ভারতের উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরে একটি পুরোনো মসজিদ ভেঙে ফেলার ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে তৈরি হয়েছে আইন, ইতিহাস, ধর্মীয় অধিকার ও প্রশাসনিক ক্ষমতার প্রশ্ন। গত ৫ সেপ্টেম্বর সাহারানপুর কালেক্টরেট কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকায় থাকা মসজিদটি প্রশাসনের উদ্যোগে ভেঙে ফেলা হয়। প্রশাসনের দাবি, সরকারি জমিতে অনুমোদন ছাড়া নির্মাণ করা হয়েছিল স্থাপনাটি। অন্যদিকে মসজিদ কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এটি একশো বছরেরও বেশি পুরোনো একটি উপাসনালয় এবং আদালতের আদেশকে যথাযথভাবে ব্যাখ্যা না করেই তড়িঘড়ি করে তা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
মসজিদটি ভেঙে ফেলার পর জায়গাটি ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশও সীমিত করা হয়েছে। একসময় যেখানে স্থানীয় মুসলমানেরা নামাজ আদায় করতেন, এখন সেখানে পড়ে আছে ধ্বংসের স্মৃতি। স্থানীয় বাসিন্দা শরিফ আহমেদ জানিয়েছেন, তিনি ছোটবেলা থেকে ওই মসজিদে নামাজ পড়েছেন। তাঁর বাবা ও দাদাও সেখানে নামাজ আদায় করতেন। তাঁর কাছে এটি শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং পরিবারের বহু প্রজন্মের ধর্মীয় ও সামাজিক স্মৃতির অংশ।
এই ঘটনার বিশেষ দিক হলো, মসজিদ ভাঙার সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর স্থাপনাটিকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু মসজিদপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, আদালতের আদেশ ছিল মূলত সরকারি জমি ‘দখলমুক্ত’ করার বিষয়ে; সরাসরি মসজিদ ভেঙে ফেলার নির্দেশ সেখানে ছিল না। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, দখলমুক্ত করার আদেশকে কি স্থাপনা ভেঙে ফেলার অনুমতি হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
ঘটনার সূত্রপাত উত্তর প্রদেশে বজরং দলের সাবেক আহ্বায়ক বিকাশ ত্যাগীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। গত বছরের ২৪ মার্চ উত্তর প্রদেশ পাবলিক প্রিমিসেস বা সরকারি প্রাঙ্গণ থেকে অননুমোদিত দখলদার উচ্ছেদ আইনের অধীনে সিটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ শুনানির পর চলতি বছরের ১৭ জুলাই সিটি ম্যাজিস্ট্রেট ওই স্থাপনাকে সরকারি জমিতে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা হিসেবে ঘোষণা করেন এবং জমি দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেন।
এই আদেশের বিরুদ্ধে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে জেলা আদালতে আবেদন করা হয়। প্রায় দেড় মাস শুনানির পর গত ২ সেপ্টেম্বর জেলা জজের আদালত সেই আবেদন খারিজ করে সিটি ম্যাজিস্ট্রেটের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। এর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে, ৫ সেপ্টেম্বর মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়। সময়ের এই ব্যবধানই এখন বিতর্কের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু।
মসজিদপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, আদালতের আদেশ অনুযায়ী নোটিশ দেওয়ার পর নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই প্রশাসন স্থাপনাটি ভেঙে ফেলে। প্রবীণ আইনজীবী পারভেজ জব্বার প্রশ্ন তুলেছেন, যদি উদ্দেশ্য শুধু জমি দখলমুক্ত করা হয়ে থাকে, তাহলে এত দ্রুত কেন স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো? তাঁর মতে, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে আরও কিছু সময় পাওয়ার কথা ছিল।
আইনজীবী নওশাদ আলীর বক্তব্য আরও স্পষ্ট। তাঁর দাবি, দখলমুক্ত করার কাজ এবং স্থাপনা ভেঙে ফেলা এক বিষয় নয়। প্রশাসন চাইলে প্রথমে মসজিদের ভেতরে থাকা ধর্মীয় সামগ্রী, জেনারেটর, নামাজের চাটাই, কোরআন শরিফ ও অন্যান্য জিনিস নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে পারত। কিন্তু তা না করে দুই পাশের গেট বন্ধ করে পুরো এলাকা সিল করে দেওয়া হয় এবং কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়।
