…
এডিটর পিক
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মিছিল, সমাবেশ ও সাংগঠনিক তৎপরতার খবর সামনে আসার…
Trending Posts
-
হেমলকের পেয়ালা: প্রশ্ন করার অপরাধে কেন মৃত্যুদণ্ড পেয়েছিলেন সক্রেটিস?
সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
ছয় মাসের যুদ্ধ, সামনে আরও ছয় মাস? ইরান সংঘাত কেন শেষ করতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্র?
সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
অফিসারের সামনে জনতা: পশ্চিমবঙ্গের ‘জনতার দরবার’ কি সত্যিই জবাবদিহি আনবে?
সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ১৫ ব্যাংক, খেলাপি ঋণের চাপে নড়বড়ে আর্থিক সুরক্ষা
সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
হেমলকের পেয়ালা: প্রশ্ন করার অপরাধে কেন মৃত্যুদণ্ড পেয়েছিলেন সক্রেটিস?
সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
ছয় মাসের যুদ্ধ, সামনে আরও ছয় মাস? ইরান সংঘাত কেন শেষ করতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্র?
সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments -
অফিসারের সামনে জনতা: পশ্চিমবঙ্গের ‘জনতার দরবার’ কি সত্যিই জবাবদিহি আনবে?
সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ১৫ ব্যাংক, খেলাপি ঋণের চাপে নড়বড়ে আর্থিক সুরক্ষা
সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- শিশুমৃত্যুর নতুন ভয়: টিকাদানে পিছিয়ে পড়ার মূল্য কি দিচ্ছে বাংলাদেশ?
- সভ্য মানুষ কীভাবে গণহত্যার সহযোগী হয়ে ওঠে?
- আওয়ামী লীগ কি ফিরছে? রাজপথের মিছিল কি বড় প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত?
- ৩ মাস ধরে ধ’র্ষণ, মাদ্রাসাছাত্রের কল—‘মা খুব কষ্ট হচ্ছে’
- ৯/১১-এর পর ২৫ বছর: আমেরিকার প্রতিশোধের যুদ্ধে নিহত ৪৭ লাখ মানুষ
- হেমলকের পেয়ালা: প্রশ্ন করার অপরাধে কেন মৃত্যুদণ্ড পেয়েছিলেন সক্রেটিস?
- সৌদি আরবকে ঘিরে ফেলছে ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সঙ্কট
- গাজায় হত্যাযজ্ঞের নেপথ্য কৌশল ফাঁস, ইসরায়েলি সেনাদের জবানবন্দিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য
Author: স্টেটওয়াচ ডেস্ক
একটি সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে জনমত সাধারণত দুটি ভিন্ন অনুভূতির মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে। একদিকে থাকে নতুন সরকারের প্রতি প্রত্যাশা ও সময় দেওয়ার মানসিকতা, অন্যদিকে শুরু হয় তার প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তব জীবনে কতটা পৌঁছেছে—সেই হিসাব। ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চের প্রথম জাতীয় অনুমোদন জরিপে বাংলাদেশের বর্তমান জনমতের ঠিক এই দ্বৈত চিত্রটিই উঠে এসেছে। জরিপে ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করছেন। কিন্তু সরকারের সামগ্রিক কাজকে ইতিবাচক বলেছেন ৫৪ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকারের ইতিবাচক মূল্যায়নের মধ্যে ব্যবধান ১১ দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্ট। আরও নিচে নেমেছে দেশের সামগ্রিক গতিপথ সম্পর্কে আস্থা—বাংলাদেশ সঠিক পথে এগোচ্ছে বলে…
ভূমধ্যসাগরের তলদেশে প্রায় দুই হাজার একশ বছর ধরে পড়ে ছিল একটি রোমান বাণিজ্যজাহাজ। তার কাঠের কাঠামোর বড় অংশ হয়তো পলি ও সামুদ্রিক আবরণের নিচে লুকিয়ে গেছে। কিন্তু জাহাজের বহন করা শত শত পোড়ামাটির পাত্র এখনো সমুদ্রের তলায় ছড়িয়ে আছে। সেই পাত্রগুলোই দুই সহস্রাব্দ পর একটি হারিয়ে যাওয়া বাণিজ্যযাত্রার গল্প বলতে শুরু করেছে। ইতালির সিসিলি দ্বীপের পশ্চিম উপকূলের মাজারা দেল ভাল্লো শহর থেকে প্রায় তিন মাইল দূরে জাহাজটির সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রায় ৪৬ মিটার গভীরে থাকা প্রত্নস্থানটিতে শত শত অ্যাম্ফোরা, দুটি সিসার নোঙরদণ্ড এবং সিসায় তৈরি আরেকটি কাঠামো শনাক্ত হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষায় জাহাজটির সময়কাল খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় থেকে প্রথম শতকের মধ্যে বলে…
