…
এডিটর পিক
বিশ্বের জ্বালানি বাজারে আবারও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের…
Trending Posts
-
দিল্লিতে আওয়ামী লীগ নেতাদের সেমিনার বাতিল: কেন শেষ মুহূর্তে পুলিশি বাধা, বার্তা কী?
আগস্ট ৩০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
আমরা কি সত্যিই স্বাধীন? সিদ্ধান্তের আড়ালে মস্তিষ্ক, সমাজ ও অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ
আগস্ট ৩০, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments -
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ? নিরপেক্ষতা, নিরাপত্তা ও নতুন ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি
আগস্ট ৩০, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
দিল্লিতে আওয়ামী লীগ নেতাদের সেমিনার বাতিল: কেন শেষ মুহূর্তে পুলিশি বাধা, বার্তা কী?
আগস্ট ৩০, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
আমরা কি সত্যিই স্বাধীন? সিদ্ধান্তের আড়ালে মস্তিষ্ক, সমাজ ও অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ
আগস্ট ৩০, ২০২৬By দর্শন ডেস্ক | 0 Comments -
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশ? নিরপেক্ষতা, নিরাপত্তা ও নতুন ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি
আগস্ট ৩০, ২০২৬By আন্তর্জাতিক ডেস্ক | 0 Comments
- অ্যান্টি-ওয়েস্ট নেটওয়ার্কের উত্থান: বাংলাদেশের কী করা উচিত?
- পে-স্কেলের খরচের বোঝা কি শেষ পর্যন্ত গরিব-মধ্যবিত্তের?
- কাতারের এলএনজি সরবরাহে অনিশ্চয়তা, সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
- পাকিস্তানের সঙ্গে পানি চুক্তি মানতে হবে ভারতকে, দ্য হেগের রায়
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেন বোয়িংয়ের আরো উড়োজাহাজ কিনতে চাচ্ছে বাংলাদেশ?
- ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক, মস্কো-বেইজিংয়েও নজর: ভারতের ‘আমেরিকা প্লাস’
- মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান: ভারসাম্যের নতুন সমীকরণ
- ‘ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম’ মন্তব্যে কর্ণাটকে তোলপাড়, মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি বিজেপির
Author: ডেস্ক রিপোর্ট
‘আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্ষেত্রে একথা নিশ্চিত করেই বলা যায় যে, এই শতাব্দী বা আগামী শতাব্দীতে বুদ্ধিমত্তা বায়োলজির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠবে। তারপর আমরা আর সবচেয়ে বুদ্ধিমান থাকব না।’- ক্যামব্রিজের অধ্যাপক হুউ প্রাইস এই ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন এক দশক আগে। এছাড়া স্টিফেন হকিং থেকে শুরু করে ইলন মাস্ক: বিশ্বের শীর্ষ কয়েকজন বিজ্ঞানী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, এটি একসময় হয়তো মানব প্রজাতির জন্য একটি হুমকি হয়ে উঠতে পারে। এই সম্ভাবনাকেই আবার উস্কে দিল বিজ্ঞানের স্পর্ধা। কিছুদিন আগেও রোবট বললেই মনে হত কঙ্কালের মতো সরু লিকলিকে কোনো ধাতব মূর্তির কথা। এখন রোবটের চেহারা অনেকটা মানুষের মতো হয়েছে। তবে তার শরীর একইরকম শক্ত; ধাতু…
ছুটির দিনে আমরা চিড়িয়াখানা যাই। বাচ্চাদের নিয়ে, পরিবারসহ। চিড়িয়াখানায় গিয়ে বিভিন্ন পাখি, জীবজন্তু দেখি। এটাই আমাদের অভ্যাস। কিন্তু যদি এমন কোনও চিড়িয়াখানা হয়, যেখানে খাঁচার ভেতর পশু নয়, থাকে মানুষ! হ্যাঁ, মানুষ! জলজ্যান্ত রক্তমাংসের মানুষ। অবাস্তব লাগছে? কিন্তু একটা সময় কিছু জায়গায় সত্যিই ছিল মানুষের চিড়িয়াখানা বা ‘হিউম্যান জু’। যেখানে রীতিমত টিকিট কেটে খাঁচার ওপারের মানুষদের দেখতে আসত আরও কিছু মানুষ। বহু বছর ধরেই, পৃথিবীর নানা দেশে বিশেষত ইউরোপে প্রদর্শিত হয়েছে এই মানুষের চিড়িয়াখানা। আর এই ঘটনা খুব বেশি বছর আগের নয়। উনবিংশ শতাব্দীর। আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কৃষ্ণাঙ্গদের ধরে আনা হতো। তাদের রাখা হতো খাঁচার মধ্যে। আর সেই কৃষ্ণাঙ্গদের…
উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের আগে হঠাৎই উত্তপ্ত মথুরা। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ জানিয়েছে, আগামী ৬ ডিসেম্বর মথুরায় তারা শাহি ইদগাহে গিয়ে শ্রীকৃষ্ণের মূর্তি বসাবে এবং জলাভিষেক করবে। এর পেছনে তাদের দাবি, ওটাই শ্রীকৃষ্ণের আসল জন্মস্থান। উল্লেখ্য, সেখানে একটি বিশিষ্ট মন্দিরের কাছাকাছি একটি মসজিদে রয়েছে। আর এই আবহে হিন্দু মহাসভার মূর্তি স্থাপনের হুঁশিয়ারিতে এলাকার সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, মসজিদে শ্রীকৃষ্ণের মূর্তি বসানো নিয়ে প্রশাসনের অনুমতিও চেয়েছিল হিন্দু মহসভা। কিন্তু তাদের ওই অনুরোধ খারিজ করা হয়েছে। জেলাশাসক জানিয়েছেন, শান্তিভঙ্গ হতে পারে, এমন কোনো অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়ার কোনো প্রশ্নই নেই। এর পাশাপাশি নারায়ণী সেনা নামে একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ঘোষণা করেছে,…
বাংলাদেশে গত এক দশক ধরে উন্নত অনেক দেশের মতো বিয়ে বা সামাজিকভাবে স্বীকৃত সম্পর্কের বাইরে গিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়েদের একত্রে বসবাস বা লিভ টুগেদার করতে দেখা যাচ্ছে। তবে পশ্চিমা দেশগুলোতে লিভ টুগেদার সামাজিকভাবে স্বীকৃত হলেও বাংলাদেশের রক্ষণশীল সমাজে ছেলে-মেয়ের বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক বা একত্রে থাকা এখনও বাঁকা চোখে দেখা হয়। যার ফলে বাংলাদেশে এখনও এ ধরনের সম্পর্ক খুবই সীমিত পরিসরে এবং গোপনে রয়েছে। তবে বিশ্বায়ন ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের কারণে এ ধরনের সম্পর্কের সংখ্যা ধীরে হলেও বাড়ছে বলে সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন। যে কারণে লিভ টুগেদারে আগ্রহ বেড়েছে লিভ টুগেদারে বাংলাদেশের যুগলরা কতটা আগ্রহী হয়ে উঠেছে, এ নিয়ে বাংলাদেশে এখনো কোন গবেষণা হয়েছে…
সারা দেশে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ৫২৫ প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। যার মধ্যে ৯৯ ইউপিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছেন ৯৯ জন। তৃতীয় ধাপে ১ হাজার ৮টি ইউপিতে নির্বাচনের কথা থাকলেও নির্বাচন হয়েছে হাজারটিতে। যার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান হয়েছেন ৪৪৬ জন। এক্ষেত্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পাওয়া ৯৯ টি ইউপি বাদ দিলে, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক অবস্থায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী জিতেছেন ৪২৬ টি। স্বতন্ত্র প্রার্থী জিতেছে ৪৪৬ টি। যদিও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে একজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বলে সোমবার রাতে জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। তবে স্পষ্টভাবেই এগিয়ে আছে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। নৌকার ভরাডুবি বেসরকারি ফলের ভিত্তিতে এ…
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় যে পরিমাণ অঞ্চল দখলে নিতে জার্মানির সময় লেগেছিল প্রায় তিন বছর, সেটাই হিটলার করে দেখিয়েছিলেন মাত্র ৬ মাসে। যেন জাদুকরের ভেলকি; তাক লেগে গিয়েছিল গোটা বিশ্বের। তবে কি শুধু প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়ে থাকার কারণেই এই অসম্ভবকে সম্ভব করতে পেরেছিলেন হিটলার? এর উত্তর আগাগোড়া মুড়ে আছে রহস্যের চাদরে। সে রহস্য জানতে চলুন ঘুরে আসা যাক ১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। জার্মানির নাৎসি বাহিনী পোল্যান্ড অধিগ্রহণ করেছে। ওর ঠিক পরপরই জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল ফ্রান্স। কিন্তু যুদ্ধে ফ্রান্স পেরে উঠলো না হিটলারের নাৎসি বাহিনীর সঙ্গে। অক্টোবর-নভেম্বর থেকেই ধীরে ধীরে পিছু হঠতে শুরু করল ফ্রান্সের ফ্রন্টলাইন। আর এরপরই ঘাতক…
