Author: অর্থনীতি ডেস্ক

ধারাবাহিক লোকসানের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে সরকারি ২৫টি পাটকল। আশ্চর্যের বিষয়, এই পাটকল বন্ধের কারণে ৫০ হাজারের বেশি শ্রমিক বেকার হলেও কর্মকর্তারা বহাল তবিয়তেই আছেন। বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) প্রায় তিন হাজার কর্মকর্তা–কর্মচারী পাটকলের চাকা না ঘুরলেও প্রায় বসে বসেই বেতন নিচ্ছেন। এদিকে, পেরিয়ে গেছে আট মাস। অথচ বন্ধ করার পর বিনিয়োগের অভাবে এখনও পাটকলগুলো চালু করতে পারেনি সরকার। শ্রমিকের পাওনা শোধ করতে পারেনি বিজেএমসি। মানবেতর জীবনযাপন করছেন শ্রমিকেরা। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের ইজারা দিয়ে বন্ধ পাটকল চালু করার পরিকল্পনা থাকলেও তা হয়নি।  পাওনা বুঝে পাননি পাঁচ হাজার শ্রমিক  এখনও অব্দি পাওনা বুঝে পাননি পাঁচ হাজার শ্রমিক। অন্তত ২০০ শ্রমিকের নামে এখনও…

Read More

বাংলাদেশের স্বাধীনতার বছর ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়। বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। সাধারণত উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে যেসব দেশ তুলনামূলক দুর্বল, সেসব দেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দীর্ঘ এতগুলো বছর ধরে বাংলাদেশ একটি স্বল্পোন্নত দেশ হিসাবেই ছিল। অবশেষে গত ২২-২৬ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) বৈঠকে বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছে। সাধারণত সিডিপির চূড়ান্ত সুপারিশের ৩ বছর পর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে চূড়ান্ত স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ বিবেচনায় ২০২৪ সালে এই তালিকা থেকে বাংলাদেশের বের হওয়ার কথা থাকলেও করোনার প্রভাব মোকাবিলায় আরও ২ বছর বেশি সময় চেয়েছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ,…

Read More

চীনের গবেষণাগার থেকে মহামারি করোনাভাইরাস উদ্ভব এবং ছড়িয়েছিল বলে পশ্চিমা বিশ্ব বিভিন্ন সময় অভিযোগ তুলে এসেছে। যদিও এই অভিযোগ জাতিসংঘসহ বিশ্লেষকরা তেমন কোনো যুক্তি খাড়া করতে পারেনি, পারেনি প্রমাণ করতেও। তবে চীন থেকে প্রথম করোনা ছড়ালেও এই সংকটকালীন মুহূর্তে চীনের অর্থনীতি ছিল সচল। এমনকি বিশ্লেষক ও গবেষকদের মতে করোনাকালীন সময়ে চীনের অর্থনৈতিক বাজার অনুকূলে ছিল। করোনা মহামারির কারণে ইউরোপ যেসব দেশের সঙ্গে বাণিজ্য করে সেসব দেশের সাথে বাণিজ্য বড় রকমের ধাক্কা খেলেও, চীনের সঙ্গে ইউরোপের বাণিজ্যে সেভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। মহামারির বছরে একমাত্র দেশ চীন, যে দেশের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আমদানি রফতানি রেকর্ড বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রকে হটিয়ে মহামারির বছরই ইইউ’র বৃহত্তম…

Read More

করোনা সঙ্কটকালে নতুন বাজার খুঁজতে দেশের পোশাক শিল্প মালিকদের প্রতি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের নতুন নতুন বাজারে ঢুকতে হবে। যদি আমরা ঠিকমতো নতুন বাজারে ঢুকতে পারি, তাহলে হয়ত সঙ্কট কিছুটা কমতে পারে। শনিবার (১৬ জানুয়ারি) বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি আয়োজিত ‘রিকভারি অব দ্য অ্যাপারেল সেক্টর ফ্রম কোভিড-১৯ ক্রাইসিস : ইস অ্যা ভ্যালু চেইন বেইসড সল্যুশন পসিবল?’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক সঙ্কট সামাল দিলেও এখন মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। এই ঢেউয়ে সঙ্কট আরও গভীরে পৌঁছেছে। এর ফলে ক্রেতারা এখন অর্ডারের পরিমাণ ও মূল্য কমিয়ে দিয়েছে। এতে সঙ্কট…