১৯৪৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ ভারত থেকে জন্ম নিয়েছিল পাকিস্তান ও ভারত। মানচিত্রে একটি সাম্রাজ্য ভেঙে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশভাগ সম্পন্ন হয়েছিল বলে মনে হতে পারে। কিন্তু ৭৯ বছর পরও দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত, নাগরিকত্ব, ধর্মীয় পরিচয়, উদ্বাস্তু রাজনীতি এবং রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের দিকে তাকালে দেখা যায়—দেশভাগ আসলে শেষ হয়নি। র্যাডক্লিফের টানা রেখা আজ কাঁটাতারের বেড়া, সীমান্তচৌকি, ভিসা, পাসপোর্ট ও নাগরিকত্বের আইনে পরিণত হয়েছে। ১৯৪৭ সালে যারা বাড়ি হারিয়েছিল, তাদের স্মৃতি এখনো পরবর্তী প্রজন্ম বহন করছে। ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক বৈরিতা, কাশ্মীর সংঘাত, বাংলাদেশ–ভারত সীমান্ত, ‘অনুপ্রবেশকারী’ বিতর্ক এবং ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব নির্ধারণের চেষ্টা—সবকিছুর ভেতরেই ফিরে আসে…
বাংলাদেশের ইতিহাসে কিছু তারিখ আছে, যেগুলো ক্যালেন্ডারে ফিরে আসে না; বরং প্রতিবার নতুন রাজনৈতিক অর্থ নিয়ে হাজির হয়। ১৫ আগস্ট তেমনই একটি দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ হত্যা করা হয়েছিল। একটি স্বাধীন দেশের প্রতিষ্ঠাতা রাজনৈতিক নেতাকে নিজ বাসভবনে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে শুধু একটি সরকারের পতন ঘটেনি; বাংলাদেশের রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ, দায়মুক্তি এবং হত্যার মাধ্যমে ক্ষমতা বদলের এক ভয়ংকর নজির প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু অর্ধশতাব্দী পর ১৫ আগস্ট আর কেবল একটি হত্যাকাণ্ডের স্মৃতিতে সীমাবদ্ধ নেই। এটি শোকের দিন, রাজনৈতিক আনুগত্যের পরীক্ষা, রাষ্ট্রীয় বয়ানের অংশ এবং একই সঙ্গে ইতিহাসের মালিকানা নিয়ে চলমান সংঘাতের প্রতীক…
প্রায় দেড় হাজার বছর আগে রোমান সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশে নাগরিকেরা নিয়মিত কর দিচ্ছিলেন—কখনো মুদ্রায়, কখনো শস্য ও কৃষিপণ্যে। কর আদায়কারীরাও রসিদ দিচ্ছিলেন। কিন্তু সেই রসিদে লেখা থাকত না কত টাকা বা কত পরিমাণ পণ্য নেওয়া হয়েছে। ফলে করদাতার কাছে অর্থ পরিশোধের প্রমাণ থাকলেও আদায়কৃত অর্থের পরিমাণ যাচাই করার উপায় ছিল না। এই অস্পষ্টতার সুযোগেই গড়ে উঠেছিল দীর্ঘমেয়াদি এক দুর্নীতির ব্যবস্থা। স্থানীয় কর্মকর্তারা জনগণের কাছ থেকে এক অঙ্কের কর আদায় করতেন, রাজধানী কনস্টান্টিনোপলে পাঠানো হিসাবে দেখাতেন তার চেয়ে কম। মাঝখানের অর্থ বা পণ্য চলে যেত তাঁদের নিজেদের পকেটে। ঘটনাটি আজকের ভাষায় ‘রাজস্ব জালিয়াতি’, ‘ভুয়া হিসাব’ কিংবা ‘কর কেলেঙ্কারি’। পার্থক্য শুধু এটুকু—কেলেঙ্কারির…
বাংলাদেশে পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনগুলোতে একটি পরিচিত চিত্র দেখা যায়। পাসের হার, জিপিএ–৫ কিংবা মেধাতালিকার আলোচনায় মেয়েরা প্রায়ই ছেলেদের সমান অথবা এগিয়ে থাকে। বিদ্যালয়ে ভর্তি ও টিকে থাকার ক্ষেত্রেও কয়েক দশকে মেয়েদের অগ্রগতি দেশের অন্যতম বড় সামাজিক অর্জন। কিন্তু পরীক্ষার কক্ষ পেরিয়ে কর্মজীবনের দরজায় পৌঁছালে ছবিটি আমূল বদলে যায়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ শ্রমশক্তি জরিপ অনুসারে, ২০২৪ সালে নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার ছিল ৩৮ দশমিক ৪০ শতাংশ; পুরুষের ক্ষেত্রে তা ৭৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ। কর্মরত নারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২ কোটি ২৯ লাখ, বিপরীতে কর্মরত পুরুষ প্রায় ৪ কোটি ৬২ লাখ। অর্থাৎ কর্মসংস্থানে ব্যবধান দুই কোটিরও বেশি। আরও উদ্বেগের…