নিম্নমান ও ত্রুটিপূর্ণ সোলার প্যানেল স্থাপন এবং সরঞ্জাম কেনার নামে গত ১০ বছরে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ লুটপাট হয়েছে দেশে। শহর ও গ্রামে গড়ে ওঠা শত শত ভুঁইফোড় প্রতিষ্ঠান মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিম্নমানের প্যানেল আমদানি করে বেশি দামে বিক্রি করছে। যার অধিকাংশই বসানোর কিছুদিনের মধ্যে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেক প্যানেল দিয়ে একদিনও বাতি জ্বালানো সম্ভব হয়নি। অথচ প্রতিবছর সোলার প্যানেল স্থাপন কর্মসূচিতে যে পরিমাণ চাল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে টাকার অঙ্কে তা ২ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা। দুর্নীতি আর লুটপাট এতে প্রতারিত হচ্ছে গ্রাহকরা। জানা গেছে, ২০১০ সাল থেকে রাজধানীসহ সারা দেশের বহুতল ভবনের ছাদে যেসব সোলার প্যানেল বসানো…
১৯৯৭ সালের ২১ নভেম্বর ভূমিকম্পে চট্টগ্রাম নগরের হামজারবাগে সওদাগর ভিলা নামে পাঁচতলা একটি ভবন ধসে পড়ে। এ ঘটনায় ২৩ জন নিহত হন। বর্তমানেও শহরে অসংখ্য বহুতল ভবন আছে, যেগুলো বিল্ডিং কোড মেনে নির্মাণ করা হয়নি। ফলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে ভবন ধসের ঝুঁকি আছে। সবশেষ ২৬ নভেম্বরের (শুক্রবার) ভূমিকম্পে চট্টগ্রাম নগরীতে দুটি ভবন হেলে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন অবস্থানগত কারণে রিখটার স্কেলে সাত দশমিক পাঁচ থেকে আট দশমিক পাঁচ মাত্রার বড় ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে আছে চট্টগ্রাম। এই মাত্রায় ভূমিকম্প হলে নগরীর দেড় লাখ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। এক্ষেত্রে ভূমিকম্প সহনীয় নয় এমন ভবন চিহ্নিত করে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে এখনই…
বিশেষ প্রজাতির বিষাক্ত গাজর (ডেডলি ক্যারটস) গাছের দেহে থাকা একটি প্রোটিন ভেষজ চিকিৎসার দ্বার খুলে দিয়েছে করোনার মোকাবিলায়। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘ভাইরুলেন্স’-এ। গবেষকরা কাজটি করেছেন গবেষণাগারে বিশেষ ধরনের দ্রবণে কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা কোষের উপর। যাকে বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয় ‘কালচার্ড সেল’। গবেষণায় দেখা গেছে, সেই ভেষজ প্রোটিন রুখে দিতে পারে ডেল্টা-সহ করোনাভাইরাসের সব ক’টি ভেরিয়্যান্ট ও স্ট্রেইনের সংক্রমণ। রুখে দিতে পারে কোষে ভাইরাসের সেই রূপ ও প্রজাতিগুলির দ্রুত হারে বংশবৃদ্ধি বা রেপ্লিকেশনও। বিশেষজ্ঞদের একাংশের বক্তব্য, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে উতরে গেলে এই ভেষজ প্রোটিন আগামী দিনে কোভিড চিকিৎসায় নতুন ওষুধ আবিষ্কারের পথ খুলে দিতে পারে। গাজর গাছের…
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৩ নভেম্বর থেকে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি৷ হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ বা সিসিইউতে রয়েছেন তিনি৷ ডাক্তাররা তাকে বেশ কয়েকবার দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন৷ প্রসঙ্গত, শর্ত সাপেক্ষে জেল থেকে মুক্ত হওয়ার পর ইতিমধ্যেই একাধিকবার খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে৷ এর মধ্যে ২৭ এপ্রিল থেকে টানা ৫৪ দিন তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি৷ এ সময়ে বিভিন্ন সময় তার আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভোগার তথ্য গণমাধ্যমে উঠে আসে৷ কেন বিদেশে নেয়া প্রয়োজন? লিভার সিরোসিসের চিকিৎসায় খালেদা জিয়ার ট্রান্সজুগুলার ইন্ট্রাহেপাটিক পোর্টোসিস্টেমিক সান্ট (টিআইপিএস) করানো প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসক। গত কাল সন্ধ্যা…