মসজিদের তত্ত্বাবধায়ক তানভীর আহমেদও একই ধরনের অভিযোগ করেছেন। তাঁর মতে, প্রশাসন যদি সত্যিই শুধু জায়গাটি খালি করতে চাইত, তাহলে মসজিদের ভেতরে থাকা জিনিসপত্র সরানোর সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল। ধর্মীয় গ্রন্থ ও ব্যবহার্য সামগ্রী ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পড়ে থাকা নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে প্রশাসনের বক্তব্য, তারা সব ধরনের আইনি বিধান ও প্রক্রিয়া মেনেই ব্যবস্থা নিয়েছে। সাহারানপুরের ডিআইজি অভিষেক সিং সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সিটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ওই নির্মাণকে সরকারি জমিতে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছিল এবং মসজিদ কমিটির আবেদনও আদালত খারিজ করে দিয়েছিল। প্রশাসনের মতে, আদালতের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতেই স্থাপনাটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এখানেই মূল প্রশ্নটি আরও জটিল হয়ে ওঠে। আদালত কি শুধু জমি দখলমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল, নাকি স্থাপনা সরিয়ে ফেলার ক্ষমতাও সেই আদেশের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল? এই প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টে শুনানি চলছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ ও পরবর্তী নির্দেশনার ওপর নির্ভর করছে প্রশাসনের পদক্ষেপ কতটা আইনসম্মত ছিল, তার ব্যাখ্যা।
মসজিদটির বয়স নিয়েও রয়েছে নানা দাবি। স্থানীয় মুসলমানদের বক্তব্য, এটি একশো বছরেরও বেশি পুরোনো। কেউ কেউ দাবি করেছেন, মসজিদটি ব্রিটিশ আমলের এবং ১৯৪৭ সালের আগেও সেখানে উপাসনা চলত। ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া কিছু ইটের গায়ে ১৯০৬, ১৯০৯, ১৯১১ ও ১৯১৩ সালের উল্লেখ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের কাছে এসব সাল মসজিদের প্রাচীনত্বের প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে ইতিহাসবিদদের মতে, শুধু ইটের গায়ে লেখা সাল দেখেই কোনো ভবনের নির্মাণকাল নিশ্চিত করা যায় না। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসবিদ অধ্যাপক নাদিম রিজভির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ইট তৈরির সময় এবং সেই ইট দিয়ে ভবন নির্মাণের সময় এক নাও হতে পারে। পুরোনো কোনো ভবন ভেঙে পাওয়া ইটও পরবর্তী সময়ে অন্য স্থাপনা তৈরিতে ব্যবহার করা সম্ভব। তাই কোনো স্থাপনার বয়স নির্ধারণ করতে ইটের আকার, গঠন, গাঁথুনির উপকরণ ও নির্মাণশৈলী পরীক্ষা করা জরুরি।
প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপের সময় সেখানে লাখোরি ইট এবং চুন-সুরকির মতো নির্মাণ উপকরণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে আর্কিওলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার একটি দল। লাখোরি ইট উত্তর-মধ্য গাঙ্গেয় উপত্যকার পুরোনো স্থাপত্যে ব্যবহৃত হতো। তবে এই তথ্যও একা মসজিদটির নির্দিষ্ট নির্মাণকাল প্রমাণ করে না। এর জন্য প্রয়োজন আরও বিস্তৃত প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক পরীক্ষা।
মসজিদের জমির মালিকানা নিয়েও বিরোধ রয়েছে। মসজিদপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, রাজস্ব রেকর্ডে জমিদার ওয়াহিদ খান ও ইয়াকুব খানের নাম রয়েছে। খসড়া নম্বর ৫৩৯-এ কালেক্টরেট, আদালত ও মসজিদের উপস্থিতির উল্লেখ ছিল বলেও তাঁরা দাবি করেছেন। তবে উত্তর প্রদেশের সরকারি পোর্টালে ওই রেকর্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে জমিটির প্রকৃত মালিকানা নিয়ে এখনো নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
মসজিদপক্ষ আরও দাবি করেছে, ১৯৫৫ সালে স্থাপনাটি ওয়াকফ বোর্ডে নিবন্ধিত হয়। পাশাপাশি ১৯৬০ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের ডাক বিভাগ ওই সম্পত্তির দুটি ঘর ভাড়া নিয়ে পোস্ট অফিস পরিচালনা করেছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। এ নিয়ে মসজিদ ও ডাক বিভাগের মধ্যে ইজারা চুক্তি ছিল বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন। তাঁদের যুক্তি, সরকারি সংস্থা যদি কোনো সম্পত্তি ভাড়া নিয়ে থাকে, তাহলে সেই সময় নিশ্চয়ই মালিকানা ও নথিপত্র যাচাই করা হয়েছিল।
