…
এডিটর পিক
শ্রেণিকক্ষকে সাধারণত এমন একটি পরিসর হিসেবে কল্পনা করা হয়, যেখানে শিশুর পরিচয় নয়, তার কৌতূহলই…
Trending Posts
-
তিলক থেকে শ্রেণিকক্ষ: পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষা কি পরিচয়ের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র?
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
রেমিট্যান্স বাড়ছে, প্রবৃদ্ধি কমছে: প্রবাসীর ডলারে অর্থনীতি টিকলেও পরিবার কেন স্বস্তিতে নেই?
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
পৃথিবী ছেড়ে সবচেয়ে দূরে: ভয়েজার–১ কেন এখনো মানবসভ্যতার সবচেয়ে সাহসী দূত?
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
ধর্মান্তরের অভিযোগ, প্রার্থনায় হামলা: পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু রাজনীতিতে নতুন ভয়
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments
Trending Posts
-
তিলক থেকে শ্রেণিকক্ষ: পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষা কি পরিচয়ের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র?
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By নিজস্ব প্রতিনিধি | 0 Comments -
রেমিট্যান্স বাড়ছে, প্রবৃদ্ধি কমছে: প্রবাসীর ডলারে অর্থনীতি টিকলেও পরিবার কেন স্বস্তিতে নেই?
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments -
পৃথিবী ছেড়ে সবচেয়ে দূরে: ভয়েজার–১ কেন এখনো মানবসভ্যতার সবচেয়ে সাহসী দূত?
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
ধর্মান্তরের অভিযোগ, প্রার্থনায় হামলা: পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু রাজনীতিতে নতুন ভয়
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬By বিশেষ প্রতিবেদক | 0 Comments
- বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ, তদন্তে সিফাতের বাসায় মিলল ৩ মিটার
- বিএনপি সরকারের ছয় মাস: হত্যা-নারী নির্যাতন বেড়েছে, দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
- অন্যায় দেখে নীরব থাকা কি নিজেই একটি অন্যায়?
- পৃথিবী ছেড়ে সবচেয়ে দূরে: ভয়েজার–১ কেন এখনো মানবসভ্যতার সবচেয়ে সাহসী দূত?
- মানুষের দাঁতে তৈরি ৫,০০০ বছরের হার: অলংকার, ক্ষমতা নাকি মৃত্যুর আচার?
- ধর্মান্তরের অভিযোগ, প্রার্থনায় হামলা: পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু রাজনীতিতে নতুন ভয়
- সত্য যদি সমাজে বিশৃঙ্খলা আনে, তবু কি সত্য বলা উচিত?
- চিকিৎসা নিতে কলকাতায়, রাত কাটছে ফুটপাতে বাংলাদেশিদের
Author: দর্শন ডেস্ক
