…
এডিটর পিক
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কথিত ফোনালাপকে ঘিরে কূটনৈতিক মহলে…
Trending Posts
-
হাসিনা-পুতিন ফোনালাপ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বার্তা?
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
সিফিলিসের ইতিহাস কি ভুল লেখা হয়েছিল? সাড়ে তিন হাজার বছরের কঙ্কালের নতুন সাক্ষ্য
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
হেমলকের পেয়ালা: প্রশ্ন করার অপরাধে কেন মৃত্যুদণ্ড পেয়েছিলেন সক্রেটিস?
সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
হাসিনা-পুতিন ফোনালাপ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বার্তা?
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
সিফিলিসের ইতিহাস কি ভুল লেখা হয়েছিল? সাড়ে তিন হাজার বছরের কঙ্কালের নতুন সাক্ষ্য
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
হেমলকের পেয়ালা: প্রশ্ন করার অপরাধে কেন মৃত্যুদণ্ড পেয়েছিলেন সক্রেটিস?
সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments
- মানুষের যৌনসম্পর্কের শুরু কোথায়, কীভাবে?
- বিশ্বের প্রথম রোবট আন্দোলন হলো পোল্যান্ডে, দাবি কী
- হাসিনা-পুতিন ফোনালাপ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বার্তা?
- ইউক্রেনে পুতিনের তাণ্ডব, ধ্বংসের পথে ইউরোপ
- ঢাকায় ৮ মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
- এআই ব্যবহারে ধীরে ছোট হবে মানুষের মস্তিষ্ক? চিন্তাশক্তি হারিয়ে কি ফিরবে গুহাযুগ?
- হিমালয় দ্রুত গলছে, ঝুঁকিতে ভারতের অর্থনীতি
- সংসদ সদস্যদের কাছে ব্যাংকের পাওনা ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা
Author: অর্থনীতি ডেস্ক
বিশ্বব্যবস্থা বদলানোর কথা বহুদিন ধরেই বলা হচ্ছে। কিন্তু পরিবর্তনটি এখন আর শুধু কূটনৈতিক বক্তৃতা বা সম্মেলনের ঘোষণায় সীমাবদ্ধ নেই। বাণিজ্যপথ, জ্বালানি সরবরাহ, প্রযুক্তির মানদণ্ড, উন্নয়ন অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের পদ্ধতি—সব ক্ষেত্রেই পুরোনো কেন্দ্রগুলোর পাশাপাশি নতুন কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। এই পরিবর্তনের সবচেয়ে দৃশ্যমান মঞ্চগুলোর একটি হয়ে উঠেছে ব্রিকস। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের অষ্টাদশ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন সেই রূপান্তরকে আরও স্পষ্ট করেছে। সম্প্রসারিত জোট এখন ১১টি উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতিকে একত্র করেছে। ব্রিকসের সরকারি হিসাবে সদস্যদেশগুলো বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রায় এক-চতুর্থাংশের প্রতিনিধিত্ব করে। এবারের দিল্লি ঘোষণায় স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জাতীয় পেমেন্ট ব্যবস্থার আন্তঃসংযোগ, নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের…
বাংলাদেশের অর্থনীতির সাম্প্রতিক চিত্র যেন একই ফ্রেমে ধরা দুটি বিপরীত দৃশ্য। একদিকে বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসছে রেকর্ড পরিমাণে। ডলারের বাজারে চাপ কিছুটা কমছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে ভরসা দিচ্ছে প্রবাসীদের আয়। অন্যদিকে দেশের ভেতরে প্রবৃদ্ধির গতি দুর্বল, বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতা, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি মানুষের সংসারের হিসাব এলোমেলো করে দিচ্ছে। রাষ্ট্রের বৈদেশিক লেনদেনের খাতায় স্বস্তির যে রেখা দেখা যাচ্ছে, রান্নাঘরের বাজার কিংবা মাসশেষের হিসাবখাতায় তার প্রতিফলন খুব সামান্য। আগস্টের প্রথম ২৬ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ২৪৫ কোটি ডলার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্সও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। টাকার অবমূল্যায়ন, বৈধ চ্যানেলে পাঠানো অর্থের তুলনামূলক ভালো দর, নগদ প্রণোদনা এবং হুন্ডির বিরুদ্ধে…
বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য রেমিট্যান্স এখন সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক বৈদেশিক মুদ্রার উৎসগুলোর একটি। প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলার প্রবাহ বাড়ছে, বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। কিন্তু এই সাফল্যের আড়ালেই তৈরি হয়েছে আরেকটি অস্বস্তিকর হিসাব। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের বিপরীতে সরকার যে ২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়ার নীতি করেছে, সেই অর্থ ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করলেও সরকারের কাছ থেকে তার পুরো অর্থ সময়মতো ফেরত পাচ্ছে না। ফলে ব্যাংকগুলোর পাওনা এখন ৮ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকার বেশি। প্রশ্নটি তাই শুধু একটি সরকারি বিল বকেয়া থাকার নয়। প্রশ্ন হচ্ছে, যে ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর ভর করে সরকার রেমিট্যান্সের অর্থ…
বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের হিসাবে জুলাই মাসটি শুরু হয়েছে একটি অস্বস্তিকর বৈপরীত্য দিয়ে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম মাসে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ ছাড় হয়েছে ১৮ কোটি ১ লাখ ৮০ হাজার ডলার। অথচ একই সময়ে পুরোনো ঋণের আসল ও সুদ বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ৪৫ কোটি ৩২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। সহজ হিসাবে, প্রাপ্ত প্রতি এক ডলারের বিপরীতে প্রায় ২.৫২ ডলার ফেরত গেছে। গত অর্থবছরের জুলাইয়ে ঋণ ছাড় হয়েছিল ২০ কোটি ৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার। সে হিসাবে এবার ছাড় কমেছে ১৩.৩৯ শতাংশ। বিপরীতে ঋণ পরিশোধ ৪৪ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার থেকে বেড়ে ৪৫ কোটি…
সকালবেলা শ্রমিকেরা যথারীতি কারখানায় আসছেন। হাজিরা দিচ্ছেন, পোশাক বদলাচ্ছেন, উৎপাদনলাইনের সামনে বসছেন। কিন্তু মেশিন চলছে না। বয়লার গরম হচ্ছে না, ডায়িং ইউনিটে কাপড় ঢুকছে না, স্পিনিং মেশিনের বড় অংশ বন্ধ। কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষার পর কাউকে maintenance-এর কাজে লাগানো হচ্ছে, কাউকে বলা হচ্ছে দুপুরেই বাড়ি চলে যেতে। কাগজে তাঁদের চাকরি এখনো আছে। কিন্তু কাজ নেই, ওভারটাইম নেই, কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুরো দিনের আয় নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। বাংলাদেশের চলমান গ্যাস সংকট এতদিন মূলত উৎপাদন, বিদ্যুৎ ও বিনিয়োগের সমস্যা হিসেবে আলোচিত হয়েছে। সাম্প্রতিক পরিস্থিতি দেখাচ্ছে, সংকটটি এখন সরাসরি শ্রমবাজারের দরজায় পৌঁছেছে। কারখানা সাময়িক বন্ধ হওয়া এখনো সর্বত্র স্থায়ী ছাঁটাইয়ে পরিণত হয়নি; কিন্তু শিফট…
বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে শক্তিশালী স্তম্ভ তৈরি পোশাকশিল্প। বৈদেশিক মুদ্রা আয়, শিল্প কর্মসংস্থান, নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ কিংবা গ্রাম থেকে শহরে শ্রমের স্থানান্তর—সব ক্ষেত্রেই গত চার দশকে এই শিল্পের প্রভাব গভীর। কিন্তু ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির যে চিত্র সামনে এসেছে, তা এই দীর্ঘদিনের সাফল্যের ভিত নিয়েই নতুন প্রশ্ন তুলছে। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে ৮ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ইউরোতে নেমেছে। ২০২৫ সালের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ইউরো। অর্থাৎ মাত্র ছয় মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি…
অবসরপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের পাওনা পরিশোধে সরকার একযোগে ১ লাখ ২৩ হাজার ৩২০টি আবেদন নিষ্পত্তির কার্যক্রম শুরু করেছে। এর জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২ হাজার ৩৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। চার বছর ধরে অপেক্ষায় থাকা প্রবীণ শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য এটি অবশ্যই স্বস্তির খবর। কিন্তু ঘোষণাটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে—সরকার হঠাৎ এত অর্থ পাচ্ছে কোথায়? একই সময়ে দুর্বল ব্যাংকে মূলধন দেওয়া হচ্ছে, শিল্প খাতে বড় পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে, জ্বালানি আমদানিতে ভর্তুকি ও বাড়তি ব্যয় হচ্ছে এবং সরকারি বাজেটও সম্প্রসারিত হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বিশ্বের সর্বনিম্নগুলোর একটি। কর আদায় লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় পিছিয়ে, ব্যবসা ও বিনিয়োগও প্রত্যাশিত গতিতে বাড়ছে না। রাজস্ব…
বিশ্ববাজারে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা কোনো পণ্য কি সত্যিই বাংলাদেশে তৈরি, নাকি চীনা পণ্য সামান্য প্রক্রিয়াজাত বা নতুন মোড়ক নিয়ে বাংলাদেশের নামে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছে? এই প্রশ্ন তুলেছে হোয়াইট হাউসের নতুন প্রতিবেদন “দ্য গ্রেট ট্রান্সশিপমেন্ট স্ক্যাম”। প্রতিবেদনে বাংলাদেশসহ ৪০টির বেশি দেশকে চীনা পণ্যের সম্ভাব্য অবৈধ ট্রান্সশিপমেন্ট বা তৃতীয় দেশ ঘুরিয়ে শুল্ক ফাঁকির নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশকে সবচেয়ে বড় ট্রান্সশিপমেন্ট কেন্দ্রগুলোর কাতারে রাখা হয়নি। বরং ‘টিয়ার থ্রি’ বা তৃতীয় স্তরের দেশ হিসেবে দেখানো হয়েছে—যেসব ছোট অর্থনীতি কম খরচের শ্রম, বন্দর, বন্ডেড গুদাম, সীমিত কাস্টমস সক্ষমতা কিংবা মার্কিন বাজারে তুলনামূলক সুবিধাজনক প্রবেশাধিকারের কারণে চীনা রপ্তানিকারকদের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। প্রতিবেদনটি…
আগস্টের প্রথম ১২ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ১৫০ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি প্রায় ৪২ শতাংশ। এই প্রবাহ অব্যাহত থাকলে আগস্টে রেমিট্যান্স ৪০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে—যা দেশের ইতিহাসে এক মাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। রেমিট্যান্স বৃদ্ধির সঙ্গে ব্যাংকগুলোতে ডলারের সরবরাহও বেড়েছে। আমদানি দায় পরিশোধের চাপ তুলনামূলকভাবে কম থাকায় ব্যাংক খাতে ডলারের দর কিছুটা নেমেছে। কিন্তু খোলাবাজারে ডলার এখনো ব্যয়বহুল এবং ব্যাংক ও খোলাবাজারের দরের ব্যবধান পুরোপুরি দূর হয়নি। bdnews24.com সংবাদটি সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য স্বস্তিদায়ক। বেশি রেমিট্যান্স মানে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি, রিজার্ভ গঠনের সুযোগ, আমদানি দায় পরিশোধে সক্ষমতা এবং টাকার বিনিময় হারের…
মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে নোঙর করা একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগল। ক্ষতিগ্রস্ত হলো বয়লার পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত বৈদ্যুতিক কেবল। টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেল। কিছুদিনের মধ্যেই শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ নেমে এলো, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হলো, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি তৈরি হলো এবং বহু কারখানার উৎপাদন অর্ধেকে নেমে গেল কিংবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল। ঘটনাটি প্রশ্ন তুলেছে—মাত্র একটি টার্মিনালের দুর্ঘটনায় কেন প্রায় পুরো দেশের শিল্পব্যবস্থা এতটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে? এর সহজ উত্তর হলো, বাংলাদেশ শুধু গ্যাসসংকটে নেই; দেশটি এমন একটি জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে যেখানে বড় কোনো যন্ত্র,…