তবে ওয়াকফে কোনো সম্পত্তির নিবন্ধন এবং সেই সম্পত্তির মূল মালিকানা এক বিষয় নয়। কোনো সম্পত্তি ওয়াকফ হিসেবে নিবন্ধিত হলেই তার মালিকানা নিয়ে সব প্রশ্নের সমাধান হয়ে যায় না। মূল রাজস্ব রেকর্ড, জমির দলিল, প্রশাসনিক নথি এবং ঐতিহাসিক প্রমাণ—সবকিছু একসঙ্গে পরীক্ষা করেই মালিকানা নির্ধারণ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে সেই পূর্ণাঙ্গ যাচাই হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
ঘটনাটিকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে। বিরোধী দলের কয়েকজন নেতা অভিযোগ করেছেন, তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যেতে চাইলেও তাঁদের গৃহবন্দি করা হয়েছিল। কংগ্রেসের সংসদ সদস্য ইমরান মাসুদ দাবি করেছেন, মসজিদ ভাঙার ক্ষেত্রে আইন ও নিয়ম যথাযথভাবে মানা হয়নি। তিনি ধর্মীয় উপাসনালয় ভেঙে ফেলার মতো পদক্ষেপকে কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন।
অন্যদিকে বিজেপির স্থানীয় নেতা রাজীব গুম্বারের বক্তব্য, বিষয়টি আদালতে গিয়েছিল এবং আদালত ওই স্থাপনাকে সরকারি জমিতে অবৈধ নির্মাণ হিসেবে বিবেচনা করেছে। তাঁর মতে, আদালতের সিদ্ধান্ত মেনে চলা উচিত। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনেও ঘটনাটি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য সামনে এসেছে।
এখানে ১৯৯১ সালের উপাসনালয় বিশেষ বিধান আইনের প্রসঙ্গও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ওই আইনের ধারা ৪(১) অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট কোনো উপাসনালয়ের ধর্মীয় পরিচয় বা বৈশিষ্ট্য যেমন ছিল, তা বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে এই আইনের অর্থ এমন নয় যে কোনো ধর্মীয় স্থানের জমির মালিকানা, নির্মাণের বৈধতা বা সরকারি জমিতে দখল নিয়ে সব ধরনের বিরোধ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। তাই সাহারানপুরের ক্ষেত্রে দুটি আলাদা প্রশ্ন সামনে এসেছে—১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট সেখানে মসজিদ ছিল কি না এবং জমিটির বৈধ মালিক কে ছিলেন?
এই দুই প্রশ্নের উত্তর পেতে প্রয়োজন পুরোনো সরকারি রেকর্ড, ওয়াকফ নথি, রাজস্ব খতিয়ান, জমির দলিল, আদালতের আদেশ এবং প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ। কোনো পক্ষের মৌখিক দাবি বা রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে এমন জটিল বিষয় নিষ্পত্তি করা সম্ভব নয়।
মসজিদ ভেঙে ফেলার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে কোরআন শরিফের ছেঁড়া পৃষ্ঠা, নামাজের মাদুর, টুপি, ধর্মীয় মালা, পোশাক ও অন্যান্য সামগ্রী পাওয়ার কথা জানিয়েছেন স্থানীয়রা। কেউ কেউ এসব সামগ্রী সংগ্রহ করে বাড়িতে নিয়ে গেছেন, আবার কিছু ধর্মীয় পৃষ্ঠা কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন। এসব দৃশ্য স্থানীয় মানুষের আবেগ ও ক্ষোভকে আরও তীব্র করেছে।
বর্তমানে এলাহাবাদ হাইকোর্ট উত্তর প্রদেশ সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে। একই সঙ্গে ছয় কোটি ৫১ লাখ টাকার বেশি অর্থ পুনরুদ্ধারের বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ অক্টোবর হওয়ার কথা।
সাহারানপুরের এই ঘটনা শুধু একটি মসজিদ ভাঙার ঘটনা নয়; এটি ভারতের ধর্মীয় স্থাপনা, সরকারি জমি, ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার, ওয়াকফ সম্পত্তি এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার প্রয়োগ নিয়ে বৃহত্তর বিতর্কের অংশ হয়ে উঠেছে। একটি স্থাপনা অবৈধ কি না, তার মালিকানা কার, আদালতের নির্দেশের প্রকৃত অর্থ কী এবং উচ্ছেদের আগে সব আইনি ধাপ মানা হয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করবে নথি ও বিচারিক পর্যালোচনার ওপর।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ধর্মীয় স্থাপনা নিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্তে আইন, স্বচ্ছতা ও মানবিকতার সমন্বয় থাকা প্রয়োজন। কোনো স্থাপনা সত্যিই অবৈধ হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি, ঐতিহাসিক স্মৃতি, নথিপত্র ও আইনি অধিকারকে উপেক্ষা করা হলে বিরোধ আরও গভীর হতে পারে। সাহারানপুরের মসজিদ নিয়ে চলমান বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি তাই শুধু একটি স্থাপনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে না; বরং ধর্মীয় সম্পত্তি ও প্রশাসনিক জবাবদিহি নিয়ে বৃহত্তর প্রশ্নেরও উত্তর দেবে।
আপনার মতামত জানানঃ