Read More

সাধারণত মেয়াদি ঋণ, চলতি মূলধন ইত্যাদি ঋণ নিতে গেলে ব্যাংক জামানত চায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে জমি ও ভবনই জামানত হিসেবে গণ্য করা হয়। এর পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত জামানত, সঞ্চয়পত্রের সনদ ও ডিপিএসের বিপরীতে ঋণ বিতরণ করে ব্যাংক। তবে সেগুলো ব্যবসায়িক ঋণের বেলায় প্রযোজ্য হয় না। সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছেন, উদ্যোক্তা বা ব্যবসায়ী যে পরিমাণ ঋণ নিতে চান, তার চেয়ে বেশি মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি জামানত হিসেবে ব্যাংককে দিতে হয়। ফলে ছোট উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা পর্যাপ্ত জামানতের অভাবে প্রয়োজনীয় ঋণও পান না। এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির পাশাপাশি অস্থাবর সম্পত্তিও ঋণের জামানত হিসেবে গণ্য করার জন্য আইন করা হচ্ছে। এর ফলে নতুন ও…

Read More

চলমান সপ্তম পাঁচশালা তথা পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার চেয়ে সদ্য অনুমোদিত অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা ১৬ লাখ কমিয়ে ধরা হয়েছে। যদিও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রতিবেদন অনুযায়ী এ সময় ১৮ থেকে ১৯ লাখ লোক বছরে শ্রমবাজারে যুক্ত হবেন। গত জুনে শেষ হওয়া সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (২০১৫-২০) সরকার ১ কোটি ২৯ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিল। অষ্টম পঞ্চমবার্ষিক পরিকল্পনায় ১ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার কর্মসংস্থানের কথা বলা হয়েছে। এদিকে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ শেষে জানানো হয়েছে, ওই পরিকল্পনায় প্রতিশ্রুত ১ কোটি ২৯ লাখের বিপরীতে ৯৫ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি করতে পেরেছে সরকার। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৪ লাখ কর্মসংস্থান কম হয়েছে ওই পাঁচ…

Read More

খেলাপি ঋণের বোঝা জেঁকে বসেছে ব্যাংকগুলোর ঘাড়ে। আগামী জানুয়ারিতে খেলাপি ঋণে যোগ হতে পারে আরো প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলেও কোনো ঋণ নতুন করে খেলাপি করা হচ্ছে না। ঋণ গ্রহীতাদের সক্ষমতা কমায় কিস্তি পরিশোধও আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ কমেছে দেড় হাজার কোটি টাকা। কিন্তু খেলাপি ঋণের আগের ধাপে রয়েছে আরও প্রায় সাড়ে ৪৪ হাজার কোটি টাকা। আগামী জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এই ছয় মাসের মধ্যে এসব ঋণ আদায় বা নবায়ন না হলেই সেগুলো খেলাপিতে পরিণত হবে। খেলাপি ঋণ ও প্রভিশনিং বিষয়ক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৈরি একটি প্রতিবেদন থেকে…

Read More

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের পর খাদ্যমূল্য ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। ভোজ্যতেল, খাদ্যশস্য, চিনি, আমিষ ও দুগ্ধপণ্যের মতো জরুরি খাদ্যের প্রায় সবের দামই বাড়তির দিকে। এভাবে খাদ্যমূল্যের বৃদ্ধি হতদরিদ্রদের জরুরি খাদ্য চাহিদ পূরণের পথে প্রতিবন্ধক হয়ে উঠেছে। জাতিসংঘ সম্প্রতি জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিশ্বে হতদরিদ্রের সংখ্যা ৪০ শতাংশ বেড়ে গেছে। এসব মানুষের খাদ্য ও জরুরি চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে তারা। এর মধ্যেই জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) জানাল, বিশ্বজুড়ে গত ছয় মাস ধরেই খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ছে। তবে গত নভেম্বর মাসে যতটা বেড়েছে, ছয় বছরের মধ্যে এমনটা দেখা যায়নি। প্রতি মাসে খাবারের দাম সারা বিশ্বে কিভাবে ওঠানামা করে, তার হিসাব রাখে জাতিসংঘের এই সংস্থাটি।…

Read More

দেশের বেশিরভাগ ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবস্থাই খারাপ অবস্থানে চলে গেছে। মূলধন ঘাটতিতে পড়েছে অন্তত ১০টি ব্যাংক। ব্যাংকবহির্ভূত ১১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে বিপজ্জনক স্তরে। ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় ঢুকেছে আরো ১৮টি। এ অবস্থায় পুঁজিবাজারেও চলছে তহবিল সংকট। দুর্নীতি, অনিয়মই এই সংকট সৃষ্টিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার নানা উদ্যোগ নিলেও, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান রক্ষায় সরকারের পদক্ষেপের দুর্বলতাও দেখছেন অনেকেই। জানা গেছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয় অনুযায়ী আয় হচ্ছে না। ঋণ আদায় কমে গেছে। আবার কমেছে আমানতের পরিমাণ। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের দায়দেনা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি কমেছে সম্পদের পরিমাণ। এর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য। কমেছে ব্যাংকিং লেনদেনও।…

Read More