…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ইস্যু। ২০২৪ সালের…
Trending Posts
-
ক্ষমতার মসনদে বিএনপি, জলে আওয়ামী লীগ, ডাঙায় জামায়াত!
অক্টোবর ২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে মিয়ানমারে ভয়াবহ বিমান হামলা, নিহত ৩৩
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফ্লাইদুবাইয়ে হামলা, ইসলামপন্থীদের হামলার দাবি নেতানিয়াহুর
অক্টোবর ২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ভারত যেভাবে সীমান্তের গ্রামগুলোকে ‘উন্মুক্ত কারাগার’ বানিয়ে ফেলেছে
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
Trending Posts
-
ক্ষমতার মসনদে বিএনপি, জলে আওয়ামী লীগ, ডাঙায় জামায়াত!
অক্টোবর ২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে মিয়ানমারে ভয়াবহ বিমান হামলা, নিহত ৩৩
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ফ্লাইদুবাইয়ে হামলা, ইসলামপন্থীদের হামলার দাবি নেতানিয়াহুর
অক্টোবর ২, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
ভারত যেভাবে সীমান্তের গ্রামগুলোকে ‘উন্মুক্ত কারাগার’ বানিয়ে ফেলেছে
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments
- শিশুদের হাতেই ঢাকার মাদকের বাজার, নেপথ্যে কারা?
- শেখ হাসিনাকে নিয়ে মুখ খুললেন ভারতের হাইকমিশনার, জানালেন কেন ফেরানো যাচ্ছে না
- ইরানের দুয়ারে ৩ মার্কিন রণতরি, ফের কি জ্বলবে যুদ্ধের আগুন?
- কিশোর গ্যাং: ছোটদের হাতে অপরাধের অস্ত্র, নেপথ্যে বড়দের ছায়া
- ক্ষমতার মসনদে বিএনপি, জলে আওয়ামী লীগ, ডাঙায় জামায়াত!
- আইনস্টাইনকে চমকে দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ, সত্য ও খোদাকে নিয়ে কী কথা হয়েছিল তাঁদের?
- ফ্লাইদুবাইয়ে হামলা, ইসলামপন্থীদের হামলার দাবি নেতানিয়াহুর
- ৮৭ টাকার মাল্টা ৫২০ টাকা, মাঝপথে কেন পাঁচ গুণেরও বেশি দাম বাড়ছে?
Author: স্টেটওয়াচ ডেস্ক
স্পেনের পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি জনপদ মিলারেস। ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলের খুব বেশি দূরে নয়, কিন্তু আধুনিক শহরের কোলাহল থেকে বিচ্ছিন্ন। এখানকার একটি পাহাড়ের ভেতর ঢুকে গেছে দীর্ঘ এক অন্ধকার গুহা—কোভা দে লেস দোনেস। স্থানীয় ভ্যালেন্সীয় ভাষায় নামটির অর্থ ‘নারীদের গুহা’। নামটি এত দিন লোককথা কিংবা ভৌগোলিক পরিচয় বলেই মনে করা হয়েছিল। কিন্তু গুহার দুই শতাধিক মিটার ভেতরে পাওয়া সাম্প্রতিক প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ ইঙ্গিত দিচ্ছে—নামের সঙ্গে প্রায় দুই হাজার বছরের পুরোনো এক নারীকেন্দ্রিক ধর্মীয় ঐতিহ্যের সম্পর্ক থাকতে পারে। গুহার দেয়াল ও ছাদে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা অন্তত ১২০টি লাতিন শিলালিপি শনাক্ত করেছেন। এগুলোর বেশির ভাগ রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম ও দ্বিতীয় শতাব্দীর। কয়েকটি লেখায় নারীদের নাম রয়েছে, পাঁচটি নিবেদন…
১৯৭৩ সালের ২৩ আগস্ট, বৃহস্পতিবার সকাল। সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের নরমালমস্তর্গ স্কয়ারে ক্রেডিটব্যাংকেনের শাখায় অন্য দিনের মতোই কাজ চলছিল। হঠাৎ পরচুলা ও কালো চশমা পরা এক ব্যক্তি ব্যাংকে ঢুকে সাবমেশিনগান উঁচিয়ে গুলি ছোড়ে। আতঙ্কিত কর্মী ও গ্রাহকেরা পালিয়ে গেলে সে কয়েকজনকে ব্যাংকের ভল্টের কাছে আটকে ফেলে। ডাকাতির পরিকল্পনাটি দ্রুত ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল। পুলিশ ব্যাংক ঘিরে ফেলেছিল, পালানোর রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কয়েক মিনিটের ব্যর্থ ব্যাংক ডাকাতি পরিণত হয় ছয় দিনের জিম্মি সংকটে। ভারী ইস্পাতের ভল্টে চার কর্মচারীকে আটকে রেখে সশস্ত্র ডাকাত পুলিশের সঙ্গে দর-কষাকষি শুরু করে। পরবর্তী ছয় দিনে এমন কিছু ঘটে, যা পুলিশ, সংবাদমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের কাছে প্রায়…