১৯৬১ সালের ১২ আগস্ট, শনিবার রাত। বার্লিনের রেস্তোরাঁগুলো তখনো খোলা, ট্রাম ও পাতালরেল চলছিল, মানুষ সপ্তাহান্তের অবসর কাটিয়ে বাড়ি ফিরছিল। পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনের মধ্যকার রাজনৈতিক বিভাজন সবার জানা থাকলেও শহরের মানুষ তখনো এক অংশ থেকে অন্য অংশে যাতায়াত করতে পারতেন। কেউ পশ্চিমে কাজ করে পূর্বে ফিরতেন, কেউ আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে সীমান্ত পার হতেন। একই রাস্তা, একই ট্রেনলাইন এবং একই পাড়ার মধ্য দিয়ে চলত দুই ভিন্ন রাজনৈতিক ব্যবস্থার জীবন। কয়েক ঘণ্টা পর সেই স্বাভাবিকতা আর থাকল না। মধ্যরাতের পর পূর্ব জার্মানির পুলিশ, সীমান্তরক্ষী, সেনাসদস্য ও শ্রমিকেরা রাস্তায় নেমে পড়েন। তারা পাথর তুলে ফেলেন, ট্রামলাইন বিচ্ছিন্ন করেন, রেল যোগাযোগ বন্ধ…
১৯৪২ সালের ১১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট অফিস একটি ‘সিক্রেট কমিউনিকেশন সিস্টেম’-এর পেটেন্ট অনুমোদন করে। নথিতে উদ্ভাবকদের নাম—হেডি কিসলার মার্কি এবং জর্জ অ্যানথেইল। দ্বিতীয় নামটি ছিল এক পরীক্ষামূলক সুরকারের; প্রথম নামটির আড়ালে ছিলেন তৎকালীন হলিউডের সবচেয়ে আলোচিত অভিনেত্রীদের একজন—হেডি লামার। পেটেন্টটির লক্ষ্য ছিল যুদ্ধের অস্ত্রকে আরও ধ্বংসাত্মক করা নয়, বরং রেডিও-নিয়ন্ত্রিত টর্পেডোর সংকেতকে শত্রুর জ্যামিং থেকে রক্ষা করা। প্রেরক ও গ্রাহক যদি একই ছন্দে এক ফ্রিকোয়েন্সি থেকে আরেক ফ্রিকোয়েন্সিতে দ্রুত লাফাতে পারে, তবে শত্রুর পক্ষে পুরো যোগাযোগটি শনাক্ত, অনুসরণ বা বন্ধ করা কঠিন হবে—এটাই ছিল মূল ধারণা। আজ একে আমরা ‘ফ্রিকোয়েন্সি হপিং’ বা বিস্তৃত অর্থে স্প্রেড-স্পেকট্রাম যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত করি। এই…
১৯২০ সালের ১০ আগস্ট। প্যারিসের উপকণ্ঠে সেভ্র শহরের একটি চীনামাটির কারখানার প্রদর্শনীকক্ষে বসেছেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী শক্তিগুলোর প্রতিনিধিরা। তাঁদের সামনে একটি পরাজিত সাম্রাজ্যের ভবিষ্যৎ। ছয় শতাব্দীর বেশি সময় ধরে ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল শাসন করা অটোমান সাম্রাজ্য তখন সামরিকভাবে বিধ্বস্ত, অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া এবং রাজনৈতিকভাবে প্রায় অচল। সেদিন স্বাক্ষরিত সেভ্র চুক্তি ছিল কাগজে-কলমে একটি শান্তিচুক্তি। বাস্তবে এটি ছিল অটোমান ভূখণ্ড ছিন্নভিন্ন করে বিজয়ী শক্তিগুলোর মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনা। চুক্তিটি পুরোপুরি কার্যকর হলে আনাতোলিয়ার একটি ক্ষুদ্র অংশ ছাড়া অটোমানদের হাতে প্রায় কিছুই থাকত না। এমনকি সেই অবশিষ্ট রাষ্ট্রটির সেনাবাহিনী, অর্থনীতি, সমুদ্রপথ ও রাষ্ট্রীয় বাজেটের ওপরও বিদেশি শক্তির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত…
নিকোলাস বিশ্বাস আদিবাসী জনগণের অধিকার সংরক্ষণ এবং তাদের নানামূখী চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত হয়। এ দিবসটি সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐতিহ্যগত জ্ঞান, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত টেকসই উন্নয়নে আদিবাসী জনগণের অসামান্য অবদানকেও স্বীকৃতি জানায়। ২০২৬ সালের জাতিসংঘের প্রতিপাদ্য: “জীবন রক্ষা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে আদিবাসী ধাত্রীদের অনন্য অবদানকে সম্মান জানানো” যা মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কল্যাণ ও ঐতিহ্যগত জ্ঞানের সংরক্ষণ নিশ্চিতকরণের ওপর আলোকপাত করে। বাংলাদেশে আদিবাসী জনগণের বর্তমান পরিস্থিতি বাংলাদেশ তার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সামাজিক সম্প্রীতির জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত। এ দেশ বৈচিত্র্যময় জাতিগত ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের এক অনন্য আবাসস্থল। সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি…