…
এডিটর পিক
মানুষকে হত্যা করে তার অস্তিত্ব মুছে ফেলার চেষ্টা—এমন অভিযোগ কোনো সভ্য রাষ্ট্রের জন্যই স্বাভাবিক হতে…
Trending Posts
-
হাসিনা-পুতিন ফোনালাপ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বার্তা?
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
সিফিলিসের ইতিহাস কি ভুল লেখা হয়েছিল? সাড়ে তিন হাজার বছরের কঙ্কালের নতুন সাক্ষ্য
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
বৃহত্তর ব্রিকস, ছোট দেশের প্রশ্ন: নতুন বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশের জায়গা কোথায়?
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
Trending Posts
-
হাসিনা-পুতিন ফোনালাপ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বার্তা?
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬By ডেস্ক রিপোর্ট | 0 Comments -
সিফিলিসের ইতিহাস কি ভুল লেখা হয়েছিল? সাড়ে তিন হাজার বছরের কঙ্কালের নতুন সাক্ষ্য
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬By স্টেটওয়াচ ডেস্ক | 0 Comments -
বৃহত্তর ব্রিকস, ছোট দেশের প্রশ্ন: নতুন বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশের জায়গা কোথায়?
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬By অর্থনীতি ডেস্ক | 0 Comments
- হুথিদের ঠেকাতে মিত্রদের দুয়ারে সৌদি, মিলবে কি সামরিক সহায়তা?
- বিডিআর সাক্ষীসহ অন্তত ১৫ জনকে হত্যা, পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলার অভিযোগ
- পানসুপারি খাওয়ার ইতিহাস ২৫ হাজার বছর পুরনো, যেভাবে শুরু
- আর কত মসজিদ ভাঙবে ভারত
- মানুষের যৌনসম্পর্কের শুরু কোথায়, কীভাবে?
- বিশ্বের প্রথম রোবট আন্দোলন হলো পোল্যান্ডে, দাবি কী
- হাসিনা-পুতিন ফোনালাপ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বার্তা?
- ইউক্রেনে পুতিনের তাণ্ডব, ধ্বংসের পথে ইউরোপ
Author: অর্থনীতি ডেস্ক
বাংলাদেশের পাঁচটি বিপর্যস্ত শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে একীভূত করে গঠন করা হয়েছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক। নতুন ব্যাংকটিকে সচল রাখতে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। অথচ যাদের আমানত ব্যবহার করে ব্যাংকগুলো বছরের পর বছর ব্যবসা করেছে, সেই আমানতকারীদেরই এখন নিজের টাকা তুলতে নানা শর্ত মানতে হচ্ছে। অন্যদিকে, ব্যাংক রেজল্যুশন আইনে এমন একটি ধারা যুক্ত হয়েছিল, যা রেজল্যুশনের আওতায় যাওয়া ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীদের আবারও মালিকানায় ফেরার পথ খুলে দিয়েছিল। প্রবল সমালোচনার মুখে সরকার ধারাটি বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু ঘোষণার এক মাসের বেশি সময় পরও সরকারি বাংলাদেশ কোডে ধারাটি দেখা যাচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের ব্যাংক সংস্কার নিয়ে মূল প্রশ্নটি আর শুধু অর্থের নয়—এই সংস্কারের নিয়ন্ত্রণ…
বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে—সরকারি বক্তব্য ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে এমন একটি আশাবাদের ভিত্তি আছে। রেমিট্যান্স বেড়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ কিছুটা কমেছে, বিনিময় হার আগের তুলনায় স্থিতিশীল এবং বহিঃখাতের ভারসাম্যও উন্নতির দিকে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর একটি নির্বাচিত সরকার, নতুন বাজেট এবং মুদ্রানীতির ধারাবাহিকতা ব্যবসা ও বিনিয়োগে আস্থা ফেরানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কিন্তু অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর সরকারি সংজ্ঞা আর একটি নিম্ন বা মধ্যবিত্ত পরিবারের অভিজ্ঞতা এক নয়। রাষ্ট্র ডলারের রিজার্ভ দিয়ে স্থিতিশীলতা মাপে; পরিবার মাপে চাল, ডাল, ভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতের খরচ দিয়ে। সরকার প্রবৃদ্ধি ও রেমিট্যান্স দেখে; শ্রমজীবী মানুষ দেখেন মাস শেষে হাতে কত টাকা থাকছে। এই দুই…
