কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে উদ্বেগও। একসময় যে প্রযুক্তিকে মানুষের কাজ সহজ করার অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে দেখা হয়েছিল, এখন সেই প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ সক্ষমতা নিয়েই উঠছে বড় প্রশ্ন। এআই কি একদিন মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে? নিজেকে নিজে উন্নত করার মতো সক্ষমতা অর্জন করলে কী ঘটতে পারে? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—মানবসভ্যতার জন্য এআই কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে?
সাম্প্রতিক এক সতর্কবার্তা এসব প্রশ্নকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। এআই নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা অ্যানথ্রপিকের শীর্ষ গবেষক ইভান হুবিঙ্গার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, আগামী এক দশকের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ‘সব মানুষকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারে’। তার মতে, এমন চরম পরিস্থিতির সম্ভাবনা ১০ শতাংশের বেশি হতে পারে। তবে তিনি একই সঙ্গে উল্লেখ করেছেন, বর্তমানে বিদ্যমান এআই মডেলগুলোর কারণে এই ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম। মূল উদ্বেগ ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নিয়ে।
হুবিঙ্গারের বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, তিনি শুধু বর্তমান এআইয়ের সক্ষমতা নিয়ে কথা বলেননি; বরং এমন এক ভবিষ্যতের সম্ভাবনার কথা বলেছেন, যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিজেই নিজেকে আরও উন্নত করার ক্ষমতা অর্জন করতে পারে। প্রযুক্তি যদি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায়, যেখানে একটি এআই সিস্টেম মানুষের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ছাড়াই নিজের সক্ষমতা বাড়াতে পারে, তখন সেটিকে নিয়ন্ত্রণ করা কতটা সম্ভব হবে—সেটিই হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
এআইয়ের বর্তমান বিকাশের দিকে তাকালে বোঝা যায়, প্রযুক্তিটি ইতিমধ্যেই মানুষের অনেক জটিল কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম। লেখা তৈরি, ছবি ও ভিডিও নির্মাণ, কোড লেখা, তথ্য বিশ্লেষণ, গবেষণায় সহায়তা, ভাষা অনুবাদ, গ্রাহকসেবা থেকে শুরু করে চিকিৎসা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিভিন্ন ক্ষেত্রেও এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে। প্রতিদিন নতুন নতুন মডেল বাজারে আসছে এবং আগের তুলনায় আরও বেশি তথ্য বিশ্লেষণ ও জটিল সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা অর্জন করছে।
এই দ্রুত অগ্রগতিই একদিকে সম্ভাবনার দরজা খুলে দিচ্ছে, অন্যদিকে তৈরি করছে অনিশ্চয়তা। কারণ মানুষের তৈরি কোনো প্রযুক্তি যখন মানুষের চিন্তা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সমস্যা সমাধানের মতো কাজ করতে শুরু করে, তখন তার ভবিষ্যৎ ক্ষমতার সীমা কোথায় গিয়ে থামবে—তা নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন।
অ্যানথ্রপিকের সাবেক গবেষক জ্যাকব কক্সনের মন্তব্যও সেই উদ্বেগকে আরও তীব্র করেছে। তিনি দাবি করেছেন, কোনো প্রতিষ্ঠানই যথেষ্ট দায়িত্বশীল আচরণ করছে না। তার আশঙ্কা, খুব শিগগিরই এআই এমন ‘অতিমানবীয়’ সক্ষমতার সিস্টেমে পরিণত হতে পারে, যা ব্যাপকভাবে হ্যাকিং করতে পারবে, অল্প সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রকে আমূল পরিবর্তন করতে পারবে এবং বাস্তব ক্ষমতা ও সম্পদ অর্জনের পথ তৈরি করতে সক্ষম হবে।
এই বক্তব্যের গুরুত্ব বোঝার জন্য এআইয়ের ‘এজেন্টিক’ বা স্বায়ত্তশাসিত সক্ষমতার সম্ভাবনার দিকে তাকানো যেতে পারে। বর্তমানে অধিকাংশ এআই মানুষের নির্দেশের ভিত্তিতে কাজ করে। ব্যবহারকারী প্রশ্ন করলে এআই উত্তর দেয়, নির্দেশ দিলে লেখা তৈরি করে বা কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে। কিন্তু ভবিষ্যতে যদি এআইকে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য দেওয়া হয় এবং সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য নিজে থেকে পরিকল্পনা করা, সিদ্ধান্ত নেওয়া, বিভিন্ন ডিজিটাল ব্যবস্থা ব্যবহার করা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়, তাহলে মানুষের সরাসরি তত্ত্বাবধানের প্রয়োজন কমে যেতে পারে।