মালয়েশিয়ার Foreign Workers Centralised Management System বা FWCMS-এ বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর জন্য ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির নাম প্রকাশ করা হয়েছে। এ খবর একই সঙ্গে আশা ও অস্বস্তি তৈরি করেছে। আশা—কারণ ২০২৪ সাল থেকে সীমিত থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার আবার সক্রিয় হওয়ার সংকেত মিলছে। অস্বস্তি—কারণ কী প্রক্রিয়ায় ২৫টি প্রতিষ্ঠান বাছাই হলো, নিয়োগ কবে শুরু হবে এবং কোন পদ্ধতিতে কর্মী পাঠানো হবে, প্রকাশের দিন পর্যন্ত তা স্পষ্ট নয়। bdnews24.com-এর প্রতিবেদনে এই অনিশ্চয়তার কথাই বলা হয়েছে; FWCMS-এর নিজস্ব বর্ণনা বলছে, প্ল্যাটফর্মটি বিদেশি কর্মী নিয়োগের আবেদন ও লেনদেনকে অনলাইনে সমন্বিত করে। এই জায়গায় প্রথম সতর্কতা জরুরি: ২৫টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ মানেই সিন্ডিকেট প্রমাণিত—এ কথা বলা…
১৮৬৪ সালের ২২ আগস্ট, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় কয়েকজন কূটনীতিক একটি ছোট্ট দলিলে স্বাক্ষর করেছিলেন। দলিলটিতে ছিল মাত্র দশটি অনুচ্ছেদ। এটি যুদ্ধ নিষিদ্ধ করেনি, কোনো সাম্রাজ্যের সম্প্রসারণ থামায়নি, এমনকি যুদ্ধ শুরু করার অধিকার নিয়েও প্রশ্ন তোলেনি। তবু আধুনিক ইতিহাসে খুব কম আইনি দলিলই মানুষের জীবন রক্ষায় এর মতো গভীর প্রভাব ফেলেছে। দলিলটির নাম ছিল—যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সৈন্যদের অবস্থার উন্নয়নসংক্রান্ত জেনেভা কনভেনশন। আজ আমরা একে প্রথম জেনেভা কনভেনশন নামে জানি। এর কেন্দ্রীয় নীতিটি ছিল বিপ্লবাত্মক অথচ সহজ: একজন সৈনিক আহত হওয়ার পর আর শুধু শত্রুপক্ষের যোদ্ধা নন; তিনি প্রথমত একজন অসহায় মানুষ। তাঁর পোশাক, পতাকা কিংবা জাতীয়তা যা-ই হোক, তাঁকে উদ্ধার ও চিকিৎসা করতে…
একটি সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে জনমত সাধারণত দুটি ভিন্ন অনুভূতির মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে। একদিকে থাকে নতুন সরকারের প্রতি প্রত্যাশা ও সময় দেওয়ার মানসিকতা, অন্যদিকে শুরু হয় তার প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তব জীবনে কতটা পৌঁছেছে—সেই হিসাব। ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চের প্রথম জাতীয় অনুমোদন জরিপে বাংলাদেশের বর্তমান জনমতের ঠিক এই দ্বৈত চিত্রটিই উঠে এসেছে। জরিপে ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করছেন। কিন্তু সরকারের সামগ্রিক কাজকে ইতিবাচক বলেছেন ৫৪ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকারের ইতিবাচক মূল্যায়নের মধ্যে ব্যবধান ১১ দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্ট। আরও নিচে নেমেছে দেশের সামগ্রিক গতিপথ সম্পর্কে আস্থা—বাংলাদেশ সঠিক পথে এগোচ্ছে বলে…
ভূমধ্যসাগরের তলদেশে প্রায় দুই হাজার একশ বছর ধরে পড়ে ছিল একটি রোমান বাণিজ্যজাহাজ। তার কাঠের কাঠামোর বড় অংশ হয়তো পলি ও সামুদ্রিক আবরণের নিচে লুকিয়ে গেছে। কিন্তু জাহাজের বহন করা শত শত পোড়ামাটির পাত্র এখনো সমুদ্রের তলায় ছড়িয়ে আছে। সেই পাত্রগুলোই দুই সহস্রাব্দ পর একটি হারিয়ে যাওয়া বাণিজ্যযাত্রার গল্প বলতে শুরু করেছে। ইতালির সিসিলি দ্বীপের পশ্চিম উপকূলের মাজারা দেল ভাল্লো শহর থেকে প্রায় তিন মাইল দূরে জাহাজটির সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রায় ৪৬ মিটার গভীরে থাকা প্রত্নস্থানটিতে শত শত অ্যাম্ফোরা, দুটি সিসার নোঙরদণ্ড এবং সিসায় তৈরি আরেকটি কাঠামো শনাক্ত হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষায় জাহাজটির সময়কাল খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় থেকে প্রথম শতকের মধ্যে বলে…