ইরানে যুদ্ধ হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে, কিন্তু তার অর্থনৈতিক মূল্য বাংলাদেশকেও দিতে হতে পারে। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে হাজার কিলোমিটার দূরে থাকার পরও বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ, বৈদেশিক মুদ্রা, প্রবাসী আয়, শিল্পোৎপাদন ও নিত্যপণ্যের বাজার মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে এত নিবিড়ভাবে যুক্ত যে সেখানে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা দেশের অর্থনীতিতে একসঙ্গে একাধিক ধাক্কা দিতে পারে। দক্ষিণ এশীয় অর্থনৈতিক মডেলিং নেটওয়ার্ক—SANEM-এর একটি নীতি-সমীক্ষায় বলা হয়েছে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে আগামী দুই বছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। তবে এটি নিশ্চিত পতনের পূর্বাভাস নয়; জ্বালানির দাম, রেমিট্যান্স, রপ্তানি ও বিনিয়োগ—একাধিক প্রতিকূলতা একসঙ্গে দেখা দিলে কী ঘটতে পারে, তার একটি ঝুঁকিভিত্তিক হিসাব।…
আন্তর্জাতিক ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা S&P Global Ratings বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সার্বভৌম ঋণমানের পূর্বাভাস ‘স্থিতিশীল’ থেকে ‘নেতিবাচক’ করেছে। তবে এখানে শুরুতেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য পরিষ্কার করা প্রয়োজন—বাংলাদেশের ঋণমান এখনই কমানো হয়নি। সংস্থাটি দেশের দীর্ঘমেয়াদি ঋণমান ‘B+’ এবং স্বল্পমেয়াদি ঋণমান ‘B’ অপরিবর্তিত রেখেছে। বদলেছে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তাদের মূল্যায়ন। অর্থাৎ বর্তমান ঝুঁকিগুলো নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে পরবর্তী ধাপে প্রকৃত ঋণমান কমে যেতে পারে। ২৭ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত মূল্যায়নে S&P দুর্বল ব্যাংক খাত, সরকারের সীমিত রাজস্ব সক্ষমতা, বহির্বিশ্বের প্রতিকূল পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কাকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। S&P Global Ratings এই সিদ্ধান্তকে তাৎক্ষণিক বিপর্যয়ের ঘোষণা হিসেবে দেখার প্রয়োজন নেই। তবে এটিকে…
বাংলাদেশে তীব্র গরম এখন আর নিছক ঋতুগত অস্বস্তি নয়; এটি ধীরে ধীরে একটি অর্থনৈতিক, জনস্বাস্থ্য ও শ্রম-অধিকার সংকটে পরিণত হচ্ছে। প্রচণ্ড তাপ মানুষের শরীর থেকে শুধু ঘাম ঝরাচ্ছে না—কমিয়ে দিচ্ছে কর্মক্ষমতা, বাড়াচ্ছে অসুস্থতা, নষ্ট করছে উৎপাদনশীল সময় এবং অর্থনীতি থেকে সরিয়ে নিচ্ছে বিপুল পরিমাণ সম্পদ। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই ক্ষতির ভার সমাজের সব শ্রেণি সমানভাবে বহন করছে না। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ভবনে বসে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের তুলনায় রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক, কৃষক, পথবিক্রেতা, পোশাকশ্রমিক ও বস্তিবাসীর শরীরেই জলবায়ু সংকটের মূল্য সবচেয়ে বেশি লেখা হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের A Livable Future: Protecting Jobs and Growth from Extreme Heat in South Asia’s Cities প্রতিবেদনের হিসাব অনুযায়ী,…
চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি প্রকাশের পর থেকেই দেশে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। চুক্তির শর্তাবলি যত বিশ্লেষিত হচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে এর ভারসাম্যহীনতা—আর সেই সঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গনে, বিশেষত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকে উঠে আসছে প্রশ্ন ও আপত্তি। চুক্তি স্বাক্ষরের প্রেক্ষাপট ২০২৫ সালে ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করে, যা রপ্তানিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য কেনে, বিপরীতে বাংলাদেশ কেনে মাত্র ২ বিলিয়ন ডলারের—এই ৬ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর চাপ দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ছিল। এই প্রেক্ষাপটেই ৯…