এখানেই নিরাপত্তার প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। একটি শক্তিশালী এআই যদি ভুল নির্দেশনা অনুসরণ করে, ভুলভাবে কোনো লক্ষ্যকে ব্যাখ্যা করে অথবা এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয় যা মানুষের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, তখন তার প্রভাব সাধারণ সফটওয়্যারের ভুলের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে। কারণ একই সময়ে কোটি কোটি মানুষের ব্যবহৃত অবকাঠামো, আর্থিক ব্যবস্থা, তথ্যব্যবস্থা কিংবা যোগাযোগব্যবস্থার সঙ্গে এআই যুক্ত থাকলে একটি ভুল সিদ্ধান্তের প্রভাবও ব্যাপক হতে পারে।
তবে এআই নিয়ে আলোচনায় একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—ভবিষ্যতের সম্ভাব্য বিপদকে বর্তমানের নিশ্চিত বাস্তবতা হিসেবে দেখা ঠিক নয়। ‘এআই সব মানুষকে হত্যা করবে’—এমন কোনো ঘটনা এখন ঘটছে, এমন দাবি ওই গবেষকের বক্তব্য থেকে করা যায় না। এটি মূলত একটি ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কতা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কোনো সম্ভাব্য বিপদের কথা বলা মানেই সেটি অবশ্যম্ভাবী—এমন নয়।
বরং এ ধরনের সতর্কবার্তার উদ্দেশ্য হতে পারে বিপদ ঘটার আগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা। যেমন বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা শূন্য নয় বলেই নিরাপত্তা পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ও জরুরি প্রোটোকল তৈরি করা হয়েছে। একইভাবে শক্তিশালী এআই ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও আগে থেকেই নিরাপত্তা কাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন।
এআই নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে তাই ‘অ্যালাইনমেন্ট’ বা মানুষের মূল্যবোধ ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে এআইয়ের লক্ষ্যকে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একটি এআই কীভাবে মানুষের নির্দেশ বুঝবে, কীভাবে ক্ষতিকর নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করবে, কীভাবে অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেবে এবং কীভাবে নিশ্চিত করা যাবে যে সেটি নিজের ক্ষমতা এমনভাবে ব্যবহার করবে না যা মানুষের জন্য বিপজ্জনক—এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি রয়েছে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি। অত্যন্ত শক্তিশালী এআই যদি দুর্বলতা শনাক্ত করতে এবং জটিল কম্পিউটার সিস্টেমে কাজ করতে সক্ষম হয়, তাহলে এটি সাইবার প্রতিরক্ষাকে যেমন শক্তিশালী করতে পারে, তেমনি অপরাধীদের হাতেও ভয়ংকর অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুর্বলতা খুঁজে বের করা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ করা কিংবা মানুষের তুলনায় দ্রুত বিভিন্ন ডিজিটাল কার্যক্রম পরিচালনা করার সক্ষমতা প্রযুক্তিকে একই সঙ্গে উপকারী ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।
এআইয়ের আরেকটি বড় ঝুঁকি হলো মানুষের ওপর এর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা। মানুষ যদি ধীরে ধীরে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এআইয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তাহলে ভুল বা পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্তের প্রভাবও বাড়তে পারে। একটি এআই মডেল যতই উন্নত হোক, তার প্রশিক্ষণ-তথ্য, নকশা, ব্যবহারের পরিবেশ এবং মানুষের দেওয়া নির্দেশনার ওপর তার ফলাফল নির্ভর করে। তাই এআইকে নিখুঁত বা ভুলের ঊর্ধ্বে কোনো ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা বিপজ্জনক।
এদিকে এআই নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, অ্যানথ্রপিক তাদের সর্বশেষ এআই মডেলটি যুক্তরাজ্যের এআই সেফটি ইনস্টিটিউটের কাছে দেয়নি। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এআই ঝুঁকি মূল্যায়নকারী সংস্থা হিসেবে পরিচিত। একটি শক্তিশালী নতুন মডেল স্বাধীনভাবে পরীক্ষা ও মূল্যায়নের সুযোগ না পেলে তার সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে বাইরের গবেষকদের ধারণা সীমিত হয়ে যেতে পারে।
