নের এই দেশটিকে ভারতের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আঞ্চলিক অংশীদার বলে মনে করা হয়। হাসিনার এই আকস্মিক…
ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বেশ কিছু ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের কেন্দ্র করে খবর প্রকাশিত হতে শুরু করেছে। যেখানে তারা বাংলাদেশের ইসলামী সংগঠনগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। সেসব গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে হাসিনার পতনে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন শুরু হয়েছে এবং তাতে জড়িত রয়েছে দেশটির ইসলামপন্থী দলগুলো। ভারতীয় গণমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম জুড়ে বিভ্রান্তিকর বিষয়বস্তু সম্বলিত নিবন্ধ এবং ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে। টাইমস গ্রুপের মালিকানাধীন মিরর নাও এর ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। যার শিরোনাম বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা? ভিডিওতে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে বাংলাদেশের সাধারণ জনতা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত…
গণবিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারত চলে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। তার দাবি, অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিলেই দেশে ফিরবেন হাসিনা। তবে তিনি নির্বাচনে অংশ নিবেন কিনা তা স্পষ্ট করেননি জয়। আজ শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। এর আগে শেখ হাসিনা পদত্যাগের পরপরই জয় জানিয়েছিলেন, হাসিনা আর কখনোই দেশে ফিরবেন না। পরে অবশ্য তিনি জানিয়েছিলেন যখন বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে তখনই তিনি (হাসিনা) ফিরে আসবেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিলে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন…
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে থাকতে পারেন দুজন ছাত্র– আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়া ও মো. নাহিদ ইসলাম। আজ বৃহস্পতিবার তারা এই সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিতে পারেন। এতে সৃষ্টি হবে নতুন ইতিহাস। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো সরকারের সর্বকনিষ্ঠ উপদেষ্টা হবেন তারা। আসিফ মাহমুদ ও নাহিদ ইসলাম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দুই সমন্বয়ক। আসিফ মাহমুদের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার আকুবপুর গ্রামে। তার পিতার নাম মো. বিল্লাল হোসেন ও মাতার নাম রোকসানা বেগম। আসিফ মাহমুদ (২৬) আদমজী ক্যান্টমেন্ট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও কলেজটির বিএনসিসি ক্লাবের প্লাটুন সার্জেন্ট ছিলেন। কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করে তিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের…
৪ আগস্ট রাতে তিন বাহিনীর প্রধানদের ডাকেন দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা। ওই সময় রাগে তিনি সামনের টেবিলে আঘাত করে উচ্চস্বরে তাদের উদ্দেশে ঘোষণা দেন: আমি ক্ষমতা ছাড়ব না। তবে পরের দিন (৫ আগস্ট) সকাল থেকেই গণভবনে উত্তেজনা ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সকাল সাড়ে ১০টায় তিন বাহিনীর প্রধান ও পুলিশ মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) গণভবনে ডাকা হয়। শীর্ষ আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি দৃঢ়ভাবে আগের কথারই পুনরাবৃত্তি করেন। হাসিনা বলেন, ‘আপনাদের কঠোর হতে হবে, সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। কাজটা কীভাবে করবেন, তা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ঠিক করুন।’ যদিও পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ঘনিষ্ঠজনেরা শেখ হাসিনাকে বলেছিলেন, পদত্যাগ করাই ভালো…
বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামো খাতের ইতিহাসে টাকার অংকে সবচেয়ে বড় প্রকল্প পদ্মা সেতু রেল সংযোগ। ২০১০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যত ‘নন-আরবান হেভি রেল’ প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে, তার মধ্যে এ প্রকল্পের কিলোমিটারপ্রতি নির্মাণ ব্যয় সবচেয়ে বেশি। একইভাবে প্রথম মেট্রোরেল নির্মাণে এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ঢাকার ‘এমআরটি লাইন-৬’। ঢাকার দ্বিতীয় (এমআরটি লাইন-১) ও তৃতীয় (এমআরটি লাইন-৫, নর্দান রুট) মেট্রোরেলের কিলোমিটারপ্রতি নির্মাণ ব্যয় আরো বেশি। ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের কিলোমিটারপ্রতি নির্মাণ ব্যয় ২০০ কোটি টাকার বেশি, যা পৃথিবীর মধ্যে সর্বোচ্চ। বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের মধ্যে বাস্তবায়নাধীন বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যয়বহুল। আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে দেশে চার-ছয় লেনের…
বাংলাদেশে ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার পতন হলেও অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য সামনের দিনগুলো সহজ হবে না। বিশ্লেষকরা বলছেন নতুন যে সরকার গঠিত হবে তাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। পদত্যাগ করে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর যে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হতে চলেছে তাতে নেতৃত্ব দেবেন ৮৪ বছর বয়সী শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শেখ হাসিনার পদত্যাগে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে সেনাবাহিনী। দেশের আগামীর পথরেখা তৈরিতেও সেনাবাহিনীকে ভূমিকা পালন করতে হবে। নতুন অন্তর্বর্তী সরকারকে মূলত পাঁচটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। সেনাবাহিনী অন্তর্বর্তী সরকার বেসামরিক নেতৃত্বাধীন হতে চলেছে, তবে সেনাবাহিনীর হাতে কতটা নিয়ন্ত্রণ থাকবে তা স্পষ্ট নয়। ওয়াশিংটন-ভিত্তিক উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়া…
কোটা সংস্কার আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর তিন দিন পেরিয়ে গেলেও প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয় এখনো স্বাভাবিক হয়নি। মন্ত্রণালয়ে উপস্থিতি খুবই কম। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি তেমন চোখে পড়েনি। তবে কর্মচারীদের উপস্থিতি তুলনামূলক ভালো ছিল। বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখা যায়, যাঁরা এসেছেন, তাঁরা অলস সময় পার করছেন। একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, এখন তো কার্যত সরকার নেই। তাই কাজও নেই। অনেক কর্মকর্তার রুমে গিয়ে দেখা যায় তাঁরা আসেননি। এদিকে ছাত্র আন্দোলনে সরকার পতনের পর গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে ঢুকছেন বিএনপিপন্থী কর্মকর্তারা। গত মঙ্গলবার পদোন্নতিবঞ্চিত ২০ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিবকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। তাঁদের কয়েকজন গতকাল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেছেন।…
বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হচ্ছেন নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ভারতের সাবেক কূটনীতিক, সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ মুহূর্তে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে তিনিই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য বিকল্প। ও পি জিন্দল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও গ্রহণযোগ্যতা আছে। ছাত্রছাত্রীদের কাছে তিনি হলেন প্রেরণাদায়ক ব্যক্তিত্ব। তাঁকে দেখে তাঁরা উদ্বুদ্ধ হন। শ্রীরাধার মতে, ইউনূসকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছেন শেখ হাসিনা। ভারতের সঙ্গে হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। কিন্তু এখনকার পরিস্থিতিতে ড. ইউনূসই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য বিকল্প। বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন রীভা গাঙ্গুলী দাশ। ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেছেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে ড.…