একটি ব্যস্ত রাস্তায় একজন মানুষকে অপমান করা হচ্ছে। আশপাশে অনেকে দাঁড়িয়ে আছে। কেউ চোখ সরিয়ে নেয়, কেউ ফোনে ব্যস্ত হওয়ার ভান করে, কেউ ভাবে—ঘটনাটি তার বিষয় নয়। কয়েক মিনিট পর সবাই চলে যায়। যে অপমান করেছে, সে বুঝে নেয়: তাকে থামানোর কেউ নেই। যিনি অপমানিত হলেন, তিনি বুঝে নেন: উপস্থিত লোকদের মাঝেও তিনি একা। এ দৃশ্যে অন্যায়কারী কে, তা স্পষ্ট। কিন্তু বাকিদের নৈতিক অবস্থান কী? তারা তো আঘাত করেনি, অপমান করেনি, আদেশও দেয়নি। তারা শুধু নীরব ছিল। এই ‘শুধু’ শব্দটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে নৈতিক দর্শনের একটি কঠিন প্রশ্ন—কোনো কাজ না করাও কি কখনো একটি কাজের সমান নৈতিক অর্থ বহন করে?…
একটি শহর শান্ত। বাজার খোলা, মানুষ কাজে যাচ্ছে, রাষ্ট্রের অনুষ্ঠান যথারীতি চলছে। কিন্তু এই শান্তির নিচে লুকিয়ে আছে এমন একটি সত্য, যা প্রকাশ পেলে সরকারের পতন হতে পারে, মানুষের আস্থা ভেঙে যেতে পারে, রাস্তায় সংঘর্ষ শুরু হতে পারে। একজন সাংবাদিক, বিচারক, বিজ্ঞানী কিংবা সাধারণ নাগরিক সেই সত্যটি জানেন। তাঁর সামনে তখন কঠিন প্রশ্ন—তিনি কি সত্য বলবেন, নাকি সমাজের শান্তির জন্য নীরব থাকবেন? প্রশ্নটি শুনতে সহজ, কিন্তু মানবসভ্যতার সবচেয়ে পুরোনো নৈতিক দ্বন্দ্বগুলোর একটি এর মধ্যে লুকিয়ে আছে। সত্যকে আমরা প্রায় সব সংস্কৃতিতেই নৈতিক গুণ হিসেবে দেখি। শিশুদের শেখানো হয় মিথ্যা বলা অন্যায়। আদালতে সত্য বলার শপথ নেওয়া হয়। সাংবাদিকতা, বিজ্ঞান, বিচার…
গণতন্ত্রের সবচেয়ে পরিচিত দৃশ্যটি খুব সহজ—ভোট হয়, ভোট গণনা করা হয়, যে পক্ষ বেশি ভোট পায় তারা জয়ী হয়। বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ থেকে সংসদ পর্যন্ত আমরা এই পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত। একাধিক মতের মধ্যে কোনো একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে সংখ্যাগরিষ্ঠের মত গ্রহণ করাই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ বলে মনে হয়। কিন্তু একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন রয়ে যায়: সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যা চায়, সেটিই কি ন্যায়? ধরা যাক, কোনো গ্রামের একশ বাসিন্দার মধ্যে নব্বই জন সিদ্ধান্ত নিলেন, বাকি দশজন গ্রামের সাধারণ জলাধার ব্যবহার করতে পারবেন না। সিদ্ধান্তটি ভোটে পাস হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠের স্পষ্ট সমর্থনও রয়েছে। কিন্তু তাই বলে সিদ্ধান্তটি কি ন্যায়সংগত হয়ে গেল? আবার একটি রাষ্ট্রের অধিকাংশ…
কোনো সরকার যখন একটি বই নিষিদ্ধ করে, সংবাদমাধ্যম বন্ধ করে কিংবা প্রতিবাদকারীকে গ্রেপ্তার করে—ক্ষমতার উপস্থিতি সহজেই বোঝা যায়। সেখানে আদেশ আছে, শাস্তি আছে, দৃশ্যমান শাসক আছে। কিন্তু ক্ষমতার সবচেয়ে সফল রূপটি হয়তো এতটা দৃশ্যমান নয়। সেটি আমাদের বলে না কী ভাবতে হবে; বরং কোন বিষয়টি ভাবার যোগ্য, কোন ভাষায় তা ভাবতে হবে এবং কোন প্রশ্নটি ‘অযৌক্তিক’—সেই পরিসরটি আগে থেকেই তৈরি করে দেয়। সেটি সব সময় মুখ বন্ধ করে না; কখনো এমন শব্দ শেখায়, যার বাইরে কথা বলাই কঠিন। কখনো কারাগারে পাঠায় না; বরং এমনভাবে ‘স্বাভাবিক’ ও ‘অস্বাভাবিক’-এর সীমা নির্ধারণ করে যে মানুষ নিজেই নিজেকে সংশোধন করতে শুরু করে। বিদ্যালয় সময়ানুবর্তিতা…
সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনি চা নিলেন, কফি নয়। অফিসে যাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট পথ বেছে নিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও দেখে থেমে গেলেন, অন্যটি এড়িয়ে গেলেন। কাউকে ক্ষমা করলেন, কারও সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে দিলেন। রাতে মনে হলো—সিদ্ধান্তগুলো আপনারই। কিন্তু কেন চা? কেন ওই পথ? কেন ওই ভিডিও? কেন ক্ষমা? আপনার পছন্দের পেছনে হয়তো আছে শৈশবের অভ্যাস, পারিবারিক মূল্যবোধ, ভয়, স্মৃতি, হরমোন, ঘুমের অভাব, আর্থিক অবস্থা, সামাজিক শ্রেণি, ধর্মীয় শিক্ষা, বন্ধুবৃত্ত এবং এমন একটি অ্যালগরিদম—যেটি আপনার নিজের চেয়েও বেশি মনোযোগ দিয়ে আপনার আচরণ পর্যবেক্ষণ করেছে। তাহলে সিদ্ধান্তটি আপনার হলো কীভাবে? আরও গভীর প্রশ্ন: আমাদের প্রতিটি চিন্তা, আকাঙ্ক্ষা ও সিদ্ধান্তের যদি…
কেউ রাস্তায় একটি টাকাভর্তি মানিব্যাগ পেলেন। আশপাশে কেউ নেই, কোনো ক্যামেরাও নেই। মানিব্যাগটি রেখে দিলে তাঁর তাৎক্ষণিক লাভ; মালিককে ফিরিয়ে দিলে হয়তো কোনো পুরস্কারই মিলবে না। তিনি কী করবেন? নৈতিকতার সবচেয়ে পুরোনো প্রশ্নগুলোর একটি এই ছোট্ট ঘটনার মধ্যেই লুকিয়ে আছে: কেউ দেখছে না—তবু মানুষ ভালো কাজ করবে কেন? আরও অস্বস্তিকর প্রশ্ন হলো, ভালো মানুষ হয়ে লাভ কী? সৎ ব্যবসায়ী সুযোগ হারাতে পারেন, নীতিবান কর্মী পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হতে পারেন, সত্যবাদী মানুষ সম্পর্ক নষ্ট করতে পারেন। বিপরীতে প্রতারণা, চাটুকারিতা বা নিষ্ঠুরতার মাধ্যমে অনেককে দৃশ্যত সফল হতে দেখা যায়। তবে নৈতিকতার মূল্য কি তাহলে কেবল পরকালের পুরস্কার, সামাজিক প্রশংসা অথবা শাস্তির ভয়?…
“আমার জন্যই তুমি ভেসে যাও অশ্রুর শহরে, দগ্ধ হও অবর্ণনীয় যন্ত্রণায়, গিয়েছ অভিশপ্ত নগরে৷ ঐশ্বরিক শক্তি, পরম প্রজ্ঞা এবং প্রথম প্রেমের ভেতর আমার জন্ম৷ আমার আগে আর কিছুর অস্তিত্ব ছিলো না৷ তুমি আর আশায় থেকো না৷” এই পঙক্তিগুলো ত্রয়োদশ শতাব্দীর ইতালিয়ান কবি দান্তে আলিঘিয়েরির বিখ্যাত কাল্পনিক মহাকাব্য ‘ডিভাইন কমেডি’ থেকে নেয়া। তিনি এই মহাকাব্যে দোযখের বর্ণনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, দোযখের প্রবেশদ্বারের উপরের অংশে একটা শিলালিপিতে এই পঙক্তিগুলো মুদ্রিত। দান্তের জন্ম ১২৬৫ খ্রিষ্টাব্দে এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেন ১৩২১ খ্রিষ্টাব্দে। ১৩০৮ খিষ্টাব্দ থেকে শুরু করে ১৩২০ খ্রিষ্টাব্দ, এই সময়কালে তিনি এই মহাকাব্যটি লেখেন। পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষ দিকে মহাকাব্যের প্রথম মুদ্রিত সংস্করণ প্রকাশিত…