অন্যদিকে, এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায়িক স্বার্থ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। জাতিসংঘকে এআই বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া কম্পিউটার বিজ্ঞানী ডেম ওয়েন্ডি হল হুবিঙ্গার ও কক্সনের মন্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। বিবিসি রেডিও ফোরের একটি অনুষ্ঠানে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, এ ধরনের বক্তব্যের কিছু অংশ জনসংযোগ বা বিপণন কৌশলের সঙ্গেও সম্পর্কিত হতে পারে। কারণ অ্যানথ্রপিক ও ওপেনএআই—দুই প্রতিষ্ঠানই বিপুল প্রত্যাশার মধ্যে ভবিষ্যতে শেয়ারবাজারে প্রবেশের দিকে এগোচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই জায়গাটিই এআই বিতর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে। একদিকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মডেলের অভূতপূর্ব সক্ষমতা তুলে ধরে বিনিয়োগ, ব্যবহারকারী ও বাজার তৈরি করতে চাইছে; অন্যদিকে একই প্রতিষ্ঠান বা তাদের গবেষকেরা কখনো কখনো সেই প্রযুক্তির সম্ভাব্য ভয়াবহ ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক করছেন। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য কোন বক্তব্য বৈজ্ঞানিক সতর্কতা আর কোনটি ব্যবসায়িক প্রচারণার অংশ—তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ছে।
তবে সব সন্দেহের ঊর্ধ্বে একটি বিষয় স্পষ্ট—এআই এখন আর ভবিষ্যতের কল্পবিজ্ঞান নয়। এটি বর্তমানের বাস্তব প্রযুক্তি এবং এর ব্যবহার প্রতিদিন বিস্তৃত হচ্ছে। ফলে এআইয়ের উন্নয়ন বন্ধ করে দেওয়া বাস্তবসম্মত সমাধান নয়। বরং প্রয়োজন এমন একটি কাঠামো, যেখানে উদ্ভাবন ও নিরাপত্তা পাশাপাশি এগোবে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা সংস্থাকে এ ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শক্তিশালী এআই মডেল তৈরির পাশাপাশি স্বাধীন নিরাপত্তা পরীক্ষা, ঝুঁকি মূল্যায়ন, তথ্যের স্বচ্ছতা, ব্যবহারকারীর সুরক্ষা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকতে হবে। বিশেষ করে এমন এআই ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন, যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, আর্থিক ব্যবস্থা, সামরিক প্রযুক্তি কিংবা ব্যাপক ডিজিটাল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
এআইকে ভয় পাওয়ার চেয়ে তাকে বুঝে নিয়ন্ত্রণ করার সক্ষমতা তৈরি করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন আবিষ্কার সবসময়ই সম্ভাবনা ও ঝুঁকি—দুই ধরনের বাস্তবতা তৈরি করেছে। বিদ্যুৎ মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে, কিন্তু ভুল ব্যবহারে বিপজ্জনক। ইন্টারনেট বিশ্বকে সংযুক্ত করেছে, আবার সাইবার অপরাধের সুযোগও তৈরি করেছে। একইভাবে এআই মানুষের উৎপাদনশীলতা, বিজ্ঞান, চিকিৎসা ও শিক্ষায় বিপ্লব আনতে পারে, আবার দায়িত্বহীনভাবে ব্যবহৃত হলে বড় ক্ষতির কারণও হতে পারে।
তাই আগামী দশকটি শুধু এআই কত দ্রুত বুদ্ধিমান হবে—তার প্রতিযোগিতা নয়; বরং এআইকে কতটা নিরাপদ, নিয়ন্ত্রিত ও মানবকল্যাণমুখী রাখা যাবে—তারও পরীক্ষা। একজন গবেষকের ১০ শতাংশের বেশি চরম ঝুঁকির আশঙ্কা সত্যি হবে কি না, তা আজ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। কিন্তু এমন সম্ভাবনাকে একেবারে উপেক্ষা করাও দায়িত্বশীলতার পরিচয় হবে না।
সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, প্রযুক্তির শক্তি যত বাড়বে, তার সঙ্গে মানুষের দায়িত্বও তত বাড়তে হবে। এআই যদি মানুষের তৈরি সবচেয়ে শক্তিশালী প্রযুক্তিগুলোর একটি হয়ে ওঠে, তাহলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও হতে হবে মানবসভ্যতার অন্যতম বড় অগ্রাধিকার। কারণ প্রশ্নটি শেষ পর্যন্ত শুধু এআই কতটা বুদ্ধিমান হবে, তা নয়। প্রশ্ন হলো—মানুষ সেই বুদ্ধিমত্তাকে কতটা নিরাপদভাবে পরিচালনা করতে পারবে।
আজকের এআই হয়তো মানুষের বিলুপ্তির কারণ নয়। কিন্তু আগামী দিনের এআই কী করতে পারবে, তা নির্ধারণের অনেকটাই নির্ভর করছে আজ মানুষ কী ধরনের নিয়ম, প্রযুক্তিগত সুরক্ষা এবং নৈতিক কাঠামো তৈরি করছে তার ওপর। সতর্কবার্তাগুলো তাই আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য নয়, বরং প্রস্তুত হওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ হয়তো থামানো যাবে না; কিন্তু সেই ভবিষ্যৎ কতটা নিরাপদ হবে, তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ এখনো মানুষের হাতেই রয়েছে।
আপনার মতামত জানানঃ