১৯৪৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ ভারত থেকে জন্ম নিয়েছিল পাকিস্তান ও ভারত। মানচিত্রে একটি সাম্রাজ্য ভেঙে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশভাগ সম্পন্ন হয়েছিল বলে মনে হতে পারে। কিন্তু ৭৯ বছর পরও দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত, নাগরিকত্ব, ধর্মীয় পরিচয়, উদ্বাস্তু রাজনীতি এবং রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের দিকে তাকালে দেখা যায়—দেশভাগ আসলে শেষ হয়নি। র্যাডক্লিফের টানা রেখা আজ কাঁটাতারের বেড়া, সীমান্তচৌকি, ভিসা, পাসপোর্ট ও নাগরিকত্বের আইনে পরিণত হয়েছে। ১৯৪৭ সালে যারা বাড়ি হারিয়েছিল, তাদের স্মৃতি এখনো পরবর্তী প্রজন্ম বহন করছে। ভারত ও পাকিস্তানের রাজনৈতিক বৈরিতা, কাশ্মীর সংঘাত, বাংলাদেশ–ভারত সীমান্ত, ‘অনুপ্রবেশকারী’ বিতর্ক এবং ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব নির্ধারণের চেষ্টা—সবকিছুর ভেতরেই ফিরে আসে…
বাংলাদেশের ইতিহাসে কিছু তারিখ আছে, যেগুলো ক্যালেন্ডারে ফিরে আসে না; বরং প্রতিবার নতুন রাজনৈতিক অর্থ নিয়ে হাজির হয়। ১৫ আগস্ট তেমনই একটি দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ হত্যা করা হয়েছিল। একটি স্বাধীন দেশের প্রতিষ্ঠাতা রাজনৈতিক নেতাকে নিজ বাসভবনে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে শুধু একটি সরকারের পতন ঘটেনি; বাংলাদেশের রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ, দায়মুক্তি এবং হত্যার মাধ্যমে ক্ষমতা বদলের এক ভয়ংকর নজির প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু অর্ধশতাব্দী পর ১৫ আগস্ট আর কেবল একটি হত্যাকাণ্ডের স্মৃতিতে সীমাবদ্ধ নেই। এটি শোকের দিন, রাজনৈতিক আনুগত্যের পরীক্ষা, রাষ্ট্রীয় বয়ানের অংশ এবং একই সঙ্গে ইতিহাসের মালিকানা নিয়ে চলমান সংঘাতের প্রতীক…
প্রায় দেড় হাজার বছর আগে রোমান সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশে নাগরিকেরা নিয়মিত কর দিচ্ছিলেন—কখনো মুদ্রায়, কখনো শস্য ও কৃষিপণ্যে। কর আদায়কারীরাও রসিদ দিচ্ছিলেন। কিন্তু সেই রসিদে লেখা থাকত না কত টাকা বা কত পরিমাণ পণ্য নেওয়া হয়েছে। ফলে করদাতার কাছে অর্থ পরিশোধের প্রমাণ থাকলেও আদায়কৃত অর্থের পরিমাণ যাচাই করার উপায় ছিল না। এই অস্পষ্টতার সুযোগেই গড়ে উঠেছিল দীর্ঘমেয়াদি এক দুর্নীতির ব্যবস্থা। স্থানীয় কর্মকর্তারা জনগণের কাছ থেকে এক অঙ্কের কর আদায় করতেন, রাজধানী কনস্টান্টিনোপলে পাঠানো হিসাবে দেখাতেন তার চেয়ে কম। মাঝখানের অর্থ বা পণ্য চলে যেত তাঁদের নিজেদের পকেটে। ঘটনাটি আজকের ভাষায় ‘রাজস্ব জালিয়াতি’, ‘ভুয়া হিসাব’ কিংবা ‘কর কেলেঙ্কারি’। পার্থক্য শুধু এটুকু—কেলেঙ্কারির…
বাংলাদেশে পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনগুলোতে একটি পরিচিত চিত্র দেখা যায়। পাসের হার, জিপিএ–৫ কিংবা মেধাতালিকার আলোচনায় মেয়েরা প্রায়ই ছেলেদের সমান অথবা এগিয়ে থাকে। বিদ্যালয়ে ভর্তি ও টিকে থাকার ক্ষেত্রেও কয়েক দশকে মেয়েদের অগ্রগতি দেশের অন্যতম বড় সামাজিক অর্জন। কিন্তু পরীক্ষার কক্ষ পেরিয়ে কর্মজীবনের দরজায় পৌঁছালে ছবিটি আমূল বদলে যায়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ শ্রমশক্তি জরিপ অনুসারে, ২০২৪ সালে নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার ছিল ৩৮ দশমিক ৪০ শতাংশ; পুরুষের ক্ষেত্রে তা ৭৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ। কর্মরত নারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২ কোটি ২৯ লাখ, বিপরীতে কর্মরত পুরুষ প্রায় ৪ কোটি ৬২ লাখ। অর্থাৎ কর্মসংস্থানে ব্যবধান দুই কোটিরও বেশি। আরও উদ্বেগের…