জাপানের সঙ্গে ঐতিহাসিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (EPA) স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক কূটনীতিতে একটি মাইলফলক অর্জন করেছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য জাপানি বাজারে ৭,৩৭৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করেছে । কিন্তু জাপানি বিনিয়োগের এই সম্ভাবনাময় দ্বার উন্মোচিত হওয়ার পরও বাংলাদেশের সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণ এবং বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণে এই স্থিতিশীলতাকেই জাপানের মতো উন্নত বিনিয়োগকারী দেশকে টানতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জাপানি বিনিয়োগের কৌশলগত প্রেক্ষাপট জাপানের সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক শুধু দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি বিস্তৃত আঞ্চলিক কৌশলের অংশ। জাপানের ‘মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক’…
ডলারসংকটের এই সময়ে চীন ও ভারতের সঙ্গে স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেনের সুপারিশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের সংগঠন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে। এমসিসিআই সভাপতি মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল গত বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে দেখা করে এ প্রস্তাব দেয়। গভর্নর তাদের বলেছেন, বিশেষ করে চীন থেকে কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে আমদানিকারকরা যেন চীনা মুদ্রা রেনমিনবি (আরএমবি) ব্যবহার করতে পারেন, এ জন্য পরিপত্র জারি করা হবে। ব্যবসায়ীরা জানান, সর্বশেষ খোলাবাজারে প্রতি ডলার রেকর্ড ১১২ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ডলারসংকটের ফলে ব্যাংকগুলোতে প্রয়োজনীয় ঋণপত্র (এলসি) খোলা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় ডলারের বাজারে…
বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি অস্বাভাবিক দ্রুততায় কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খাদ্য, জ্বালানি ও কাঁচামাল ছাড়া বাদবাকি আমদানি বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক বড় বড় এই সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যার প্রভাব সুদূরপ্রসারী। আমদানি অর্থনীতিকে এভাবে নিরুৎসাহিত করলে ডলার হয়তো বাঁচবে, কিন্তু রপ্তানি বাঁচবে কি? আমাদের রপ্তানিও যে আমদানিনির্ভর! এবং সার্বিকভাবে কর্মসংস্থান এবং অর্থনীতি বাঁচবে কি? অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘাড়ে বন্দুক রেখে অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে চায়। সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ১. ব্যাংকের ডলার ধারণের সীমা (নেট ওপেন পজিশন বা এনওপি) হ্রাস। ২. রপ্তানিকারকের প্রত্যাবাসন কোটায় (ইআরকিউ) ধারণকৃত ডলারের ৫০ শতাংশ নগদায়ন করার বাধ্যবাধকতা। ৩. ইআরকিউ হিসেবে জমা রাখার সীমা কমিয়ে অর্ধেকে নামিয়ে…
সরকারি চাকরিজীবীদের বাইরেও দেশের নাগরিকদের পেনশন–ব্যবস্থার আওতায় আনতে যাচ্ছে সরকার। সরকারি চাকুরেদের বাইরে বেসরকারি চাকরিজীবী বা অন্য পেশার প্রবীণদের জন্য পেনশন সুবিধা নিশ্চিত করার কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২২–এর খসড়া ভেটিং (আইনি যাচাই) সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এখন আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ থেকে আইনি যাচাই করে ঠিক আছে বললে সেটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য পাঠানো হবে। আজ সোমবার(২০ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আলোচিত এ আইনের খসড়াটি অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সাধারণ নিয়ম হলো ১৮…